Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:১৩
রাজবাড়ীর কালুখালীতে মো. আসাদুল ইসলাম নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহে আগুনে পোড়ানোর চিহ্ন পাওয়া গেছে।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার মাদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া এলাকার পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আসাদুল কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিল মানুষমারি গ্রামের মো. সাজাহানের ছেলে এবং মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আসাদুল ইসলামের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে রাত ১০টার দিকে বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম দাবি করেছেন, আসাদুল ইসলাম কালুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আসাদুল একজন ভদ্র ও মেধাবী তরুণ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, সকালে পাটক্ষেত থেকে নিখোঁজ আসাদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
তিনি আরও বলেন, রোববার বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকেই আসাদুল নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অবহিত করা হয়। আজ সকালে একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
রাজবাড়ীর কালুখালীতে মো. আসাদুল ইসলাম নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহে আগুনে পোড়ানোর চিহ্ন পাওয়া গেছে।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার মাদাপুর ইউনিয়নের সূর্যদিয়া এলাকার পাটক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আসাদুল কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিল মানুষমারি গ্রামের মো. সাজাহানের ছেলে এবং মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আসাদুল ইসলামের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে রাত ১০টার দিকে বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
রাজবাড়ী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম দাবি করেছেন, আসাদুল ইসলাম কালুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আসাদুল একজন ভদ্র ও মেধাবী তরুণ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পাংশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার দেবব্রত সরকার বলেন, সকালে পাটক্ষেত থেকে নিখোঁজ আসাদুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর মরদেহ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
তিনি আরও বলেন, রোববার বিকেলে সোনাপুর হাটে যাওয়ার পর থেকেই আসাদুল নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অবহিত করা হয়। আজ সকালে একটি পাটক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৩২

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:০৫
নওগাঁর ধামইরহাটে সুলতানা (৬৫) এক মাকে নির্যাতনের অভিযোগে তার দুই ছেলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ জুন) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। সুলতানা উপজেলার খড়মপুর গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, সুলতানার বড় ছেলে আব্দুল মমিন (৪৫) এবং ছোট ছেলে আব্দুল মকিম (৩৫)।
নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, শনিবার সুলতানা তার এক স্বামী পরিত্যক্তা মেয়েকে নিয়ে থানায় আসেন। এরপর তিনি তার ছেলেদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি বলেন, তার স্বামী মারা যাবার পর দুই ছেলের বিয়ে হয়।
বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই তারা আলাদাভাবে সংসার করে আসছিল। এর মাঝেই সুলতানার নামে থাকা কিছু সম্পত্তি লিখে নিতে চাপ সৃষ্টি করে দুই ছেলে। পারিবারিকভাবে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করা হয়েছে অনেক বার। কিন্তু তারা তা না মেনে মাঝেমধ্যেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করতে থাকে। সবশেষে শনিবার তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চায় মমিন ও মকিম। উপায় না পেয়ে শনিবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।
পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযোগ পাওয়ার ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনা সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় সুলতানার দুই ছেলেকে। রোববার ফৌজদার কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রোববার আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্যাতনের শিকার সুলতানা জানান, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে সন্তানদের অকথ্য গালিগালাজ আর সইতে পারছিলেন না। নিরুপায় হয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন থানায়। আইন অনুযায়ী ন্যায্য বিচার তিনি।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৬:০৮
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পৃথক চারটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুবাই পুলিশ। রোববার (১৪ জুন) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের একজন ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেয় আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
