
১২ জুন, ২০২৫ ১৩:২৪
সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভোলার ৭ উপজেলার মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে প্রতিদিন অবাদে ধরা হচ্ছে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু। এসব চিংড়ির রেণুর সঙ্গে নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে শতাধিক প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী। চিংড়ির রেণু ঘিরে গড়ে উঠেছে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য। নেই পর্যাপ্ত নজরদারি, তবে কঠোর অবস্থানের দাবি মৎস্য বিভাগের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাস চিংড়ির রেণুর ভরা মৌসুম। জেলেরা নদী থেকে বাগদা ও গলদা চিংড়ি রেণু আহরণের পর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জেলেদের কাছ থেকে প্রতি এক হাজার চিংড়ি রেণু ক্রয় করেন মাত্র ৯শ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১১শ টাকায়। এরপর ব্যবসায়ীরা এসব চিংড়ি খুলনা সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রামে করে কৌশলে পাচার করে প্রতি হাজার চিংড়ি রেণু বিক্রি করেন ৩ হাজার থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ভোলার গলদা ও বাগদা চিংড়ি দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় চাহিদাও রয়েছে বেশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চিংড়ির রেণু শিকার। নদীতে অবৈধ মশারি জাল দিয়ে চিংড়ি রেণু শিকারের সময় জেলেদের জালে উঠে আসছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেণু ও জলজ প্রাণী।
মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে চিংড়ির রেণু পোনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতের মধ্যে লালমোহন উপজেলার ৫ জন, দৌলতখানের ২ জন ও ভোলা সদর উপজেলার একজন ব্যবসায়ী রয়েছে। এছাড়া ১ কোটি ৮০ লাখ চিংড়ির রেণু জব্দ করে নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। ভোলা সদরে উপজেলার তুলাতুলি, কাঠিরমাথা, ভোলারখাল, দৌলতখান উপজেলার মেদুয়াসহ মেঘনা নদী তীরবর্তী কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জেলেরা মশারি জাল দিয়ে নদী থেকে চিংড়ির রেণু ধরছে।
কিছুক্ষণ পর পর জাল নিয়ে জেলেরা নদীর তীরে উঠে এসে চিংড়ির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রেণু 'চা চামচ এবং ঝিনুক' দিয়ে বেছে নির্দিষ্ট পাত্রে রেখে অন্যান্য মাছের পোনা ও জলজপ্রাণী মাটিতে ফেলে দিচ্ছেন এতে মারা যাচ্ছে অন্যান্য মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী ।তবে জেলেদের দাবি পেটের দায়ে বাধ্য হয়েই তারা চিংড়ির রেণু শিকার করেন। জেলে মো. কাঞ্চন, মো. রফিকুল ও সোহাগ বলেন, চলতি বছরে মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক আশা ছিল নদীতে গিয়ে ইলিশসহ সব ধরনের বেশি পরিমাণে মাছ পাব।
কিন্তু হয়েছে উল্টো, নদীতে মাছ কম। নদীতে এখন প্রচুর পরিমাণে চিংড়ি রেণু পাওয়া যায়। তাই আমরা বাধ্য হয়েই নদী থেকে চিংড়ির রেণু ধরি। না ধরলে আমাদের সংসার চলে না, কি করব? আমরা রেণুগুলো স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিপিছ প্রায় ১ টাকা করে বিক্রি করি। একেকজন জেলে দৈনিক ৫০০ থেকে দেড় হাজার পিস চিংড়ি রেণু শিকার করতে পারেন বলেও জানান তারা।
চিংড়ির পোনা ধরার কারনে অন্যান্য মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী ধ্বংসের বিষয়টি স্বীকার করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে। তারা বলেন,নদীতে মশারি জাল টেনে উপরে তোলার পর দেখা যায় বিভিন্ন মাছের পোনা উঠেছে। পরে চিংড়ির পোনা রেখে বাকিগুলো নদীতে ফেলে দেই। তবে অধিকাংশ জেলেই চিংড়ি রেণু ব্যতীত অন্যান্য মাছের রেণু ও জলজ প্রাণীর বিষয়ে উদাসীন। সেগুলো তারা অনেকটা স্বেচ্ছায় মেরে ফেলেন।
