
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২২
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩০
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ১২ তরুণকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যার পর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীমের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি গৌরনদীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকের উপদ্রব বেড়ে গেছে। সন্ধ্যার পর আড্ডার আড়ালে অনেক তরুণ-যুবক মাদক সেবন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজ বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মাদকের বিস্তার রোধে সচেতন নাগরিকরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সিদ্ধান্তের আলোকে বুধবার বিকেলে মাইকিং করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর রাস্তার মোড়, হোটেল-রেস্তোরাঁ, পার্ক কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে আড্ডা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরে নির্দেশনা কেউ মানছে কি না তা দেখতে সন্ধ্যায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কয়েকটি স্থানে আড্ডারত অবস্থায় ১২ তরুণকে আটক করা হয়।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদকের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
তাই শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, আটকদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ১২ তরুণকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। পরে তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যার পর উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীমের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি গৌরনদীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকের উপদ্রব বেড়ে গেছে। সন্ধ্যার পর আড্ডার আড়ালে অনেক তরুণ-যুবক মাদক সেবন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজ বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মাদকের বিস্তার রোধে সচেতন নাগরিকরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে সিদ্ধান্তের আলোকে বুধবার বিকেলে মাইকিং করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর রাস্তার মোড়, হোটেল-রেস্তোরাঁ, পার্ক কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে আড্ডা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরে নির্দেশনা কেউ মানছে কি না তা দেখতে সন্ধ্যায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কয়েকটি স্থানে আড্ডারত অবস্থায় ১২ তরুণকে আটক করা হয়।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম বলেন, মাদকের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
তাই শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, আটকদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক নম্বর গেট সংলগ্ন বরিশাল -ভোলা মহাসড়ক থেকে মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৫-৬ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সেনাবাহিনী। পরে সতর্ক করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সংলগ্ন ভোলা রোডে এ ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বরিশাল ভোলা মহাসড়ক অবরোধ করে।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সম্মুখ থেকে বিনা কারনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলে নেয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে সিএনজি ও ট্রাক আটকে হয়রানি এবং মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা সেনাবাহিনীর কাছে অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মধ্যরাতে বরিশাল-ভোলা মহাসড়ক ও ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে তৎপরতা বাড়ায়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন ভোলা রোডে কয়েকজনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া হয়।
বরিশাল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সেনাবাহিনী মধ্যরাতে তালুকদার মার্কেট এলাকায় মোটরসাইকেলসহ ৫-৬ জনকে দেখতে পেয়ে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়েও দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগ ছিল বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্ত বলেন, শিক্ষার্থীদের এভাবে রাতে তুলে নিয়ে যাওয়া এটা তো শেখ হাসিনার আমলের মতো কাজ শুরু করছে তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তুলে নিয়ে যেতে তারা পারে না।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া চায়ের দোকান থেকে শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে সেনাবাহিনী হয়রানি করেছে।
