
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৮
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আর ব্যালট বিপ্লবের ঐতিহাসিক এক সন্ধিক্ষণে নতুন বাংলাদেশ গঠনের রায় দিয়েছে দেশবাসী। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ১৮ মাস পর অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ইতোমধ্যে ২০০টির বেশি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন, যা দলটিকে এককভাবে সরকার গঠনের শক্তিশালী ম্যান্ডেট দিয়েছে।
সর্বশেষ ২৮৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২০৮টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি জোট, ৬৮টি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত জোট এবং ১২টি আসনে স্বতন্ত্র এবং অন্যান্য দলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। বাকি আসনগুলোতেও বিএনপির প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার খবর আসছে। বেসরকারি ফলাফলে উল্লেখযোগ্য বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন যারা :
আসন নং ১ : পঞ্চগড়-১ : মুহাম্মদ নওশাদ জমির (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২ : পঞ্চগড়-২ : ফরহাদ হোসেন আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩ : ঠাকুরগাঁও-১ : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪ : ঠাকুরগাঁও-২ : ডা. আব্দুস সালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫ : ঠাকুরগাঁও-৩ : জাহিদুর রহমান জাহিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬ : দিনাজপুর-১ : মঞ্জুরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭ : দিনাজপুর-২ : সাদিক রিয়াজ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮ : দিনাজপুর-৩ : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯ : দিনাজপুর-৪ : আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
Advertisement
আসন নং ১০ : দিনাজপুর-৫ : এ, জেড, এম, রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র-তালা)
আসন নং ১১ : দিনাজপুর-৬ : ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২ : নীলফামারী-১ : আব্দুস সাত্তার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৩ : নীলফামারী-২ : আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৪ : নীলফামারী-৩ : ওবায়দুল্লাহ সালাফি (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৫ : নীলফামারী-৪ : হাফেজ আব্দুল মুত্তাকিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৬ : লালমনিরহাট-১ : মো. হাসান রাজীব প্রধান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭ : লালমনিরহাট-২ : রোকন উদ্দীন বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮ : লালমনিরহাট-৩ : আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯ : রংপুর-১ : রায়হান সিরাজী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২০ : রংপুর-২ : এটিএম আজহারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২১ : রংপুর-৩ : মাহবুবুর রহমান বেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২২ : রংপুর-৪ : আখতার হোসেন (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৩ : রংপুর-৫ : গোলাম রব্বানী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৪ : রংপুর-৬ : ইসলামীর নুরুল আমীন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৫ : কুড়িগ্রাম-১ : আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৬ : কুড়িগ্রাম-২ : ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৭ : কুড়িগ্রাম-৩ : ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৮ : কুড়িগ্রাম-৪ : মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯ : গাইবান্ধা-১ : অধ্যাপক মাজেদুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩০ : গাইবান্ধা-২ : মো. আব্দুল করিম সরকার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
Advertisement
আসন নং ৩১ : গাইবান্ধা-৩ : মাওলানা নুরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩২ : গাইবান্ধা-৪ : শামীম কাওছার লিংকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৩ : গাইবান্ধা-৫ : বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩৪ : জয়পুরহাট-১ : ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩৫ : জয়পুরহাট-২ : আব্দুল বারী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৯ : বগুড়া-৪ : মো. মোশারফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪০ : বগুড়া-৫ : গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪১ :বগুড়া-৬ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪২ : বগুড়া-৭ : মোরশেদ মিলটন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৩ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ : মো. কেরামত আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৪ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ : মু. মিজানুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৫ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ নরুল ইসলাম বুলবুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৬ : নওগাঁ-১ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৭ : নওগাঁ-২ : মো. এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৮ : নওগাঁ-৩ : মো. ফজলে হুদা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৯ : নওগাঁ-৪ : ডা. ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫০ : নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫১ : নওগাঁ-৬ : শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫২ : রাজশাহী-১ : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৫৩ : রাজশাহী-২ : মিজানুর রহমান মিনু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৪ : রাজশাহী-৩ : অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৫ : রাজশাহী-৪ : আব্দুল বারী সরদার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৫৬ : রাজশাহী-৫ : অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৭ : রাজশাহী-৬ : আবু সাঈদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৮ : নাটোর-১ : ফারজানা শারমীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৯ : নাটোর-২ : এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬০ : নাটোর-৩ : মো. আনোয়ারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬২ : সিরাজগঞ্জ-১ :সেলিম রেজা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৩ : সিরাজগঞ্জ-২ : ইকবাল হাসান মাহ্মুদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৪ : সিরাজগঞ্জ-৩ : আইনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৫ : সিরাজগঞ্জ-৪ : রফিকুল ইসলাম খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৬৬ : সিরাজগঞ্জ-৫ : আমিরুল ইসলাম খান আলীম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৭ : সিরাজগঞ্জ-৬ : এম এ মুহিত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৮ : পাবনা-১ : নাজিবুর রহমান মোমেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৬৯ : পাবনা-২ : এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭০ : পাবনা-৩ : মাওলানা আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭১ : পাবনা-৪ : আবু তালেব মন্ডল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭২ : পাবনা-৫ : শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭৩ : মেহেরপুর-১ : মো. তাজউদ্দীন খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৫ : কুষ্টিয়া-১ : রেজা আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭৬ : কুষ্টিয়া-২ : মো. আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৭ : কুষ্টিয়া-৩ : মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৮ : কুষ্টিয়া-৪ : মো. আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৯ : চুয়াডাঙ্গা-১ : অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮০ : চুয়াডাঙ্গা-২ : মো. রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮১ : ঝিনাইদহ-১ : মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮২ : ঝিনাইদহ-২ : আলী আজম মো. আবু বকর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৩ : ঝিনাইদহ-৩ : মতিয়ার রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৪ : ঝিনাইদহ-৪ : মাওলানা মো. আবু তালিব (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৫ : যশোর-১ : মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৬ : যশোর-২ : মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৭ : যশোর-৩ : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮৮ : যশোর-৪ : মো. গোলাম রছুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৯ : যশোর-৫ : গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯০ : যশোর-৬ : মো. মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯২ : মাগুরা-২ : নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৩ : নড়াইল-১ : বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৭ : বাগেরহাট-৩ : শেখ ফরিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৯ : খুলনা-১ : আমীর এজাজ খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০০ : খুলনা-২ : শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০১ : খুলনা- ৩ : রকিবুল ইসলাম বকুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০২ : খুলনা- ৪ : আজিজুল বারী হেলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০৩ : খুলনা- ৫ : আলী আজগার লবি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০৪ : খুলনা- ৬ : মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৫ : সাতক্ষীরা-১ : ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৬ : সাতক্ষীরা-২ : মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৭ : সাতক্ষীরা-৩ : মুহাদ্দিস রবিউল বাশার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৮ : সাতক্ষীরা-৪ : গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৯ : বরগুনা-১ : মো. অলি উল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা)
আসন নং ১১০ : বরগুনা-২ : মো. নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১১ : পটুয়াখালী-১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১২ : পটুয়াখালী-২ : ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১১৩ : পটুয়াখালী-৩ : মো. নুরুল হক (গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক) (বিএনপি সমর্থিত)
আসন নং ১১৪ : পটুয়াখালী-৪ : মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৫ : ভোলা-১ : আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি-গরুর গাড়ি)
আসন নং ১১৬ : ভোলা-২ : মো. হাফিজ ইব্রাহিম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৭ : ভোলা-৩ : হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৮ : ভোলা-৪ : মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৯ : বরিশাল-১ : জহিরুদ্দিন স্বপন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২০ : বরিশাল-২ : সরফুদ্দিন সরদার সান্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২১ : বরিশাল-৩ : অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২২ : বরিশাল-৪ : রাজীব আহসান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৩ : বরিশাল-৫ : মজিবর রহমান সরোয়ার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৪ : বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৫ : ঝালকাঠী-১ : রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৬ : ঝালকাঠি-২ : ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৭ : পিরোজপুর-১ : মাসুদ সাঈদী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১২৮ : পিরোজপুর-২ : আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৯ : পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩০ : টাঙ্গাইল-১ : ফকির মাহবুব আনাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩১ : টাঙ্গাইল-২ : আব্দুস সালাম পিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩২ : টাঙ্গাইল-৩ : লুৎফর রহমান খান আজাদ (স্বতন্ত্র-মোটরসাইকেল)
আসন নং ১৩৩ : টাঙ্গাইল-৪ : লুৎফর রহমান মতিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৪ : টাঙ্গাইল-৫ : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৫ : টাঙ্গাইল-৬ : মো. রবিউল আওয়াল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৬ : টাঙ্গাইল-৭ : আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৭ : টাঙ্গাইল-৮ : আহমেদ আযম খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৮ : জামালপুর-১ : রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৯ : জামালপুর-২ : সুলতান মাহমুদ বাবু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪০ : জামালপুর-৩ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪১ : জামালপুর-৪ : ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪২ : জামালপুর-৫ : অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪৪ : শেরপুর-২ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলাফল স্থগিত