জেলে সমিতির পক্ষ থেকে জেলেদের নিরুৎসাহিত ও সচেতন করা হচ্ছে, কিছুই কাজে আসছে না জানিয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও মৎস্যজীবী জেলে সমিতি ভোলার সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ ফরাজি বলেন, গত দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় জেলেরা অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে দিন পার করছেন।
ফলে রেণু চিংড়ি ধরে কিছুটা অভাব দূর করার চেষ্টা করছেন জেলেরা। এক্ষেত্রে সরকারিভাবে জেলেদের প্রশিক্ষণ বা সচেতনতা বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা করলে চিংড়ি শিকার থেকে বিরত রাখা সম্ভব হতো। জেলেরা নদীতে চিংড়ি রেণু ধরতে গিয়ে বিভিন্ন মাছের পোনা ধ্বংস করছে জানিয়ে মো. এরশাদ ফরাজি আরও বলেন, একটি চিংড়ি রেণু ধরতে গিয়ে অন্যান্য প্রজাতির আরও একশ প্রজাতির পোনা ধ্বংস করছে।
নদীতে রেণু পোনার পরিমাণ যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে বেশি। চিংড়ি রেণু শিকারীদের মধ্যে ৯০ ভাগই শিশু ও নারী। ফলে তাদের ক্ষেত্রে আইন বাস্তবায়ন করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও অভিযান পরিচালনা করে আহরিত চিংড়ি রেণু আটক করে ফের নদীতে অবমুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব।
বিশ্বজিৎ কুমার দেব আরও বলেন, চলতি মৌসুমে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৮০ লাখ চিংড়ি রেণু পোনা আটক করা হয়েছে। যে সব অসাদু ব্যবসায়ীরা জেলেদের চিংড়ির রেণু ধরতে প্ররোচিত করছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনছি।
ইতোমধ্যে ৮ জন অসাধু ব্যবসায়ীকে আটক করছি এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা চলছে। আমরা চেষ্টা করছি রেণু চিংড়ি আহরণ বন্ধ করতে। জেলেরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এলাকাতে চিংড়ির রেণু শিকার করে এবং এ ব্যবসাটা ভ্রাম্যমাণ। তারপরও আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। এদিকে ভবিষ্যতে নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে অতিদ্রুত চিংড়ি রেণু শিকার পুরোপুরি বন্ধ করার দাবি সংশ্লিষ্টদের।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভোলার ৭ উপজেলার মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে প্রতিদিন অবাদে ধরা হচ্ছে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু। এসব চিংড়ির রেণুর সঙ্গে নির্বিচারে ধ্বংস হচ্ছে শতাধিক প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী। চিংড়ির রেণু ঘিরে গড়ে উঠেছে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্য। নেই পর্যাপ্ত নজরদারি, তবে কঠোর অবস্থানের দাবি মৎস্য বিভাগের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাস চিংড়ির রেণুর ভরা মৌসুম। জেলেরা নদী থেকে বাগদা ও গলদা চিংড়ি রেণু আহরণের পর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জেলেদের কাছ থেকে প্রতি এক হাজার চিংড়ি রেণু ক্রয় করেন মাত্র ৯শ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১১শ টাকায়। এরপর ব্যবসায়ীরা এসব চিংড়ি খুলনা সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রামে করে কৌশলে পাচার করে প্রতি হাজার চিংড়ি রেণু বিক্রি করেন ৩ হাজার থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
ভোলার গলদা ও বাগদা চিংড়ি দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় চাহিদাও রয়েছে বেশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চিংড়ির রেণু শিকার। নদীতে অবৈধ মশারি জাল দিয়ে চিংড়ি রেণু শিকারের সময় জেলেদের জালে উঠে আসছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেণু ও জলজ প্রাণী।
মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে চিংড়ির রেণু পোনার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতের মধ্যে লালমোহন উপজেলার ৫ জন, দৌলতখানের ২ জন ও ভোলা সদর উপজেলার একজন ব্যবসায়ী রয়েছে। এছাড়া ১ কোটি ৮০ লাখ চিংড়ির রেণু জব্দ করে নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। ভোলা সদরে উপজেলার তুলাতুলি, কাঠিরমাথা, ভোলারখাল, দৌলতখান উপজেলার মেদুয়াসহ মেঘনা নদী তীরবর্তী কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জেলেরা মশারি জাল দিয়ে নদী থেকে চিংড়ির রেণু ধরছে।
