
১৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৯
আসন্ন ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিকে সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। পর্যটকদের সেবা দিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশার ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কক্ষ এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা, সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পর্যটকদের বরণে হোটেল-মোটেলগুলো রঙিন সাজে সেজে উঠেছে। সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে যাতায়াতের পথঘাট। আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলো তাদের কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজিয়ে পর্যটক আকর্ষণে প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস-প্রেমিডেন্ট জহিরুল ইসলাম জানান, পুরো রমজান মাসজুড়ে কুয়াকাটা পর্যটকশূন্য থাকায় হোটেল-মোটেলগুলো এই সময়টায় নিজেদের পরিপাটি করে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ঈদের ছুটি থেকে শুরু হওয়া টানা বন্ধে লাখো পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও রমজানের পর্যটক কম থাকায় সৈকতের পরিবেশেও এসেছে ভিন্নতা। শীত মৌসুম শেষে বর্ষার শুরুর এই সময়ে সৈকতে উঁচু ঢেউ, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য এবং প্রকৃতির মনোরম পরিবেশ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে।
হোটেল-মোটেল ও অপারেটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল রয়েছে ২২০টির বেশি যার ধারণক্ষমতা ২৫-৩০ হাজার। তবে আগত পর্যটকদের সংখ্যা দৈনিক লাখের উপরে উঠতে পারে বলে ধারণা তাদের। ঈদসহ বড় ছুটিগুলোতে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের অনেকেই দিনব্যাপী ঘোরাঘুরি শেষে রাতে নিজ গন্তব্য ফিরে। এ ছাড়াও এই সময়গুলোতে আবাসিক হোটেলের পাশাপাশি সৈকতের কাছাকাছি বাসাবাড়িতেও পর্যটকদের রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়। পর্যটক বরণে প্রস্তুত কুয়াকাটা, ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন
হোটেল ডি মোর-এর ব্যবস্থাপক জয়নুল আবেদীন জুয়েল বলেন, আমাদের হোটেলে মোট ৩০টি কক্ষ রয়েছে। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই বুকিংয়ের ফোন আসছে। ইতোমধ্যে ঈদ পরবর্তী ৩ থেকে ৪ দিনের জন্য প্রায় ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। আশা করছি বাকি দিনগুলোতেও পুরো বুকিং সম্পন্ন হবে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে সুইমিং সুবিধা ও হোটেলের বাড়তি সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যারা ইতোমধ্যে হোটেল বুকিং দিয়েছে এদের অনেক পর্যটক ফোন করে শঙ্কা প্রকাশ করছে পরিবহন নিয়ে। তেলের সংকটে যদি পরিবহন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেই প্রভাব পর্যটন খাতেও আঘাত করবে। ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে বুকিং হচ্ছে। সবমিলিয়ে হোটেল ভেদে ৪০ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে।
এদিকে কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু জানান, পর্যটকদের আগমনের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তারাও প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ট্যুর বুকিং এসেছে। প্রতিটি উৎসবের সময় দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সেবা দিতে ইতোমধ্যে শতাধিক ট্যুর গাইড প্রস্তুত রয়েছে।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ বলেন, ঈদকে ঘিরে বাড়তি পর্যটকের আগমন উপলক্ষে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, স্কাউটের কয়েকটি টিম, স্বেচ্ছাসেবক এবং সৈকতে রেসকিউ টিম কাজ করবে, যাতে পর্যটকরা কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত ভাড়ার শিকার না হন।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লেম্বুরবন থেকে রামনাবাদ চ্যানেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টুরিস্ট পুলিশের একাধিক টিম মোতায়েন থাকবে। জল ও স্থলপথে সার্বক্ষণিক পর্যটকদের সেবায় তারা নিয়োজিত থাকবে।
আসন্ন ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিকে সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। পর্যটকদের সেবা দিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশার ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কক্ষ এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা, সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পর্যটকদের বরণে হোটেল-মোটেলগুলো রঙিন সাজে সেজে উঠেছে। সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে যাতায়াতের পথঘাট। আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলো তাদের কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজিয়ে পর্যটক আকর্ষণে প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস-প্রেমিডেন্ট জহিরুল ইসলাম জানান, পুরো রমজান মাসজুড়ে কুয়াকাটা পর্যটকশূন্য থাকায় হোটেল-মোটেলগুলো এই সময়টায় নিজেদের পরিপাটি করে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ঈদের ছুটি থেকে শুরু হওয়া টানা বন্ধে লাখো পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও রমজানের পর্যটক কম থাকায় সৈকতের পরিবেশেও এসেছে ভিন্নতা। শীত মৌসুম শেষে বর্ষার শুরুর এই সময়ে সৈকতে উঁচু ঢেউ, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য এবং প্রকৃতির মনোরম পরিবেশ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে।
হোটেল-মোটেল ও অপারেটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল রয়েছে ২২০টির বেশি যার ধারণক্ষমতা ২৫-৩০ হাজার। তবে আগত পর্যটকদের সংখ্যা দৈনিক লাখের উপরে উঠতে পারে বলে ধারণা তাদের। ঈদসহ বড় ছুটিগুলোতে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের অনেকেই দিনব্যাপী ঘোরাঘুরি শেষে রাতে নিজ গন্তব্য ফিরে। এ ছাড়াও এই সময়গুলোতে আবাসিক হোটেলের পাশাপাশি সৈকতের কাছাকাছি বাসাবাড়িতেও পর্যটকদের রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়। পর্যটক বরণে প্রস্তুত কুয়াকাটা, ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন
হোটেল ডি মোর-এর ব্যবস্থাপক জয়নুল আবেদীন জুয়েল বলেন, আমাদের হোটেলে মোট ৩০টি কক্ষ রয়েছে। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই বুকিংয়ের ফোন আসছে। ইতোমধ্যে ঈদ পরবর্তী ৩ থেকে ৪ দিনের জন্য প্রায় ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। আশা করছি বাকি দিনগুলোতেও পুরো বুকিং সম্পন্ন হবে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে সুইমিং সুবিধা ও হোটেলের বাড়তি সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যারা ইতোমধ্যে হোটেল বুকিং দিয়েছে এদের অনেক পর্যটক ফোন করে শঙ্কা প্রকাশ করছে পরিবহন নিয়ে। তেলের সংকটে যদি পরিবহন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেই প্রভাব পর্যটন খাতেও আঘাত করবে। ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে বুকিং হচ্ছে। সবমিলিয়ে হোটেল ভেদে ৪০ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে।
এদিকে কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু জানান, পর্যটকদের আগমনের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তারাও প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ট্যুর বুকিং এসেছে। প্রতিটি উৎসবের সময় দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সেবা দিতে ইতোমধ্যে শতাধিক ট্যুর গাইড প্রস্তুত রয়েছে।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ বলেন, ঈদকে ঘিরে বাড়তি পর্যটকের আগমন উপলক্ষে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, স্কাউটের কয়েকটি টিম, স্বেচ্ছাসেবক এবং সৈকতে রেসকিউ টিম কাজ করবে, যাতে পর্যটকরা কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত ভাড়ার শিকার না হন।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লেম্বুরবন থেকে রামনাবাদ চ্যানেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টুরিস্ট পুলিশের একাধিক টিম মোতায়েন থাকবে। জল ও স্থলপথে সার্বক্ষণিক পর্যটকদের সেবায় তারা নিয়োজিত থাকবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস