Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ মে, ২০২৬ ১৬:৪১
বরিশালের উজিরপুরে বেপরোয়া হানিফ পরিবহনের চাপায় দাদি এবং নাতনি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশালের নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানী ঢাকায় যাওয়ার প্রাক্কালে উপজেলার পশ্চিম জয়শ্রী কাজীবাড়ির সম্মুখে পথচারী দাদি-নাতনিকে চাপা দিয়ে বাসটি পালিয়ে যায়। এতে রোকসানা ইয়াসমিন (৬৫) এবং তার নাতনি আরফার (৭) ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রোকসানা বেগম নাতনিকে সাথে নিয়ে পশ্চিম জয়শ্রী কাজীবাড়ির সম্মুখে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। তখন হানিফ পরিবহনের বেপরোয়া গতির বাসটি তাদের চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত রোকসানা বেগম পশ্চিম জয়শ্রী গ্রামের মৃত পান্নু কাজীর স্ত্রী রোকসানা ইয়াসমিন এবং তার ছেলে রুবেল কাজীর মেয়ে আরফা। গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো মহসিন হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পশ্চিম জয়শ্রী কাজীবাড়ির সম্মুখে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় হানিফ পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব ১২-৩৬৭১) বেপরোয়া গতির বাসটি দাদি-নাতনিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এই বিয়োগান্তের ঘটনায় বাসটিকে আটক করাসহ চালক-হেলপারকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে, জানান ওসি।’
বরিশালের উজিরপুরে বেপরোয়া হানিফ পরিবহনের চাপায় দাদি এবং নাতনি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশালের নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানী ঢাকায় যাওয়ার প্রাক্কালে উপজেলার পশ্চিম জয়শ্রী কাজীবাড়ির সম্মুখে পথচারী দাদি-নাতনিকে চাপা দিয়ে বাসটি পালিয়ে যায়। এতে রোকসানা ইয়াসমিন (৬৫) এবং তার নাতনি আরফার (৭) ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রোকসানা বেগম নাতনিকে সাথে নিয়ে পশ্চিম জয়শ্রী কাজীবাড়ির সম্মুখে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। তখন হানিফ পরিবহনের বেপরোয়া গতির বাসটি তাদের চাপা দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহত রোকসানা বেগম পশ্চিম জয়শ্রী গ্রামের মৃত পান্নু কাজীর স্ত্রী রোকসানা ইয়াসমিন এবং তার ছেলে রুবেল কাজীর মেয়ে আরফা। গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো মহসিন হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পশ্চিম জয়শ্রী কাজীবাড়ির সম্মুখে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় হানিফ পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব ১২-৩৬৭১) বেপরোয়া গতির বাসটি দাদি-নাতনিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এই বিয়োগান্তের ঘটনায় বাসটিকে আটক করাসহ চালক-হেলপারকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে, জানান ওসি।’

০৫ মে, ২০২৬ ১৭:২৯
বরিশালের হিজলা উপজেলায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ নারী ইয়াবা ব্যবসায়ী হিজলা থানা পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সোলায়মান এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে ৫৫২ পিচ ইয়াবা সহ তাসলিমা বেগম কে আটক করেন।
জানাযায় উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের কাজী বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে তাসলিমা বেগম ও তার ছেলে হুমায়ূন ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন। হিজলা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
সদ্য যোগদানকারী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলায়মান মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন। প্রতিদিন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হচ্ছে।
ইয়াবা ব্যবসায়ী তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে হিজলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রস্তুতি চলছে। হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সোলায়মান বলেন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক নির্মূলে কঠোর ভূমিকায় হিজলা থানা পুলিশ। ৫৫২ পিচ ইয়াবাসহ আটক নারীর বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

