
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জনপ্রিয় টকশো ‘জনতার দরবার’ অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকতার নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত এবং গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী মনীষা বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে এ প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন তিনি।
বাসদ এর বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক ও প্রার্থী মনীষার অভিযোগ, অনুষ্ঠান পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট চ্যানেলটি পেশাদারত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এক ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণকে প্রশ্রয় দিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠানের মাঝপথে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরে যেতে বলা হয়। এ সময় চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানায়, প্রতি পর্বে একজন অতিথি পর্যায়ক্রমে বাইরে যাবেন এবং পরে আবার যুক্ত হবেন।
কিন্তু পরে মনীষা লক্ষ্য করেন, অন্য কোনো অতিথির ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেনি। তাঁর মতে, ‘এটি ছিল একটি মিথ্যা অজুহাত, যা স্বচ্ছতা ও সততার ঘাটতিরই প্রমাণ’। আরো গুরুতর অভিযোগ হিসেবে তিনি নারীবিদ্বেষকে প্রশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
ডা. মনীষার ভাষ্য অনুযায়ী, বরিশাল-৫ আসনের চরমোনাইয়ের একজন প্রার্থী একজন নারীর সঙ্গে একই মঞ্চে বসে আলোচনা করতে অস্বস্তি বোধ করায় তাঁকে (মনীষা) সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘এটি নারীবিদ্বেষের একটি চরম বহিঃপ্রকাশ, আর চ্যানেল কর্তৃপক্ষ সেই মনোভাবকে সমর্থন করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি এটিকে সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী, অসৌজন্যমূলক ও অনভিপ্রেত আচরণ হিসেবে আখ্যা দেন।
কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই একজন আমন্ত্রিত অতিথিকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া পেশাদার সাংবাদিকতার মানদণ্ডের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ডা. মনীষা আরো বলেন, যদি আগে থেকেই তাঁকে জানানো হতো যে অনুষ্ঠানে এমন একজন অতিথি থাকবেন, যিনি নারীর সঙ্গে বসতে অনিচ্ছুক এবং সেই কারণে তাঁকে সরে যেতে হতে পারে, তাহলে তিনি ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন না।
অতিথিকে এমন শর্ত বা পরিস্থিতি সম্পর্কে আগাম না জানানোও সাংবাদিকতার নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী বলেন, যিনি জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ, অর্থাৎ নারীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করতে পারেন না, তিনি আদৌ সব মানুষের প্রতিনিধি হতে পারেন কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। তাঁর মতে, এমন মনোভাবকে জায়গা দিয়ে সংশ্লিষ্ট চ্যানেল একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ নজির স্থাপন করেছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বাসদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের জনপ্রিয় টকশো ‘জনতার দরবার’ অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকতার নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল-৫ আসনের প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত এবং গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী মনীষা বুধবার রাতে ফেসবুক লাইভে দেওয়া বক্তব্যে এ প্রশ্ন তোলেন। একই সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন তিনি।
বাসদ এর বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক ও প্রার্থী মনীষার অভিযোগ, অনুষ্ঠান পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট চ্যানেলটি পেশাদারত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং এক ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণকে প্রশ্রয় দিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, অনুষ্ঠানের মাঝপথে তাঁকে মঞ্চ থেকে সরে যেতে বলা হয়। এ সময় চ্যানেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে জানায়, প্রতি পর্বে একজন অতিথি পর্যায়ক্রমে বাইরে যাবেন এবং পরে আবার যুক্ত হবেন।
কিন্তু পরে মনীষা লক্ষ্য করেন, অন্য কোনো অতিথির ক্ষেত্রে এমনটি ঘটেনি। তাঁর মতে, ‘এটি ছিল একটি মিথ্যা অজুহাত, যা স্বচ্ছতা ও সততার ঘাটতিরই প্রমাণ’। আরো গুরুতর অভিযোগ হিসেবে তিনি নারীবিদ্বেষকে প্রশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন।
ডা. মনীষার ভাষ্য অনুযায়ী, বরিশাল-৫ আসনের চরমোনাইয়ের একজন প্রার্থী একজন নারীর সঙ্গে একই মঞ্চে বসে আলোচনা করতে অস্বস্তি বোধ করায় তাঁকে (মনীষা) সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘এটি নারীবিদ্বেষের একটি চরম বহিঃপ্রকাশ, আর চ্যানেল কর্তৃপক্ষ সেই মনোভাবকে সমর্থন করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ তিনি এটিকে সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী, অসৌজন্যমূলক ও অনভিপ্রেত আচরণ হিসেবে আখ্যা দেন।
কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই একজন আমন্ত্রিত অতিথিকে এভাবে সরিয়ে দেওয়া পেশাদার সাংবাদিকতার মানদণ্ডের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ডা. মনীষা আরো বলেন, যদি আগে থেকেই তাঁকে জানানো হতো যে অনুষ্ঠানে এমন একজন অতিথি থাকবেন, যিনি নারীর সঙ্গে বসতে অনিচ্ছুক এবং সেই কারণে তাঁকে সরে যেতে হতে পারে, তাহলে তিনি ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন না।
অতিথিকে এমন শর্ত বা পরিস্থিতি সম্পর্কে আগাম না জানানোও সাংবাদিকতার নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন তিনি।
বক্তব্যের শেষাংশে ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী বলেন, যিনি জনসংখ্যার অর্ধেক অংশ, অর্থাৎ নারীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করতে পারেন না, তিনি আদৌ সব মানুষের প্রতিনিধি হতে পারেন কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন। তাঁর মতে, এমন মনোভাবকে জায়গা দিয়ে সংশ্লিষ্ট চ্যানেল একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ নজির স্থাপন করেছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বাসদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:১৪
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা কার্যালয়ে যান।
প্রতিনিধিদলে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলার এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, অত্যন্ত আন্তরিকতা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সাক্ষাৎকারটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারা বাংলাদেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প-বাণিজ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আমিরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন ও আমিরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা কার্যালয়ে যান।
প্রতিনিধিদলে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও ইকোনমিক কনসোলার এরিক গিলম্যান, পাবলিক অফিসার মনিকা এল সাই, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এক বিবৃতিতে বলা হয়, অত্যন্ত আন্তরিকতা ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সাক্ষাৎকারটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারা বাংলাদেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, শিল্প-বাণিজ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর ইতিবাচক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে উভয় দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আমিরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. মোবারক হোসাইন ও আমিরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৭
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩২
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.