Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:০৬
পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ।
অনেকটা বিলম্বে হলেও বরিশালবাসীর প্রত্যাশিত ‘ বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) গঠন হতে যাচ্ছে। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে একাধিকবার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলেও এর সপক্ষে দাবি উত্থ্যাপিত ছিল। বিচার-বিশ্লেষণ শেষে উপদেষ্টা পরিষদ ‘বউক’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, যা বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তুলে ধরেন। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশ পূরণের পথে। খুশির এ খবরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক সুশীলসমাজসহ সর্ব শ্রেণি-পেশার মানুষ। নগর পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একাধিক ব্যক্তিও সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন।
পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বরিশাল শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং আবহাওয়াগত দিক থেকে নিরাপদ একটি নগর গড়তে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, যা মানুষের দীর্ঘদিনে প্রত্যাশা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যার গুরুত্ব অনুধাবন করেছে, মূল্যয়ন করতেও ভুল করেনি। সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং উদ্যোক্তাদের প্রলুব্ধ করবে।
জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পায়, পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে বরিশাল শহরকে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০২ সালে “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২” এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। তৎসময়ে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) গঠনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার উদ্যোগ নিলেও একপর্যায়ে থেমে যায় বা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের মেয়াদে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজও শুরু করে। এতে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হলেও পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের বরিশাল শহরে ২০১৬ সালে ‘নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করে। তবে সেখানে রয়েছে জনবলসংকট। ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল সিটিতে দুজন নগর পরিকল্পনাবিদসহ ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে কাজ চলছে এই বিভাগের।
শহর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা এমন অন্তত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, এর আগে বরিশাল নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান, নকশা তৈরি করলেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সে অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করেন না। অপরিকল্পিত এই নগরায়নের কারণে শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীরের জনপদটি ক্রমশই বিবর্ণ হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে জৌলুশ। বিশেষ করে নদী-খাল দখলের মচ্ছপে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে কবি জীবনানন্দের প্রাণের বরিশালের পরিবেশ-প্রকৃতি। এমন বাস্তবতায় অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসার দাবি রাখে।
‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ অধ্যাদেশ অনুমোদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারও। তিনি শনিবার অপরাহ্নে জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে সরকার। এমন খুশির সংবাদ এই অঞ্চলের মানুষকে অভিভুত করেছে, মন্তব্য করেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এই সাংসদ।
বউক গঠনের প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বরিশালের সুশীলসমাজ। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, ‘একটি নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে এখন পরিবেশ, প্রতিবেশ, পানি ব্যবস্থাপনাসহ প্রাকৃতিক বিষয়গুলো যুক্ত থাকতে হবে। এর বাইরে কিছু হলে সেই উন্নয়ন নগরবাসীর জন্য অপউন্নয়নে পর্যবসিত হবে। এর জন্য জনপ্রতিনিধি, পানি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বরিশাল নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে থাকা আবশ্যক। সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, নাগরিক সমাজের সমন্বয় করে কমিটি করা গেলে এর সুফল মিলবে।
‘উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের উদ্যোগকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন বরিশাল নগর-পরিকল্পনাবিদ মিলন মন্ডল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তার ভাষায়, বরিশাল নগরকে এখনো পরিকল্পিত আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন পরিকল্পনামাফিক এগোনো ও সদিচ্ছা। মূল শহরের বিশেষ করে বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাগুলো প্রশস্ত করার এখন আর সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নগরকে যানজটমুক্ত করতে সিটি সার্কুলার রোড করা যেতে পারে। একই সঙ্গে খালগুলো খনন করে হাঁটার পথ ও পাড়ে গাছ লাগানো গেলে নগরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি এসব খাল যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের পর বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ স্থানীয় প্রশাসন থেকে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যাবে। যেমন ঢাকার দুই সিটি এলাকায় ভবনের নকশা, জমির শ্রেণি পরিবর্তনসহ বেশ কিছু কাজের ক্ষমতা রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) হাতে।
বউক গঠন করে বরিশাল শহরকে মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল করার সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিকদের পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজও ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেছে। এনিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃক্ষ’ বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নের দিকে ধাবিত করবে। এবং বরিশাল হবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন নিরাপদ নগরী।’
পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ।