০৫ মে, ২০২৬ ১৭:১০

০৫ মে, ২০২৬ ১৬:৫৩
স্বাস্থ্যসেবা নিতে এসে দালালদের খপ্পরে পড়ে হয়রানির শিকার, এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অবশেষে সেই দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তিনজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দিয়েছেন প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহেশ্বর মণ্ডলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, হাসপাতাল চত্বরে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিভ্রান্ত করে নির্দিষ্ট ক্লিনিক ও চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার নামে অর্থ আদায় করছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলেই তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০০ টাকা জরিমানা এবং অন্য দুজনকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহেশ্বর মণ্ডল বলেন, সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের কোনো স্থান নেই। রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এ ধরনের অসাধু কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে কোনো অনিয়ম বা দালালি সহ্য করা হবে না। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চিকিৎসা সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বদা সতর্ক রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। পর্যায়ক্রমে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের হিজলা উপজেলায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ নারী ইয়াবা ব্যবসায়ী হিজলা থানা পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সোলায়মান এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে ৫৫২ পিচ ইয়াবা সহ তাসলিমা বেগম কে আটক করেন।
জানাযায় উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের কাজী বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে তাসলিমা বেগম ও তার ছেলে হুমায়ূন ইয়াবা ব্যবসা করে আসছেন। হিজলা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
সদ্য যোগদানকারী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলায়মান মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন। প্রতিদিন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হচ্ছে।
ইয়াবা ব্যবসায়ী তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে হিজলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রস্তুতি চলছে। হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সোলায়মান বলেন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক নির্মূলে কঠোর ভূমিকায় হিজলা থানা পুলিশ। ৫৫২ পিচ ইয়াবাসহ আটক নারীর বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ দুইজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের মামলায় পলাতক থাকায় ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এই পরোয়ানা জারি করেন। আজ (৫ মে) মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা আদালতকে জানান তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার। তিনি আদালতকে জানান, তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম।
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম এই মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত শেষে তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।
এখন হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, দুই আসামি পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আজ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতে আবেদন দিয়ে বলেন, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এজন্য তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। বাস্তবিক অর্থে তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শারীরিকভাবে অক্ষম। তার মানসিক অসুস্থতা, স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। এজন্য তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন করার প্রার্থনা করেন তিনি। পাশাপাশি অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাতে আবেদন করেন।
বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানান, আসামি পলাতক থাকাবস্থায় এমন আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। আসামিকে আদালতে হাজির হয়ে আবেদন করতে হবে। আদালত তোফায়েল আহমেদের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন নামে একজন জামিনে থেকে আজ (৫ মে) আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।’
সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদসহ দুইজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের মামলায় পলাতক থাকায় ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ গত ১৯ এপ্রিল এই পরোয়ানা জারি করেন। আজ (৫ মে) মামলাটি অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের অসুস্থতার কথা আদালতকে জানান তার আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার। তিনি আদালতকে জানান, তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষম।
অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম এই মামলা দায়ের করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত শেষে তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল।
এখন হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম। তিনি আরও জানান, দুই আসামি পলাতক থাকায় গত ১৯ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আজ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল।
এদিন তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতে আবেদন দিয়ে বলেন, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এজন্য তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। বাস্তবিক অর্থে তোফায়েল আহমেদ কাউকে চিনতে পারেন না। তার স্মৃতি শক্তি নেই। আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে শারীরিকভাবে অক্ষম। তার মানসিক অসুস্থতা, স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। এজন্য তার মানসিক অবস্থা পরীক্ষার আবেদন করার প্রার্থনা করেন তিনি। পাশাপাশি অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাতে আবেদন করেন।
বেঞ্চ সহকারী আরিফুল ইসলাম জানান, আসামি পলাতক থাকাবস্থায় এমন আবেদন গ্রহণযোগ্য নয় মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। আসামিকে আদালতে হাজির হয়ে আবেদন করতে হবে। আদালত তোফায়েল আহমেদের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আগামী বৃহস্পতিবার (৭ মে) অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
তিন আসামির মধ্যে মোশারফ হোসেন নামে একজন জামিনে থেকে আজ (৫ মে) আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।’
স্বাস্থ্যসেবা নিতে এসে দালালদের খপ্পরে পড়ে হয়রানির শিকার, এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অবশেষে সেই দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তিনজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দিয়েছেন প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহেশ্বর মণ্ডলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, হাসপাতাল চত্বরে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিভ্রান্ত করে নির্দিষ্ট ক্লিনিক ও চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার নামে অর্থ আদায় করছিল। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলেই তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেন।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০০ টাকা জরিমানা এবং অন্য দুজনকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহেশ্বর মণ্ডল বলেন, সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের কোনো স্থান নেই। রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এ ধরনের অসাধু কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে কোনো অনিয়ম বা দালালি সহ্য করা হবে না। সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে চিকিৎসা সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বদা সতর্ক রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। পর্যায়ক্রমে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।