
১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:২৫
‘আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব, নিধনবিরোধী অভিযান দেখলেই জেলেরা হামলে পড়ছে অস্ত্রসমেত।
বরিশালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব চলছে। প্রশাসন ৪ অক্টোবর থেকে এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে নদীতে পাহারা বসালেও ইলিশ নিধন রোধ করতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত জেলেদের ছোট-বড় হামলার শিকার হতে হচ্ছে, এতে প্রশাসনের শীর্ষসারির কর্মকর্তারা গুরুতর আহত হওয়ার খবরও রয়েছে। ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বারংবার অস্ত্রধারী জেলেদের হামলা প্রশাসনের এক ধরনের অসহায়ত্বের কথা জানান দিচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয় মৎস্য প্রশাসন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে চলমান ইলিশ নিধনবিরোধী প্রশাসনের অভিযানিক টিমের ওপর বিভিন্ন স্থানে অর্ধশত হামলা হয়েছে। ট্রলার, স্পিডবোর্ট নিয়ে অভিযানে অংশ নিতে গেলে সংঙ্ঘবদ্ধ জেলেরা দূর থেকে ইট-পাথর ছুড়ে মারাসহ ধারালো অস্ত্রসমেত তেড়ে আসনে। সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র জানায়, সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যার দিকে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত বরিশাল জেলার হিজলা এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযানিক টিমের ওপর হামলা হয়। এই হামলায় ভোলার এনডিসি, এসিল্যান্ড, মৎস্য কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার এনডিসি তানজিবুল ইসলাম শনিবার বিকেলে কোস্টগার্ড এবং মৎস্য প্রশাসন নিয়ে ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযানে অংশ নেন। একপর্যায়ে তাদের কাছে খবর ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের আশেপাশে অন্তত অর্ধশত জেলে নৌকা নিয়ে ইলিশ নিধন করছেন। অভিযানিক টিম নিয়ে তিনি সেদিকে অগ্রসর হলে জেলেরা ইট-পাথর ছুড়ে মারতে থাকেন। এবং পর্যায়ে প্রশাসনের নৌযানটি জেলে ট্রলারের কাছাকাছি গেলে মৎস্যজীবীরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলে পড়েন। এতে এনডিসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হলে তাদের রাতেই উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ০৭ অক্টোবর বরিশালের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারী সাত জেলেকে আটক করা হয়। স্থানীয় আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায় সেই হামলায় ঘটনায় একটি মামলাপরবর্তী সাত জেলেকে গ্রেপ্তারও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই দুটি বড় সহিংসতার ঘটনায় ছাড়াও বরিশালে প্রশাসনের ওপর জেলেদের অসংখ্য হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলার কথা স্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মৎস্য প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইলিশ নিধন রোধে নদীতে নেমে জেলেদের কাছে এক ধরনের অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। সারিবদ্ধভাবে জেলেরা জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে, তাদের রুখতে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এসময় নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্রও আত্মরক্ষার্থে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন, নিজেদের অসহায় মনে হচ্ছে।
অভিযানে গিয়ে বারংবার জেলেদের হামলার ঘটনায় মৎস্য প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনবল এবং আধুনিক নৌযানসংকটের একটি বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ইলিশ শিকার এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিহীন একটি নৌযান নিয়ে হানা দেওয়ার একটি ভিডিও সমাজপাতায় রীতিমত আলোচনার ঝড় তুলেছে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, পায়রা নদীতে দিনের বেলা শত শত ইঞ্জিন সংযোজিত নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন। দুর্বল গতির একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে সেখানে হানা দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কিন্তু নাগালে যাওয়ার আগেই জেলে নৌকাগুলো দ্রুতগতির ইঞ্জিন চালু দিয়ে স্থান ত্যাগ করে, যা নির্বাক হয়ে দেখেছেন কর্মকর্তারা। নদীতে প্রশাসনের এই অসহায়ত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। শুধু পটুয়াখালী নয়, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি জেলা মৎস্য প্রশাসনই নদীতে কচ্ছপের মতো নৌযান নিয়ে টহল দিচ্ছে, আর জেলেরা গতিসম্পন্ন নৌকা নিয়ে নির্ভয়ে ইলিশ শিকার করছেন।
