
১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:২৫
‘আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব, নিধনবিরোধী অভিযান দেখলেই জেলেরা হামলে পড়ছে অস্ত্রসমেত।
বরিশালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব চলছে। প্রশাসন ৪ অক্টোবর থেকে এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে নদীতে পাহারা বসালেও ইলিশ নিধন রোধ করতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত জেলেদের ছোট-বড় হামলার শিকার হতে হচ্ছে, এতে প্রশাসনের শীর্ষসারির কর্মকর্তারা গুরুতর আহত হওয়ার খবরও রয়েছে। ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বারংবার অস্ত্রধারী জেলেদের হামলা প্রশাসনের এক ধরনের অসহায়ত্বের কথা জানান দিচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয় মৎস্য প্রশাসন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে চলমান ইলিশ নিধনবিরোধী প্রশাসনের অভিযানিক টিমের ওপর বিভিন্ন স্থানে অর্ধশত হামলা হয়েছে। ট্রলার, স্পিডবোর্ট নিয়ে অভিযানে অংশ নিতে গেলে সংঙ্ঘবদ্ধ জেলেরা দূর থেকে ইট-পাথর ছুড়ে মারাসহ ধারালো অস্ত্রসমেত তেড়ে আসনে। সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র জানায়, সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যার দিকে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত বরিশাল জেলার হিজলা এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযানিক টিমের ওপর হামলা হয়। এই হামলায় ভোলার এনডিসি, এসিল্যান্ড, মৎস্য কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার এনডিসি তানজিবুল ইসলাম শনিবার বিকেলে কোস্টগার্ড এবং মৎস্য প্রশাসন নিয়ে ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযানে অংশ নেন। একপর্যায়ে তাদের কাছে খবর ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের আশেপাশে অন্তত অর্ধশত জেলে নৌকা নিয়ে ইলিশ নিধন করছেন। অভিযানিক টিম নিয়ে তিনি সেদিকে অগ্রসর হলে জেলেরা ইট-পাথর ছুড়ে মারতে থাকেন। এবং পর্যায়ে প্রশাসনের নৌযানটি জেলে ট্রলারের কাছাকাছি গেলে মৎস্যজীবীরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলে পড়েন। এতে এনডিসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হলে তাদের রাতেই উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ০৭ অক্টোবর বরিশালের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারী সাত জেলেকে আটক করা হয়। স্থানীয় আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায় সেই হামলায় ঘটনায় একটি মামলাপরবর্তী সাত জেলেকে গ্রেপ্তারও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই দুটি বড় সহিংসতার ঘটনায় ছাড়াও বরিশালে প্রশাসনের ওপর জেলেদের অসংখ্য হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলার কথা স্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মৎস্য প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইলিশ নিধন রোধে নদীতে নেমে জেলেদের কাছে এক ধরনের অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। সারিবদ্ধভাবে জেলেরা জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে, তাদের রুখতে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এসময় নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্রও আত্মরক্ষার্থে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন, নিজেদের অসহায় মনে হচ্ছে।
অভিযানে গিয়ে বারংবার জেলেদের হামলার ঘটনায় মৎস্য প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনবল এবং আধুনিক নৌযানসংকটের একটি বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ইলিশ শিকার এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিহীন একটি নৌযান নিয়ে হানা দেওয়ার একটি ভিডিও সমাজপাতায় রীতিমত আলোচনার ঝড় তুলেছে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, পায়রা নদীতে দিনের বেলা শত শত ইঞ্জিন সংযোজিত নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন। দুর্বল গতির একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে সেখানে হানা দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কিন্তু নাগালে যাওয়ার আগেই জেলে নৌকাগুলো দ্রুতগতির ইঞ্জিন চালু দিয়ে স্থান ত্যাগ করে, যা নির্বাক হয়ে দেখেছেন কর্মকর্তারা। নদীতে প্রশাসনের এই অসহায়ত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। শুধু পটুয়াখালী নয়, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি জেলা মৎস্য প্রশাসনই নদীতে কচ্ছপের মতো নৌযান নিয়ে টহল দিচ্ছে, আর জেলেরা গতিসম্পন্ন নৌকা নিয়ে নির্ভয়ে ইলিশ শিকার করছেন।
