
১০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:১৭
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পটুয়াখালীর দুমকিতে চলছে নির্বিঘ্নে মা–ইলিশ শিকার। প্রজনন মৌসুমে দিনরাত নদীতে চলছে শত শত জেলের অবাধ ইলিশ আহরণ। মৎস্য বিভাগের অভিযান চললেও থামানো যাচ্ছে না জেলেদের বেপরোয়া তৎপরতা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে চলছে চোর–পুলিশের লুকোচুরি খেলা।
শুক্রবার সকালে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর এলাকায় পায়রা–পাতাবুনিয়া নদীর মোহনায় দেখা যায়—অভিযান দলের সামনেই ট্রলারে জাল ফেলছে জেলেরা। অভিযান শুরু হতেই দ্রুতগামী ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চেপে তীরে উঠে সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে যায় তারা। জেলেদের তুলনায় প্রশাসনের টহল টিমের নৌযান অত্যন্ত ধীরগতির হওয়ায় জেলেদের ধরাছোঁয়া পর্যন্ত পাওয়া যায় না। প্রশাসন একদিকে গেলে আবার অন্যদিকে নেমে পড়ে জেলেরা।
স্থানীয়দের দাবি, দুমকির পাঙ্গাশিয়া, রাজগঞ্জ, পশ্চিম লেবুখালী, আঙ্গারিয়া, বাহেরচর, জলিশা, চরগরবদি ও কলাগাছিয়া এলাকায় প্রতিদিন শতাধিক ট্রলারে মা–ইলিশ নিধন চলছে। এতে প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের ইলিশ সম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ৮টি নৌকা ও ১ লাখ ১৩ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৮ জন জেলেকে কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক।
দুমকি উপজেলা মৎস্য অফিসের ফিল্ড অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, “প্রতিদিন দুটি টিম মৎস্য অফিস ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে নামছে। তবুও জেলেরা কৌশলে সময় বদলে নদীতে নামে, ফলে অভিযান কার্যকর হচ্ছে না।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু জেলে আগেভাগেই অভিযান দলের সময়সূচি জেনে ফাঁকি দিয়ে অন্য সময়ে মাছ ধরে নেয়। নিষিদ্ধ সময়ে বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রি না হলেও গোপনে সংরক্ষণের অভিযোগও রয়েছে। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রজনন মৌসুমে অভিযান ও টহল আরও জোরদার করা হবে। তবে সংশ্লিষ্টদের মত, বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক জেলে জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে নদীতে নামছে।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পটুয়াখালীর দুমকিতে চলছে নির্বিঘ্নে মা–ইলিশ শিকার। প্রজনন মৌসুমে দিনরাত নদীতে চলছে শত শত জেলের অবাধ ইলিশ আহরণ। মৎস্য বিভাগের অভিযান চললেও থামানো যাচ্ছে না জেলেদের বেপরোয়া তৎপরতা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে চলছে চোর–পুলিশের লুকোচুরি খেলা।
শুক্রবার সকালে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর এলাকায় পায়রা–পাতাবুনিয়া নদীর মোহনায় দেখা যায়—অভিযান দলের সামনেই ট্রলারে জাল ফেলছে জেলেরা। অভিযান শুরু হতেই দ্রুতগামী ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চেপে তীরে উঠে সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে যায় তারা। জেলেদের তুলনায় প্রশাসনের টহল টিমের নৌযান অত্যন্ত ধীরগতির হওয়ায় জেলেদের ধরাছোঁয়া পর্যন্ত পাওয়া যায় না। প্রশাসন একদিকে গেলে আবার অন্যদিকে নেমে পড়ে জেলেরা।
স্থানীয়দের দাবি, দুমকির পাঙ্গাশিয়া, রাজগঞ্জ, পশ্চিম লেবুখালী, আঙ্গারিয়া, বাহেরচর, জলিশা, চরগরবদি ও কলাগাছিয়া এলাকায় প্রতিদিন শতাধিক ট্রলারে মা–ইলিশ নিধন চলছে। এতে প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতের ইলিশ সম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিশেষ অভিযানে ৮টি নৌকা ও ১ লাখ ১৩ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৮ জন জেলেকে কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক।
দুমকি উপজেলা মৎস্য অফিসের ফিল্ড অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, “প্রতিদিন দুটি টিম মৎস্য অফিস ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে নামছে। তবুও জেলেরা কৌশলে সময় বদলে নদীতে নামে, ফলে অভিযান কার্যকর হচ্ছে না।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু জেলে আগেভাগেই অভিযান দলের সময়সূচি জেনে ফাঁকি দিয়ে অন্য সময়ে মাছ ধরে নেয়। নিষিদ্ধ সময়ে বাজারে প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রি না হলেও গোপনে সংরক্ষণের অভিযোগও রয়েছে। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, প্রজনন মৌসুমে অভিযান ও টহল আরও জোরদার করা হবে। তবে সংশ্লিষ্টদের মত, বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা না থাকায় অনেক জেলে জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে নদীতে নামছে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৪:২০
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসানকে (২০) আটক করে পুলিশ। এর আগে একই দিনের দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নেতা আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসান রাতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজের শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এরপর সেখানেই তাকে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সকালে শিশুটি বাড়িতে এসে এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এ ঘটনার খবর আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে দুপুরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সফিকুল ইসলাম জিসান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ২৮ এপ্রিল ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। নির্যাতনের শিকার শিশুটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি উপজেলার জুগিরহাওলা গ্রামে।
শিশুটির বাবা বলেন, “ঘটনার পর আমার ছেলেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়, যাতে সে বাড়িতে এসে কাউকে কিছু না বলে।”
শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে নিরাপদ ভেবে মাদরাসায় পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু হুজুরে এমন করে তা কে জানতো। আমি এই শিক্ষকের বিচার চাই।”
এদিকে শিক্ষক আটকের কিছুক্ষণ পরেই মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
মাদরাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা চাই, আইনের মাধ্যমে তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। পাশাপাশি এই শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা বহন করব।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৬ মে, ২০২৬ ১২:০৩

০৫ মে, ২০২৬ ১৬:১৩
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসানকে (২০) আটক করে পুলিশ। এর আগে একই দিনের দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নেতা আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসান রাতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজের শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এরপর সেখানেই তাকে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সকালে শিশুটি বাড়িতে এসে এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এ ঘটনার খবর আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে দুপুরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সফিকুল ইসলাম জিসান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ২৮ এপ্রিল ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। নির্যাতনের শিকার শিশুটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি উপজেলার জুগিরহাওলা গ্রামে।
শিশুটির বাবা বলেন, “ঘটনার পর আমার ছেলেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়, যাতে সে বাড়িতে এসে কাউকে কিছু না বলে।”
শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে নিরাপদ ভেবে মাদরাসায় পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু হুজুরে এমন করে তা কে জানতো। আমি এই শিক্ষকের বিচার চাই।”
এদিকে শিক্ষক আটকের কিছুক্ষণ পরেই মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
মাদরাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা চাই, আইনের মাধ্যমে তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। পাশাপাশি এই শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা বহন করব।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী বাইতুল মাল আকসা মসজিদ থেকে শুরু করে আব্দুল গফুর হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি এখন এলাকাবাসীর কাছে এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার ইটের সলিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা আর কাদা-পানিতে সড়কটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ১.৪৫ কিলোমিটার এই সড়কটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি প্রাক্কলন অনুমোদন করা হয়েছিল।
নথিতে এইচবিবি দ্বারা উন্নয়নের কথা থাকলেও বর্তমানে রাস্তাটির দশা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে কখনো মানসম্মত কাজ হয়েছিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার অধিকাংশ স্থানের ইট সরে গিয়ে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় রাস্তার মাঝখান উঁচু হয়ে দুপাশ দেবে গেছে, ফলে রিকশা, ভ্যান বা মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। কৃষিপণ্য পরিবহন করা একেবারেই অসম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা শুরু হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া বা জরুরি অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। আমরা বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জরুরি ভিত্তিতে এই বিধ্বস্ত রাস্তাটি পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) বা পাকাকরণের মাধ্যমে আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রাস্তাটির বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) চন্দন কুমার আশ্বস্ত করে বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। জনদুর্ভোগ লাঘবে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে একটি টেকনিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করব।
সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আধুনিক মানের পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো সুপারিশ পাঠানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি, দ্রুতই ইতিবাচক সাড়া মিলবে এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী বাইতুল মাল আকসা মসজিদ থেকে শুরু করে আব্দুল গফুর হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি এখন এলাকাবাসীর কাছে এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার ইটের সলিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা আর কাদা-পানিতে সড়কটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ১.৪৫ কিলোমিটার এই সড়কটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি প্রাক্কলন অনুমোদন করা হয়েছিল।
নথিতে এইচবিবি দ্বারা উন্নয়নের কথা থাকলেও বর্তমানে রাস্তাটির দশা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে কখনো মানসম্মত কাজ হয়েছিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার অধিকাংশ স্থানের ইট সরে গিয়ে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় রাস্তার মাঝখান উঁচু হয়ে দুপাশ দেবে গেছে, ফলে রিকশা, ভ্যান বা মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। কৃষিপণ্য পরিবহন করা একেবারেই অসম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা শুরু হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া বা জরুরি অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। আমরা বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জরুরি ভিত্তিতে এই বিধ্বস্ত রাস্তাটি পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) বা পাকাকরণের মাধ্যমে আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রাস্তাটির বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) চন্দন কুমার আশ্বস্ত করে বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। জনদুর্ভোগ লাঘবে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে একটি টেকনিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করব।
সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আধুনিক মানের পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো সুপারিশ পাঠানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি, দ্রুতই ইতিবাচক সাড়া মিলবে এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে।
বরিশাল টাইমস
০৬ মে, ২০২৬ ১৭:২৮
০৬ মে, ২০২৬ ১৭:১৩
০৬ মে, ২০২৬ ১৬:১৮
০৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৪