
০২ মার্চ, ২০২৬ ১০:০১
বরগুনায় এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ডুবে থাকা জাহাজটি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্ধার কার্যক্রমে গড়িমসি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নৌযানটি ডুবে থাকায় খাকদন নদীতে চলাচলরত ছোট-বড় নৌযানের ক্ষেত্রে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে নৌবন্দরের ৩০০ মিটারের মধ্যে পণ্যবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে নীরব নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ মার্চ) কার্গো জাহাজটির মালিক ও মাঝি মো. শমসের ঘরামী অভিযোগ করেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় তিনি কার্গোটি উদ্ধারে বাধা দিচ্ছেন। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ী বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের নদীবন্দর এলাকার কাঁচাবাজার সংলগ্ন খাকদন নদীতে নোঙর করা অবস্থায় ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়। গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় তাৎক্ষণিক বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার ‘অগ্রণী ট্রেডার্স’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইউনুস খান এক হাজার ৯০০ বস্তা বসুন্ধরা সিমেন্ট পরিবহনের জন্য ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ছোট কার্গো জাহাজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। পরে বাগেরহাটের মোংলা থেকে সিমেন্টবোঝাই করে জাহাজ চালিয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনার পণ্য পরিবহন ঘাটে আসেন জাহাজ মালিক শমসের ঘরামী।
এরপর জাহাজ থেকে সিমেন্ট মালিকের ঘাট শ্রমিকরা ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলনের পর কাজ বন্ধ রাখেন। পরে ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাকি এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ঘাটে নোঙর করা জাহাজটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজের মালিক ও মাঝি শমসের ঘরামী বলেন, জাহাজ নিয়ে ঘাটে এসে সিমেন্ট মালিককে জানালে শ্রমিকরা সিমেন্ট উত্তোলন শুরু করেন। অন্য সকল জায়গায় একদিনের মধ্যে জাহাজ খালি করা হলেও এখানে প্রথমদিন জাহাজের সামনে থেকে ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলন করায় পেছনের দিকে বেশি ওজন থেকে যায়। পরে তাদের বিষয়টি জানালে পেছন থেকে বস্তা সরিয়ে সামনের দিকে সমান করার কথা বললেও তারা তা করেনি। পরে আমি জাহাজে থাকাকালীন রাত তিনটার দিকে জাহাজটি ডুবে যায়।
তিনি আরও বলেন, অন্য আরেকজনের সঙ্গে আমি টাকা ঋণ নিয়ে জাহাজটি নির্মাণ করেছি। এখন একদিকে জাহাজটি উদ্ধার করার সামর্থ্যও আমার নেই, অপরদিকে সিমেন্ট মালিক মো. ইউনুস খান থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও ক্ষতির বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ উদ্ধার করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন সিমেন্ট মালিক।
ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটি উদ্ধারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান বলেন, সম্পূর্ণ মাঝির গাফিলতির কারণে জাহাজটি ডুবে গেছে। বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি। থানা থেকে বলা হয়েছে, উদ্ধারের আগে আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। জাহাজের ভেতরে যে বস্তাগুলো আছে তা কী করবেন, কোথায় ফেলবেন সে সিদ্ধান্ত নেন। আমি এ আলোচনার জন্য তাদের ডেকেছি, কিন্তু তারা আসেনি। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উঠাতে আমরা কখনো কাউকে নিষেধ করিনি। আমি চাই জাহাজ ওঠানোর পর প্রয়োজনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে একটি সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। জাহাজে থাকা সিমেন্ট ডুবে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডুবে থাকা জাহাজটির কারণে ঘাট ও চলাচলরত নৌযান ঝুঁকিতে রয়েছে জানিয়ে বরগুনা বাজার শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল মোল্লা বলেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান থানায় অভিযোগ করলেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাহাজটি উদ্ধার করতে দিচ্ছেন না। তিনদিন ধরে জাহাজটি ঘাট এলাকায় ডুবে আছে। প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে ছোট-বড় নৌযান এ ঘাটে আসে। জাহাজটি ঘাট ও নদীর মাঝখানে ডুবে থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরগুনা নদীবন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কার্গো জাহাজ ডুবির বিষয়টি আজ আমাকে অবহিত করা হয়েছে। এর আগে জানানো হয়নি। এছাড়াও তারা নিজেরা জাহাজটি উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জেনেছি। তবে অন্য সব নৌযান চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছি।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জাগো নিউজকে বলেন, থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। পণ্য মালিকের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহাজ মালিকের সঙ্গেও কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস
ডুবে যাওয়া সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ। ছবি: সংগৃহীত
বরগুনায় এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পার হলেও এখনো উদ্ধার হয়নি ডুবে থাকা জাহাজটি। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিরোধের জেরে উদ্ধার কার্যক্রমে গড়িমসি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নৌযানটি ডুবে থাকায় খাকদন নদীতে চলাচলরত ছোট-বড় নৌযানের ক্ষেত্রে যে কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে নৌবন্দরের ৩০০ মিটারের মধ্যে পণ্যবাহী কার্গো ডুবির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে নীরব নৌবন্দর কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১ মার্চ) কার্গো জাহাজটির মালিক ও মাঝি মো. শমসের ঘরামী অভিযোগ করেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় তিনি কার্গোটি উদ্ধারে বাধা দিচ্ছেন। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ী বরগুনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের নদীবন্দর এলাকার কাঁচাবাজার সংলগ্ন খাকদন নদীতে নোঙর করা অবস্থায় ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের কার্গো জাহাজটি ডুবে যায়। গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় তাৎক্ষণিক বিষয়টি তেমন জানাজানি হয়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বরগুনার ‘অগ্রণী ট্রেডার্স’ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ইউনুস খান এক হাজার ৯০০ বস্তা বসুন্ধরা সিমেন্ট পরিবহনের জন্য ‘এমভি মা-বাবার দোয়া’ নামের একটি ছোট কার্গো জাহাজের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। পরে বাগেরহাটের মোংলা থেকে সিমেন্টবোঝাই করে জাহাজ চালিয়ে বৃহস্পতিবার বরগুনার পণ্য পরিবহন ঘাটে আসেন জাহাজ মালিক শমসের ঘরামী।
