Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা, নদী পারাপারের ভোগান্তি আর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে অবশেষে বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে গলাচিপাবাসীর বহুল কাঙ্ক্ষিত রাবনাবাদ সেতু। লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াছিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের (জেড–৮৮০৬) ৭০তম কিলোমিটারে রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এই সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, এমপি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল হক নুর, এমপি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী এবং পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আক্তার লিমন প্রমূখ।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, রাবনাবাদ সেতু নির্মাণ হলে জনভোগান্তি লাঘব হবে। সরকারের লক্ষ জনগণকে যোগাযোগের সুবিধা নিশ্চিত করা, এখানকার অর্থনীতেকে প্রাণচাঞ্চল্য করা, কর্মজীবী মানুষ তারা যাতে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে ও উৎপাদিত পন্য সহজে পরিবহন করতে পারে। উপজেলা থেকে জেলা ও রাজধানীর সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ হতে পারে—সেটাইতো একটা উন্নয়ন এবং ইনফেস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট। তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে এটা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ; সেটা বিবেচনা করে এই প্রকল্পটা নেয়া হয়েছে। রাবনাবাদ সেতুটি সরকার মনে করেছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন ঘটাবে—এটা মানুষের একটা ডিমান্ড। সেটা বিবেচনা করে সরকার প্রকল্প নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন হতে চলছে। আমরা আশা করছি এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যে দাবি ও ভোগান্তি সেটির অবসান হতে চলছে। এটাই হচ্ছে একটা জনবান্ধন সরকারের কাজ এবং নির্বাচিত সরকারের দ্বায়িত্ব।
আসনটির সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে সংসদ সদস্য যিনি আছেন, তিনি এ ব্যাপারে সচেষ্ট; তিনি এ অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্খা ধারণ করেন, অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করতে চান। মন্ত্রী আরও বলেন, এখন সরকার রয়েছে, নির্বাচিত সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে, জবাবদিহিতা রয়েছে, জনকল্যাণ ও জনআকাঙ্খা প্রতিষ্ঠার দ্বায়িত্ব রয়েছে। সেই জায়গা থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি—কাজ উদ্বোধন করলাম, দ্রুত কাজ হবে এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে বলে আমাদের অঙ্গিকার থাকছে।
সরকারের কর্মতৎপরতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'দেখবেন মাত্র ২৫ দিনের একটি সরকার সবাই যার যার অবস্থান থেকে কাজ করছে। যার যে দায়িত্ব আছে সেটা পালন করার জন্য চেষ্টা করছে,জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে,জনগণের প্রত্যাশা ও দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে।এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। '
ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরিবহনে এই ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে আগে যে রেশনিং পদ্ধতিটা ছিল সেটি প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে। আমার ধারণা হচ্ছে, সরকার পর্যায়ক্রমে এই তেল সরবরাহটা নিশ্চিত করতে তৎপর আছে। এটা শুধু জাতীয় সমস্যা নয় আন্তর্জাতিক সংকট। এ সঙ্কট শুধু আমাদের না সব জায়গায় আছে। জ্বালানী তেলে আমাদের থেকেও বিপদজনক জায়গায় আছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র'
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, সচিব ও চিফ ইন্জিনিয়ার সাহেব বিষয়টি জানে। সেতুটি নির্মাণের জন্য গত এক বছর ধরে কতবার তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করেছি। আজকে ধন্যবাদ জানাই মন্ত্রী মহোদয় নিজে এসেছেন এত ব্যস্ততার মধ্যে। গলাচিপা- দশমিনাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারলে ভালো লাগতো, যেহেতু রমজান মাস আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারেনি। আশা করি সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে সেতুর উপর দিয়ে তাকে নিয়ে বাড়ি যাবো।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য হবে ৮৮২ দশমিক ৮১ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। সেতুটিতে মোট ১৯টি স্প্যান ও ২০টি পিয়ার থাকবে। এর মধ্যে ১৮টি স্প্যান ৪২ দশমিক ৬৮ মিটার পিসি গার্ডার এবং নদীতে নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ১টি ১০০ মিটার স্টিল বাউ ট্রাস স্প্যান নির্মাণ করা হবে।
সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স থাকবে ১৮ দশমিক ৩০ মিটার এবং নির্মাণে মোট ২১৪টি পাইল ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি সেতুর দুই পাশে প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে হরিদেবপুর প্রান্তে প্রায় ৫০০ মিটার এবং গলাচিপা প্রান্তে প্রায় ৯০০ মিটার সড়ক থাকবে। নদীর তীর সংরক্ষণ করা হবে ১৬০০ মিটার। প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে ২২ জানুয়ারি ২০২৬ এবং কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৭। প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৬৪ কোটি ৪ লাখ ৮২ হাজার ১৫৮ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে যৌথভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম. এম. বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, মেসার্স জন্মভূমি নির্মাতা এবং ওহিদুজ্জামান চৌধুরী (এমএনও) জেডি।
স্থানীয়দের মতে, রাবনাবাদ নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হলে গলাচিপা, দশমিনা ও রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি এলাকার অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। সেতুটি চালু হলে তিন উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষের ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে ফেরিবিহীন সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।
বর্তমানে রাবনাবাদ নদী পারাপারে মানুষকে ফেরি ও ছোট নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়। বিশেষ করে জরুরি রোগী পরিবহন কিংবা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নদী পারাপার হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ। ফলে সেতুটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হলো বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা, নদী পারাপারের ভোগান্তি আর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে অবশেষে বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে গলাচিপাবাসীর বহুল কাঙ্ক্ষিত রাবনাবাদ সেতু। লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াছিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের (জেড–৮৮০৬) ৭০তম কিলোমিটারে রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এই সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, এমপি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল হক নুর, এমপি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী এবং পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আক্তার লিমন প্রমূখ।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, রাবনাবাদ সেতু নির্মাণ হলে জনভোগান্তি লাঘব হবে। সরকারের লক্ষ জনগণকে যোগাযোগের সুবিধা নিশ্চিত করা, এখানকার অর্থনীতেকে প্রাণচাঞ্চল্য করা, কর্মজীবী মানুষ তারা যাতে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে ও উৎপাদিত পন্য সহজে পরিবহন করতে পারে। উপজেলা থেকে জেলা ও রাজধানীর সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ হতে পারে—সেটাইতো একটা উন্নয়ন এবং ইনফেস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট। তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে এটা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ; সেটা বিবেচনা করে এই প্রকল্পটা নেয়া হয়েছে। রাবনাবাদ সেতুটি সরকার মনে করেছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন ঘটাবে—এটা মানুষের একটা ডিমান্ড। সেটা বিবেচনা করে সরকার প্রকল্প নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন হতে চলছে। আমরা আশা করছি এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যে দাবি ও ভোগান্তি সেটির অবসান হতে চলছে। এটাই হচ্ছে একটা জনবান্ধন সরকারের কাজ এবং নির্বাচিত সরকারের দ্বায়িত্ব।
আসনটির সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে সংসদ সদস্য যিনি আছেন, তিনি এ ব্যাপারে সচেষ্ট; তিনি এ অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্খা ধারণ করেন, অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করতে চান। মন্ত্রী আরও বলেন, এখন সরকার রয়েছে, নির্বাচিত সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে, জবাবদিহিতা রয়েছে, জনকল্যাণ ও জনআকাঙ্খা প্রতিষ্ঠার দ্বায়িত্ব রয়েছে। সেই জায়গা থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি—কাজ উদ্বোধন করলাম, দ্রুত কাজ হবে এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে বলে আমাদের অঙ্গিকার থাকছে।