আসন নং ১৪৫ : শেরপুর-৩ : প্রার্থী মারা যাওয়ায় নির্বাচন স্থগিত
আসন নং ১৪৬ :ময়মনসিংহ-১ : সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র-ঘোড়া)
আসন নং ১৪৭ :ময়মনসিংহ-২ : মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)
আসন নং ১৪৮ :ময়মনসিংহ-৩ : এম ইকবাল হোসেইন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪৯ :ময়মনসিংহ-৪ : আবু ওয়াহাব আকন্দ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫০ :ময়মনসিংহ-৫ : জাকির হোসেন বাবলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫১ :ময়মনসিংহ-৬ : কামরুল হাসান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৫২ :ময়মনসিংহ-৭ : ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৩ : ময়মনসিংহ-৮ : লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৪ :ময়মনসিংহ-৯ : ইয়াসের খান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৫ :ময়মনসিংহ-১০ : আকতারুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৬ :ময়মনসিংহ-১১ : ফখর উদ্দিন আহম্মেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৭ : নেত্রকোণা-১ : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৮ : নেত্রকোনা-২ : ডা. মো. আনোয়ারুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৯ : নেত্রকোনা-৩ : ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬০ : নেত্রকোণা-৪ : মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬১ : নেত্রকোনা-৫ : অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৬২ : কিশোরগঞ্জ-১ : মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৩ : কিশোরগঞ্জ-২ : অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৪ : কিশোরগঞ্জ-৩ : ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৫ : কিশোরগঞ্জ-8 : মো. ফজলুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৬ : কিশোরগঞ্জ-৫ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (স্বতন্ত্র-হাঁস)
আসন নং ১৬৭ :কিশোরগঞ্জ-৬ : মো. শরীফুল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৮ : মানিকগঞ্জ-১ : এস এ কবির জিন্নাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৯ : মানিকগঞ্জ-২ : মইনুল ইসলাম খান শান্ত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭০ : মানিকগঞ্জ-৩ : আফরোজা খানম রিতা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭১ : মুন্সীগঞ্জ-১ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭২ : মুন্সীগঞ্জ-২ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৩ : মুন্সীগঞ্জ-৩ : মো. কামরুজ্জামান রতন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৫ : ঢাকা-২ : মো. আমানউল্লাহ আমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৬ : ঢাকা-৩ : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৯ ঢাকা-৬ : ইশরাক হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮১ ঢাকা-৮ : মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮২ ঢাকা-৯ : হাবিবুর রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮৩ : ঢাকা-১০ : শেখ রবিউল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮৪ : ঢাকা-১১ : মো. নাহিদ ইসলাম (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ১৮৬ : ঢাকা-১৩ : ববি হাজ্জাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯০ : ঢাকা-১৭ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯১ ঢাকা-১৮ : এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯২ : ঢাকা-১৯ : দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৪ : গাজীপুর-১ : মুজিবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৫ : গাজীপুর-২ : এম মনজুরুল করিম রনি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৬ : গাজীপুর-৩ : এস এম রফিকুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৭ : গাজীপুর-৪ : সালাউদ্দিন আইয়ুবী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৯৮ : গাজীপুর-৫ : এ কে এম ফজলুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৯ : নরসিংদী-১ : খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০০ : নরসিংদী-২ : ড. আবদুল মঈন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০১ : নরসিংদী-৩ : মনজুর এলাহী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০২ : নরসিংদী-৪ : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৩ : নরসিংদী-৫ : মো. আশরাফ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৪ : নারায়ণগঞ্জ-১ : মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৬ : নারায়ণগঞ্জ-৩ : আজহারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৯ : রাজবাড়ী-১ : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১০ : রাজবাড়ী-২ :মো. হারুন-অর-রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১১ : ফরিদপুর-১ : ড. ইলিয়াস মোল্যা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২১২ : ফরিদপুর-২ : শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৩ : ফরিদপুর-৩ : চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৪ : ফরিদপুর-৪ : শহিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৮ : মাদারীপুর-১ : সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা (খেলাফত মজলিস-রিকশা)
আসন নং ২১৯ : মাদারীপুর-২ : জাহান্দার আলী মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২০ : মাদারীপুর-৩ : আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২১ : শরীয়তপুর-১ : সাঈদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২২ : শরীয়তপুর-২ : মো. সফিকুর রহমান (কিরন) (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৩ : শরীয়তপুর-৩ : মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৫ : সুনামগঞ্জ-২ : মো. নাছির চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৭ : সুনামগঞ্জ-৪ : নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৮ : সুনামগঞ্জ-৫ : কলিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৯ : সিলেট-১ : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩০ : সিলেট-২ : তাহসীনা রুশদির লুনা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩১ : সিলেট-৩ : এমএ মালিক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩২ : সিলেট-৪ : আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৩ : সিলেট-৫ : মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত মজলিস-দেয়াল ঘড়ি)
