
০১ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৪২
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বুড়িরচর এলাকায় মমিন মসজিদসংলগ্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে প্রায় ৪০০ ফুট হেরিংবোন রাস্তার ইট তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে সেচ প্রকল্পের ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। রাস্তার ইট তুলে ফেলায় রোগীদের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে এসব তথ্য জানা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান হাওলাদার জানান, ‘প্রায় ২০ বছর আগে স্থানীয় হাওলাদার বাড়ির সামনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাবেক ইঞ্জিনিয়ার মরহুম মতিউর রহমান বেপারীর সুপারিশে সেচ প্রকল্পের একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর থেকে ড্রেনটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় তা এখন বিলুপ্তির পথে। বর্তমানে নতুন সেচ প্রকল্পের আওতায় মমিন মসজিদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে থেকে পাইপ নেওয়া হচ্ছে। পাইপের মুখ স্কুল মাঠের দিকে, এরপর মসজিদের পুকুর—পানি কোথায় যাবে তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষক কালাম হাওলাদার বলেন, ‘মমিন মসজিদ দেশের ইতিহাসের একটি অন্যতম নিদর্শন। এটি সরকারি প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। অভিযোগ করে তিনি বলেন, মসজিদকে পুঁজি করে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রতিবছর বিভিন্ন দপ্তর থেকে বরাদ্দ আনেন। তবে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করে নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।’
তিনি আরও জানান, ‘ডা. রুস্তম আলী ফরাজী এমপি থাকাকালে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মসজিদের নামে বাথরুম নির্মাণে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ আনা হয়। অথচ আগে থেকেই সেখানে বাথরুম ছিল বলে দাবি করেন তিনি। একই সময়ে প্রাইমারি স্কুল থেকে কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত ২০০ ফুট হেরিংবোন রাস্তার বরাদ্দ এলেও মাত্র ১০০ ফুট কাজ করা হয়। পরে বাকি অংশের জন্য ধানীসাফা ইউনিয়ন প্রশাসকের কাছ থেকে বরাদ্দ নিয়ে বর্তমান সদস্য খোকনের মাধ্যমে প্রায় ৪০০ ফুট রাস্তা নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের এক মাসের মাথায় সেচ প্রকল্পের পাইপ বসানোর জন্য পুরো রাস্তার ইট তুলে ফেলা হয়। রাস্তার দু’পাশে পাইপ বসানোর জায়গা থাকলেও তা ব্যবহার না করে ইচ্ছামতো কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, ‘আবুল কালাম আজাদের প্রভাবে প্রায় এক মাস ধরে কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের রাস্তা তুলে রাখা হয়েছে। এতে রোগীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আবাসন প্রকল্প নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গান তৈরি করে তা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছানোর মাধ্যমে তিনি অর্থ লাভ করেন।’
কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক মমিন বলেন, ‘সপ্তাহে তিন দিন তিনি ক্লিনিকে রোগী দেখেন। যাতায়াতের জন্য এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তার ইট তুলে ফেলা ঠিক হয়নি।’
গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন সিরাজী (ইসমাইল খলিফা) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মমিন মসজিদকে পুঁজি করে সরকারি বরাদ্দ এনে নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাস্তা সরকারি নয়। আর সরকারি হলেও সেচ প্রকল্পের বিএডিসির ইঞ্জিনিয়ার রাজু সাহেব রাস্তার ইট সরিয়ে কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন। তবে মসজিদকে পুঁজি করে বরাদ্দ এনে নিয়মমাফিক কাজ না করার অভিযোগের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি।’
পিরোজপুর বিএডিসির ইঞ্জিনিয়ার মো. রাজু বলেন, ‘রাস্তার ইট সরানোর কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।’
২নং ধানীসাফা ইউনিয়নের প্রশাসক ও মঠবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিক ও জনসাধারণের সুবিধার জন্য রাস্তাটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কেন পরিষদের রাস্তা নষ্ট করা হলো, তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে।’