এর আগে ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর পৃথক চারটি মামলা করে দুদক।
মামলায় বেনজীর আহমেদের পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মাত্র ৬ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে কলেজের আবাসিক হলের কক্ষ থেকে শুরু করা এক শিক্ষার্থীর জার্সি ব্যবসা এখন দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিদুল ইসলামের গড়ে তোলা এই অনলাইন ও অফলাইন উদ্যোগ মাত্র দুই মাসে লাখ টাকার ব্যবসায় রূপ নিয়েছে।
জামালপুর সদরের নান্দিনার বাসিন্দা মাহিদুল ইসলাম। ছোটোবেলা থেকেই কিছু করার স্বপ্ন ছিল তার, আর সেই স্বপ্নই একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে তাকে। বিশ্বকাপ এলে জার্সির বাড়তি চাহিদা দেখে ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করেন তিনি।
মাহিদুল মাত্র দুই মাস আগে পরিবারের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দলের কিছু জার্সি সংগ্রহ করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক পেজ চালু করে অনলাইনে বিক্রি শুরু করেন। শুরুতে অর্ডার ছিল খুবই কম। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। বিশ্বকাপ শুরু না হতেই সে এখন প্রায় লাখ টাকার মালিক।
সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের আবাসিক হলের ৪১০ নম্বর কক্ষ এখন যেন একটি ছোট্ট স্পোর্টস শপ। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও বিক্রি করছেন তিনি। কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, ফুটবলপ্রেমী তরুণ এবং স্থানীয় ক্রেতারা সরাসরি তার কক্ষে এসে পছন্দের জার্সি কিনে নিয়ে যান। আবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতারা সামাজিক মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে জার্সি সংগ্রহ করছেন।
বিশ্বকাপের উন্মাদনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবসাও পেয়েছে নতুন গতি। বর্তমানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে ক্রেতাদের অনুরোধে অন্যান্য দলের জার্সিও সরবরাহ করছেন তিনি।
সহপাঠী ফয়সাল আহমেদ জুমান বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কীভাবে নিজের উদ্যোগে সফল হতে পারে, মাহিদুল তার উদাহরণ। তার সাফল্য দেখে অনেক শিক্ষার্থী এখন উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান বলেন, ‘অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করে দেশের ৬৪ জেলায় ব্যবসা ছড়িয়ে দেওয়া সহজ বিষয় নয়। মাহিদুল আমাদের মতো তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।’
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে চাকরির পেছনে ছোটার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। সেখানে মাহিদুল নিজেই কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করেছেন। তার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, অল্প পুঁজি দিয়েও সঠিক পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস থাকলে সফল হওয়া সম্ভব।
মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শুরুতে অনেকেই বলেছিল, হলের রুমে বসে ব্যবসা করে সফল হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম সততা ও পরিশ্রম থাকলে একদিন সফল হব। প্রথম দিকে লাভের কথা চিন্তা না করে ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছি। বর্তমানে দেশের প্রায় সব জেলা থেকেই অর্ডার পাচ্ছি। অনেক সময় একসঙ্গে এত বেশি অর্ডার আসে যে সামলাতে কষ্ট হয়। তারপরও চেষ্টা করি সময়মতো পণ্য পৌঁছে দিতে। ক্রেতাদের সন্তুষ্টিই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশাকরি আমার প্রতিষ্ঠান একদিন দেশের পরিচিত স্পোর্টস ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠবে। বিশ্বকাপ কেন্দ্র করে শুরু হলেও সারা বছর খেলাধুলার বিভিন্ন পণ্য নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই।’
মাত্র ৬ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে কলেজের আবাসিক হলের কক্ষ থেকে শুরু করা এক শিক্ষার্থীর জার্সি ব্যবসা এখন দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে জামালপুর সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিদুল ইসলামের গড়ে তোলা এই অনলাইন ও অফলাইন উদ্যোগ মাত্র দুই মাসে লাখ টাকার ব্যবসায় রূপ নিয়েছে।
জামালপুর সদরের নান্দিনার বাসিন্দা মাহিদুল ইসলাম। ছোটোবেলা থেকেই কিছু করার স্বপ্ন ছিল তার, আর সেই স্বপ্নই একজন সফল তরুণ উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছে তাকে। বিশ্বকাপ এলে জার্সির বাড়তি চাহিদা দেখে ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করেন তিনি।
মাহিদুল মাত্র দুই মাস আগে পরিবারের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দলের কিছু জার্সি সংগ্রহ করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফেসবুক পেজ চালু করে অনলাইনে বিক্রি শুরু করেন। শুরুতে অর্ডার ছিল খুবই কম। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। বিশ্বকাপ শুরু না হতেই সে এখন প্রায় লাখ টাকার মালিক।
সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের আবাসিক হলের ৪১০ নম্বর কক্ষ এখন যেন একটি ছোট্ট স্পোর্টস শপ। অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও বিক্রি করছেন তিনি। কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী, ফুটবলপ্রেমী তরুণ এবং স্থানীয় ক্রেতারা সরাসরি তার কক্ষে এসে পছন্দের জার্সি কিনে নিয়ে যান। আবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রেতারা সামাজিক মাধ্যমে অর্ডার দিয়ে জার্সি সংগ্রহ করছেন।
বিশ্বকাপের উন্মাদনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার ব্যবসাও পেয়েছে নতুন গতি। বর্তমানে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে ক্রেতাদের অনুরোধে অন্যান্য দলের জার্সিও সরবরাহ করছেন তিনি।
সহপাঠী ফয়সাল আহমেদ জুমান বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি একজন শিক্ষার্থী কীভাবে নিজের উদ্যোগে সফল হতে পারে, মাহিদুল তার উদাহরণ। তার সাফল্য দেখে অনেক শিক্ষার্থী এখন উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখছে।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান বলেন, ‘অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করে দেশের ৬৪ জেলায় ব্যবসা ছড়িয়ে দেওয়া সহজ বিষয় নয়। মাহিদুল আমাদের মতো তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।’
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সময়ে তরুণদের মধ্যে চাকরির পেছনে ছোটার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। সেখানে মাহিদুল নিজেই কর্মসংস্থানের পথ তৈরি করেছেন। তার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, অল্প পুঁজি দিয়েও সঠিক পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস থাকলে সফল হওয়া সম্ভব।
মাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শুরুতে অনেকেই বলেছিল, হলের রুমে বসে ব্যবসা করে সফল হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু আমি বিশ্বাস করতাম সততা ও পরিশ্রম থাকলে একদিন সফল হব। প্রথম দিকে লাভের কথা চিন্তা না করে ক্রেতাদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছি। বর্তমানে দেশের প্রায় সব জেলা থেকেই অর্ডার পাচ্ছি। অনেক সময় একসঙ্গে এত বেশি অর্ডার আসে যে সামলাতে কষ্ট হয়। তারপরও চেষ্টা করি সময়মতো পণ্য পৌঁছে দিতে। ক্রেতাদের সন্তুষ্টিই আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আশাকরি আমার প্রতিষ্ঠান একদিন দেশের পরিচিত স্পোর্টস ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠবে। বিশ্বকাপ কেন্দ্র করে শুরু হলেও সারা বছর খেলাধুলার বিভিন্ন পণ্য নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই।’
নওগাঁর ধামইরহাটে সুলতানা (৬৫) এক মাকে নির্যাতনের অভিযোগে তার দুই ছেলে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৪ জুন) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। সুলতানা উপজেলার খড়মপুর গ্রামের বাসিন্দা। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, সুলতানার বড় ছেলে আব্দুল মমিন (৪৫) এবং ছোট ছেলে আব্দুল মকিম (৩৫)।
নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, শনিবার সুলতানা তার এক স্বামী পরিত্যক্তা মেয়েকে নিয়ে থানায় আসেন। এরপর তিনি তার ছেলেদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি বলেন, তার স্বামী মারা যাবার পর দুই ছেলের বিয়ে হয়।
বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই তারা আলাদাভাবে সংসার করে আসছিল। এর মাঝেই সুলতানার নামে থাকা কিছু সম্পত্তি লিখে নিতে চাপ সৃষ্টি করে দুই ছেলে। পারিবারিকভাবে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করা হয়েছে অনেক বার। কিন্তু তারা তা না মেনে মাঝেমধ্যেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করতে থাকে। সবশেষে শনিবার তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চায় মমিন ও মকিম। উপায় না পেয়ে শনিবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।
পুলিশ সুপার আরও জানান, অভিযোগ পাওয়ার ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনা সত্যতা পাওয়া যায়। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় সুলতানার দুই ছেলেকে। রোববার ফৌজদার কার্যবিধির ১৫১ ধারায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রোববার আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্যাতনের শিকার সুলতানা জানান, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে সন্তানদের অকথ্য গালিগালাজ আর সইতে পারছিলেন না। নিরুপায় হয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন থানায়। আইন অনুযায়ী ন্যায্য বিচার তিনি।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পৃথক চারটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুবাই পুলিশ। রোববার (১৪ জুন) দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের একজন ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেয় আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
এর আগে ৭৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর পৃথক চারটি মামলা করে দুদক।
মামলায় বেনজীর আহমেদের পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছিল।
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:২৭
১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