
২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০১:০১
আগামী ২৩ নভেম্বর দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এই দিনকে ধরেই সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে দলটির ঘনিষ্ঠ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল বিকালে গুলশানে নিজের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিন বা তারিখ না বললেও নভেম্বর মাসে ফিরবেন- এমন ইঙ্গিত দেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আপনারা খুব শিগগিরই জানতে পারবেন নির্ধারিত তারিখ। আশা করি, নভেম্বরের মধ্যেই তিনি দেশে ফিরবেন।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান দেশে ফিরলে গুলশানের ৭৯ নম্বর ও ১৯৬ নম্বর দুই বাসা মিলিয়ে থাকবেন। তার নিরাপত্তা ইস্যুকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দলের পক্ষ থেকে যোগাযোগ চলছে।
গত কয়েক মাস ধরে বিএনপি মহাসচিব ও দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য বলে আসছেন খুব শিগগিরই দেশে ফিরছেন তারেক রহমান। এই অবস্থায় সালাহউদ্দিন আহমেদ গতকাল তারেক রহমানের আসার বিষয়ে তথ্য দিলেন। দলের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে আগামী ২৩ নভেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন ধার্য করা হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার আগেই দলীয় একক প্রার্থী এবং মিত্ররাজনৈতিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে ৩শ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এর মধ্যে চলতি মাসে ২শ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে তাদের অনেককেই সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীদের নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে মাঠে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান। তার নির্দেশনা অনুযায়ী, যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। ধারণা করা যাচ্ছে, খুব শিগগির এই বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমানের দেশের ফেরার আগে তার নিরাপত্তা ইস্যুটি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে দলের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। দলের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাকে বিশেষ নিরাপত্তা দেবে সরকার - এমন নিশ্চয়তা পেয়েছে বিএনপি। তার নিরাপত্তার স্বার্থে বুলেটপ্রুফ এসইউভি কেনার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে দুটি গাড়ি অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী মনে করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তিনি হচ্ছেন জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক। এই প্রতীককে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আমরা তা করব।’
দেশে ফেরার পর তারেক রহমান গুলশানের ভাড়া বাসা ফিরোজা ও ১৯৬ নম্বর বাসা মিলিয়ে থাকবেন। ফিরোজায় আছেন মা বেগম খালেদা জিয়া। বিচারপতি আবদুস সাত্তার সরকারের সময় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত ১৯৬ নম্বর বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এত বছর বাড়িটি তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার গত ৪ জুন বাড়িটির নামজারির কাগজ খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দেন। এই বাড়ির সংস্কারকাজ চলছে।
দলীয় সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে তারেক রহমানের জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যুসহ সব প্রক্রিয়া চলছে। তারেক রহমান বর্তমানে ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন (আইএলআর) স্ট্যাটাসে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। আইএলআর স্ট্যাটাসে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস, কাজ ও পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া যায়; ব্রিটিশ নাগরিকত্বের জন্যও আবেদন করা যায়।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ১/১১ সরকারের সময় চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডনে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই সময় থেকে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। লন্ডনে থেকেই তিনি বিএনপিকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের শক্তির প্রতীক তারেক রহমানকে শেষ করতে দেশি-বিদেশি নানা পক্ষ চক্রান্ত করেছে। তার বিরুদ্ধে নানা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। সেই তিনি দেশে ফিরছেন বাংলাদেশের নেতা হিসেবে। তাকে বরণ করতে দেশের মানুষ দিন গুনছে।’
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোন কোন আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন, এমন প্রশ্নে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তো অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি তো সেটা একটি বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে বলেই দিয়েছেন। আসন পরে নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশের যে কোনো আসন থেকে তিনি নির্বাচন করতে পারেন।
২০০ আসনে একক প্রার্থীর বাছাই শেষ দিকে>> দলের প্রার্থী মনোনয়ন কবে চূড়ান্ত হবে জানতে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা এই মাসের (অক্টোবর) মধ্যেই দলের পক্ষ থেকে কমবেশি ২শ নির্বাচনী এলাকায় একক প্রার্থীকে হয়তো গ্রিন সিগনাল দেব সেই প্রক্রিয়ায় আছি আমরা শেষের দিকে, যেন নির্বাচনী মাঠে একক প্রার্থী হিসেবে কাজ করতে পারেন।
জোট গঠনে আলোচনা হচ্ছে>> সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সবার সঙ্গে আমাদের আলোচনা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত জোট কোন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটা দেখার জন্য আপনাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে। তবে জোটবদ্ধ হলেও, কী হবে- সেটা রাজনীতির মাঠে আগে থেকেই বলে দেওয়া যায় না।
