Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:১১
বরগুনার তালতলী উপজেলায় মাদকের টাকা না পেয়ে বাবাকে মারধরের পর বাবার ছুরিকাঘাতে সফিক হাওলাদার (২৮) নামে এক মাদকাসক্ত ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর বাবা হারুন হাওলাদার আত্মগোপনে আছেন। তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হারুন হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সফিক হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরেই মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সময় রিহ্যাবেও পাঠানো হয়। তবে সেখান থেকে ফিরে এসে পুনরায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। সব শেষ সফিক গত ৭ আক্টোবর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর ১০ ডিসেম্বর কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে বাড়িতে এসে বিভিন্ন সময় বাবা হারুনের কাছে মাদকের টাকা চেয়ে চাপ সৃষ্টি করতেন সফিক। তবে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে বাবা হারুন ছেলেকে একটি থাপ্পড় দেয়। পরে সফিক আরও উত্তেজিত হয়ে বাবকে মারধর করতে যাওয়ার একপর্যায়ে ঘরে থাকা কাঁচা মরিচ কাটার ছুরি দিয়ে ছেলের পিঠে আঘাত করেন হারুন হাওলাদার। পরে সফিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
নিহত সফিকের মা ও হারুন হাওলাদারের স্ত্রী রাসেদা বেগম বলেন, আমার ছেলে মাদকাসক্ত ছিল। বারবার রিহ্যাবে দিলেও সে ঠিক হয়নি। একবার জেলেও গেছে কিন্তু ছাড়া পেয়েও ভালো হয়নি। দুপুরে বাবা ছেলের মধ্যে বাকবিতন্ডায় একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটেছে।
ওসি মো. আশাদুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বাবার সঙ্গে ছেলের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবার ছুরিকাঘাতে ছেলে সফিক হাওলাদার নিহত হয়েছেন। তবে নিহত সফিক মাদকাসক্ত ছিল এবং বাবার সঙ্গে প্রায় সময়ই বাকবিতণ্ডা হতো। এ ঘটনায় বাবা হারুন হাওলাদার পলাতক রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।
বরগুনার তালতলী উপজেলায় মাদকের টাকা না পেয়ে বাবাকে মারধরের পর বাবার ছুরিকাঘাতে সফিক হাওলাদার (২৮) নামে এক মাদকাসক্ত ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর বাবা হারুন হাওলাদার আত্মগোপনে আছেন। তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হারুন হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সফিক হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরেই মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সময় রিহ্যাবেও পাঠানো হয়। তবে সেখান থেকে ফিরে এসে পুনরায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। সব শেষ সফিক গত ৭ আক্টোবর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর ১০ ডিসেম্বর কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে বাড়িতে এসে বিভিন্ন সময় বাবা হারুনের কাছে মাদকের টাকা চেয়ে চাপ সৃষ্টি করতেন সফিক। তবে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে বাবা হারুন ছেলেকে একটি থাপ্পড় দেয়। পরে সফিক আরও উত্তেজিত হয়ে বাবকে মারধর করতে যাওয়ার একপর্যায়ে ঘরে থাকা কাঁচা মরিচ কাটার ছুরি দিয়ে ছেলের পিঠে আঘাত করেন হারুন হাওলাদার। পরে সফিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
নিহত সফিকের মা ও হারুন হাওলাদারের স্ত্রী রাসেদা বেগম বলেন, আমার ছেলে মাদকাসক্ত ছিল। বারবার রিহ্যাবে দিলেও সে ঠিক হয়নি। একবার জেলেও গেছে কিন্তু ছাড়া পেয়েও ভালো হয়নি। দুপুরে বাবা ছেলের মধ্যে বাকবিতন্ডায় একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটেছে।
ওসি মো. আশাদুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বাবার সঙ্গে ছেলের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবার ছুরিকাঘাতে ছেলে সফিক হাওলাদার নিহত হয়েছেন। তবে নিহত সফিক মাদকাসক্ত ছিল এবং বাবার সঙ্গে প্রায় সময়ই বাকবিতণ্ডা হতো। এ ঘটনায় বাবা হারুন হাওলাদার পলাতক রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস

০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫
বরগুনায় সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়া একটি ঘর পুনর্নির্মাণে এগিয়ে এলেন প্রফেসর নুর শাহানা হক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তিনি ঘর নির্মাণের সকল ধরনের সামগ্রীসহ নির্মাণ শ্রমিকের খরচও সরাসরি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় বরগুনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রফেসর নুর শাহানা হকের পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের মালামাল তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর নুর শাহানা হক বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে আমি ক্ষতিগ্রস্ত নারী মজিতন বিবির ঘর নির্মাণে সকল রকমের সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বরগুনায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করে এই অনুন্নত জনপদকে অবহেলার ছায়া থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করব। দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে বরগুনা বিএনপির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রফেসর নুর শাহানা হকের এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং এলাকার জন্য এক প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।
বরিশাল টাইমস

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৮
বরগুনার পাথরঘাটায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মামুনের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল ও বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও সমাধান না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের পদ্মা, টেংড়া বাজারের পাশে, নাচনাপাড়া, কাকচিড়া, বাইনচটকি, কালমেঘা, জ্ঞানপাড়া, কাঞ্চুরহাট এবং চরদোয়ানী ইউনিয়নের মাছের খাল বাজার, বান্ধাঘাটা সহ একাধিক স্থানে হাট-বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া বেড়িবাঁধের ঢালে ভূমিহীনরা ঘর তৈরি করেছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, এসব স্থাপনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে ‘ম্যানেজ’ করে তৈরি করা হচ্ছে। প্রত্যেক ভবন ও দোকান থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা আরও জানিয়েছেন, পাথরঘাটা পৌরশহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্লট বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে টাকা দিয়ে কাজ করছেন।
ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বন বিভাগের হাজারো চারা গাছ কেটে ঘর উত্তোলন করা হয়েছে। ঘর তুলতে প্রতি ঘরে প্রায় ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে দিতে হয়েছে।
