
১৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৯
আসন্ন ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিকে সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। পর্যটকদের সেবা দিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশার ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কক্ষ এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা, সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পর্যটকদের বরণে হোটেল-মোটেলগুলো রঙিন সাজে সেজে উঠেছে। সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে যাতায়াতের পথঘাট। আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলো তাদের কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজিয়ে পর্যটক আকর্ষণে প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস-প্রেমিডেন্ট জহিরুল ইসলাম জানান, পুরো রমজান মাসজুড়ে কুয়াকাটা পর্যটকশূন্য থাকায় হোটেল-মোটেলগুলো এই সময়টায় নিজেদের পরিপাটি করে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ঈদের ছুটি থেকে শুরু হওয়া টানা বন্ধে লাখো পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও রমজানের পর্যটক কম থাকায় সৈকতের পরিবেশেও এসেছে ভিন্নতা। শীত মৌসুম শেষে বর্ষার শুরুর এই সময়ে সৈকতে উঁচু ঢেউ, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য এবং প্রকৃতির মনোরম পরিবেশ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে।
হোটেল-মোটেল ও অপারেটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল রয়েছে ২২০টির বেশি যার ধারণক্ষমতা ২৫-৩০ হাজার। তবে আগত পর্যটকদের সংখ্যা দৈনিক লাখের উপরে উঠতে পারে বলে ধারণা তাদের। ঈদসহ বড় ছুটিগুলোতে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের অনেকেই দিনব্যাপী ঘোরাঘুরি শেষে রাতে নিজ গন্তব্য ফিরে। এ ছাড়াও এই সময়গুলোতে আবাসিক হোটেলের পাশাপাশি সৈকতের কাছাকাছি বাসাবাড়িতেও পর্যটকদের রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়। পর্যটক বরণে প্রস্তুত কুয়াকাটা, ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন
হোটেল ডি মোর-এর ব্যবস্থাপক জয়নুল আবেদীন জুয়েল বলেন, আমাদের হোটেলে মোট ৩০টি কক্ষ রয়েছে। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই বুকিংয়ের ফোন আসছে। ইতোমধ্যে ঈদ পরবর্তী ৩ থেকে ৪ দিনের জন্য প্রায় ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। আশা করছি বাকি দিনগুলোতেও পুরো বুকিং সম্পন্ন হবে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে সুইমিং সুবিধা ও হোটেলের বাড়তি সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যারা ইতোমধ্যে হোটেল বুকিং দিয়েছে এদের অনেক পর্যটক ফোন করে শঙ্কা প্রকাশ করছে পরিবহন নিয়ে। তেলের সংকটে যদি পরিবহন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেই প্রভাব পর্যটন খাতেও আঘাত করবে। ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে বুকিং হচ্ছে। সবমিলিয়ে হোটেল ভেদে ৪০ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে।
এদিকে কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু জানান, পর্যটকদের আগমনের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তারাও প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ট্যুর বুকিং এসেছে। প্রতিটি উৎসবের সময় দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সেবা দিতে ইতোমধ্যে শতাধিক ট্যুর গাইড প্রস্তুত রয়েছে।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ বলেন, ঈদকে ঘিরে বাড়তি পর্যটকের আগমন উপলক্ষে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, স্কাউটের কয়েকটি টিম, স্বেচ্ছাসেবক এবং সৈকতে রেসকিউ টিম কাজ করবে, যাতে পর্যটকরা কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত ভাড়ার শিকার না হন।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লেম্বুরবন থেকে রামনাবাদ চ্যানেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টুরিস্ট পুলিশের একাধিক টিম মোতায়েন থাকবে। জল ও স্থলপথে সার্বক্ষণিক পর্যটকদের সেবায় তারা নিয়োজিত থাকবে।
আসন্ন ঈদুল ফিতরের টানা ছুটিকে সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। পর্যটকদের সেবা দিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেশার ব্যবসায়ীরা। ইতোমধ্যে ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার পর্যন্ত প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কক্ষ এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা, সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পর্যটকদের বরণে হোটেল-মোটেলগুলো রঙিন সাজে সেজে উঠেছে। সৌন্দর্যবর্ধন করা হয়েছে যাতায়াতের পথঘাট। আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টগুলো তাদের কক্ষগুলো নতুনভাবে সাজিয়ে পর্যটক আকর্ষণে প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সিনিয়র ভাইস-প্রেমিডেন্ট জহিরুল ইসলাম জানান, পুরো রমজান মাসজুড়ে কুয়াকাটা পর্যটকশূন্য থাকায় হোটেল-মোটেলগুলো এই সময়টায় নিজেদের পরিপাটি করে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ঈদের ছুটি থেকে শুরু হওয়া টানা বন্ধে লাখো পর্যটকের আগমন ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও রমজানের পর্যটক কম থাকায় সৈকতের পরিবেশেও এসেছে ভিন্নতা। শীত মৌসুম শেষে বর্ষার শুরুর এই সময়ে সৈকতে উঁচু ঢেউ, জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য এবং প্রকৃতির মনোরম পরিবেশ পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করবে।
হোটেল-মোটেল ও অপারেটরদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কুয়াকাটায় আবাসিক হোটেল রয়েছে ২২০টির বেশি যার ধারণক্ষমতা ২৫-৩০ হাজার। তবে আগত পর্যটকদের সংখ্যা দৈনিক লাখের উপরে উঠতে পারে বলে ধারণা তাদের। ঈদসহ বড় ছুটিগুলোতে কুয়াকাটায় আগত পর্যটকদের অনেকেই দিনব্যাপী ঘোরাঘুরি শেষে রাতে নিজ গন্তব্য ফিরে। এ ছাড়াও এই সময়গুলোতে আবাসিক হোটেলের পাশাপাশি সৈকতের কাছাকাছি বাসাবাড়িতেও পর্যটকদের রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়। পর্যটক বরণে প্রস্তুত কুয়াকাটা, ৪০ শতাংশ হোটেল-রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন
হোটেল ডি মোর-এর ব্যবস্থাপক জয়নুল আবেদীন জুয়েল বলেন, আমাদের হোটেলে মোট ৩০টি কক্ষ রয়েছে। ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই বুকিংয়ের ফোন আসছে। ইতোমধ্যে ঈদ পরবর্তী ৩ থেকে ৪ দিনের জন্য প্রায় ৪০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। আশা করছি বাকি দিনগুলোতেও পুরো বুকিং সম্পন্ন হবে। পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে সুইমিং সুবিধা ও হোটেলের বাড়তি সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ জানায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যারা ইতোমধ্যে হোটেল বুকিং দিয়েছে এদের অনেক পর্যটক ফোন করে শঙ্কা প্রকাশ করছে পরিবহন নিয়ে। তেলের সংকটে যদি পরিবহন বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সেই প্রভাব পর্যটন খাতেও আঘাত করবে। ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোতে বুকিং হচ্ছে। সবমিলিয়ে হোটেল ভেদে ৪০ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে।
এদিকে কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু জানান, পর্যটকদের আগমনের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে তারাও প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ট্যুর বুকিং এসেছে। প্রতিটি উৎসবের সময় দেশ-বিদেশের পর্যটকদের সেবা দিতে ইতোমধ্যে শতাধিক ট্যুর গাইড প্রস্তুত রয়েছে।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কাউছার হামিদ বলেন, ঈদকে ঘিরে বাড়তি পর্যটকের আগমন উপলক্ষে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, স্কাউটের কয়েকটি টিম, স্বেচ্ছাসেবক এবং সৈকতে রেসকিউ টিম কাজ করবে, যাতে পর্যটকরা কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত ভাড়ার শিকার না হন।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। লেম্বুরবন থেকে রামনাবাদ চ্যানেল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় টুরিস্ট পুলিশের একাধিক টিম মোতায়েন থাকবে। জল ও স্থলপথে সার্বক্ষণিক পর্যটকদের সেবায় তারা নিয়োজিত থাকবে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:২৪
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং কর্মকর্তার কাছ থেকে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে রনি মৃধা ওরফে ‘কসাই রনি’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রনি মৃধা (৩০) উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন মৃধার ছেলে। তিনি দুমকি থানায় করা ছিনতাই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশের দাবি, দুমকিতে সংঘটিত একাধিক দস্যুতা, লুটপাট ও সহিংস ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ মে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং দুমকি বাজার আউটলেটের ইনচার্জ এক মাঠ কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তারা রাজাখালী ফার্মগেটের পূর্ব পাশে পৌঁছলে চার দুর্বৃত্ত তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তাদের মারধর করে ১৮ হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত ২০ মে দুমকি থানায় দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারায় একটি মামলা করা হয়। মামলার নম্বর-৮।
পুলিশি নথি সূত্রে জানা গেছে, রনি মৃধার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী ও দুমকি থানায় একাধিক গুরুতর মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পটুয়াখালী থানার একটি মামলায় দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় দস্যুতার প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।
দুমকি থানায় দায়ের হওয়া আরেকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির মোট দশটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারার মধ্যে সংঘবদ্ধ হামলা, মারধর, গুরুতর জখম, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর, চুরি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়া কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায়ও তিনি একজন আসামি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘কসাই রনি’ নামে পরিচিত রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেও রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এতদিন পার পেয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে (২৭) ধর্ষণের অভিযোগে মো. নাজেম মৃধা (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মে) এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ মে) পায়রা নদীর পাড়ে ওই তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার সময় জনৈক এক জেলে মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বলে জানা যায়, যা পরে ঘটনার প্রমাণ হিসেবে সামনে আসে।
ভুক্তভোগী মির্জাগঞ্জ উপজেলার গোলখালী গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় চরখালী গ্রামের নবাব আলী মৃধার ছেলে মো. নাজেম মৃধার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বোতলবুনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার বোনের বাড়ির সামনে থেকে অভিযুক্ত নাজেম মৃধাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুস সালাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৩১
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বন্ধুর ভগ্নিপতির জানাজা নামাজে যাওয়ার পথে মিজানুর রহমান মিজুর নামের এক ঠিকাদার লরিচাপায় নিহত হয়েছেন। এ সময় তার বন্ধু সাগর গুরুতর আহত হয়েছেন।
তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাতে দিবাগত রাতে গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরখালী গ্রামে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ঠিকাদার পটুয়খালী সিএন্ডবি রোডের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে এবং তার বন্ধু একই এলাকার আ. লফিতফ মৃধার ছেলে মো. সাগর মৃধা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিাকৎসারত অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়।
হতাহতদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে সাগর মৃধার ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমানের জানাজা নামাজে অংশ নিতে তার বন্ধু মিজুরকে নিয়ে গলাচিপার চরখালী গ্রামের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালী থেকে রওয়ানা হন। পথিমধ্যে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উত্তর চরখালী এলাকায় পৌঁছালে মালামালবাহী একটি লরির সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যান সাগর ও মিজুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিজুরের মৃত্যু হয়। অপরদিকে সাগরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
গলাচিপা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর রহমান মিজুর নিহত এবং সাগর গুরুতর আহত হওয়ার খবরটি জানতে পেরেছি। তবে যেহেতু মারা গেছেন বরিশাল মেডিক্যালে এবং তার বাড়ি পটুয়াখালী শহরে যে কারণে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় তেমন কিছু নাই, তারপরেও যদি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.