
১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা, নদী পারাপারের ভোগান্তি আর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে অবশেষে বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে গলাচিপাবাসীর বহুল কাঙ্ক্ষিত রাবনাবাদ সেতু। লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াছিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের (জেড–৮৮০৬) ৭০তম কিলোমিটারে রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এই সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, এমপি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল হক নুর, এমপি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী এবং পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আক্তার লিমন প্রমূখ।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, রাবনাবাদ সেতু নির্মাণ হলে জনভোগান্তি লাঘব হবে। সরকারের লক্ষ জনগণকে যোগাযোগের সুবিধা নিশ্চিত করা, এখানকার অর্থনীতেকে প্রাণচাঞ্চল্য করা, কর্মজীবী মানুষ তারা যাতে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে ও উৎপাদিত পন্য সহজে পরিবহন করতে পারে। উপজেলা থেকে জেলা ও রাজধানীর সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ হতে পারে—সেটাইতো একটা উন্নয়ন এবং ইনফেস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট। তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে এটা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ; সেটা বিবেচনা করে এই প্রকল্পটা নেয়া হয়েছে। রাবনাবাদ সেতুটি সরকার মনে করেছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন ঘটাবে—এটা মানুষের একটা ডিমান্ড। সেটা বিবেচনা করে সরকার প্রকল্প নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন হতে চলছে। আমরা আশা করছি এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যে দাবি ও ভোগান্তি সেটির অবসান হতে চলছে। এটাই হচ্ছে একটা জনবান্ধন সরকারের কাজ এবং নির্বাচিত সরকারের দ্বায়িত্ব।
আসনটির সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে সংসদ সদস্য যিনি আছেন, তিনি এ ব্যাপারে সচেষ্ট; তিনি এ অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্খা ধারণ করেন, অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করতে চান। মন্ত্রী আরও বলেন, এখন সরকার রয়েছে, নির্বাচিত সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে, জবাবদিহিতা রয়েছে, জনকল্যাণ ও জনআকাঙ্খা প্রতিষ্ঠার দ্বায়িত্ব রয়েছে। সেই জায়গা থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি—কাজ উদ্বোধন করলাম, দ্রুত কাজ হবে এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে বলে আমাদের অঙ্গিকার থাকছে।
সরকারের কর্মতৎপরতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'দেখবেন মাত্র ২৫ দিনের একটি সরকার সবাই যার যার অবস্থান থেকে কাজ করছে। যার যে দায়িত্ব আছে সেটা পালন করার জন্য চেষ্টা করছে,জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে,জনগণের প্রত্যাশা ও দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে।এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। '
ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরিবহনে এই ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে আগে যে রেশনিং পদ্ধতিটা ছিল সেটি প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে। আমার ধারণা হচ্ছে, সরকার পর্যায়ক্রমে এই তেল সরবরাহটা নিশ্চিত করতে তৎপর আছে। এটা শুধু জাতীয় সমস্যা নয় আন্তর্জাতিক সংকট। এ সঙ্কট শুধু আমাদের না সব জায়গায় আছে। জ্বালানী তেলে আমাদের থেকেও বিপদজনক জায়গায় আছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র'
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, সচিব ও চিফ ইন্জিনিয়ার সাহেব বিষয়টি জানে। সেতুটি নির্মাণের জন্য গত এক বছর ধরে কতবার তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করেছি। আজকে ধন্যবাদ জানাই মন্ত্রী মহোদয় নিজে এসেছেন এত ব্যস্ততার মধ্যে। গলাচিপা- দশমিনাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারলে ভালো লাগতো, যেহেতু রমজান মাস আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারেনি। আশা করি সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে সেতুর উপর দিয়ে তাকে নিয়ে বাড়ি যাবো।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য হবে ৮৮২ দশমিক ৮১ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। সেতুটিতে মোট ১৯টি স্প্যান ও ২০টি পিয়ার থাকবে। এর মধ্যে ১৮টি স্প্যান ৪২ দশমিক ৬৮ মিটার পিসি গার্ডার এবং নদীতে নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ১টি ১০০ মিটার স্টিল বাউ ট্রাস স্প্যান নির্মাণ করা হবে।
সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স থাকবে ১৮ দশমিক ৩০ মিটার এবং নির্মাণে মোট ২১৪টি পাইল ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি সেতুর দুই পাশে প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে হরিদেবপুর প্রান্তে প্রায় ৫০০ মিটার এবং গলাচিপা প্রান্তে প্রায় ৯০০ মিটার সড়ক থাকবে। নদীর তীর সংরক্ষণ করা হবে ১৬০০ মিটার। প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে ২২ জানুয়ারি ২০২৬ এবং কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৭। প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৬৪ কোটি ৪ লাখ ৮২ হাজার ১৫৮ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে যৌথভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম. এম. বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, মেসার্স জন্মভূমি নির্মাতা এবং ওহিদুজ্জামান চৌধুরী (এমএনও) জেডি।
স্থানীয়দের মতে, রাবনাবাদ নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হলে গলাচিপা, দশমিনা ও রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি এলাকার অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। সেতুটি চালু হলে তিন উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষের ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে ফেরিবিহীন সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।
বর্তমানে রাবনাবাদ নদী পারাপারে মানুষকে ফেরি ও ছোট নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়। বিশেষ করে জরুরি রোগী পরিবহন কিংবা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নদী পারাপার হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ। ফলে সেতুটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হলো বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা, নদী পারাপারের ভোগান্তি আর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে অবশেষে বাস্তব রূপ নিতে শুরু করেছে গলাচিপাবাসীর বহুল কাঙ্ক্ষিত রাবনাবাদ সেতু। লেবুখালী–বাউফল–গলাচিপা–আমড়াছিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের (জেড–৮৮০৬) ৭০তম কিলোমিটারে রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এই সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় ও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, এমপি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল হক নুর, এমপি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহিদ হোসেন চৌধুরী এবং পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জামিল আক্তার লিমন প্রমূখ।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, রাবনাবাদ সেতু নির্মাণ হলে জনভোগান্তি লাঘব হবে। সরকারের লক্ষ জনগণকে যোগাযোগের সুবিধা নিশ্চিত করা, এখানকার অর্থনীতেকে প্রাণচাঞ্চল্য করা, কর্মজীবী মানুষ তারা যাতে জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে পারে ও উৎপাদিত পন্য সহজে পরিবহন করতে পারে। উপজেলা থেকে জেলা ও রাজধানীর সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ হতে পারে—সেটাইতো একটা উন্নয়ন এবং ইনফেস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট। তিনি আরও বলেন, সরকারের কাছে এটা অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ; সেটা বিবেচনা করে এই প্রকল্পটা নেয়া হয়েছে। রাবনাবাদ সেতুটি সরকার মনে করেছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার একটা আমূল পরিবর্তন ঘটাবে—এটা মানুষের একটা ডিমান্ড। সেটা বিবেচনা করে সরকার প্রকল্প নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন হতে চলছে। আমরা আশা করছি এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের যে দাবি ও ভোগান্তি সেটির অবসান হতে চলছে। এটাই হচ্ছে একটা জনবান্ধন সরকারের কাজ এবং নির্বাচিত সরকারের দ্বায়িত্ব।
আসনটির সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর সম্পর্কে তিনি বলেন, এখানে সংসদ সদস্য যিনি আছেন, তিনি এ ব্যাপারে সচেষ্ট; তিনি এ অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্খা ধারণ করেন, অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করতে চান। মন্ত্রী আরও বলেন, এখন সরকার রয়েছে, নির্বাচিত সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে, জবাবদিহিতা রয়েছে, জনকল্যাণ ও জনআকাঙ্খা প্রতিষ্ঠার দ্বায়িত্ব রয়েছে। সেই জায়গা থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি—কাজ উদ্বোধন করলাম, দ্রুত কাজ হবে এবং নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হবে বলে আমাদের অঙ্গিকার থাকছে।
সরকারের কর্মতৎপরতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'দেখবেন মাত্র ২৫ দিনের একটি সরকার সবাই যার যার অবস্থান থেকে কাজ করছে। যার যে দায়িত্ব আছে সেটা পালন করার জন্য চেষ্টা করছে,জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে,জনগণের প্রত্যাশা ও দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে।এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। '
ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরিবহনে এই ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে আগে যে রেশনিং পদ্ধতিটা ছিল সেটি প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে। আমার ধারণা হচ্ছে, সরকার পর্যায়ক্রমে এই তেল সরবরাহটা নিশ্চিত করতে তৎপর আছে। এটা শুধু জাতীয় সমস্যা নয় আন্তর্জাতিক সংকট। এ সঙ্কট শুধু আমাদের না সব জায়গায় আছে। জ্বালানী তেলে আমাদের থেকেও বিপদজনক জায়গায় আছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র'
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, সচিব ও চিফ ইন্জিনিয়ার সাহেব বিষয়টি জানে। সেতুটি নির্মাণের জন্য গত এক বছর ধরে কতবার তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করেছি। আজকে ধন্যবাদ জানাই মন্ত্রী মহোদয় নিজে এসেছেন এত ব্যস্ততার মধ্যে। গলাচিপা- দশমিনাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারলে ভালো লাগতো, যেহেতু রমজান মাস আমরা তাকে আপ্যায়ন করতে পারেনি। আশা করি সেতুর কাজ সমাপ্ত হলে সেতুর উপর দিয়ে তাকে নিয়ে বাড়ি যাবো।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাবনাবাদ নদীর ওপর নির্মিতব্য এ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য হবে ৮৮২ দশমিক ৮১ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। সেতুটিতে মোট ১৯টি স্প্যান ও ২০টি পিয়ার থাকবে। এর মধ্যে ১৮টি স্প্যান ৪২ দশমিক ৬৮ মিটার পিসি গার্ডার এবং নদীতে নৌযান চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ১টি ১০০ মিটার স্টিল বাউ ট্রাস স্প্যান নির্মাণ করা হবে।
সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স থাকবে ১৮ দশমিক ৩০ মিটার এবং নির্মাণে মোট ২১৪টি পাইল ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি সেতুর দুই পাশে প্রায় ১ দশমিক ৪ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে হরিদেবপুর প্রান্তে প্রায় ৫০০ মিটার এবং গলাচিপা প্রান্তে প্রায় ৯০০ মিটার সড়ক থাকবে। নদীর তীর সংরক্ষণ করা হবে ১৬০০ মিটার। প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে ২২ জানুয়ারি ২০২৬ এবং কাজ শেষ হওয়ার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ ডিসেম্বর ২০২৭। প্রকল্পটির চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১৬৪ কোটি ৪ লাখ ৮২ হাজার ১৫৮ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে যৌথভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম. এম. বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড, মেসার্স জন্মভূমি নির্মাতা এবং ওহিদুজ্জামান চৌধুরী (এমএনও) জেডি।
স্থানীয়দের মতে, রাবনাবাদ নদীর ওপর সেতুটি নির্মিত হলে গলাচিপা, দশমিনা ও রাঙ্গাবালীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি এলাকার অর্থনীতি ও বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। সেতুটি চালু হলে তিন উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষের ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে ফেরিবিহীন সরাসরি যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।
বর্তমানে রাবনাবাদ নদী পারাপারে মানুষকে ফেরি ও ছোট নৌকার ওপর নির্ভর করতে হয়। বিশেষ করে জরুরি রোগী পরিবহন কিংবা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় নদী পারাপার হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ। ফলে সেতুটি নির্মিত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্তের সূচনা হলো বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.