কিছুক্ষণ পর পর জাল নিয়ে জেলেরা নদীর তীরে উঠে এসে চিংড়ির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রেণু 'চা চামচ এবং ঝিনুক' দিয়ে বেছে নির্দিষ্ট পাত্রে রেখে অন্যান্য মাছের পোনা ও জলজপ্রাণী মাটিতে ফেলে দিচ্ছেন এতে মারা যাচ্ছে অন্যান্য মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী ।তবে জেলেদের দাবি পেটের দায়ে বাধ্য হয়েই তারা চিংড়ির রেণু শিকার করেন। জেলে মো. কাঞ্চন, মো. রফিকুল ও সোহাগ বলেন, চলতি বছরে মেঘনা তেঁতুলিয়া নদীতে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক আশা ছিল নদীতে গিয়ে ইলিশসহ সব ধরনের বেশি পরিমাণে মাছ পাব।
কিন্তু হয়েছে উল্টো, নদীতে মাছ কম। নদীতে এখন প্রচুর পরিমাণে চিংড়ি রেণু পাওয়া যায়। তাই আমরা বাধ্য হয়েই নদী থেকে চিংড়ির রেণু ধরি। না ধরলে আমাদের সংসার চলে না, কি করব? আমরা রেণুগুলো স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিপিছ প্রায় ১ টাকা করে বিক্রি করি। একেকজন জেলে দৈনিক ৫০০ থেকে দেড় হাজার পিস চিংড়ি রেণু শিকার করতে পারেন বলেও জানান তারা।
চিংড়ির পোনা ধরার কারনে অন্যান্য মাছের পোনা ও জলজ প্রাণী ধ্বংসের বিষয়টি স্বীকার করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলে। তারা বলেন,নদীতে মশারি জাল টেনে উপরে তোলার পর দেখা যায় বিভিন্ন মাছের পোনা উঠেছে। পরে চিংড়ির পোনা রেখে বাকিগুলো নদীতে ফেলে দেই। তবে অধিকাংশ জেলেই চিংড়ি রেণু ব্যতীত অন্যান্য মাছের রেণু ও জলজ প্রাণীর বিষয়ে উদাসীন। সেগুলো তারা অনেকটা স্বেচ্ছায় মেরে ফেলেন।
জেলে সমিতির পক্ষ থেকে জেলেদের নিরুৎসাহিত ও সচেতন করা হচ্ছে, কিছুই কাজে আসছে না জানিয়ে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও মৎস্যজীবী জেলে সমিতি ভোলার সাধারণ সম্পাদক মো. এরশাদ ফরাজি বলেন, গত দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ায় জেলেরা অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে দিন পার করছেন।
ফলে রেণু চিংড়ি ধরে কিছুটা অভাব দূর করার চেষ্টা করছেন জেলেরা। এক্ষেত্রে সরকারিভাবে জেলেদের প্রশিক্ষণ বা সচেতনতা বৃদ্ধি করার ব্যবস্থা করলে চিংড়ি শিকার থেকে বিরত রাখা সম্ভব হতো। জেলেরা নদীতে চিংড়ি রেণু ধরতে গিয়ে বিভিন্ন মাছের পোনা ধ্বংস করছে জানিয়ে মো. এরশাদ ফরাজি আরও বলেন, একটি চিংড়ি রেণু ধরতে গিয়ে অন্যান্য প্রজাতির আরও একশ প্রজাতির পোনা ধ্বংস করছে।
নদীতে রেণু পোনার পরিমাণ যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে বেশি। চিংড়ি রেণু শিকারীদের মধ্যে ৯০ ভাগই শিশু ও নারী। ফলে তাদের ক্ষেত্রে আইন বাস্তবায়ন করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও অভিযান পরিচালনা করে আহরিত চিংড়ি রেণু আটক করে ফের নদীতে অবমুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব।
বিশ্বজিৎ কুমার দেব আরও বলেন, চলতি মৌসুমে কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে ১ কোটি ৮০ লাখ চিংড়ি রেণু পোনা আটক করা হয়েছে। যে সব অসাদু ব্যবসায়ীরা জেলেদের চিংড়ির রেণু ধরতে প্ররোচিত করছে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনছি।
ইতোমধ্যে ৮ জন অসাধু ব্যবসায়ীকে আটক করছি এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা চলছে। আমরা চেষ্টা করছি রেণু চিংড়ি আহরণ বন্ধ করতে। জেলেরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন এলাকাতে চিংড়ির রেণু শিকার করে এবং এ ব্যবসাটা ভ্রাম্যমাণ। তারপরও আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। এদিকে ভবিষ্যতে নদীতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে অতিদ্রুত চিংড়ি রেণু শিকার পুরোপুরি বন্ধ করার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.