এরপর জাহাজ থেকে সিমেন্ট মালিকের ঘাট শ্রমিকরা ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলনের পর কাজ বন্ধ রাখেন। পরে ওইদিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাকি এক হাজার ৬৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ঘাটে নোঙর করা জাহাজটি ডুবে যায়।
ডুবে যাওয়া জাহাজের মালিক ও মাঝি শমসের ঘরামী বলেন, জাহাজ নিয়ে ঘাটে এসে সিমেন্ট মালিককে জানালে শ্রমিকরা সিমেন্ট উত্তোলন শুরু করেন। অন্য সকল জায়গায় একদিনের মধ্যে জাহাজ খালি করা হলেও এখানে প্রথমদিন জাহাজের সামনে থেকে ২৫০ বস্তা সিমেন্ট উত্তোলন করায় পেছনের দিকে বেশি ওজন থেকে যায়। পরে তাদের বিষয়টি জানালে পেছন থেকে বস্তা সরিয়ে সামনের দিকে সমান করার কথা বললেও তারা তা করেনি। পরে আমি জাহাজে থাকাকালীন রাত তিনটার দিকে জাহাজটি ডুবে যায়।
তিনি আরও বলেন, অন্য আরেকজনের সঙ্গে আমি টাকা ঋণ নিয়ে জাহাজটি নির্মাণ করেছি। এখন একদিকে জাহাজটি উদ্ধার করার সামর্থ্যও আমার নেই, অপরদিকে সিমেন্ট মালিক মো. ইউনুস খান থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও ক্ষতির বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ উদ্ধার করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন সিমেন্ট মালিক।
ডুবে যাওয়া কার্গো জাহাজটি উদ্ধারে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান বলেন, সম্পূর্ণ মাঝির গাফিলতির কারণে জাহাজটি ডুবে গেছে। বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি। থানা থেকে বলা হয়েছে, উদ্ধারের আগে আপনারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। জাহাজের ভেতরে যে বস্তাগুলো আছে তা কী করবেন, কোথায় ফেলবেন সে সিদ্ধান্ত নেন। আমি এ আলোচনার জন্য তাদের ডেকেছি, কিন্তু তারা আসেনি। তবে ডুবে যাওয়া জাহাজটি উঠাতে আমরা কখনো কাউকে নিষেধ করিনি। আমি চাই জাহাজ ওঠানোর পর প্রয়োজনে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে একটি সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। জাহাজে থাকা সিমেন্ট ডুবে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডুবে থাকা জাহাজটির কারণে ঘাট ও চলাচলরত নৌযান ঝুঁকিতে রয়েছে জানিয়ে বরগুনা বাজার শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জালাল মোল্লা বলেন, সিমেন্ট ব্যবসায়ী মো. ইউনুস খান থানায় অভিযোগ করলেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত তিনি জাহাজটি উদ্ধার করতে দিচ্ছেন না। তিনদিন ধরে জাহাজটি ঘাট এলাকায় ডুবে আছে। প্রতিদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে ছোট-বড় নৌযান এ ঘাটে আসে। জাহাজটি ঘাট ও নদীর মাঝখানে ডুবে থাকায় যে কোনো সময় বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরগুনা নদীবন্দরের সহকারী বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কার্গো জাহাজ ডুবির বিষয়টি আজ আমাকে অবহিত করা হয়েছে। এর আগে জানানো হয়নি। এছাড়াও তারা নিজেরা জাহাজটি উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জেনেছি। তবে অন্য সব নৌযান চলাচলে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছি।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জাগো নিউজকে বলেন, থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। পণ্য মালিকের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জাহাজ মালিকের সঙ্গেও কথা বলে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১০:৫০
বরগুনা সদর উপজেলায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার জেরে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ইব্রাহিম হোসেন কালু। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি স্থানীয়ভাবে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, ইব্রাহিম হোসেন কালু সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে এলাকায় আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা। এর জেরে শুক্রবার দুপুরে দুর্বৃত্তরা ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
এই ঘটনার পর সংক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কালু ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালুর মৃত্যু হয়। এ সময় তার সহযোগী তৌহিদ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত কালুর বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ১৩–১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। জামিনে বের হয়েই তিনি ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করেন, এরপর গণপিটুনিতে তার মৃত্যু।
বরগুনা সদর উপজেলায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার জেরে গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম ইব্রাহিম হোসেন কালু। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি স্থানীয়ভাবে একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, ইব্রাহিম হোসেন কালু সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে বের হয়ে এলাকায় আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। এতে বাধা দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা। এর জেরে শুক্রবার দুপুরে দুর্বৃত্তরা ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
এই ঘটনার পর সংক্ষুব্ধ গ্রামবাসী কালু ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালুর মৃত্যু হয়। এ সময় তার সহযোগী তৌহিদ গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত কালুর বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতিসহ ১৩–১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। জামিনে বের হয়েই তিনি ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম করেন, এরপর গণপিটুনিতে তার মৃত্যু।

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১০
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.