সরকারের কর্মতৎপরতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'দেখবেন মাত্র ২৫ দিনের একটি সরকার সবাই যার যার অবস্থান থেকে কাজ করছে। যার যে দায়িত্ব আছে সেটা পালন করার জন্য চেষ্টা করছে,জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে,জনগণের প্রত্যাশা ও দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে।এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। '
ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরিবহনে এই ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে আগে যে রেশনিং পদ্ধতিটা ছিল সেটি প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে। আমার ধারণা হচ্ছে, সরকার পর্যায়ক্রমে এই তেল সরবরাহটা নিশ্চিত করতে তৎপর আছে। এটা শুধু জাতীয় সমস্যা নয় আন্তর্জাতিক সংকট। এ সঙ্কট শুধু আমাদের না সব জায়গায় আছে। জ্বালানী তেলে আমাদের থেকেও বিপদজনক জায়গায় আছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র'
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, সচিব ও চিফ ইন্জিনিয়ার সাহেব বিষয়টি জানে। সেতুটি নির্মাণের জন্য গত এক বছর ধরে কতবার তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করেছি। আজকে ধন্যবাদ জানাই মন্ত্রী মহোদয় নিজে এসেছেন এত ব্যস্ততার মধ্যে। গলাচিপা- দশমিনাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারলে ভালো লাগতো, যেহেতু রমজান মাস আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারেনি। আশা করি সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে সেতুর উপর দিয়ে তাকে নিয়ে বাড়ি যাবো।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য হবে ৮৮২ দশমিক ৮১ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। সেতুটিতে মোট ১৯টি স্প্যান ও ২০টি পিয়ার থাকবে। এর মধ্যে ১৮টি স্প্যান ৪২ দশমিক ৬৮ মিটার পিসি গার্ডার এবং নদীতে নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ১টি ১০০ মিটার স্টিল বাউ ট্রাস স্প্যান নির্মাণ করা হবে।
সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স থাকবে ১৮ দশমিক ৩০ মিটার এবং নির্মাণে মোট ২১৪টি পাইল ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি সেতুর দুই পাশে প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে হরিদেবপুর প্রান্তে প্রায় ৫০০ মিটার এবং গলাচিপা প্রান্তে প্রায় ৯০০ মিটার সড়ক থাকবে। নদীর তীর সংরক্ষণ করা হবে ১৬০০ মিটার। প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে ২২ জানুয়ারি ২০২৬ এবং কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৭। প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৬৪ কোটি ৪ লাখ ৮২ হাজার ১৫৮ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে যৌথভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম. এম. বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, মেসার্স জন্মভূমি নির্মাতা এবং ওহিদুজ্জামান চৌধুরী (এমএনও) জেডি।
স্থানীয়দের মতে, রাবনাবাদ নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হলে গলাচিপা, দশমিনা ও রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি এলাকার অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। সেতুটি চালু হলে তিন উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষের ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে ফেরিবিহীন সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।
বর্তমানে রাবনাবাদ নদী পারাপারে মানুষকে ফেরি ও ছোট নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়। বিশেষ করে জরুরি রোগী পরিবহন কিংবা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নদী পারাপার হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ। ফলে সেতুটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হলো বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০১
পটুয়াখালীতে বেড়েছে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ও বায়ুবাহিত রোগ হামের প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৩১ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু শিশুরাই নয়, হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ১২ জন শিশু। শিশু ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের চিকিৎসা চলমান থাকায় ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের পাশের দুটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন পদ্ধতিতে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তারা হলেন— আকিবুল ইসলাম (৩০) এবং রুহুল আমিন (৪০)। তবে লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেশিরভাগই শিশু।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের ভাষ্যমতে, হামে আক্রান্তদের শুরুতে তীব্র জ্বর হয়। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাল দাগ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানাও দেখা যাচ্ছে।
