
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৯:৫৯
পিরোজপুর সদর উপজেলা থেকে রায়েরকাঠী হয়ে নাজিরপুর-শ্রীরামকাঠী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার প্রায় সব অংশেই দেখা গেছে গর্ত ও খানাখন্দ। শুকনা মৌসুমে ধুলার ঝড় আর বর্ষায় জমে থাকা পানিতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।
এই সড়কটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র শ্রীরামকাঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। আগে প্রতিদিন শত শত যান চলাচল করত। এখন কেউ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আর এই পথে চলেন না। সাধারণ মানুষ বিকল্প রাস্তায় চলাচল করছেন, এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, ‘ইফতি ইটিসিএল’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এই রাস্তার নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুইটি প্যাকেজে মোট ১৭ কোটি ২৬ লাখ টাকার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর, শেষ হওয়ার কথা ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর। কিন্তু অভিযোগ আছে, কাজ শুরু না করেই ঠিকাদার পুরো টাকা তুলে নিয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, ৬ বছরের বেশি সময় ধরে তারা এই দুর্ভোগে আছেন। আগে রাস্তায় প্রতিদিন অনেক গাড়ি চলত, এখন চলেই না বলা যায়। তারা অভিযোগ করেন, ঠিকাদার টাকা তুলেও কাজ করেননি, অথচ তাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় অটোরিকশা চালক শাহিন শেখ বলেন, এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানেই জীবনের ঝুঁকি নেওয়া। প্রতিদিন গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে নষ্ট হয়, যাত্রীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। আগে দিনে ১৫-২০ বার যাতায়াত করতাম, এখন ১-২ বারও যাই না।
ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যবসার পণ্য আনতে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে। চালকেরা এই রাস্তায় আসতে চান না, ঘুরে আসতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। ব্যবসায় বড় ক্ষতি হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার বলেন, স্কুলে যেতে গিয়ে ধুলা আর কাদার ভোগান্তি পোহাতে হয়। বর্ষায় হাঁটা যায় না, শুকনো মৌসুমে ধুলায় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন রাস্তা পড়াশোনার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বলেন, এই রাস্তায় অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। অ্যাম্বুলেন্স গর্তে আটকে যায়। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলায় মোট ৭০০ কিলোমিটার সড়ক থাকলেও এর মধ্যে প্রায় ৪০০ কিলোমিটারই চলাচলের অযোগ্য। এর মধ্যে পিরোজপুর-শ্রীরামকাঠী সড়কটি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
এ বিষয়ে এলজিইডি পিরোজপুরের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী লায়লা মিথুন বলেন, এই রাস্তার টেন্ডার হয়েছিল, কিন্তু কাজ হয়নি। সম্ভবত টাকা উত্তোলন হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে। তারা তদন্ত করছেন। সরকারি টাকা কাজ না করেই তোলা হয়েছে, তাই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছাড়া আমরা কিছু করতে পারছি না।
পিরোজপুর সদর উপজেলা থেকে রায়েরকাঠী হয়ে নাজিরপুর-শ্রীরামকাঠী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার প্রায় সব অংশেই দেখা গেছে গর্ত ও খানাখন্দ। শুকনা মৌসুমে ধুলার ঝড় আর বর্ষায় জমে থাকা পানিতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী।
এই সড়কটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র শ্রীরামকাঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা। আগে প্রতিদিন শত শত যান চলাচল করত। এখন কেউ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আর এই পথে চলেন না। সাধারণ মানুষ বিকল্প রাস্তায় চলাচল করছেন, এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, ‘ইফতি ইটিসিএল’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এই রাস্তার নির্মাণকাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুইটি প্যাকেজে মোট ১৭ কোটি ২৬ লাখ টাকার কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর, শেষ হওয়ার কথা ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর। কিন্তু অভিযোগ আছে, কাজ শুরু না করেই ঠিকাদার পুরো টাকা তুলে নিয়েছে।
এলাকাবাসী বলেন, ৬ বছরের বেশি সময় ধরে তারা এই দুর্ভোগে আছেন। আগে রাস্তায় প্রতিদিন অনেক গাড়ি চলত, এখন চলেই না বলা যায়। তারা অভিযোগ করেন, ঠিকাদার টাকা তুলেও কাজ করেননি, অথচ তাদের কষ্ট দেখার কেউ নেই। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির কাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় অটোরিকশা চালক শাহিন শেখ বলেন, এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানেই জীবনের ঝুঁকি নেওয়া। প্রতিদিন গাড়ির চাকা গর্তে পড়ে নষ্ট হয়, যাত্রীরাও ঝুঁকিতে থাকেন। আগে দিনে ১৫-২০ বার যাতায়াত করতাম, এখন ১-২ বারও যাই না।
ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম বলেন, ব্যবসার পণ্য আনতে দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে। চালকেরা এই রাস্তায় আসতে চান না, ঘুরে আসতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটোই বাড়ছে। ব্যবসায় বড় ক্ষতি হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার বলেন, স্কুলে যেতে গিয়ে ধুলা আর কাদার ভোগান্তি পোহাতে হয়। বর্ষায় হাঁটা যায় না, শুকনো মৌসুমে ধুলায় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এমন রাস্তা পড়াশোনার আগ্রহ কমিয়ে দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাকিম বলেন, এই রাস্তায় অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নেওয়া যায় না। অ্যাম্বুলেন্স গর্তে আটকে যায়। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।জানা গেছে, পিরোজপুর সদর উপজেলায় মোট ৭০০ কিলোমিটার সড়ক থাকলেও এর মধ্যে প্রায় ৪০০ কিলোমিটারই চলাচলের অযোগ্য। এর মধ্যে পিরোজপুর-শ্রীরামকাঠী সড়কটি সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
এ বিষয়ে এলজিইডি পিরোজপুরের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী লায়লা মিথুন বলেন, এই রাস্তার টেন্ডার হয়েছিল, কিন্তু কাজ হয়নি। সম্ভবত টাকা উত্তোলন হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মামলা হয়েছে। তারা তদন্ত করছেন। সরকারি টাকা কাজ না করেই তোলা হয়েছে, তাই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ছাড়া আমরা কিছু করতে পারছি না।

০৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৮
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকার নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ মে) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা বাজারের জামে মসজিদ এলাকার সামনের পাকা রাস্তা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিভাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. এস. এম. সালেহীনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে পাঁচটি এক হাজার টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মৃত আবু বক্কর খলিফার ছেলে রাসেল খলিফা (৪৫), নাজিরপুর উপজেলার মাটিভাঙ্গা ইউনিয়নের মো. দুলাল শেখের ছেলে মো. সাইদুল ওরফে রানা (৪৮) এবং একই এলাকার মো. মজিবুর খানের ছেলে হাসিব খান (৪৬)।
নাজিরপুর থানার ওসি মো. তারিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে নাজিরপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে পৃথক ঘটনায় পারুল বালা (৮০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে এবং দুইজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২ মে) ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারুল বালা জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার রাজপাশা গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত সমাদ্দারের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে পারুল বালা বাড়ির পাশের নাঙ্গল খালে গোসল করতে যান। গোসলের একপর্যায়ে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে খালের পাশে থাকা একটি বড় গাছ উপড়ে গিয়ে তার ওপর পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত পারুল বালা চার ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি রত্নেশ্বর শেখর মণ্ডল জানান, ওই নারী গোসল করতে গিয়েছিলেন, তখন ঝড়ের কবলে পড়ে গাছচাপায় তিনি নিহত হন।
তাকে দাফন করা হয়েছে। তার পরিবার যাতে সহায়তা পায় সে জন্য তিনি ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান।
অন্যদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একইদিন দুপুরে আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে একটি বাবলা গাছ চলন্ত নসিমনের ওপর ভেঙে পড়ে দুইজন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- নসিমনের চালক সাজিদ ফকির (১৮) ও তার সহযোগী মো. তামিম (১৯)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

০২ মে, ২০২৬ ১২:৩০
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের ১৫ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের আরামবাগ এলাকার মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আরামবাগ এলাকার ওই বাড়িতে মাদক কেনাবেচা চলছে এমন গোপন সংবাদ ছিল পুলিশের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে মঠবাড়িয়া থানার একটি বিশেষ টিম মো. নাসিরের মালিকানাধীন মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া সাজেদুল রহমান মজিদের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় গাঁজাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আমরা প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। মাদক ব্যবসায়ীদের আটকে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মঠবাড়িয়াকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের ১৫ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (০১ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পৌর শহরের আরামবাগ এলাকার মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আরামবাগ এলাকার ওই বাড়িতে মাদক কেনাবেচা চলছে এমন গোপন সংবাদ ছিল পুলিশের কাছে। এরই প্রেক্ষিতে মঠবাড়িয়া থানার একটি বিশেষ টিম মো. নাসিরের মালিকানাধীন মাওলানা মঞ্জিল নামক বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযানের সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া সাজেদুল রহমান মজিদের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় গাঁজাগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আমরা প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছি। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা। মাদক ব্যবসায়ীদের আটকে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মঠবাড়িয়াকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.