আসন নং ২৩৪ : সিলেট-৬ : এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৫ : মৌলভীবাজার-১ : মো. নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৬ : মৌলভীবাজার-২ : আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৭ : মৌলভীবাজার-৩ : এম নাসের রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৮ : মৌলভীবাজার-৪ : মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪১ : হবিগঞ্জ-৩ : আলহাজ মো. জি কে গউছ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৩ : ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ : এম এ হান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৪ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র-হাঁস)
আসন নং ২৪৫ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৬ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : মুশফিকুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৭ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : এম এ মান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৮ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (গণসংহতি আন্দোলন-মাথাল) (বিএনপি সমর্থিত)
আসন নং ২৪৯ : কুমিল্লা-১ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫০ : কুমিল্লা-২ : সেলিম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫১ : কুমিল্লা-৩ : শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫২ : কুমিল্লা-৪ : মো. আবুল হাসনাত (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৫৩ : কুমিল্লা-৫ : জসিম উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৪ : কুমিল্লা-৬ : মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৫ : কুমিল্লা-৭ : আতিকুল আলম শাওন (স্বতন্ত্র-কলস)
আসন নং ২৫৬ : কুমিল্লা-৮ : জাকারিয়া তাহের সুমন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৭ : কুমিল্লা-৯ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৮ : কুমিল্লা-১০ : মোবাশ্বের আলম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৯ : কুমিল্লা-১১ : ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৬০ : চাঁদপুর-১ : আ ন ম এহছানুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬১ : চাঁদপুর-২ : মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬২ : চাঁদপুর-৩ : শেখ ফরিদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৩ : চাঁদপুর-৪ : এম এ হান্নান (স্বতন্ত্র-চিংড়ি মাছ)
আসন নং ২৬৪ : চাঁদপুর-৫ : মো. মমিনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৫ : ফেনী-১ : মুন্সি রফিকুল আলম মজনু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৬ : ফেনী-২ : অধ্যাপক জয়নাল আবদিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৭ : ফেনী-৩ : আবদুল আউয়াল মিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৮ : নোয়াখালী-১ : মাহাবুব উদ্দিন খোকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৯ : নোয়াখালী-২ : জয়নুল আবদিন ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭০ : নোয়াখালী-৩ : মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭১ : নোয়াখালী-৪ : মো. শাহজাহান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭২ : নোয়াখালী-৫ : মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৩ : নোয়াখালী-৬ : আবদুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৭৪ : লক্ষ্মীপুর-১ : শাহাদাত হোসেন সেলিম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৫ : লক্ষ্মীপুর-২ : আবুল খায়ের ভুঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৬ : লক্ষ্মীপুর-৩ : শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৭ : লক্ষ্মীপুর-৪ : আশরাফ উদ্দিন নিজান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৮ : চট্টগ্রাম-১ : নুরুল আমিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৯ : চট্টগ্রাম-২ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলাফল স্থগিত
আসন নং ২৮০ : চট্টগ্রাম-৩ : মোস্তফা কামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮১ : চট্টগ্রাম-৪ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলাফল স্থগিত
আসন নং ২৮২ : চট্টগ্রাম-৫ : মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৩ : চট্টগ্রাম-৬ : গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৪ : চট্টগ্রাম-৭ : হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৫ : চট্টগ্রাম-৮ : এরশাদ উল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৬ : চট্টগ্রাম-৯ : আবু সুফিয়ান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৭ : চট্টগ্রাম-১০ : সাঈদ আল নোমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৮ : চট্টগ্রাম-১১ : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৯ : চট্টগ্রাম-১২ : এনামুল হক এনাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯০ : চট্টগ্রাম-১৩ : সরোয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯১ : চট্টগ্রাম-১৪ : জসীম উদ্দীন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯২ : চট্টগ্রাম-১৫ : শাহজাহান চৌধুরী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯৩ : চট্টগ্রাম-১৬ : জহিরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯৪ : কক্সবাজার-১ : সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৫ : কক্সবাজার-২ : মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৬ : কক্সবাজার-৩ : লুৎফুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৭ : কক্সবাজার-৪ : শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৮ : খাগড়াছড়ি : আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩০০ : বান্দরবান : সচিং প্রু (বিএনপি-ধানের শীষ)
বিস্তারিত আসছে...
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আর ব্যালট বিপ্লবের ঐতিহাসিক এক সন্ধিক্ষণে নতুন বাংলাদেশ গঠনের রায় দিয়েছে দেশবাসী। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ১৮ মাস পর অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ইতোমধ্যে ২০০টির বেশি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন, যা দলটিকে এককভাবে সরকার গঠনের শক্তিশালী ম্যান্ডেট দিয়েছে।
সর্বশেষ ২৮৮টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২০৮টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি জোট, ৬৮টি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত জোট এবং ১২টি আসনে স্বতন্ত্র এবং অন্যান্য দলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। বাকি আসনগুলোতেও বিএনপির প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার খবর আসছে। বেসরকারি ফলাফলে উল্লেখযোগ্য বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন যারা :
আসন নং ১ : পঞ্চগড়-১ : মুহাম্মদ নওশাদ জমির (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২ : পঞ্চগড়-২ : ফরহাদ হোসেন আজাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩ : ঠাকুরগাঁও-১ : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪ : ঠাকুরগাঁও-২ : ডা. আব্দুস সালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫ : ঠাকুরগাঁও-৩ : জাহিদুর রহমান জাহিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬ : দিনাজপুর-১ : মঞ্জুরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭ : দিনাজপুর-২ : সাদিক রিয়াজ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮ : দিনাজপুর-৩ : সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯ : দিনাজপুর-৪ : আখতারুজ্জামান মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
Advertisement
আসন নং ১০ : দিনাজপুর-৫ : এ, জেড, এম, রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র-তালা)
আসন নং ১১ : দিনাজপুর-৬ : ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২ : নীলফামারী-১ : আব্দুস সাত্তার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৩ : নীলফামারী-২ : আল ফারুক আব্দুল লতিফ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৪ : নীলফামারী-৩ : ওবায়দুল্লাহ সালাফি (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৫ : নীলফামারী-৪ : হাফেজ আব্দুল মুত্তাকিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৬ : লালমনিরহাট-১ : মো. হাসান রাজীব প্রধান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭ : লালমনিরহাট-২ : রোকন উদ্দীন বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮ : লালমনিরহাট-৩ : আসাদুল হাবিব দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯ : রংপুর-১ : রায়হান সিরাজী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২০ : রংপুর-২ : এটিএম আজহারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২১ : রংপুর-৩ : মাহবুবুর রহমান বেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২২ : রংপুর-৪ : আখতার হোসেন (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৩ : রংপুর-৫ : গোলাম রব্বানী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৪ : রংপুর-৬ : ইসলামীর নুরুল আমীন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৫ : কুড়িগ্রাম-১ : আনোয়ারুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৬ : কুড়িগ্রাম-২ : ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৭ : কুড়িগ্রাম-৩ : ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৮ : কুড়িগ্রাম-৪ : মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯ : গাইবান্ধা-১ : অধ্যাপক মাজেদুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩০ : গাইবান্ধা-২ : মো. আব্দুল করিম সরকার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
Advertisement
আসন নং ৩১ : গাইবান্ধা-৩ : মাওলানা নুরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩২ : গাইবান্ধা-৪ : শামীম কাওছার লিংকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৩ : গাইবান্ধা-৫ : বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩৪ : জয়পুরহাট-১ : ফজলুর রহমান সাঈদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৩৫ : জয়পুরহাট-২ : আব্দুল বারী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩৯ : বগুড়া-৪ : মো. মোশারফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪০ : বগুড়া-৫ : গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪১ :বগুড়া-৬ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪২ : বগুড়া-৭ : মোরশেদ মিলটন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৩ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ : মো. কেরামত আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৪ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ : মু. মিজানুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৫ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ নরুল ইসলাম বুলবুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৬ : নওগাঁ-১ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৭ : নওগাঁ-২ : মো. এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৪৮ : নওগাঁ-৩ : মো. ফজলে হুদা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৪৯ : নওগাঁ-৪ : ডা. ইকরামুল বারী টিপু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫০ : নওগাঁ-৫ : জাহিদুল ইসলাম ধলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫১ : নওগাঁ-৬ : শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫২ : রাজশাহী-১ : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৫৩ : রাজশাহী-২ : মিজানুর রহমান মিনু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৪ : রাজশাহী-৩ : অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৫ : রাজশাহী-৪ : আব্দুল বারী সরদার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৫৬ : রাজশাহী-৫ : অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৭ : রাজশাহী-৬ : আবু সাঈদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৮ : নাটোর-১ : ফারজানা শারমীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৫৯ : নাটোর-২ : এম. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬০ : নাটোর-৩ : মো. আনোয়ারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬২ : সিরাজগঞ্জ-১ :সেলিম রেজা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৩ : সিরাজগঞ্জ-২ : ইকবাল হাসান মাহ্মুদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৪ : সিরাজগঞ্জ-৩ : আইনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৫ : সিরাজগঞ্জ-৪ : রফিকুল ইসলাম খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৬৬ : সিরাজগঞ্জ-৫ : আমিরুল ইসলাম খান আলীম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৭ : সিরাজগঞ্জ-৬ : এম এ মুহিত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৬৮ : পাবনা-১ : নাজিবুর রহমান মোমেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৬৯ : পাবনা-২ : এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭০ : পাবনা-৩ : মাওলানা আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭১ : পাবনা-৪ : আবু তালেব মন্ডল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭২ : পাবনা-৫ : শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭৩ : মেহেরপুর-১ : মো. তাজউদ্দীন খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৫ : কুষ্টিয়া-১ : রেজা আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৭৬ : কুষ্টিয়া-২ : মো. আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৭ : কুষ্টিয়া-৩ : মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৮ : কুষ্টিয়া-৪ : মো. আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৭৯ : চুয়াডাঙ্গা-১ : অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮০ : চুয়াডাঙ্গা-২ : মো. রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮১ : ঝিনাইদহ-১ : মো. আসাদুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮২ : ঝিনাইদহ-২ : আলী আজম মো. আবু বকর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৩ : ঝিনাইদহ-৩ : মতিয়ার রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৪ : ঝিনাইদহ-৪ : মাওলানা মো. আবু তালিব (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৫ : যশোর-১ : মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৬ : যশোর-২ : মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৭ : যশোর-৩ : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৮৮ : যশোর-৪ : মো. গোলাম রছুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৮৯ : যশোর-৫ : গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯০ : যশোর-৬ : মো. মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ৯২ : মাগুরা-২ : নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৩ : নড়াইল-১ : বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৭ : বাগেরহাট-৩ : শেখ ফরিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৯৯ : খুলনা-১ : আমীর এজাজ খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০০ : খুলনা-২ : শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০১ : খুলনা- ৩ : রকিবুল ইসলাম বকুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০২ : খুলনা- ৪ : আজিজুল বারী হেলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০৩ : খুলনা- ৫ : আলী আজগার লবি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১০৪ : খুলনা- ৬ : মাওলানা আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৫ : সাতক্ষীরা-১ : ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৬ : সাতক্ষীরা-২ : মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৭ : সাতক্ষীরা-৩ : মুহাদ্দিস রবিউল বাশার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৮ : সাতক্ষীরা-৪ : গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১০৯ : বরগুনা-১ : মো. অলি উল্লাহ (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা)
আসন নং ১১০ : বরগুনা-২ : মো. নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১১ : পটুয়াখালী-১ : আলতাফ হোসেন চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১২ : পটুয়াখালী-২ : ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১১৩ : পটুয়াখালী-৩ : মো. নুরুল হক (গণঅধিকার পরিষদ ট্রাক) (বিএনপি সমর্থিত)
আসন নং ১১৪ : পটুয়াখালী-৪ : মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৫ : ভোলা-১ : আন্দালিভ রহমান পার্থ (বিজেপি-গরুর গাড়ি)
আসন নং ১১৬ : ভোলা-২ : মো. হাফিজ ইব্রাহিম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৭ : ভোলা-৩ : হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৮ : ভোলা-৪ : মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১১৯ : বরিশাল-১ : জহিরুদ্দিন স্বপন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২০ : বরিশাল-২ : সরফুদ্দিন সরদার সান্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২১ : বরিশাল-৩ : অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২২ : বরিশাল-৪ : রাজীব আহসান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৩ : বরিশাল-৫ : মজিবর রহমান সরোয়ার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৪ : বরিশাল-৬ : আবুল হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৫ : ঝালকাঠী-১ : রফিকুল ইসলাম জামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৬ : ঝালকাঠি-২ : ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৭ : পিরোজপুর-১ : মাসুদ সাঈদী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১২৮ : পিরোজপুর-২ : আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১২৯ : পিরোজপুর-৩ : রুহুল আমিন দুলাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩০ : টাঙ্গাইল-১ : ফকির মাহবুব আনাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩১ : টাঙ্গাইল-২ : আব্দুস সালাম পিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩২ : টাঙ্গাইল-৩ : লুৎফর রহমান খান আজাদ (স্বতন্ত্র-মোটরসাইকেল)
আসন নং ১৩৩ : টাঙ্গাইল-৪ : লুৎফর রহমান মতিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৪ : টাঙ্গাইল-৫ : সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৫ : টাঙ্গাইল-৬ : মো. রবিউল আওয়াল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৬ : টাঙ্গাইল-৭ : আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৭ : টাঙ্গাইল-৮ : আহমেদ আযম খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৮ : জামালপুর-১ : রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৩৯ : জামালপুর-২ : সুলতান মাহমুদ বাবু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪০ : জামালপুর-৩ : মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪১ : জামালপুর-৪ : ফরিদুল কবীর তালুকদার শামীম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪২ : জামালপুর-৫ : অ্যাডভোকেট শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪৪ : শেরপুর-২ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলাফল স্থগিত