আগামী ২৩ নভেম্বর দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এই দিনকে ধরেই সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে দলটির ঘনিষ্ঠ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল বিকালে গুলশানে নিজের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিন বা তারিখ না বললেও নভেম্বর মাসে ফিরবেন- এমন ইঙ্গিত দেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আপনারা খুব শিগগিরই জানতে পারবেন নির্ধারিত তারিখ। আশা করি, নভেম্বরের মধ্যেই তিনি দেশে ফিরবেন।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমান দেশে ফিরলে গুলশানের ৭৯ নম্বর ও ১৯৬ নম্বর দুই বাসা মিলিয়ে থাকবেন। তার নিরাপত্তা ইস্যুকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে দলের পক্ষ থেকে যোগাযোগ চলছে।
গত কয়েক মাস ধরে বিএনপি মহাসচিব ও দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য বলে আসছেন খুব শিগগিরই দেশে ফিরছেন তারেক রহমান। এই অবস্থায় সালাহউদ্দিন আহমেদ গতকাল তারেক রহমানের আসার বিষয়ে তথ্য দিলেন। দলের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে আগামী ২৩ নভেম্বর তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিন ধার্য করা হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার আগেই দলীয় একক প্রার্থী এবং মিত্ররাজনৈতিক দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে ৩শ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। এর মধ্যে চলতি মাসে ২শ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে তাদের অনেককেই সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় প্রার্থীদের নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে মাঠে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান। তার নির্দেশনা অনুযায়ী, যুগপৎ আন্দোলনের মিত্র ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। ধারণা করা যাচ্ছে, খুব শিগগির এই বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান তারেক রহমানের দেশের ফেরার আগে তার নিরাপত্তা ইস্যুটি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে দলের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। দলের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাকে বিশেষ নিরাপত্তা দেবে সরকার - এমন নিশ্চয়তা পেয়েছে বিএনপি। তার নিরাপত্তার স্বার্থে বুলেটপ্রুফ এসইউভি কেনার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে দুটি গাড়ি অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী মনে করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তিনি হচ্ছেন জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক। এই প্রতীককে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব এবং কর্তব্য। আমরা তা করব।’
দেশে ফেরার পর তারেক রহমান গুলশানের ভাড়া বাসা ফিরোজা ও ১৯৬ নম্বর বাসা মিলিয়ে থাকবেন। ফিরোজায় আছেন মা বেগম খালেদা জিয়া। বিচারপতি আবদুস সাত্তার সরকারের সময় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত ১৯৬ নম্বর বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। এত বছর বাড়িটি তাঁর নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নামজারি করা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার গত ৪ জুন বাড়িটির নামজারির কাগজ খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দেন। এই বাড়ির সংস্কারকাজ চলছে।
দলীয় সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে তারেক রহমানের জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যুসহ সব প্রক্রিয়া চলছে। তারেক রহমান বর্তমানে ইনডেফিনিট লিভ টু রিমেইন (আইএলআর) স্ট্যাটাসে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। আইএলআর স্ট্যাটাসে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস, কাজ ও পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া যায়; ব্রিটিশ নাগরিকত্বের জন্যও আবেদন করা যায়।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ১/১১ সরকারের সময় চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও মেয়ে জায়মা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডনে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই সময় থেকে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। লন্ডনে থেকেই তিনি বিএনপিকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের শক্তির প্রতীক তারেক রহমানকে শেষ করতে দেশি-বিদেশি নানা পক্ষ চক্রান্ত করেছে। তার বিরুদ্ধে নানা অপবাদ দেওয়া হয়েছে। সেই তিনি দেশে ফিরছেন বাংলাদেশের নেতা হিসেবে। তাকে বরণ করতে দেশের মানুষ দিন গুনছে।’
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোন কোন আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন, এমন প্রশ্নে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তো অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি তো সেটা একটি বিদেশি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে বলেই দিয়েছেন। আসন পরে নির্ধারিত হবে। বাংলাদেশের যে কোনো আসন থেকে তিনি নির্বাচন করতে পারেন।
২০০ আসনে একক প্রার্থীর বাছাই শেষ দিকে>> দলের প্রার্থী মনোনয়ন কবে চূড়ান্ত হবে জানতে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমরা এই মাসের (অক্টোবর) মধ্যেই দলের পক্ষ থেকে কমবেশি ২শ নির্বাচনী এলাকায় একক প্রার্থীকে হয়তো গ্রিন সিগনাল দেব সেই প্রক্রিয়ায় আছি আমরা শেষের দিকে, যেন নির্বাচনী মাঠে একক প্রার্থী হিসেবে কাজ করতে পারেন।
জোট গঠনে আলোচনা হচ্ছে>> সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সবার সঙ্গে আমাদের আলোচনা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত জোট কোন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটা দেখার জন্য আপনাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে। তবে জোটবদ্ধ হলেও, কী হবে- সেটা রাজনীতির মাঠে আগে থেকেই বলে দেওয়া যায় না।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