
১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:০৯
বরিশালের বাবুগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে আইএফআইসি ব্যাংকের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বুধবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখায় ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন অগ্রণী ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ হুমায়ুন কবির।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখা ইনচার্জ মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাহিদা আক্তার, শিক্ষক সাধনা রায় চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান দিপু সিকদার, ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইমাম মাওলানা হাবিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের সুপ্রাচীন একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। দেশের ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে টালমাটাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কিছু ব্যাংক গ্রাহকদের বড় অংকের টাকা দিতে পারছে না। তবে আইএফআইসি ব্যাংক নিয়ে ভাবনার কিছু নেই। এই ব্যাংক কখনো বন্ধ কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আইএফআইসি ব্যাংক দীর্ঘ ৪৯ বছর দেশের অনেক খারাপ সময় পার করে, অনেক উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়ে আজো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখা ইনচার্জ মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক একটি সেরা লাভজনক ব্যাংক। এই ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মুনাফা দিয়ে থাকে। জমার উপরে দৈনিক ভিত্তিতে মুনাফা দেওয়া হয়, যা মাস শেষে গ্রাহকের হিসাবে জমা হয়। আইএফআইসি ব্যাংকের অনেকগুলো আকর্ষণীয় ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। এরমধ্যে মাসিক ইনকাম স্কিম (MIS), ডাবল ডিপোজিট স্কিম (DRDS), IFIC আমার ভবিষ্যৎ স্কিম এবং বিভিন্ন মেয়াদি ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম (FDR) অত্যন্ত লাভজনক এবং জনপ্রিয় স্কিম। এছাড়াও আইএফআইসি ব্যাংকের কার্ড দিয়ে দেশের সকল এটিএম বুথ থেকে যেকোনো সময় ফ্রি টাকা তোলা যায়। বর্তমানে সারাদেশে আইএফআইসি ব্যাংকের ১ হাজার ৪১৪টি শাখা এবং উপশাখা রয়েছে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে আইএফআইসি ব্যাংকের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বুধবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখায় ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না। বিশেষ অতিথি ছিলেন অগ্রণী ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ হুমায়ুন কবির।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখা ইনচার্জ মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাহিদা আক্তার, শিক্ষক সাধনা রায় চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান দিপু সিকদার, ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইমাম মাওলানা হাবিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের সুপ্রাচীন একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বনামধন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। দেশের ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে টালমাটাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কিছু ব্যাংক গ্রাহকদের বড় অংকের টাকা দিতে পারছে না। তবে আইএফআইসি ব্যাংক নিয়ে ভাবনার কিছু নেই। এই ব্যাংক কখনো বন্ধ কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আইএফআইসি ব্যাংক দীর্ঘ ৪৯ বছর দেশের অনেক খারাপ সময় পার করে, অনেক উত্থান-পতনের সাক্ষী হয়ে আজো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখা ইনচার্জ মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক একটি সেরা লাভজনক ব্যাংক। এই ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ মুনাফা দিয়ে থাকে। জমার উপরে দৈনিক ভিত্তিতে মুনাফা দেওয়া হয়, যা মাস শেষে গ্রাহকের হিসাবে জমা হয়। আইএফআইসি ব্যাংকের অনেকগুলো আকর্ষণীয় ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। এরমধ্যে মাসিক ইনকাম স্কিম (MIS), ডাবল ডিপোজিট স্কিম (DRDS), IFIC আমার ভবিষ্যৎ স্কিম এবং বিভিন্ন মেয়াদি ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম (FDR) অত্যন্ত লাভজনক এবং জনপ্রিয় স্কিম। এছাড়াও আইএফআইসি ব্যাংকের কার্ড দিয়ে দেশের সকল এটিএম বুথ থেকে যেকোনো সময় ফ্রি টাকা তোলা যায়। বর্তমানে সারাদেশে আইএফআইসি ব্যাংকের ১ হাজার ৪১৪টি শাখা এবং উপশাখা রয়েছে।'

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪
বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নানামুখী সমস্যায় জর্জড়িত বরিশাল শহরকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন নগর প্রশাসক বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। প্রাথমিকভাবে শহরের রাস্তা-ঘাট দখল করে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অপসারণ করা এবং যানজট নিরসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এবং কীর্তনখোলা নদীতীরবর্তী এই কবি জীবনানন্দের শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে প্রশাসক শিরিন আরও বেশকিছু পদক্ষেদ রাখতে যাচ্ছেন। অবহেলিত নগর উন্নয়নে তার এই ভাবনাকে ত্রিশটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাথে থেকে সহযোগিতারও অঙ্গীকার করেছন।
বিসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোর প্রবেশমুখে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করায় শহরে প্রতিদিনের চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে এই ভ্রাম্যমাণ প্রতিষ্ঠান পসরা সাজিয়ে বসার কারণে কখনও কখনও শহরের সদর রোড, চকবাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকাসমূহে যানজট দেখা যায়। এনিয়ে জনসাধারণের মধ্যেকার ক্ষোভও আছে এবং তাদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উচ্ছেদের অনুরোধ করা হচ্ছিল।
জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আপাদমস্তক রাজনৈতিক শিরিন। তাছাড়া শহরের সমস্যাগুলো তিনিও প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করেন। গত ৩ এপ্রিল বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিস জারি করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সাত দিনের সময় দিয়ে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এবং এই সময়সীমা শেষ হলে কঠোর অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি উচ্ছেদে আল্টিমেটাম দেওয়ার পরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অভিযান বন্ধ রাখতে প্রশাসক শিরিনের ধর্না ধরলেও তিনি কোনো প্রকার আপস করেননি। বরং সকলকে সাফ জানিয়ে দেন ১০ এপ্রিলের আগে অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নিলে বিসিসি ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
প্রশাসক শিরিনের সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন রোববার অফিস শুরুর দিনে দেখতে পেয়েছে শহরবাসী। এদিন সকালে সিটি কর্পোরেশন শহরের ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোড-বেলসপার্কে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা প্রাপ্তির পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্য এরআগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বেশ কদিন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছিল। কিন্তু তা কর্ণপাত করেননি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা, যার কারণে নগর প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নগর প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথমদিন প্রাথমিকভাবে ফজলুল হক অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। নগরমাতা জনস্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিনিয়তই এই ধরনের তৎপরতা চলমান থাকবে।
তবে সিটি প্রশাসন এবারই প্রথম বরিশাল শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়নি, এরআগে বিগত সময়েও একাধিক অভিযান চালিয়েছে। সবশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুর দিকেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই বিসিসির কর্মকর্তাদের সাথে আপসরফা করে ফের রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসাতে দেখা যায়।
অভিযোগ আছে, যখন যে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বা মেয়র হয়েছেন, তিনিই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ নেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে আপসরফা করে ফের দখল দিয়ে ফেলেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য এতে জনপ্রতিনিধিদেরও স্বার্থ নিহিত থাকে বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
ফুটপাতের একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র আবুল খায়ের খোকন এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে অভিযান শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায়ী নেতারা সাক্ষাৎ লাভ এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করার অভয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের ধারনা ছিল, সাবেক মেয়রদের ন্যায় প্রশাসক শিরিনও ব্যক্তি স্বার্থ লুটতে উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছেন, কিন্তু এবার তেমনটি হয়নি বা হওয়ার সম্ভবনা নেই। বরং শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলার তীর জনপদের এই শহরকে কী ভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং যানজটমুক্ত রাখা যায়, শিরিন সেই পথেই যেনো হাঁটছেন।
অবহেলিত বরিশাল শহরকে উন্নত এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসক শিরিন যে কতটা অন্তরিক তা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য দেখলেও কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রতাপশালী বিএনপি নেত্রী রোববার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ছলচাতুরি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগ নেই। কাজ এবং জনসেবা করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়, তিনি সেই পথেই হাঁটছেন। প্রাথমিকভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করাসহ যানজট নিরসনে পদক্ষেপ নিলেও আরও বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ময়লাখোলা অপসাপরণ এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে ভবন মালিকদের নির্মাণশৈলী প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসক শিরিনের বহুমুখী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৪ মার্চ বরিশাল সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তার বেশ কিছু উদ্যোগ শহরবাসীকে বিমুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে শহর থেকে ময়লাখোলা অপসারণ এবং ফুটপাথ দখলমুক্তকরণে তার উদ্যোগ আলোচনায় বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পাচ্ছে। সাহসী শিরিনের এই যাত্রা অব্যাহত থাকলে এবং সেবার মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হলে আগামী সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনা প্রবল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।’
নানামুখী সমস্যায় জর্জড়িত বরিশাল শহরকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন নগর প্রশাসক বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। প্রাথমিকভাবে শহরের রাস্তা-ঘাট দখল করে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অপসারণ করা এবং যানজট নিরসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এবং কীর্তনখোলা নদীতীরবর্তী এই কবি জীবনানন্দের শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে প্রশাসক শিরিন আরও বেশকিছু পদক্ষেদ রাখতে যাচ্ছেন। অবহেলিত নগর উন্নয়নে তার এই ভাবনাকে ত্রিশটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাথে থেকে সহযোগিতারও অঙ্গীকার করেছন।
বিসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোর প্রবেশমুখে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করায় শহরে প্রতিদিনের চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে এই ভ্রাম্যমাণ প্রতিষ্ঠান পসরা সাজিয়ে বসার কারণে কখনও কখনও শহরের সদর রোড, চকবাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকাসমূহে যানজট দেখা যায়। এনিয়ে জনসাধারণের মধ্যেকার ক্ষোভও আছে এবং তাদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উচ্ছেদের অনুরোধ করা হচ্ছিল।
জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আপাদমস্তক রাজনৈতিক শিরিন। তাছাড়া শহরের সমস্যাগুলো তিনিও প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করেন। গত ৩ এপ্রিল বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিস জারি করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সাত দিনের সময় দিয়ে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এবং এই সময়সীমা শেষ হলে কঠোর অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি উচ্ছেদে আল্টিমেটাম দেওয়ার পরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অভিযান বন্ধ রাখতে প্রশাসক শিরিনের ধর্না ধরলেও তিনি কোনো প্রকার আপস করেননি। বরং সকলকে সাফ জানিয়ে দেন ১০ এপ্রিলের আগে অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নিলে বিসিসি ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
প্রশাসক শিরিনের সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন রোববার অফিস শুরুর দিনে দেখতে পেয়েছে শহরবাসী। এদিন সকালে সিটি কর্পোরেশন শহরের ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোড-বেলসপার্কে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা প্রাপ্তির পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্য এরআগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বেশ কদিন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছিল। কিন্তু তা কর্ণপাত করেননি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা, যার কারণে নগর প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নগর প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথমদিন প্রাথমিকভাবে ফজলুল হক অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। নগরমাতা জনস্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিনিয়তই এই ধরনের তৎপরতা চলমান থাকবে।
তবে সিটি প্রশাসন এবারই প্রথম বরিশাল শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়নি, এরআগে বিগত সময়েও একাধিক অভিযান চালিয়েছে। সবশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুর দিকেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই বিসিসির কর্মকর্তাদের সাথে আপসরফা করে ফের রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসাতে দেখা যায়।
অভিযোগ আছে, যখন যে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বা মেয়র হয়েছেন, তিনিই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ নেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে আপসরফা করে ফের দখল দিয়ে ফেলেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য এতে জনপ্রতিনিধিদেরও স্বার্থ নিহিত থাকে বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
ফুটপাতের একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র আবুল খায়ের খোকন এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে অভিযান শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায়ী নেতারা সাক্ষাৎ লাভ এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করার অভয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের ধারনা ছিল, সাবেক মেয়রদের ন্যায় প্রশাসক শিরিনও ব্যক্তি স্বার্থ লুটতে উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছেন, কিন্তু এবার তেমনটি হয়নি বা হওয়ার সম্ভবনা নেই। বরং শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলার তীর জনপদের এই শহরকে কী ভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং যানজটমুক্ত রাখা যায়, শিরিন সেই পথেই যেনো হাঁটছেন।
অবহেলিত বরিশাল শহরকে উন্নত এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসক শিরিন যে কতটা অন্তরিক তা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য দেখলেও কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রতাপশালী বিএনপি নেত্রী রোববার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ছলচাতুরি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগ নেই। কাজ এবং জনসেবা করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়, তিনি সেই পথেই হাঁটছেন। প্রাথমিকভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করাসহ যানজট নিরসনে পদক্ষেপ নিলেও আরও বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ময়লাখোলা অপসাপরণ এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে ভবন মালিকদের নির্মাণশৈলী প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসক শিরিনের বহুমুখী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৪ মার্চ বরিশাল সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তার বেশ কিছু উদ্যোগ শহরবাসীকে বিমুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে শহর থেকে ময়লাখোলা অপসারণ এবং ফুটপাথ দখলমুক্তকরণে তার উদ্যোগ আলোচনায় বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পাচ্ছে। সাহসী শিরিনের এই যাত্রা অব্যাহত থাকলে এবং সেবার মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হলে আগামী সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনা প্রবল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।’
বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