Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩১
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি:
বরগুনার পাথরঘাটায় শতাধিক শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা গ্রামের কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠন সিসিআরসির নিজস্ব অর্থায়নে শীতার্ত জনগণের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে।কম্বল বিতরণকালে সিসিআরসি’র সভাপতি আব্দুর রহিম জানান, শীতজনিত কষ্ট লাঘব করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
সীমিত সম্পদের মধ্যেও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করে আসছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত হালদার, পদ্মা সিসিআরসিথ সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ।
পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি:
বরগুনার পাথরঘাটায় শতাধিক শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা গ্রামের কমিউনিটি ভিত্তিক সংগঠন সিসিআরসির নিজস্ব অর্থায়নে শীতার্ত জনগণের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে।কম্বল বিতরণকালে সিসিআরসি’র সভাপতি আব্দুর রহিম জানান, শীতজনিত কষ্ট লাঘব করাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
সীমিত সম্পদের মধ্যেও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে আমরা এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনা করে আসছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটা উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের শিশু সুরক্ষা কর্মকর্তা সৈকত হালদার, পদ্মা সিসিআরসিথ সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৬
র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-০৬, সিপিএসসি, খুলনা এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ মার্চ (২০২৬) আনুমানিক রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে পাথরঘাটা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অভিযুক্ত, বরগুনা বামনা থানার সোনাখালী বাজার বাস স্ট্যান্ড হতে (১) মোঃ জালাল (৫৫) পিতা আঃ মান্নান হাওলাদার( ২)মোঃ কালু (২০) পিতা মিঠু হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনা এবং খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে (৩) মোঃ সবুজ হাওলাদার (৩০) পিতা আঃ হাকিম হাওলাদার (৪) মোঃ মিরাজ হাওলাদার (৪০) পিতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মৃত ভিকটিম বাদীর ভাই। অভিযুক্তরা বাদীর প্রতিবেশী হওয়ায় পূর্ব হতে তাদের মধ্যে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ইং ১৩/০২/২০২৬ তারিখ ভিকটিম বাড়ীতে একা থাকার সুবাদে অভিযুক্তগণ একত্রিত হয়ে একে অন্যের সহযোগীতায় দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারি ভাবে রক্তাক্ত যখম করে ও ভিকটিমের বাম চোখ উপরে ফেলে।
ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
এই ঘটনায় ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।উল্লেখ্য যে গত ১৩/০২/২০২৬ তারিখ দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে।
অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু র্যাব-৮ এর চৌখস আভিযানিক দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরগুনা পাথরঘাটা থানা ও কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। র্যাব পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক প্রেস বিজ্ঞপ্তি সুত্রে এ সংবাদ টি প্রকাশ করা হয়েছে।
র্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-০৬, সিপিএসসি, খুলনা এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ মার্চ (২০২৬) আনুমানিক রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে পাথরঘাটা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার অভিযুক্ত, বরগুনা বামনা থানার সোনাখালী বাজার বাস স্ট্যান্ড হতে (১) মোঃ জালাল (৫৫) পিতা আঃ মান্নান হাওলাদার( ২)মোঃ কালু (২০) পিতা মিঠু হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনা এবং খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে (৩) মোঃ সবুজ হাওলাদার (৩০) পিতা আঃ হাকিম হাওলাদার (৪) মোঃ মিরাজ হাওলাদার (৪০) পিতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার উভয় সাং মধ্য লেমুয়া থানা পাথরঘাটা জেলা বরগুনাদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মৃত ভিকটিম বাদীর ভাই। অভিযুক্তরা বাদীর প্রতিবেশী হওয়ায় পূর্ব হতে তাদের মধ্যে জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ইং ১৩/০২/২০২৬ তারিখ ভিকটিম বাড়ীতে একা থাকার সুবাদে অভিযুক্তগণ একত্রিত হয়ে একে অন্যের সহযোগীতায় দেশীয় অস্ত্র দ্বারা ভিকটিমকে এলোপাথারি ভাবে রক্তাক্ত যখম করে ও ভিকটিমের বাম চোখ উপরে ফেলে।
ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।
এই ঘটনায় ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।উল্লেখ্য যে গত ১৩/০২/২০২৬ তারিখ দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে।
অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।
কিন্তু র্যাব-৮ এর চৌখস আভিযানিক দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ।গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরগুনা পাথরঘাটা থানা ও কেএমপি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। র্যাব পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক প্রেস বিজ্ঞপ্তি সুত্রে এ সংবাদ টি প্রকাশ করা হয়েছে।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫
বরগুনায় সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়া একটি ঘর পুনর্নির্মাণে এগিয়ে এলেন প্রফেসর নুর শাহানা হক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তিনি ঘর নির্মাণের সকল ধরনের সামগ্রীসহ নির্মাণ শ্রমিকের খরচও সরাসরি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় বরগুনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রফেসর নুর শাহানা হকের পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের মালামাল তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর নুর শাহানা হক বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে আমি ক্ষতিগ্রস্ত নারী মজিতন বিবির ঘর নির্মাণে সকল রকমের সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বরগুনায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করে এই অনুন্নত জনপদকে অবহেলার ছায়া থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করব। দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে বরগুনা বিএনপির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রফেসর নুর শাহানা হকের এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং এলাকার জন্য এক প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনায় সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়া একটি ঘর পুনর্নির্মাণে এগিয়ে এলেন প্রফেসর নুর শাহানা হক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তিনি ঘর নির্মাণের সকল ধরনের সামগ্রীসহ নির্মাণ শ্রমিকের খরচও সরাসরি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় বরগুনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রফেসর নুর শাহানা হকের পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের মালামাল তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর নুর শাহানা হক বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে আমি ক্ষতিগ্রস্ত নারী মজিতন বিবির ঘর নির্মাণে সকল রকমের সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বরগুনায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করে এই অনুন্নত জনপদকে অবহেলার ছায়া থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করব। দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে বরগুনা বিএনপির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রফেসর নুর শাহানা হকের এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং এলাকার জন্য এক প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।
বরিশাল টাইমস