জাহাঙ্গীর হেসেন বলেন, তার কাছে ২ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল, তিনি ৫০ হাজার দিতে চেয়েছিলেন, ঘরে উঠতে পারেননি। পরে এমাদুল গাজী ২ লাখ টাকা দিলে ঘর পেয়েছিলেন।
পাথরঘাটা বন বিভাগের সদর বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই বলেন, মামুন বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে সরকারি জমি দখল করিয়েছে। সংরক্ষিত বনায়নের ছোট চারা গাছ কেটে দোকান তোলার প্লট বানিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি আগেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম সগীর বলেন, তিনি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন এবং ঘর উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন। শুনেছি, পাথরঘাটার অনেক স্থানের নিয়ন্ত্রণ তিনি রাখছেন।
অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুন সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করে অফিস ত্যাগ করেছেন।
বরগুনা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান বলেন, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ আসছে, তবে মামুন যে আমাদের নাম ব্যবহার করে টাকা নিচ্ছে, তা আমরা জানি না। সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার বামনা উপজেলার সাহেব বাড়ী বাজারে ফুটপাত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার নামে কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্র সমন্বয়ক সৈয়দ নাহিয়ান আহসান রাহবার ও তার সহযোগী আবু সালেহের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানের পর তাদের ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ করা হয়। পরে রাহবার ও সালেহ তাদের প্রতিশ্রুতি দেন যে প্রদত্ত টাকার বিনিময়ে বাজারে দোকান বরাদ্দ দেওয়া হবে।
এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তারা নানা সময়ে মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করেছিলেন। তবে ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো দোকান বা বরাদ্দকৃত ঘর পাওয়া যায়নি। টাকা ফেরত চাইলে রাহবার ও সালেহ সময়ক্ষেপণ করে আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তারা সাধারণ ফুটপাত ব্যবসায়ি। সামান্য আয়ের উপর সংসারের নির্ভরশীল। তাই টাকা ফেরত না পাওয়া তাদের জীবনযাত্রা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
সোমবার (২ মার্চ) সকালে বামনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সুধীর দাস, নূরুল হক নাজির, শাকিল, হারুন, গোবিন্দ, ধীরেন চন্দ্র দাস ও রুস্তম আলী।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকাহাৎ আরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়রা এই ঘটনার দ্রুত সমাধান ও প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল টাইমস
বরগুনায় সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়া একটি ঘর পুনর্নির্মাণে এগিয়ে এলেন প্রফেসর নুর শাহানা হক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাড়িয়ে তিনি ঘর নির্মাণের সকল ধরনের সামগ্রীসহ নির্মাণ শ্রমিকের খরচও সরাসরি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেল ৩টায় বরগুনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রফেসর নুর শাহানা হকের পক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঘর নির্মাণের মালামাল তুলে দেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রফেসর নুর শাহানা হক বলেন, ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ দেখে আমি ক্ষতিগ্রস্ত নারী মজিতন বিবির ঘর নির্মাণে সকল রকমের সহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বরগুনায় মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করে এই অনুন্নত জনপদকে অবহেলার ছায়া থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করব। দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে বরগুনা বিএনপির অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রফেসর নুর শাহানা হকের এই উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং এলাকার জন্য এক প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার পাথরঘাটায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্য সহকারী মামুনের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল ও বড় অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও সমাধান না পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের পদ্মা, টেংড়া বাজারের পাশে, নাচনাপাড়া, কাকচিড়া, বাইনচটকি, কালমেঘা, জ্ঞানপাড়া, কাঞ্চুরহাট এবং চরদোয়ানী ইউনিয়নের মাছের খাল বাজার, বান্ধাঘাটা সহ একাধিক স্থানে হাট-বাজার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া বেড়িবাঁধের ঢালে ভূমিহীনরা ঘর তৈরি করেছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, এসব স্থাপনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে ‘ম্যানেজ’ করে তৈরি করা হচ্ছে। প্রত্যেক ভবন ও দোকান থেকে তিনি মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা আরও জানিয়েছেন, পাথরঘাটা পৌরশহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্লট বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে টাকা দিয়ে কাজ করছেন।
ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে বন বিভাগের হাজারো চারা গাছ কেটে ঘর উত্তোলন করা হয়েছে। ঘর তুলতে প্রতি ঘরে প্রায় ৩৫ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুনকে দিতে হয়েছে।
জাহাঙ্গীর হেসেন বলেন, তার কাছে ২ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছিল, তিনি ৫০ হাজার দিতে চেয়েছিলেন, ঘরে উঠতে পারেননি। পরে এমাদুল গাজী ২ লাখ টাকা দিলে ঘর পেয়েছিলেন।
পাথরঘাটা বন বিভাগের সদর বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই বলেন, মামুন বিভিন্ন সময় টাকা দিয়ে সরকারি জমি দখল করিয়েছে। সংরক্ষিত বনায়নের ছোট চারা গাছ কেটে দোকান তোলার প্লট বানিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি আগেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম সগীর বলেন, তিনি বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন এবং ঘর উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন। শুনেছি, পাথরঘাটার অনেক স্থানের নিয়ন্ত্রণ তিনি রাখছেন।
অভিযোগের বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মামুন সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করে অফিস ত্যাগ করেছেন।
বরগুনা জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হান্নান বলেন, সরকারি জমি দখলের অভিযোগ আসছে, তবে মামুন যে আমাদের নাম ব্যবহার করে টাকা নিচ্ছে, তা আমরা জানি না। সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