
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৮
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেরি থেকে একটি প্রাইভেটকার পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় গাড়ির চালককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে নবীগঞ্জ ফেরি ঘাটে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা নুরুল আলম।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, নবীগঞ্জ ফেরিঘাট থেকে সদর উপজেলার হাজীগঞ্জ ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি ফেরি গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেটকার নদীতে পড়ে যায়।
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাড়ির চালককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে ডুবন্ত প্রাইভেটকারটিও নদী থেকে তীরে তোলা হয়। গাড়িটিতে চালক ছাড়া অন্য কোনো যাত্রী ছিল না।
হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা নুরুল আলম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দ্রুত চালককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং গাড়িটিও পরে উদ্ধার করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেরি থেকে একটি প্রাইভেটকার পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় গাড়ির চালককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে নবীগঞ্জ ফেরি ঘাটে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা নুরুল আলম।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, নবীগঞ্জ ফেরিঘাট থেকে সদর উপজেলার হাজীগঞ্জ ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা একটি ফেরি গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেটকার নদীতে পড়ে যায়।
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় গাড়ির চালককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পরে ডুবন্ত প্রাইভেটকারটিও নদী থেকে তীরে তোলা হয়। গাড়িটিতে চালক ছাড়া অন্য কোনো যাত্রী ছিল না।
হাজীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা নুরুল আলম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দ্রুত চালককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং গাড়িটিও পরে উদ্ধার করা হয়েছে।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩০
নাটোরের সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী আহম্মদপুর এলাকায় তেল দিতে দেরি হওয়ায় একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তার কারণে স্টেশনটিতে তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কানন ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সন্ধ্যায় প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল পাওয়ার পর তা ক্রেতাদের মধ্যে বিতরণ শুরু হয়। রাত দেড়টার দিকে কর্মচারীরা খাবার খেতে গেলে স্থানীয় ট্রাকচালক আবদুল ওহাব তাৎক্ষণিকভাবে তেল দেওয়ার দাবি জানান।
তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যাশ রুম ও ব্যবস্থাপকের কক্ষে ভাঙচুর চালান। এতে দুটি কক্ষের মালামাল তছনছ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান।
স্টেশনের ম্যানেজার ফজের আলী বলেন, তেল পেতে সামান্য দেরি হওয়ায় চালক ভাঙচুরের পাশাপাশি তাকে লাঞ্ছিত করেন। তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন।
ফিলিং স্টেশনের মালিক ধীরেন সাহা জানান, ঘটনার পর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং হামলাকারীর শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তেল বিক্রি বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ওসি মো. মনসুর রহমান জানান, ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৮
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চক শিয়ালকোল এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এক স্বাস্থ্যসেবীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর১২টার দিকে পরিচালিত অভিযানে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামের ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, তিনি ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় পাড়া-মহল্লায় মসজিদে মাইকিং করে রোগী ডেকে আনতেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অর্থ আদায় করতেন। এ ছাড়া ১২০০ টাকার চশমা ১৫০ টাকায় বিক্রির প্রলোভন দেখানো হতো। ডায়াবেটিস পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপা, ওজন ও উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য প্রতি ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন খন্দকার। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের মেডিকেল অফিসার ডা. তামান্না, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মনজুর আলম, পরিসংখ্যানবিদ আব্দুর রহিমসহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৩
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের লালমনিরহাটের এক নেতা হঠাৎ প্রকাশ্যে এসে দল ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে পদত্যাগের বিষয়টি জানান।
পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া আব্দুস সোহরাব আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান সোহরাব। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর সম্প্রতি তিনি নিজ এলাকায় ফিরে আসেন এবং দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে শারীরিক অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও তিনি মূলত মামলা থেকে বাঁচতে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবার বিএনপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা এবং নিজের অবস্থান রক্ষা করার চেষ্টা করছেন তিনি। শুধু নিজ স্বার্থে বারবার দল পরিবর্তন করে আসছেন সোহরাব।
বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগ, আবার আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে।
প্রসঙ্গত, আব্দুস সোহরাব ২০০৯ সালের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে জেলার আদিতমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৫ সালে তিনি নিজ স্বার্থে লালমনিরহাট ২ আসনের এমপি সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের হাত থেকে ফুল নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদ এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। পরে তিনি নিজ স্বার্থে জেলা পরিষদের সদস্য পদ ছেড়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নাটোরের সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী আহম্মদপুর এলাকায় তেল দিতে দেরি হওয়ায় একটি ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর নিরাপত্তার কারণে স্টেশনটিতে তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে কানন ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, সন্ধ্যায় প্রায় ৯ হাজার লিটার ডিজেল পাওয়ার পর তা ক্রেতাদের মধ্যে বিতরণ শুরু হয়। রাত দেড়টার দিকে কর্মচারীরা খাবার খেতে গেলে স্থানীয় ট্রাকচালক আবদুল ওহাব তাৎক্ষণিকভাবে তেল দেওয়ার দাবি জানান।
তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যাশ রুম ও ব্যবস্থাপকের কক্ষে ভাঙচুর চালান। এতে দুটি কক্ষের মালামাল তছনছ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যান।
স্টেশনের ম্যানেজার ফজের আলী বলেন, তেল পেতে সামান্য দেরি হওয়ায় চালক ভাঙচুরের পাশাপাশি তাকে লাঞ্ছিত করেন। তিনি ঘটনার বিচার দাবি করেন।
ফিলিং স্টেশনের মালিক ধীরেন সাহা জানান, ঘটনার পর পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং হামলাকারীর শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তেল বিক্রি বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ওসি মো. মনসুর রহমান জানান, ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চক শিয়ালকোল এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এক স্বাস্থ্যসেবীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর১২টার দিকে পরিচালিত অভিযানে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামের ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, তিনি ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় পাড়া-মহল্লায় মসজিদে মাইকিং করে রোগী ডেকে আনতেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অর্থ আদায় করতেন। এ ছাড়া ১২০০ টাকার চশমা ১৫০ টাকায় বিক্রির প্রলোভন দেখানো হতো। ডায়াবেটিস পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপা, ওজন ও উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য প্রতি ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন খন্দকার। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের মেডিকেল অফিসার ডা. তামান্না, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মনজুর আলম, পরিসংখ্যানবিদ আব্দুর রহিমসহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের লালমনিরহাটের এক নেতা হঠাৎ প্রকাশ্যে এসে দল ও দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে পদত্যাগের বিষয়টি জানান।
পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া আব্দুস সোহরাব আদিতমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান সোহরাব। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর সম্প্রতি তিনি নিজ এলাকায় ফিরে আসেন এবং দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে শারীরিক অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও তিনি মূলত মামলা থেকে বাঁচতে কৌশলের আশ্রয় নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
তাদের দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আবার বিএনপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা এবং নিজের অবস্থান রক্ষা করার চেষ্টা করছেন তিনি। শুধু নিজ স্বার্থে বারবার দল পরিবর্তন করে আসছেন সোহরাব।
বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগ, আবার আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে।
প্রসঙ্গত, আব্দুস সোহরাব ২০০৯ সালের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে জেলার আদিতমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৫ সালে তিনি নিজ স্বার্থে লালমনিরহাট ২ আসনের এমপি সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের হাত থেকে ফুল নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।
পরবর্তীতে তিনি জেলা পরিষদের সদস্য পদ এবং প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান। পরে তিনি নিজ স্বার্থে জেলা পরিষদের সদস্য পদ ছেড়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩০
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৪
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৪
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