
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের শিক্ষক, শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে ‘মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ’ মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর পরপরই বেলা ১১টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আফজাল হোসাইনের সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি মাওলানা মো. মোহেবুল্লাহ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগেও এই যুগান্তকারী প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সফলভাবে এই প্রকল্পের ৮ম পর্যায় চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সময়ে এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম থেকে সপ্তম পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৩৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যা একটি বিরল সাফল্য।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে এই প্রকল্পে দেশজুড়ে প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতা ও চাকরি স্থায়ীকরণের এক অনিশ্চিত অবস্থায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাদানের পাশাপাশি তারা সরকারি তহবিলে যাকাত সংগ্রহ, মাদক, বাল্যবিয়ে, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং সরকারের বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। অথচ আজ তাদের জীবন সামাজিক নিরাপত্তা হীনতায় ও অবমূল্যায়িত অবস্থায় কাটছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারের নিকট প্রধান ৩টি দাবি তুলে ধরা হয়— এই মহৎ ও যুগান্তকারী প্রকল্পটিকে দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হোক; সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে সরকারি গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করা হোক এবং তাদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীগণ তাদের এই ন্যায়সংগত ও যৌক্তিক দাবি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে এ বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর আহ্বান জানান।
স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলনে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ,মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের শিক্ষক, শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে, ২০২৬) সকাল ১০:৩০ মিনিটে ‘মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ’ মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। এর পরপরই বেলা ১১টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মির্জাগঞ্জ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আফজাল হোসাইনের সঞ্চালনায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সভাপতি মাওলানা মো. মোহেবুল্লাহ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগেও এই যুগান্তকারী প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। বর্তমানে সফলভাবে এই প্রকল্পের ৮ম পর্যায় চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সময়ে এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম থেকে সপ্তম পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৩৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যা একটি বিরল সাফল্য।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে এই প্রকল্পে দেশজুড়ে প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতা ও চাকরি স্থায়ীকরণের এক অনিশ্চিত অবস্থায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষাদানের পাশাপাশি তারা সরকারি তহবিলে যাকাত সংগ্রহ, মাদক, বাল্যবিয়ে, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং সরকারের বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছেন। অথচ আজ তাদের জীবন সামাজিক নিরাপত্তা হীনতায় ও অবমূল্যায়িত অবস্থায় কাটছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারের নিকট প্রধান ৩টি দাবি তুলে ধরা হয়— এই মহৎ ও যুগান্তকারী প্রকল্পটিকে দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হোক; সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে সরকারি গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করা হোক এবং তাদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীগণ তাদের এই ন্যায়সংগত ও যৌক্তিক দাবি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে এ বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর আহ্বান জানান।
স্মারকলিপি প্রদান ও সংবাদ সম্মেলনে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ,মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১৮ মে, ২০২৬ ১৬:৪৬
১৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৫৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯

১৭ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এক জেলেকে পিটিয়ে আহত ও মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে রোববার (১৭ মে) সকালে আহত জেলে মো. মনির হাওলাদার (৩৬) বাদী হয়ে বাউফল থানায় এ অভিযোগ করেন। তিনি উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের বাদ্যপাশা চর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনির হাওলাদার তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। রোববার সকাল ৬টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় একই এলাকার বেল্লাল মোসলমান (৪৫) ও কামরুল মোসলমান (৩৫) তার কাছে আসেন। তারা জোরপূর্বক মাছ ক্রয় করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন মনির।
পরে মাছের ন্যায্যমূল্য দাবি করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা ও লগি-বৈঠা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো দা-ছেনা নিয়ে তেড়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় মনিরের মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত কামরুল হাওলাদার একসময় ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ছিলেন। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হন।
ভুক্তভোগী মনির হাওলাদার অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নদীতে মাছ ধরতে গেলে জাল ও ট্রলার ছিনিয়ে নেওয়া এবং তাকে গুম কিংবা হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর তেঁতুলিয়া নদী তীরবর্তী জেলে পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় জেলেরা নদীতে নিরাপদে মাছ ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।
পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এক জেলেকে পিটিয়ে আহত ও মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জেলে রোববার (১৭ মে) সকালে আহত জেলে মো. মনির হাওলাদার (৩৬) বাদী হয়ে বাউফল থানায় এ অভিযোগ করেন। তিনি উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নের বাদ্যপাশা চর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মনির হাওলাদার তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। রোববার সকাল ৬টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় একই এলাকার বেল্লাল মোসলমান (৪৫) ও কামরুল মোসলমান (৩৫) তার কাছে আসেন। তারা জোরপূর্বক মাছ ক্রয় করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন মনির।
পরে মাছের ন্যায্যমূল্য দাবি করলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা ও লগি-বৈঠা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা ধারালো দা-ছেনা নিয়ে তেড়ে আসে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় মনিরের মাছ ধরার ট্রলার ভাঙচুর করে ক্ষতিসাধন করা হয় বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত কামরুল হাওলাদার একসময় ধুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ছিলেন। পরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তিনি জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে যুক্ত হন।
