
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৫
সারিবদ্ধ মাঝারি আকৃতির গাছে ভরা বরই বাগান। গাছগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের সুস্বাদু বরই। এসব বরই শুধু ফল নয়, বরং এক নারীর স্বপ্ন, সাহস আর পরিশ্রমের সফল প্রতিফলন। পটুয়াখালীতে বরই চাষ করে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গৃহবধূ তাসলিমা বেগম।
তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় তিন বছর আগে পাশের পেয়ারপুর গ্রামে একটি বরই বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হন তাসলিমা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সেই বাগান ঘুরে দেখেন এবং তখনই সিদ্ধান্ত নেন নিজেও বরই চাষ শুরু করবেন। এরপর বাড়ির সামনে নদীর তীরবর্তী পতিত জমিতেই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা।
যশোর থেকে থাই আপেল কুল, কাশ্মিরি আপেল কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের মোট ১০০টি কলম সংগ্রহ করে নদীর চরের জমিতে রোপণ করেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে মাত্র এক বছরের মধ্যেই বড়ই বাগান থেকে ফলন পেতে শুরু করেন। অল্প সময়েই তিনি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
তাসলিমা বেগম বলেন, ‘প্রথমে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণ করি। সার, ওষুধ ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে। প্রথম বছরে লাভ কম হলেও দ্বিতীয় বছরে প্রায় এক লাখ টাকার মতো লাভ হয়েছিল। আশা করছি, চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এ বছর মোট খরচ হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। ধারণা করছি, বাকি সবটাই লাভ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বড়ই চাষে প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তীতে তেমন খরচ লাগে না। একবার চারা রোপণের পর নতুন করে চারা লাগানোর প্রয়োজন হয় না। একই গাছ থেকে বারবার ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বড়ই ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি, প্রতিটি গাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ কেজি বরই পাওয়া যাবে, যা বিক্রির মাধ্যমে ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, তাসলিমা আপার গাছের বরই গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গার মানুষজন এখান থেকে বড়ই কিনতে আসেন। বড়ই গুলো খুবই মিষ্টি।
জানা গেছে, তাসলিমা বেগমের স্বামী ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তার একমাত্র ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী। এর আগে তাসলিমা নিজেও কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করতেন। বর্তমানে বাড়িতে থেকেই কৃষিকাজে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
তাসলিমার সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যান্য নারী-পুরুষরাও বড়ই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং নিজ নিজ জমিতে বড়ই চাষ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘গত বছর উপজেলায় ৩৬ হেক্টর জমিতে বড়ই চাষ হলেও এ বছর তা বেড়ে ৪০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এখানে বরই কুল, আপেল কুল, বাউ কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের বড়ই চাষ হচ্ছে।
এ অঞ্চল বরই চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকরা আমাদের কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকি।’ িনারী উদ্যোক্তা তাসলিমা বেগমের এই সফলতা পটুয়াখালী অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারিবদ্ধ মাঝারি আকৃতির গাছে ভরা বরই বাগান। গাছগুলোতে থোকায় থোকায় ঝুলছে লাল, সবুজ ও হলুদ রঙের সুস্বাদু বরই। এসব বরই শুধু ফল নয়, বরং এক নারীর স্বপ্ন, সাহস আর পরিশ্রমের সফল প্রতিফলন। পটুয়াখালীতে বরই চাষ করে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গৃহবধূ তাসলিমা বেগম।
তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের গুয়াবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। প্রায় তিন বছর আগে পাশের পেয়ারপুর গ্রামে একটি বরই বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হন তাসলিমা। স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে সেই বাগান ঘুরে দেখেন এবং তখনই সিদ্ধান্ত নেন নিজেও বরই চাষ শুরু করবেন। এরপর বাড়ির সামনে নদীর তীরবর্তী পতিত জমিতেই শুরু হয় তার স্বপ্নযাত্রা।
যশোর থেকে থাই আপেল কুল, কাশ্মিরি আপেল কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের মোট ১০০টি কলম সংগ্রহ করে নদীর চরের জমিতে রোপণ করেন তিনি। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে মাত্র এক বছরের মধ্যেই বড়ই বাগান থেকে ফলন পেতে শুরু করেন। অল্প সময়েই তিনি নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