নৌযান সংকট এবং হামলার সম্ভব্য আশঙ্কা থাকলেও ইলিশ নিধন রোধে বরিশাল মৎস্য বিভাগ সর্বদা নদীতে সরব রয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর থেকে রোববার ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দপ্তরটি ৩৬৬ টি অভিযানে অংশ নিয়েছে। পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট গঠন করে অভিযান চালানো হয়। এখন পর্যন্ত ১৩৬টি মোবাইল কোর্ট করে ২৪২ জনকে সাজা দেওয়াসহ ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অর্ধশত স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে দুটি বড় হামলা হয়েছে, একটি শনিবার সন্ধ্যার দিকে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জসংলগ্ন অভয়াশ্রমে, অপরটি ০৭ অক্টোবর হিজলার আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায়। এই দুটি সশস্ত্র হামলায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বরিশালে জেলেদের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হামলা প্রশাসনের মনে ভয় ধরিয়ে দেয় এবং তাদের নির্লুপ্ত করে তোলার করে। এই সুযোগে বরিশালের কীর্তনখোলা, তেঁতুলিয়া, কালাবদর এবং মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকারে মেতে উঠেছে জেলেরা।
প্রশাসন কি ভয়ে অসাধু জেলেদের কাছে নতি স্বীকার করল? এমন প্রশ্নের উত্তরে মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, লোকবলের পাশাপাশি আধুনিক নৌযান সংকট তাদের ভোগাচ্ছে। তাছাড়া এক শ্রেণির জেলেরা আইন মানতে চাইছেন না। এমনকি নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের চালসহ সহযোগিতা করেও ঘরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে মৌসুমি জেলেরাও সক্রিয় হয়েছেন। তাদের রুখতে গিয়ে নদীতে একাধিকবার প্রশাসন আঘাতপ্রাপ্ত হতে হচ্ছে।
নদীতে প্রশাসন যে কতুটুক অসহায় তা এই কর্মকর্তার কথাও অনুমান করা যায়। ফলে এবারের মৌসুম ইলিশ প্রজননে সরকার কতটা সফল হবে তা নিয়েও থেকে যাচ্ছে সংশয়।’
‘আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব, নিধনবিরোধী অভিযান দেখলেই জেলেরা হামলে পড়ছে অস্ত্রসমেত।
বরিশালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব চলছে। প্রশাসন ৪ অক্টোবর থেকে এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে নদীতে পাহারা বসালেও ইলিশ নিধন রোধ করতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত জেলেদের ছোট-বড় হামলার শিকার হতে হচ্ছে, এতে প্রশাসনের শীর্ষসারির কর্মকর্তারা গুরুতর আহত হওয়ার খবরও রয়েছে। ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বারংবার অস্ত্রধারী জেলেদের হামলা প্রশাসনের এক ধরনের অসহায়ত্বের কথা জানান দিচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয় মৎস্য প্রশাসন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে চলমান ইলিশ নিধনবিরোধী প্রশাসনের অভিযানিক টিমের ওপর বিভিন্ন স্থানে অর্ধশত হামলা হয়েছে। ট্রলার, স্পিডবোর্ট নিয়ে অভিযানে অংশ নিতে গেলে সংঙ্ঘবদ্ধ জেলেরা দূর থেকে ইট-পাথর ছুড়ে মারাসহ ধারালো অস্ত্রসমেত তেড়ে আসনে। সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র জানায়, সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যার দিকে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত বরিশাল জেলার হিজলা এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযানিক টিমের ওপর হামলা হয়। এই হামলায় ভোলার এনডিসি, এসিল্যান্ড, মৎস্য কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার এনডিসি তানজিবুল ইসলাম শনিবার বিকেলে কোস্টগার্ড এবং মৎস্য প্রশাসন নিয়ে ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযানে অংশ নেন। একপর্যায়ে তাদের কাছে খবর ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের আশেপাশে অন্তত অর্ধশত জেলে নৌকা নিয়ে ইলিশ নিধন করছেন। অভিযানিক টিম নিয়ে তিনি সেদিকে অগ্রসর হলে জেলেরা ইট-পাথর ছুড়ে মারতে থাকেন। এবং পর্যায়ে প্রশাসনের নৌযানটি জেলে ট্রলারের কাছাকাছি গেলে মৎস্যজীবীরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলে পড়েন। এতে এনডিসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হলে তাদের রাতেই উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ০৭ অক্টোবর বরিশালের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারী সাত জেলেকে আটক করা হয়। স্থানীয় আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায় সেই হামলায় ঘটনায় একটি মামলাপরবর্তী সাত জেলেকে গ্রেপ্তারও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই দুটি বড় সহিংসতার ঘটনায় ছাড়াও বরিশালে প্রশাসনের ওপর জেলেদের অসংখ্য হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলার কথা স্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মৎস্য প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইলিশ নিধন রোধে নদীতে নেমে জেলেদের কাছে এক ধরনের অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। সারিবদ্ধভাবে জেলেরা জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে, তাদের রুখতে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এসময় নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্রও আত্মরক্ষার্থে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন, নিজেদের অসহায় মনে হচ্ছে।
অভিযানে গিয়ে বারংবার জেলেদের হামলার ঘটনায় মৎস্য প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনবল এবং আধুনিক নৌযানসংকটের একটি বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ইলিশ শিকার এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিহীন একটি নৌযান নিয়ে হানা দেওয়ার একটি ভিডিও সমাজপাতায় রীতিমত আলোচনার ঝড় তুলেছে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, পায়রা নদীতে দিনের বেলা শত শত ইঞ্জিন সংযোজিত নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন। দুর্বল গতির একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে সেখানে হানা দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কিন্তু নাগালে যাওয়ার আগেই জেলে নৌকাগুলো দ্রুতগতির ইঞ্জিন চালু দিয়ে স্থান ত্যাগ করে, যা নির্বাক হয়ে দেখেছেন কর্মকর্তারা। নদীতে প্রশাসনের এই অসহায়ত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। শুধু পটুয়াখালী নয়, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি জেলা মৎস্য প্রশাসনই নদীতে কচ্ছপের মতো নৌযান নিয়ে টহল দিচ্ছে, আর জেলেরা গতিসম্পন্ন নৌকা নিয়ে নির্ভয়ে ইলিশ শিকার করছেন।
নৌযান সংকট এবং হামলার সম্ভব্য আশঙ্কা থাকলেও ইলিশ নিধন রোধে বরিশাল মৎস্য বিভাগ সর্বদা নদীতে সরব রয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর থেকে রোববার ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দপ্তরটি ৩৬৬ টি অভিযানে অংশ নিয়েছে। পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট গঠন করে অভিযান চালানো হয়। এখন পর্যন্ত ১৩৬টি মোবাইল কোর্ট করে ২৪২ জনকে সাজা দেওয়াসহ ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অর্ধশত স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে দুটি বড় হামলা হয়েছে, একটি শনিবার সন্ধ্যার দিকে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জসংলগ্ন অভয়াশ্রমে, অপরটি ০৭ অক্টোবর হিজলার আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায়। এই দুটি সশস্ত্র হামলায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বরিশালে জেলেদের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হামলা প্রশাসনের মনে ভয় ধরিয়ে দেয় এবং তাদের নির্লুপ্ত করে তোলার করে। এই সুযোগে বরিশালের কীর্তনখোলা, তেঁতুলিয়া, কালাবদর এবং মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকারে মেতে উঠেছে জেলেরা।
প্রশাসন কি ভয়ে অসাধু জেলেদের কাছে নতি স্বীকার করল? এমন প্রশ্নের উত্তরে মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, লোকবলের পাশাপাশি আধুনিক নৌযান সংকট তাদের ভোগাচ্ছে। তাছাড়া এক শ্রেণির জেলেরা আইন মানতে চাইছেন না। এমনকি নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের চালসহ সহযোগিতা করেও ঘরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে মৌসুমি জেলেরাও সক্রিয় হয়েছেন। তাদের রুখতে গিয়ে নদীতে একাধিকবার প্রশাসন আঘাতপ্রাপ্ত হতে হচ্ছে।
নদীতে প্রশাসন যে কতুটুক অসহায় তা এই কর্মকর্তার কথাও অনুমান করা যায়। ফলে এবারের মৌসুম ইলিশ প্রজননে সরকার কতটা সফল হবে তা নিয়েও থেকে যাচ্ছে সংশয়।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.