Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:৪৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের হাকিমপুর গ্রামে মাছের ঘের নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কৃষক পরিবারের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদল নেতা ফরিদ চৌকিদারের নেতৃত্বাধীন একটি দল। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়িবাঁধের বাইরে অবস্থিত একটি ছোট মাছের ঘের দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করে আসছিলেন আলমগীর মুসুল্লি। গত পরশু ঘেরটির মাছ নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আলমগীরের সঙ্গে স্থানীয় নূরজামাল হাওলাদারের বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেরে বুধবার সন্ধ্যায় শ্রমিক দল নেতা ফরিদ চৌকিদার, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রাজিব, যুবদল নেতা নাজমুলসহ ১৫–২০ জনের একটি দল কৃষক পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ঘরের বিদ্যুতের মিটার ভাঙচুরসহ ঘরে লুটপাটও করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী আলমগীর মুসুল্লি বলেন, তাদের সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না। নূরজামাল হাওলাদার টাকা দিয়ে ওদের ভাড়া করে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে। আমরা সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ঘটনায় আলমগীর মুসুল্লি, তার স্ত্রী ময়না বেগম, দুই ছেলে হাসান ও হাবিব এবং ভাই আল-আমিন আহত হন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, হাসান, হাবিব ও ময়না বেগমের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে।
আহত হাসান বলেন, আমরা শুধু ঘের থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার বিষয়টা জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে দল বেঁধে এসে আমাদের মারধর করেছে, ঘরও ভাঙচুর করেছে।
হাবিব বলেন, সেদিন বিকেলেই তারা আমাদের হুমকি দিয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় এসে হামলা চালায়। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে ফরিদ চৌকিদার এলাকায় নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, ফরিদ বিভিন্ন জায়গায় টাকার বিনিময়ে ‘বটবাহিনী’ নিয়ে মারামারি করে থাকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে নূরজামাল হাওলাদার বলেন, এসব বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
অভিযুক্ত ফরিদ চৌকিদার বলেন, আমি মারধর করিনি। মারামারির ঘটনা শুনে ছাড়াতে গেছি। এসময় আমিও মারধরের শিকার হয়েছি। টাকা পয়সা নিয়ে মারধরের বিষয়টিও তিনি এড়িয়ে যান।
নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল ইসলাম বলেন, ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু (পোনা) জব্দ করেছে মৎস্য বিভাগ। পরে পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রেনুগুলো পায়রা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
বুধবার (১৭ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পায়রা সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় স্থানীয় জনতার সহায়তায় রেনুবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়। এ সময় ট্রাকে থাকা রেনু ব্যবসায়ী ও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। জব্দকৃত ৪৩ ড্রাম রেনুর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্দেহজনকভাবে একটি ট্রাকে বিপুল পরিমাণ চিংড়ির রেনু পরিবহন করা হচ্ছিল। বিষয়টি নজরে এলে স্থানীয়রা ট্রাকটি আটকে দেন। পরে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মাহফুজুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি তল্লাশি করেন। তল্লাশিতে ট্রাক থেকে ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু উদ্ধার করা হয়।
মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, রেনুগুলো অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ইউএনওর নির্দেশনায় মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জব্দকৃত রেনুগুলো পায়রা সেতু সংলগ্ন নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অবৈধভাবে সংগ্রহ ও পরিবহন করা ৪৩ ড্রাম চিংড়ির রেনু জব্দ করা হয়েছে। মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রেনুগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।
তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে চিংড়ির রেনু আহরণ ও পরিবহন বন্ধে মৎস্য বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৬:০৯
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় একটি সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত দুইজন হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। তারা দুইজনেই শ্রমিকের কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি বাড়ির টয়লেটের জন্য সদ্য নির্মিত সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে সংস্কার কাজ করতে নামেন শ্রমিক মোহাম্মদ নূহু। কাজ করার সময় তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ট্যাংকের ভেতরে পড়ে যান।
পরে তাকে উদ্ধার করতে ভেতরে নামেন আশরাফ মোল্লা। একপর্যায়ে তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকের একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০২
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে, পটুয়াখালীর দুমকিতে সেই উন্মাদনার ঢেউ লেগেছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন প্রকাশে ৫০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমর্থক সমাবেশ করেছেন দুমকির ফুটবলপ্রেমীরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ শোভাযাত্রায় প্রায় ১০ হাজার আর্জেন্টিনা সমর্থক অংশ নেন বলে আয়োজকদের দাবি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা ফুটবল সমর্থকগোষ্ঠীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রার সামনে বহন করা হয় ৫০ ফুট দীর্ঘ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ছোট-বড় আর্জেন্টিনার পতাকা, বিশাল ভুভুজেলা বাঁশি। এছাড়া অনেকের মাথায় বাঁধা ছিল বাংলাদেশের পতাকা।