আমরা জানিও না তাদেরকে কেন তুলে নিয়ে হয়রানি করা হলো। বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর-ভিসিকে বিষয়টি জানিয়েছি তারা প্রশাসনের সাথে কথা বলে বিষয়টি দেখবেন জানিয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) এক নম্বর গেট সংলগ্ন বরিশাল -ভোলা মহাসড়ক থেকে মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ৫-৬ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সেনাবাহিনী। পরে সতর্ক করে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সংলগ্ন ভোলা রোডে এ ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বরিশাল ভোলা মহাসড়ক অবরোধ করে।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সম্মুখ থেকে বিনা কারনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তুলে নেয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে সিএনজি ও ট্রাক আটকে হয়রানি এবং মহাসড়কে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা সেনাবাহিনীর কাছে অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মধ্যরাতে বরিশাল-ভোলা মহাসড়ক ও ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে তৎপরতা বাড়ায়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংলগ্ন ভোলা রোডে কয়েকজনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়া হয়।
বরিশাল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সেনাবাহিনী মধ্যরাতে তালুকদার মার্কেট এলাকায় মোটরসাইকেলসহ ৫-৬ জনকে দেখতে পেয়ে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়েও দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগ ছিল বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্ত বলেন, শিক্ষার্থীদের এভাবে রাতে তুলে নিয়ে যাওয়া এটা তো শেখ হাসিনার আমলের মতো কাজ শুরু করছে তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তুলে নিয়ে যেতে তারা পারে না।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া চায়ের দোকান থেকে শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে সেনাবাহিনী হয়রানি করেছে।
আমরা জানিও না তাদেরকে কেন তুলে নিয়ে হয়রানি করা হলো। বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর-ভিসিকে বিষয়টি জানিয়েছি তারা প্রশাসনের সাথে কথা বলে বিষয়টি দেখবেন জানিয়েছে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ০১:৫৩
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে সমুদ্রবন্দরগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত পায়রা বন্দরকে ঘিরে রাষ্ট্রের বড় প্রত্যাশা রয়েছে। এটি শুধু একটি বন্দর নয়, ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প এখন দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মোবাইল হারবার ক্রেন (এমএইচসি) ক্রয়ের প্রক্রিয়ায় যে জালিয়াতির অভিযোগ সামনে এসেছে, তা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
দরপত্র প্রক্রিয়া সাধারণত স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত করার জন্যই তৈরি করা হয়। কিন্তু পায়রা বন্দরের এই প্রকল্পে দরপত্রের কঠোর শর্ত থাকা সত্ত্বেও একটি অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচিত চীনা কোম্পানির ক্ষেত্রে কোনো শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এমনকি তাদের ওয়েবসাইটেও বিশ্বজুড়ে মোবাইল হারবার ক্রেন সরবরাহের সুস্পষ্ট রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। যদি এ অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি নিছক প্রশাসনিক ভুল নয়। বরং একটি সুপরিকল্পিত অনিয়মের ইঙ্গিত বহন করে। রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে এমন দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, বিশ্বখ্যাত এবং অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন এই দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি? মোবাইল হারবার ক্রেন উৎপাদনে ইতালি, জার্মানি বা চীনের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। অথচ অভিযোগ রয়েছে, অখ্যাত একটি কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত রাখা হয়েছে। যদি সত্যিই এমনটি ঘটে থাকে, তবে তা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যবস্থার মৌলিক নীতিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
প্রায় ৪২ কোটি টাকার এই ক্রেন যদি ভবিষ্যতে নি¤œমানের বা অকার্যকর প্রমাণিত হয়, তবে তার প্রভাব শুধু আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একটি বন্দরের কার্যক্রম নির্ভর করে তার সরঞ্জামের দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর। বন্দরের মূল কাজ হলোÑ দ্রুত ও নিরাপদভাবে পণ্য ওঠানামা নিশ্চিত করা। কিন্তু ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি যদি বারবার বিকল হয় বা প্রত্যাশিত সক্ষমতা না থাকে, তবে বন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এর পাশাপাশি প্রায় ১৫৮ কোটি টাকার দুটি শিপ-টু-শোর ক্রেন ক্রয় চুক্তি নিয়েও যে প্রশ্ন উঠেছে, তা বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। এত বড় অঙ্কের ক্রয়প্রক্রিয়া যদি যথাযথ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে তা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবস্থাপনার ওপর বড় ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি করে। সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, এটি প্রশাসনিক নৈতিকতাকেও দুর্বল করে দেয়।
বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এসব প্রকল্প যদি দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে উন্নয়নের অর্জনও ম্লান হয়ে যায়। পায়রা বন্দরের মতো কৌশলগত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ দেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