তাসলিমা বেগম বলেন, ‘প্রথমে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণ করি। সার, ওষুধ ও নিয়মিত পরিচর্যার ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে। প্রথম বছরে লাভ কম হলেও দ্বিতীয় বছরে প্রায় এক লাখ টাকার মতো লাভ হয়েছিল। আশা করছি, চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারব। এ বছর মোট খরচ হয়েছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। ধারণা করছি, বাকি সবটাই লাভ হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বড়ই চাষে প্রথম বছরে খরচ একটু বেশি হলেও পরবর্তীতে তেমন খরচ লাগে না। একবার চারা রোপণের পর নতুন করে চারা লাগানোর প্রয়োজন হয় না। একই গাছ থেকে বারবার ফলন পাওয়া যায়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি বড়ই ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আশা করছি, প্রতিটি গাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ কেজি বরই পাওয়া যাবে, যা বিক্রির মাধ্যমে ভালো লাভ হবে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, তাসলিমা আপার গাছের বরই গুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে। প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গার মানুষজন এখান থেকে বড়ই কিনতে আসেন। বড়ই গুলো খুবই মিষ্টি।
জানা গেছে, তাসলিমা বেগমের স্বামী ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন এবং তার একমাত্র ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী। এর আগে তাসলিমা নিজেও কর্মসূত্রে ঢাকায় অবস্থান করতেন। বর্তমানে বাড়িতে থেকেই কৃষিকাজে যুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
তাসলিমার সাফল্য দেখে গ্রামের অন্যান্য নারী-পুরুষরাও বড়ই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অনেকেই তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছেন এবং নিজ নিজ জমিতে বড়ই চাষ শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ‘গত বছর উপজেলায় ৩৬ হেক্টর জমিতে বড়ই চাষ হলেও এ বছর তা বেড়ে ৪০ হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। এখানে বরই কুল, আপেল কুল, বাউ কুল, বলসুন্দরীসহ বিভিন্ন উন্নত জাতের বড়ই চাষ হচ্ছে।
এ অঞ্চল বরই চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকরা আমাদের কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকি।’ িনারী উদ্যোক্তা তাসলিমা বেগমের এই সফলতা পটুয়াখালী অঞ্চলে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৯
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর অভিযানে মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. জুয়েল হাওলাদারকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জুয়েল হাওলাদার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং উত্তর পিপড়াখালী গ্রামের মৃত মোকছেদ আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে তার নিজ ঘর থেকে আটক করা হয়। মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস ছালাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০২৪ সালে দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় জুয়েল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর অভিযানে মির্জাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও বর্তমান ইউপি সদস্য মো. জুয়েল হাওলাদারকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জুয়েল হাওলাদার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং উত্তর পিপড়াখালী গ্রামের মৃত মোকছেদ আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে তার নিজ ঘর থেকে আটক করা হয়। মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস ছালাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০২৪ সালে দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় জুয়েল হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০১
পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠীতে বরগুনা জেলার বিশেষ শাখা (ডিএসবি) পুলিশের এক সদস্য ও তার কারারক্ষী ভাইয়ের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ উঠেছে।
এতে রামদা ও লোহার রডের আঘাতে ডিএসবি সদস্য শহিদুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) পটুয়াখালী লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে হামলাকারীরা প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য।
আহত শহিদুল ইসলাম বরগুনা ডিএসবিতে কর্মরত এবং তার ছোট ভাই আনিছুর রহমান মনির বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের একজন সদস্য।
হামলাকারীরা তাদের পথরোধ করে এলোপাতাড়িভাবে হামলা চালায়। এতে শহিদুল ইসলামের মাথায় এবং হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকেই পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।
পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠীতে বরগুনা জেলার বিশেষ শাখা (ডিএসবি) পুলিশের এক সদস্য ও তার কারারক্ষী ভাইয়ের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ উঠেছে।
এতে রামদা ও লোহার রডের আঘাতে ডিএসবি সদস্য শহিদুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) পটুয়াখালী লাউকাঠী ইউনিয়নের জামুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে হামলাকারীরা প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য।
আহত শহিদুল ইসলাম বরগুনা ডিএসবিতে কর্মরত এবং তার ছোট ভাই আনিছুর রহমান মনির বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের একজন সদস্য।
হামলাকারীরা তাদের পথরোধ করে এলোপাতাড়িভাবে হামলা চালায়। এতে শহিদুল ইসলামের মাথায় এবং হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
স্থানীয়রা উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকেই পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।
পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