হামের লক্ষণ নিয়ে ৯ মাস ১০ দিন বয়সী শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার মা রুবি আক্তার। তিনি বলেন, ওর টাইফয়েড নিউমোনিয়া ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করি।
ওখানকার কিছু শিশুর এই রোগ ছিল। হাসপাতাল থেকে নাম কাটাইয়া নিয়া যাই এরপর আমার ছেলেরও এই রোগ দেখা দিয়েছি। তাই আবার হাসপাতালে নিয়ে আসছি। গত ৩ দিন ধরে এখানে ভর্তি আছি।
৯ মাস ১৫ দিন বয়সী আরেক শিশু তানজিম হোসেনের মা শিলা আক্তার বলেন, প্রথমে ওর গায়ে জ্বর আসছে। তারপর পাতলা পায়খানা শুরু হইছে। পরে গায়ে র্যাশ র্যাশ উঠে গেছে। এরপরে এখানে নিয়া আসছি।কিন্তু এখানে জায়গা সঙ্কটে একটি বেডে ২-৩ জনকেও চিকিৎসা দিচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামীম বলেন, এটি সিজনাল রোগ। তবে এবারে একটু হাম আক্রান্ত বেশী হচ্ছে। আমাদের বেড সংখ্যা কম। তাই বর্তমানে হামের চিকিৎসা দেওয়া আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে নরমাল ভাবেই আমাদের প্রায় ১৫০ এর বেশী রোগী আছে। আমরা যথাযথভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথভাবে হাম প্রতিরোধী টিকা না নেওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি মোট ৩১ জনের নমুনা ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।
এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। এদের মধ্যে ২ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে, কোনো মৃত্যু নেই। পটুয়াখালীতে এখন পর্যন্ত তেমন প্রাদুর্ভাব নেই।আল্লাহ যদি রহম করে তেমন কোনো সমস্যা হবেনা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালীতে বেড়েছে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ও বায়ুবাহিত রোগ হামের প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৩১ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু শিশুরাই নয়, হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ১২ জন শিশু। শিশু ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের চিকিৎসা চলমান থাকায় ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের পাশের দুটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন পদ্ধতিতে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তারা হলেন— আকিবুল ইসলাম (৩০) এবং রুহুল আমিন (৪০)। তবে লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেশিরভাগই শিশু।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের ভাষ্যমতে, হামে আক্রান্তদের শুরুতে তীব্র জ্বর হয়। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাল দাগ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানাও দেখা যাচ্ছে।
হামের লক্ষণ নিয়ে ৯ মাস ১০ দিন বয়সী শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার মা রুবি আক্তার। তিনি বলেন, ওর টাইফয়েড নিউমোনিয়া ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করি।
ওখানকার কিছু শিশুর এই রোগ ছিল। হাসপাতাল থেকে নাম কাটাইয়া নিয়া যাই এরপর আমার ছেলেরও এই রোগ দেখা দিয়েছি। তাই আবার হাসপাতালে নিয়ে আসছি। গত ৩ দিন ধরে এখানে ভর্তি আছি।
৯ মাস ১৫ দিন বয়সী আরেক শিশু তানজিম হোসেনের মা শিলা আক্তার বলেন, প্রথমে ওর গায়ে জ্বর আসছে। তারপর পাতলা পায়খানা শুরু হইছে। পরে গায়ে র্যাশ র্যাশ উঠে গেছে। এরপরে এখানে নিয়া আসছি।কিন্তু এখানে জায়গা সঙ্কটে একটি বেডে ২-৩ জনকেও চিকিৎসা দিচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামীম বলেন, এটি সিজনাল রোগ। তবে এবারে একটু হাম আক্রান্ত বেশী হচ্ছে। আমাদের বেড সংখ্যা কম। তাই বর্তমানে হামের চিকিৎসা দেওয়া আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে নরমাল ভাবেই আমাদের প্রায় ১৫০ এর বেশী রোগী আছে। আমরা যথাযথভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথভাবে হাম প্রতিরোধী টিকা না নেওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি মোট ৩১ জনের নমুনা ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।
এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। এদের মধ্যে ২ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে, কোনো মৃত্যু নেই। পটুয়াখালীতে এখন পর্যন্ত তেমন প্রাদুর্ভাব নেই।আল্লাহ যদি রহম করে তেমন কোনো সমস্যা হবেনা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৪
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