যারা এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, প্রভাবশালী কর্মকর্তা হোক বা অন্য কোনো পক্ষ, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার যে কঠোর অবস্থানের কথা বলে আসছে, এই ঘটনাটি সেই অবস্থানের বাস্তব পরীক্ষা। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে শুধু পায়রা বন্দর নয়, রাষ্ট্রীয় সব প্রকল্পেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি শক্তিশালী হবে।
রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের অর্থ। সেই অর্থের অপচয় কিংবা আত্মসাতের সুযোগ কেউ পাবে না, এই বার্তা স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। পায়রা বন্দরের এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তিই পারে জনআস্থা পুনরুদ্ধার করতে এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে।
বরিশাল টাইমস
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদারে সমুদ্রবন্দরগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ও নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত পায়রা বন্দরকে ঘিরে রাষ্ট্রের বড় প্রত্যাশা রয়েছে। এটি শুধু একটি বন্দর নয়, ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, জাতীয় এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প এখন দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মোবাইল হারবার ক্রেন (এমএইচসি) ক্রয়ের প্রক্রিয়ায় যে জালিয়াতির অভিযোগ সামনে এসেছে, তা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
দরপত্র প্রক্রিয়া সাধারণত স্বচ্ছতা, প্রতিযোগিতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত করার জন্যই তৈরি করা হয়। কিন্তু পায়রা বন্দরের এই প্রকল্পে দরপত্রের কঠোর শর্ত থাকা সত্ত্বেও একটি অভিজ্ঞতাহীন কোম্পানিকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচিত চীনা কোম্পানির ক্ষেত্রে কোনো শর্ত যথাযথভাবে যাচাই করা হয়নি। এমনকি তাদের ওয়েবসাইটেও বিশ্বজুড়ে মোবাইল হারবার ক্রেন সরবরাহের সুস্পষ্ট রেকর্ড পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। যদি এ অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি নিছক প্রশাসনিক ভুল নয়। বরং একটি সুপরিকল্পিত অনিয়মের ইঙ্গিত বহন করে। রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে এমন দায়িত্বহীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, বিশ্বখ্যাত এবং অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন এই দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি? মোবাইল হারবার ক্রেন উৎপাদনে ইতালি, জার্মানি বা চীনের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক সুনাম রয়েছে। অথচ অভিযোগ রয়েছে, অখ্যাত একটি কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ সীমিত রাখা হয়েছে। যদি সত্যিই এমনটি ঘটে থাকে, তবে তা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যবস্থার মৌলিক নীতিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।
প্রায় ৪২ কোটি টাকার এই ক্রেন যদি ভবিষ্যতে নি¤œমানের বা অকার্যকর প্রমাণিত হয়, তবে তার প্রভাব শুধু আর্থিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। একটি বন্দরের কার্যক্রম নির্ভর করে তার সরঞ্জামের দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতার ওপর। বন্দরের মূল কাজ হলোÑ দ্রুত ও নিরাপদভাবে পণ্য ওঠানামা নিশ্চিত করা। কিন্তু ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি যদি বারবার বিকল হয় বা প্রত্যাশিত সক্ষমতা না থাকে, তবে বন্দরের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এর পাশাপাশি প্রায় ১৫৮ কোটি টাকার দুটি শিপ-টু-শোর ক্রেন ক্রয় চুক্তি নিয়েও যে প্রশ্ন উঠেছে, তা বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে। এত বড় অঙ্কের ক্রয়প্রক্রিয়া যদি যথাযথ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে তা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবস্থাপনার ওপর বড় ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি করে। সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, এটি প্রশাসনিক নৈতিকতাকেও দুর্বল করে দেয়।
বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এসব প্রকল্প যদি দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে উন্নয়নের অর্জনও ম্লান হয়ে যায়। পায়রা বন্দরের মতো কৌশলগত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ দেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
যারা এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, প্রভাবশালী কর্মকর্তা হোক বা অন্য কোনো পক্ষ, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার যে কঠোর অবস্থানের কথা বলে আসছে, এই ঘটনাটি সেই অবস্থানের বাস্তব পরীক্ষা। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে শুধু পায়রা বন্দর নয়, রাষ্ট্রীয় সব প্রকল্পেই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি শক্তিশালী হবে।
রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের অর্থ। সেই অর্থের অপচয় কিংবা আত্মসাতের সুযোগ কেউ পাবে না, এই বার্তা স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। পায়রা বন্দরের এই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তিই পারে জনআস্থা পুনরুদ্ধার করতে এবং ভবিষ্যতে এমন অনিয়মের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.