আসন নং ১৪৫ : শেরপুর-৩ : প্রার্থী মারা যাওয়ায় নির্বাচন স্থগিত
আসন নং ১৪৬ :ময়মনসিংহ-১ : সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র-ঘোড়া)
আসন নং ১৪৭ :ময়মনসিংহ-২ : মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-রিকশা)
আসন নং ১৪৮ :ময়মনসিংহ-৩ : এম ইকবাল হোসেইন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৪৯ :ময়মনসিংহ-৪ : আবু ওয়াহাব আকন্দ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫০ :ময়মনসিংহ-৫ : জাকির হোসেন বাবলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫১ :ময়মনসিংহ-৬ : কামরুল হাসান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৫২ :ময়মনসিংহ-৭ : ডা. মো. মাহাবুবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৩ : ময়মনসিংহ-৮ : লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৪ :ময়মনসিংহ-৯ : ইয়াসের খান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৫ :ময়মনসিংহ-১০ : আকতারুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৬ :ময়মনসিংহ-১১ : ফখর উদ্দিন আহম্মেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৭ : নেত্রকোণা-১ : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৮ : নেত্রকোনা-২ : ডা. মো. আনোয়ারুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৫৯ : নেত্রকোনা-৩ : ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬০ : নেত্রকোণা-৪ : মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬১ : নেত্রকোনা-৫ : অধ্যাপক মাসুম মোস্তফা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৬২ : কিশোরগঞ্জ-১ : মাজহারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৩ : কিশোরগঞ্জ-২ : অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৪ : কিশোরগঞ্জ-৩ : ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৫ : কিশোরগঞ্জ-8 : মো. ফজলুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৬ : কিশোরগঞ্জ-৫ : শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল (স্বতন্ত্র-হাঁস)
আসন নং ১৬৭ :কিশোরগঞ্জ-৬ : মো. শরীফুল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৮ : মানিকগঞ্জ-১ : এস এ কবির জিন্নাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৬৯ : মানিকগঞ্জ-২ : মইনুল ইসলাম খান শান্ত (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭০ : মানিকগঞ্জ-৩ : আফরোজা খানম রিতা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭১ : মুন্সীগঞ্জ-১ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭২ : মুন্সীগঞ্জ-২ : শেখ মো. আব্দুল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৩ : মুন্সীগঞ্জ-৩ : মো. কামরুজ্জামান রতন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৫ : ঢাকা-২ : মো. আমানউল্লাহ আমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৬ : ঢাকা-৩ : গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৭৯ ঢাকা-৬ : ইশরাক হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮১ ঢাকা-৮ : মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮২ ঢাকা-৯ : হাবিবুর রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮৩ : ঢাকা-১০ : শেখ রবিউল আলম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৮৪ : ঢাকা-১১ : মো. নাহিদ ইসলাম (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ১৮৬ : ঢাকা-১৩ : ববি হাজ্জাজ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯০ : ঢাকা-১৭ : তারেক রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯১ ঢাকা-১৮ : এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯২ : ঢাকা-১৯ : দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৪ : গাজীপুর-১ : মুজিবুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৫ : গাজীপুর-২ : এম মনজুরুল করিম রনি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৬ : গাজীপুর-৩ : এস এম রফিকুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৭ : গাজীপুর-৪ : সালাউদ্দিন আইয়ুবী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ১৯৮ : গাজীপুর-৫ : এ কে এম ফজলুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ১৯৯ : নরসিংদী-১ : খায়রুল কবির খোকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০০ : নরসিংদী-২ : ড. আবদুল মঈন খান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০১ : নরসিংদী-৩ : মনজুর এলাহী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০২ : নরসিংদী-৪ : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৩ : নরসিংদী-৫ : মো. আশরাফ উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৪ : নারায়ণগঞ্জ-১ : মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৬ : নারায়ণগঞ্জ-৩ : আজহারুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২০৯ : রাজবাড়ী-১ : আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১০ : রাজবাড়ী-২ :মো. হারুন-অর-রশিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১১ : ফরিদপুর-১ : ড. ইলিয়াস মোল্যা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২১২ : ফরিদপুর-২ : শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৩ : ফরিদপুর-৩ : চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৪ : ফরিদপুর-৪ : শহিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২১৮ : মাদারীপুর-১ : সাঈদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা (খেলাফত মজলিস-রিকশা)
আসন নং ২১৯ : মাদারীপুর-২ : জাহান্দার আলী মিয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২০ : মাদারীপুর-৩ : আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২১ : শরীয়তপুর-১ : সাঈদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২২ : শরীয়তপুর-২ : মো. সফিকুর রহমান (কিরন) (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৩ : শরীয়তপুর-৩ : মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৫ : সুনামগঞ্জ-২ : মো. নাছির চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৭ : সুনামগঞ্জ-৪ : নূরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৮ : সুনামগঞ্জ-৫ : কলিম উদ্দিন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২২৯ : সিলেট-১ : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩০ : সিলেট-২ : তাহসীনা রুশদির লুনা (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩১ : সিলেট-৩ : এমএ মালিক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩২ : সিলেট-৪ : আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৩ : সিলেট-৫ : মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত মজলিস-দেয়াল ঘড়ি)