অনেকটা বিলম্বে হলেও বরিশালবাসীর প্রত্যাশিত ‘ বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) গঠন হতে যাচ্ছে। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ সরকার অতীতে একাধিকবার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হলেও এর সপক্ষে দাবি উত্থ্যাপিত ছিল। বিচার-বিশ্লেষণ শেষে উপদেষ্টা পরিষদ ‘বউক’ গঠনসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, যা বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তুলে ধরেন। এই ঘোষণার মধ্যদিয়ে বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশ পূরণের পথে। খুশির এ খবরে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানিয়েছেন রাজনৈতিক সুশীলসমাজসহ সর্ব শ্রেণি-পেশার মানুষ। নগর পরিকল্পনায় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একাধিক ব্যক্তিও সরকারের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন।
পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বরিশাল শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং আবহাওয়াগত দিক থেকে নিরাপদ একটি নগর গড়তে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (বউক) অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, যা মানুষের দীর্ঘদিনে প্রত্যাশা ছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যার গুরুত্ব অনুধাবন করেছে, মূল্যয়ন করতেও ভুল করেনি। সরকারের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং উদ্যোক্তাদের প্রলুব্ধ করবে।
জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত পায়, পরবর্তীতে ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। এরপর ১৯৮৫ সালে বরিশাল শহরকে একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ২০০২ সালে “বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২” এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। তৎসময়ে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) গঠনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার উদ্যোগ নিলেও একপর্যায়ে থেমে যায় বা ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকার তাদের মেয়াদে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বউক) ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজও শুরু করে। এতে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হলেও পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের বরিশাল শহরে ২০১৬ সালে ‘নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করে। তবে সেখানে রয়েছে জনবলসংকট। ত্রিশটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৫৮ বর্গ কিলোমিটারের বরিশাল সিটিতে দুজন নগর পরিকল্পনাবিদসহ ৬জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে কাজ চলছে এই বিভাগের।
শহর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা এমন অন্তত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, এর আগে বরিশাল নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য মাস্টারপ্ল্যান, নকশা তৈরি করলেও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সে অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করেন না। অপরিকল্পিত এই নগরায়নের কারণে শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলা তীরের জনপদটি ক্রমশই বিবর্ণ হয়ে পড়ছে, হারাচ্ছে জৌলুশ। বিশেষ করে নদী-খাল দখলের মচ্ছপে বিষাক্ত হয়ে উঠেছে কবি জীবনানন্দের প্রাণের বরিশালের পরিবেশ-প্রকৃতি। এমন বাস্তবতায় অন্তর্বর্তীকালীন ইউনূস সরকার বউক গঠনে উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসার দাবি রাখে।
‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ অধ্যাদেশ অনুমোদনে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা মজিবর রহমান সরোয়ারও। তিনি শনিবার অপরাহ্নে জানান, বরিশালবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে সরকার। এমন খুশির সংবাদ এই অঞ্চলের মানুষকে অভিভুত করেছে, মন্তব্য করেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক এই সাংসদ।
বউক গঠনের প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ কার্যক্রম শুরু করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বরিশালের সুশীলসমাজ। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, ‘একটি নগরের উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে এখন পরিবেশ, প্রতিবেশ, পানি ব্যবস্থাপনাসহ প্রাকৃতিক বিষয়গুলো যুক্ত থাকতে হবে। এর বাইরে কিছু হলে সেই উন্নয়ন নগরবাসীর জন্য অপউন্নয়নে পর্যবসিত হবে। এর জন্য জনপ্রতিনিধি, পানি, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বরিশাল নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে থাকা আবশ্যক। সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন ও নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, নাগরিক সমাজের সমন্বয় করে কমিটি করা গেলে এর সুফল মিলবে।
‘উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের উদ্যোগকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন বরিশাল নগর-পরিকল্পনাবিদ মিলন মন্ডল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নগর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। তার ভাষায়, বরিশাল নগরকে এখনো পরিকল্পিত আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন পরিকল্পনামাফিক এগোনো ও সদিচ্ছা। মূল শহরের বিশেষ করে বাণিজ্যিক এলাকার রাস্তাগুলো প্রশস্ত করার এখন আর সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে নগরকে যানজটমুক্ত করতে সিটি সার্কুলার রোড করা যেতে পারে। একই সঙ্গে খালগুলো খনন করে হাঁটার পথ ও পাড়ে গাছ লাগানো গেলে নগরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষা পাওয়ার পাশাপাশি এসব খাল যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করা সম্ভব।
বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হওয়া গেছে, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ গঠনের পর বেশ কিছু উন্নয়ন কাজ স্থানীয় প্রশাসন থেকে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে চলে যাবে। যেমন ঢাকার দুই সিটি এলাকায় ভবনের নকশা, জমির শ্রেণি পরিবর্তনসহ বেশ কিছু কাজের ক্ষমতা রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) হাতে।
বউক গঠন করে বরিশাল শহরকে মানুষের নিরাপদ আবাসস্থল করার সরকারের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিকদের পাশাপাশি সাংবাদিক সমাজও ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেছে। এনিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক আনিসুর রহমান স্বপন বলেন, ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃক্ষ’ বরিশাল শহরকে কাঠামোগত উন্নয়নের দিকে ধাবিত করবে। এবং বরিশাল হবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন নিরাপদ নগরী।’

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪
বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩০