
০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দুধ দিয়ে গোসল করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ছেড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন বগা ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জালাল হাওলাদার। এসময় তার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আরও প্রায় ৩০০ নেতাকর্মী দলটিতে যোগ দেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার বগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক উঠান বৈঠকে পটুয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদের হাতে হাত রেখে জালাল ও তার অনুসারীরা জামায়াতে যোগদান করেন।
দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে জালাল হাওলাদার বলেন, মনের কষ্টে ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অবহেলা সহ্য করতে না পেরে দুধ দিয়ে গোসল করে পবিত্র হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।
বিগত ১৭ বছর দলের দুর্দিনে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভেবেছিলাম সুদিনে একজন সঠিক অভিভাবক পাব। কিন্তু যাকে বিএনপির মনোনয়ন দেয়া হয়েছে, তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। তিনি আমাদের খোঁজ নেন না, বরং আওয়ামী লীগকেই কাছে টানছেন। যারা আমাদের ওপর নির্যাতন করেছে, তারাই এখন তার সঙ্গে ঘোরে। তাই আগামীতে জামায়াতের পক্ষে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
একই সময়ে জালাল হাওলাদারের সঙ্গে বগা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য আবুল কালাম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এস.এম আমিনুল ইসলাম, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল খান ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান করেন।
যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ নবাগতদের হাতে উপহার হিসেবে জমজম কূপের পানি ও সৌদি আরবের খেজুর তুলে দেন।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, দেশে ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ আজ দলে দলে জামায়াতে যোগ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা আজ নতুন করে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন, তারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তসলিম তালুকদার বলেন, কেউ যদি দলীয় পদ-পদবিতে থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেব।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে আওয়ামী লীগের এক নেতা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি হলেন মহিপুর থানার আওয়ামী লীগ কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন দুলাল।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবং পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এ বি এম মোশাররফ হোসেনের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
যোগদানের পর রুহুল আমিন দুলাল বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি একটি জনপ্রিয় ও গণমানুষের দল। দলটির নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। এ বি এম মোশাররফ হোসেন রুহুল আমিন দুলালকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দলের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আসন্ন নির্বাচনে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে তার যোগদান সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। রুহুল আমিন দুলালের বিএনপিতে যোগদানের ঘটনায় মহিপুর ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের (নুর) ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নুরুল হক নুরের সমর্থক এবং চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন।
এ সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল গাজী, সাবেক ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম জুয়েল, সদস্যসচিব আসাদুল জোমাদ্দারসহ ৫০ থেকে ৭০ জন ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে দলবদ্ধভাবে তাঁদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার ছোড়াছুড়িসহ হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র ছিল।
মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হামলা অব্যাহত থাকে। এতে দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকারের দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চরবোরহান ইউনিয়নের যুব অধিকারির যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মাসুদ এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সঙ্গে জড়িত মো. মুছাসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ দুই পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় হাসান মামুনের পক্ষে একটি মিছিল বের করে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গণ অধিকারের লোকজন তাঁদের মিছিলে ঢুকে হাতাহাতি ও মারধর শুরু করেন। এতে তাঁদের তিনজন আহত হয়েছেন। ভিডিওতে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাত মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, সোমবার রাতে চরবোরহান ইউনিয়নের একটি বাজারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের (নুর) ট্রাক প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে দশমিনা উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়নের পাগলার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নুরুল হক নুরের সমর্থক এবং চরবোরহান ইউনিয়ন যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণ অধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্থানীয় কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন।
এ সময় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল গাজী, সাবেক ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলাম জুয়েল, সদস্যসচিব আসাদুল জোমাদ্দারসহ ৫০ থেকে ৭০ জন ঘোড়া প্রতীকের স্লোগান দিতে দিতে দলবদ্ধভাবে তাঁদের কার্যালয়ে প্রবেশ করে চেয়ার ছোড়াছুড়িসহ হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁদের হাতে লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র ছিল।
মহিবুল্লাহ হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হামলা অব্যাহত থাকে। এতে দশমিনা উপজেলা ছাত্র অধিকারের দপ্তর সম্পাদক হাসান মাহমুদ, চরবোরহান ইউনিয়নের যুব অধিকারির যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মাসুদ এবং নির্বাচনী প্রচারণায় বাদ্যযন্ত্র বাজানোর সঙ্গে জড়িত মো. মুছাসহ সাত থেকে আটজন আহত হন। কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ দুই পক্ষকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মামুনের সমর্থক ও চরবোরহান ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল নেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা প্রতিদিনের মতো সোমবার সন্ধ্যায় হাসান মামুনের পক্ষে একটি মিছিল বের করে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় গণ অধিকারের লোকজন তাঁদের মিছিলে ঢুকে হাতাহাতি ও মারধর শুরু করেন। এতে তাঁদের তিনজন আহত হয়েছেন। ভিডিওতে ট্রাক প্রতীকের কার্যালয়ে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু শাহাদাত মো. হাসনাইন পারভেজ বলেন, সোমবার রাতে চরবোরহান ইউনিয়নের একটি বাজারে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