ভুক্তভোগী মনির হাওলাদার অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নদীতে মাছ ধরতে গেলে জাল ও ট্রলার ছিনিয়ে নেওয়া এবং তাকে গুম কিংবা হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর তেঁতুলিয়া নদী তীরবর্তী জেলে পল্লীতে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় জেলেরা নদীতে নিরাপদে মাছ ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৭ মে, ২০২৬ ১৮:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কথিত চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও হানি ট্র্যাপ চক্রের মূলহোতা আজহার খানকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় তার পুনরায় গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
রোববার (১৭ মে) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অভিযোগ, আজহার খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
তারা জানান, সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিনে মুক্তি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার বাদীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
বক্তারা বলেন, ‘দ্রুত আজহার খানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। মামলার বাদীকে হত্যার হুমকির ঘটনাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
এ সময় তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কথিত চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও হানি ট্র্যাপ চক্রের মূলহোতা আজহার খানকে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় তার পুনরায় গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী।
রোববার (১৭ মে) সকাল ১০টায় পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয়দের অভিযোগ, আজহার খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
তারা জানান, সম্প্রতি গ্রেপ্তারের পর দ্রুত জামিনে মুক্তি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার বাদীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।
বক্তারা বলেন, ‘দ্রুত আজহার খানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা না হলে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবে। মামলার বাদীকে হত্যার হুমকির ঘটনাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
এ সময় তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

১৬ মে, ২০২৬ ২১:০৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গরু চোরকে ক্ষমা করেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মসজিদের ইমাম ও খতিবের। প্রকাশ্য হাটের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেছে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর সহযোগী।
ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১৫ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপির অফিস সংলগ্ন কাঁচা বাজার এলাকায়।
আহত ব্যক্তি মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর (৫৫), তিনি দেউলী আবাসনের বাসিন্দা এবং স্থানীয় খান বাড়ির মসজিদের ইমাম ও খতিব। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের পবিত্র রমজান মাসে। সে সময় ইমাম জাহিদুল ইসলামের ঘর থেকে একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেউলী গ্রামের আনসার গাজীর ছেলে জসিম (৩২) হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং ইমাম মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলা দায়েরের পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য ইমামকে চাপ দিতে থাকেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও সমাজের শান্তি ও স্থানীয়দের অনুরোধে অবশেষে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু সেই উদারতার প্রতিদান হিসেবে উল্টো হয়রানির শিকার হতে থাকেন তিনি।
ইমামের কন্যা মিসেস তানিয়া জানান, মামলা তুলে নেওয়ার পর থেকেই জসিম বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাঁর বাবাকে অপমান ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব এড়িয়ে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি তিনি।
সর্বশেষ ঘটনার দিন দেউলী হাটে কেনাকাটা করতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জসিম এবং তাঁর সহযোগী নজরুল ইসলামের ছেলে শাওন (২৭) ইমামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। লাঠি ও ঝাড়ু দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তাঁরা।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় আহত ইমাম বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় জসিম ও শাওনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা সমাজকে সঠিক পথ দেখান, সেই সম্মানিত ইমামের ওপর এমন নৃশংস হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তাঁরা বলেন,প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই অপরাধীরা এ ধরণের সাহস পেয়েছে। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, “ঘটনার তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গরু চোরকে ক্ষমা করেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মসজিদের ইমাম ও খতিবের। প্রকাশ্য হাটের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেছে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর সহযোগী।
ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১৫ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপির অফিস সংলগ্ন কাঁচা বাজার এলাকায়।
আহত ব্যক্তি মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর (৫৫), তিনি দেউলী আবাসনের বাসিন্দা এবং স্থানীয় খান বাড়ির মসজিদের ইমাম ও খতিব। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের পবিত্র রমজান মাসে। সে সময় ইমাম জাহিদুল ইসলামের ঘর থেকে একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেউলী গ্রামের আনসার গাজীর ছেলে জসিম (৩২) হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং ইমাম মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলা দায়েরের পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য ইমামকে চাপ দিতে থাকেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও সমাজের শান্তি ও স্থানীয়দের অনুরোধে অবশেষে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু সেই উদারতার প্রতিদান হিসেবে উল্টো হয়রানির শিকার হতে থাকেন তিনি।
ইমামের কন্যা মিসেস তানিয়া জানান, মামলা তুলে নেওয়ার পর থেকেই জসিম বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাঁর বাবাকে অপমান ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব এড়িয়ে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি তিনি।
সর্বশেষ ঘটনার দিন দেউলী হাটে কেনাকাটা করতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জসিম এবং তাঁর সহযোগী নজরুল ইসলামের ছেলে শাওন (২৭) ইমামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। লাঠি ও ঝাড়ু দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তাঁরা।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় আহত ইমাম বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় জসিম ও শাওনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা সমাজকে সঠিক পথ দেখান, সেই সম্মানিত ইমামের ওপর এমন নৃশংস হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তাঁরা বলেন,প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই অপরাধীরা এ ধরণের সাহস পেয়েছে। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, “ঘটনার তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.