সরকারি জনতা কলেজ মাঠ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি দুমকি সদরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এ সময় রঙিন ফায়ার স্মোকের রঙিন হয়ে ওঠে দুমকির আকাশ।
শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক নারী ও শিশু অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, অন্তত এক হাজার শিশু এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং নানা বয়সী ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ এতে অংশ নেন।
সরকারি জনতা কলেজের শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বলেন, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। দুমকির মানুষ যে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে এই আয়োজন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
একই কলেজের শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, এত বড় পরিসরে আর্জেন্টিনা ফুটবলপ্রেমীদের অংশগ্রহণ দুমকির ইতিহাসে অভূতপূর্ব ঘটনা। খেলাধুলা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে, এই আয়োজন তারই প্রমাণ।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক জাহিদ রুবেল বলেন, আমরা সবাই আর্জেন্টিনা দলকে ভালোবাসি তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও বাচ্চাকে নিয়ে চলে এসেছি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক রাজিবুল ইসলাম বলেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই আয়োজন। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
আরেক সংগঠক সাজ্জাদুল ইসলাম দুর্জয় বলেন, আর্জেন্টিনা গতবারের চেয়ে এবার আরও শক্তিশালী দল, আমরা এবারও চ্যাম্পিয়ন হব।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ এতো হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে আর্জেন্টিনার ভক্ত আমাদের দেশে অনেক বেশি।
শোভাযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুমকি থানা পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
এদিকে শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকেই। স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একটাই প্রশ্ন— ‘এত মানুষ এলো কোথা থেকে!’ দুমকির সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজনগুলোর একটি হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই শোভাযাত্রা।
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে, পটুয়াখালীর দুমকিতে সেই উন্মাদনার ঢেউ লেগেছে। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন প্রকাশে ৫০০ ফুট দীর্ঘ আর্জেন্টিনার পতাকা নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমর্থক সমাবেশ করেছেন দুমকির ফুটবলপ্রেমীরা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ শোভাযাত্রায় প্রায় ১০ হাজার আর্জেন্টিনা সমর্থক অংশ নেন বলে আয়োজকদের দাবি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা ফুটবল সমর্থকগোষ্ঠীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রার সামনে বহন করা হয় ৫০ ফুট দীর্ঘ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ছোট-বড় আর্জেন্টিনার পতাকা, বিশাল ভুভুজেলা বাঁশি। এছাড়া অনেকের মাথায় বাঁধা ছিল বাংলাদেশের পতাকা।
সরকারি জনতা কলেজ মাঠ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি দুমকি সদরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। এ সময় রঙিন ফায়ার স্মোকের রঙিন হয়ে ওঠে দুমকির আকাশ।
শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক নারী ও শিশু অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, অন্তত এক হাজার শিশু এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী এবং নানা বয়সী ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ এতে অংশ নেন।
সরকারি জনতা কলেজের শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বলেন, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। দুমকির মানুষ যে এত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে এই আয়োজন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
একই কলেজের শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, এত বড় পরিসরে আর্জেন্টিনা ফুটবলপ্রেমীদের অংশগ্রহণ দুমকির ইতিহাসে অভূতপূর্ব ঘটনা। খেলাধুলা মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে, এই আয়োজন তারই প্রমাণ।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক জাহিদ রুবেল বলেন, আমরা সবাই আর্জেন্টিনা দলকে ভালোবাসি তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও বাচ্চাকে নিয়ে চলে এসেছি।
দুমকি উপজেলা আর্জেন্টিনা সমর্থকগোষ্ঠীর অন্যতম সংগঠক রাজিবুল ইসলাম বলেন, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের ভালোবাসা ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই আমাদের এই আয়োজন। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
আরেক সংগঠক সাজ্জাদুল ইসলাম দুর্জয় বলেন, আর্জেন্টিনা গতবারের চেয়ে এবার আরও শক্তিশালী দল, আমরা এবারও চ্যাম্পিয়ন হব।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আজ এতো হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে আর্জেন্টিনার ভক্ত আমাদের দেশে অনেক বেশি।
শোভাযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুমকি থানা পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
এদিকে শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকেই। স্থানীয়দের মুখে মুখে ছিল একটাই প্রশ্ন— ‘এত মানুষ এলো কোথা থেকে!’ দুমকির সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজনগুলোর একটি হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের এই শোভাযাত্রা।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১