আসন নং ২৩৪ : সিলেট-৬ : এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৫ : মৌলভীবাজার-১ : মো. নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৬ : মৌলভীবাজার-২ : আলহাজ্ব শওকতুল ইসলাম শকু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৭ : মৌলভীবাজার-৩ : এম নাসের রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৩৮ : মৌলভীবাজার-৪ : মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪১ : হবিগঞ্জ-৩ : আলহাজ মো. জি কে গউছ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৩ : ব্রাহ্মাণবাড়িয়া-১ : এম এ হান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৪ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : রুমিন ফারহানা (স্বতন্ত্র-হাঁস)
আসন নং ২৪৫ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৬ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : মুশফিকুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৭ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : এম এ মান্নান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৪৮ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (গণসংহতি আন্দোলন-মাথাল) (বিএনপি সমর্থিত)
আসন নং ২৪৯ : কুমিল্লা-১ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫০ : কুমিল্লা-২ : সেলিম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫১ : কুমিল্লা-৩ : শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫২ : কুমিল্লা-৪ : মো. আবুল হাসনাত (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৫৩ : কুমিল্লা-৫ : জসিম উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৪ : কুমিল্লা-৬ : মনিরুল হক চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৫ : কুমিল্লা-৭ : আতিকুল আলম শাওন (স্বতন্ত্র-কলস)
আসন নং ২৫৬ : কুমিল্লা-৮ : জাকারিয়া তাহের সুমন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৭ : কুমিল্লা-৯ : আবুল কালাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৮ : কুমিল্লা-১০ : মোবাশ্বের আলম ভুইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৫৯ : কুমিল্লা-১১ : ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৬০ : চাঁদপুর-১ : আ ন ম এহছানুল হক মিলন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬১ : চাঁদপুর-২ : মো. জালাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬২ : চাঁদপুর-৩ : শেখ ফরিদ আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৩ : চাঁদপুর-৪ : এম এ হান্নান (স্বতন্ত্র-চিংড়ি মাছ)
আসন নং ২৬৪ : চাঁদপুর-৫ : মো. মমিনুল হক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৫ : ফেনী-১ : মুন্সি রফিকুল আলম মজনু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৬ : ফেনী-২ : অধ্যাপক জয়নাল আবদিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৭ : ফেনী-৩ : আবদুল আউয়াল মিন্টু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৮ : নোয়াখালী-১ : মাহাবুব উদ্দিন খোকন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৬৯ : নোয়াখালী-২ : জয়নুল আবদিন ফারুক (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭০ : নোয়াখালী-৩ : মো. বরকত উল্লাহ বুলু (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭১ : নোয়াখালী-৪ : মো. শাহজাহান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭২ : নোয়াখালী-৫ : মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৩ : নোয়াখালী-৬ : আবদুল হান্নান মাসউদ (এনসিপি-শাপলা কলি)
আসন নং ২৭৪ : লক্ষ্মীপুর-১ : শাহাদাত হোসেন সেলিম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৫ : লক্ষ্মীপুর-২ : আবুল খায়ের ভুঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৬ : লক্ষ্মীপুর-৩ : শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৭ : লক্ষ্মীপুর-৪ : আশরাফ উদ্দিন নিজান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৮ : চট্টগ্রাম-১ : নুরুল আমিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৭৯ : চট্টগ্রাম-২ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলাফল স্থগিত
আসন নং ২৮০ : চট্টগ্রাম-৩ : মোস্তফা কামাল (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮১ : চট্টগ্রাম-৪ : নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলাফল স্থগিত
আসন নং ২৮২ : চট্টগ্রাম-৫ : মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৩ : চট্টগ্রাম-৬ : গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৪ : চট্টগ্রাম-৭ : হুম্মাম কাদের চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৫ : চট্টগ্রাম-৮ : এরশাদ উল্লাহ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৬ : চট্টগ্রাম-৯ : আবু সুফিয়ান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৭ : চট্টগ্রাম-১০ : সাঈদ আল নোমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৮ : চট্টগ্রাম-১১ : আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৮৯ : চট্টগ্রাম-১২ : এনামুল হক এনাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯০ : চট্টগ্রাম-১৩ : সরোয়ার জামাল নিজাম (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯১ : চট্টগ্রাম-১৪ : জসীম উদ্দীন আহমেদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯২ : চট্টগ্রাম-১৫ : শাহজাহান চৌধুরী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯৩ : চট্টগ্রাম-১৬ : জহিরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
আসন নং ২৯৪ : কক্সবাজার-১ : সালাহউদ্দিন আহমদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৫ : কক্সবাজার-২ : মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৬ : কক্সবাজার-৩ : লুৎফুর রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৭ : কক্সবাজার-৪ : শাহজাহান চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ২৯৮ : খাগড়াছড়ি : আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া (বিএনপি-ধানের শীষ)
আসন নং ৩০০ : বান্দরবান : সচিং প্রু (বিএনপি-ধানের শীষ)
বিস্তারিত আসছে...

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৭

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