নৌযান সংকট এবং হামলার সম্ভব্য আশঙ্কা থাকলেও ইলিশ নিধন রোধে বরিশাল মৎস্য বিভাগ সর্বদা নদীতে সরব রয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর থেকে রোববার ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দপ্তরটি ৩৬৬ টি অভিযানে অংশ নিয়েছে। পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট গঠন করে অভিযান চালানো হয়। এখন পর্যন্ত ১৩৬টি মোবাইল কোর্ট করে ২৪২ জনকে সাজা দেওয়াসহ ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অর্ধশত স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে দুটি বড় হামলা হয়েছে, একটি শনিবার সন্ধ্যার দিকে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জসংলগ্ন অভয়াশ্রমে, অপরটি ০৭ অক্টোবর হিজলার আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায়। এই দুটি সশস্ত্র হামলায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বরিশালে জেলেদের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হামলা প্রশাসনের মনে ভয় ধরিয়ে দেয় এবং তাদের নির্লুপ্ত করে তোলার করে। এই সুযোগে বরিশালের কীর্তনখোলা, তেঁতুলিয়া, কালাবদর এবং মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকারে মেতে উঠেছে জেলেরা।
প্রশাসন কি ভয়ে অসাধু জেলেদের কাছে নতি স্বীকার করল? এমন প্রশ্নের উত্তরে মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, লোকবলের পাশাপাশি আধুনিক নৌযান সংকট তাদের ভোগাচ্ছে। তাছাড়া এক শ্রেণির জেলেরা আইন মানতে চাইছেন না। এমনকি নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের চালসহ সহযোগিতা করেও ঘরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে মৌসুমি জেলেরাও সক্রিয় হয়েছেন। তাদের রুখতে গিয়ে নদীতে একাধিকবার প্রশাসন আঘাতপ্রাপ্ত হতে হচ্ছে।
নদীতে প্রশাসন যে কতুটুক অসহায় তা এই কর্মকর্তার কথাও অনুমান করা যায়। ফলে এবারের মৌসুম ইলিশ প্রজননে সরকার কতটা সফল হবে তা নিয়েও থেকে যাচ্ছে সংশয়।’
‘আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব, নিধনবিরোধী অভিযান দেখলেই জেলেরা হামলে পড়ছে অস্ত্রসমেত।
বরিশালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব চলছে। প্রশাসন ৪ অক্টোবর থেকে এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে নদীতে পাহারা বসালেও ইলিশ নিধন রোধ করতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত জেলেদের ছোট-বড় হামলার শিকার হতে হচ্ছে, এতে প্রশাসনের শীর্ষসারির কর্মকর্তারা গুরুতর আহত হওয়ার খবরও রয়েছে। ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বারংবার অস্ত্রধারী জেলেদের হামলা প্রশাসনের এক ধরনের অসহায়ত্বের কথা জানান দিচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয় মৎস্য প্রশাসন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে চলমান ইলিশ নিধনবিরোধী প্রশাসনের অভিযানিক টিমের ওপর বিভিন্ন স্থানে অর্ধশত হামলা হয়েছে। ট্রলার, স্পিডবোর্ট নিয়ে অভিযানে অংশ নিতে গেলে সংঙ্ঘবদ্ধ জেলেরা দূর থেকে ইট-পাথর ছুড়ে মারাসহ ধারালো অস্ত্রসমেত তেড়ে আসনে। সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র জানায়, সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যার দিকে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত বরিশাল জেলার হিজলা এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযানিক টিমের ওপর হামলা হয়। এই হামলায় ভোলার এনডিসি, এসিল্যান্ড, মৎস্য কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার এনডিসি তানজিবুল ইসলাম শনিবার বিকেলে কোস্টগার্ড এবং মৎস্য প্রশাসন নিয়ে ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযানে অংশ নেন। একপর্যায়ে তাদের কাছে খবর ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের আশেপাশে অন্তত অর্ধশত জেলে নৌকা নিয়ে ইলিশ নিধন করছেন। অভিযানিক টিম নিয়ে তিনি সেদিকে অগ্রসর হলে জেলেরা ইট-পাথর ছুড়ে মারতে থাকেন। এবং পর্যায়ে প্রশাসনের নৌযানটি জেলে ট্রলারের কাছাকাছি গেলে মৎস্যজীবীরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলে পড়েন। এতে এনডিসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হলে তাদের রাতেই উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ০৭ অক্টোবর বরিশালের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারী সাত জেলেকে আটক করা হয়। স্থানীয় আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায় সেই হামলায় ঘটনায় একটি মামলাপরবর্তী সাত জেলেকে গ্রেপ্তারও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই দুটি বড় সহিংসতার ঘটনায় ছাড়াও বরিশালে প্রশাসনের ওপর জেলেদের অসংখ্য হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলার কথা স্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মৎস্য প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইলিশ নিধন রোধে নদীতে নেমে জেলেদের কাছে এক ধরনের অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। সারিবদ্ধভাবে জেলেরা জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে, তাদের রুখতে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এসময় নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্রও আত্মরক্ষার্থে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন, নিজেদের অসহায় মনে হচ্ছে।
অভিযানে গিয়ে বারংবার জেলেদের হামলার ঘটনায় মৎস্য প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনবল এবং আধুনিক নৌযানসংকটের একটি বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ইলিশ শিকার এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিহীন একটি নৌযান নিয়ে হানা দেওয়ার একটি ভিডিও সমাজপাতায় রীতিমত আলোচনার ঝড় তুলেছে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, পায়রা নদীতে দিনের বেলা শত শত ইঞ্জিন সংযোজিত নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন। দুর্বল গতির একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে সেখানে হানা দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কিন্তু নাগালে যাওয়ার আগেই জেলে নৌকাগুলো দ্রুতগতির ইঞ্জিন চালু দিয়ে স্থান ত্যাগ করে, যা নির্বাক হয়ে দেখেছেন কর্মকর্তারা। নদীতে প্রশাসনের এই অসহায়ত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। শুধু পটুয়াখালী নয়, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি জেলা মৎস্য প্রশাসনই নদীতে কচ্ছপের মতো নৌযান নিয়ে টহল দিচ্ছে, আর জেলেরা গতিসম্পন্ন নৌকা নিয়ে নির্ভয়ে ইলিশ শিকার করছেন।
নৌযান সংকট এবং হামলার সম্ভব্য আশঙ্কা থাকলেও ইলিশ নিধন রোধে বরিশাল মৎস্য বিভাগ সর্বদা নদীতে সরব রয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর থেকে রোববার ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দপ্তরটি ৩৬৬ টি অভিযানে অংশ নিয়েছে। পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট গঠন করে অভিযান চালানো হয়। এখন পর্যন্ত ১৩৬টি মোবাইল কোর্ট করে ২৪২ জনকে সাজা দেওয়াসহ ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অর্ধশত স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে দুটি বড় হামলা হয়েছে, একটি শনিবার সন্ধ্যার দিকে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জসংলগ্ন অভয়াশ্রমে, অপরটি ০৭ অক্টোবর হিজলার আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায়। এই দুটি সশস্ত্র হামলায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বরিশালে জেলেদের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হামলা প্রশাসনের মনে ভয় ধরিয়ে দেয় এবং তাদের নির্লুপ্ত করে তোলার করে। এই সুযোগে বরিশালের কীর্তনখোলা, তেঁতুলিয়া, কালাবদর এবং মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকারে মেতে উঠেছে জেলেরা।
প্রশাসন কি ভয়ে অসাধু জেলেদের কাছে নতি স্বীকার করল? এমন প্রশ্নের উত্তরে মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, লোকবলের পাশাপাশি আধুনিক নৌযান সংকট তাদের ভোগাচ্ছে। তাছাড়া এক শ্রেণির জেলেরা আইন মানতে চাইছেন না। এমনকি নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের চালসহ সহযোগিতা করেও ঘরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে মৌসুমি জেলেরাও সক্রিয় হয়েছেন। তাদের রুখতে গিয়ে নদীতে একাধিকবার প্রশাসন আঘাতপ্রাপ্ত হতে হচ্ছে।
নদীতে প্রশাসন যে কতুটুক অসহায় তা এই কর্মকর্তার কথাও অনুমান করা যায়। ফলে এবারের মৌসুম ইলিশ প্রজননে সরকার কতটা সফল হবে তা নিয়েও থেকে যাচ্ছে সংশয়।’

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.