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানীসাফা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বুড়িরচর এলাকায় মমিন মসজিদসংলগ্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে প্রায় ৪০০ ফুট হেরিংবোন রাস্তার ইট তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে সেচ প্রকল্পের ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। রাস্তার ইট তুলে ফেলায় রোগীদের যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে এসব তথ্য জানা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান হাওলাদার জানান, ‘প্রায় ২০ বছর আগে স্থানীয় হাওলাদার বাড়ির সামনে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাবেক ইঞ্জিনিয়ার মরহুম মতিউর রহমান বেপারীর সুপারিশে সেচ প্রকল্পের একটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের পর থেকে ড্রেনটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় তা এখন বিলুপ্তির পথে। বর্তমানে নতুন সেচ প্রকল্পের আওতায় মমিন মসজিদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে থেকে পাইপ নেওয়া হচ্ছে। পাইপের মুখ স্কুল মাঠের দিকে, এরপর মসজিদের পুকুর—পানি কোথায় যাবে তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষক কালাম হাওলাদার বলেন, ‘মমিন মসজিদ দেশের ইতিহাসের একটি অন্যতম নিদর্শন। এটি সরকারি প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। অভিযোগ করে তিনি বলেন, মসজিদকে পুঁজি করে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ প্রতিবছর বিভিন্ন দপ্তর থেকে বরাদ্দ আনেন। তবে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করে নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।’
তিনি আরও জানান, ‘ডা. রুস্তম আলী ফরাজী এমপি থাকাকালে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মসজিদের নামে বাথরুম নির্মাণে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ আনা হয়। অথচ আগে থেকেই সেখানে বাথরুম ছিল বলে দাবি করেন তিনি। একই সময়ে প্রাইমারি স্কুল থেকে কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত ২০০ ফুট হেরিংবোন রাস্তার বরাদ্দ এলেও মাত্র ১০০ ফুট কাজ করা হয়। পরে বাকি অংশের জন্য ধানীসাফা ইউনিয়ন প্রশাসকের কাছ থেকে বরাদ্দ নিয়ে বর্তমান সদস্য খোকনের মাধ্যমে প্রায় ৪০০ ফুট রাস্তা নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের এক মাসের মাথায় সেচ প্রকল্পের পাইপ বসানোর জন্য পুরো রাস্তার ইট তুলে ফেলা হয়। রাস্তার দু’পাশে পাইপ বসানোর জায়গা থাকলেও তা ব্যবহার না করে ইচ্ছামতো কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, ‘আবুল কালাম আজাদের প্রভাবে প্রায় এক মাস ধরে কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনের রাস্তা তুলে রাখা হয়েছে। এতে রোগীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আবাসন প্রকল্প নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে গান তৈরি করে তা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছানোর মাধ্যমে তিনি অর্থ লাভ করেন।’
কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসক মমিন বলেন, ‘সপ্তাহে তিন দিন তিনি ক্লিনিকে রোগী দেখেন। যাতায়াতের জন্য এই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাস্তার ইট তুলে ফেলা ঠিক হয়নি।’
গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন সিরাজী (ইসমাইল খলিফা) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘মমিন মসজিদকে পুঁজি করে সরকারি বরাদ্দ এনে নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘রাস্তা সরকারি নয়। আর সরকারি হলেও সেচ প্রকল্পের বিএডিসির ইঞ্জিনিয়ার রাজু সাহেব রাস্তার ইট সরিয়ে কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন। তবে মসজিদকে পুঁজি করে বরাদ্দ এনে নিয়মমাফিক কাজ না করার অভিযোগের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি।’
পিরোজপুর বিএডিসির ইঞ্জিনিয়ার মো. রাজু বলেন, ‘রাস্তার ইট সরানোর কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।’
২নং ধানীসাফা ইউনিয়নের প্রশাসক ও মঠবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘কমিউনিটি ক্লিনিক ও জনসাধারণের সুবিধার জন্য রাস্তাটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কেন পরিষদের রাস্তা নষ্ট করা হলো, তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই নিতে হবে।’
বরিশাল টাইমস
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি অ্যান্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় হারানো ২০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২০,০০০ টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত হারানো মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডিসমূহ পর্যালোচনা করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মোবাইল ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলোর মধ্যে পিরোজপুর সদর থানায় ৪টি, ইন্দুরকানী থানায় ১টি, মঠবাড়িয়া থানায় ৫টি, নাজিরপুর থানায় ৫টি, নেছারাবাদ থানায় ৩টি, ভান্ডারিয়া থানায় ১টি এবং কাউখালী থানায় ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া, পিরোজপুর সদর থানায় দায়েরকৃত বিকাশ প্রতারণা সংক্রান্ত জিডির মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হওয়া মোট ২০,০০০ টাকা (১৫,০০০ + ৫,০০০) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
পিরোজপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান, এ ধরনের উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আমরা সব সময় জনগণের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করেছে প্রশাসন। এ ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের মাহামুদকাঠী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাজারের মেসার্স নান্টু তালুকদারের গুদাম থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ব্যবসায়ী নান্টু তালুকদারকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্টু তালুকদার দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সবিহীনভাবে কেরোসিন ও ডিজেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। সম্প্রতি তিনি বেশি দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ তেল অবৈধভাবে মজুত করেছিলেন। স্থানীয় তথ্য ও গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসন এ অভিযান চালায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত বলেন, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও কেরোসিন জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জব্দ করা তেল সরকার অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বাজারে অনিয়ম ও অবৈধ মজুদ রোধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহজাহান সরদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার প্রধান আসামি মিলন শেখকে ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী কিশোরী ভিকটিমকে অপহরণের অপরাধে প্রত্যেককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আসামিরা হলেন- মিলন শেখ (২৮) নাজিরপুর উপজেলা চৌঠাই মহল এলাকার বেলায়েত শেখের পুত্র। এ ছাড়াও আসামি অলি গাজী (২৪) পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক এলাকার মৃত আকতার গাজীর পুত্র। আসামি মারুফ গাজী (২৫) নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া এলাকার সাহেব গাজীর পুত্র।
ভিকটিম সনাতন ধর্মাবলম্বী ১৩ বছরের কিশোরী পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে কদমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৩ মার্চ ভিকটিম নাজিরপুরের চৌঠাই মহল এলাকায় মামাবাড়ি থেকে পিরোজপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসলে দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী তাকে অপহরণ করে কৃষ্ণনগর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা খুলনায় মিলন শেখের কাছে পৌঁছে দিলে মিলন বিয়ের নাটক সাজিয়ে মুসলিম বানিয়ে গোপালগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ২০ থেকে ২২ দিন আটকে রেখে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে কিশোরী সুযোগ পেয়ে পাশের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে তার বাড়িতে বাবাকে ফোন করলে পুলিশ নিয়ে তার বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে। পরে তার বাবা বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী বলেন, মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ২ আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী নিয়ে প্রধান আসামী মিলন শেখ এর হাতে তুলে দেয়। মিলন শেখ জোরপূর্বক বিয়ের নাটক সাজিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। দীর্ঘ ২২ দিন পরে আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি। মিলন শেখসহ বাকি ২ আসনের উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে বলে মনে করছি উচ্চ আদালতেও যেন এ রায় বহাল থাকে।
দীর্ঘ শুনানির পর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।
পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাজাহান সরদার জানান, ১৩ বছর বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায় পেয়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাহজাহান সরদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার প্রধান আসামি মিলন শেখকে ধর্ষণের অপরাধে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্য দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী কিশোরী ভিকটিমকে অপহরণের অপরাধে প্রত্যেককে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায় তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
আসামিরা হলেন- মিলন শেখ (২৮) নাজিরপুর উপজেলা চৌঠাই মহল এলাকার বেলায়েত শেখের পুত্র। এ ছাড়াও আসামি অলি গাজী (২৪) পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক এলাকার মৃত আকতার গাজীর পুত্র। আসামি মারুফ গাজী (২৫) নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া এলাকার সাহেব গাজীর পুত্র।
ভিকটিম সনাতন ধর্মাবলম্বী ১৩ বছরের কিশোরী পিরোজপুর সদর উপজেলার পশ্চিম কদমতলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। সে কদমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২৩ মার্চ ভিকটিম নাজিরপুরের চৌঠাই মহল এলাকায় মামাবাড়ি থেকে পিরোজপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসলে দুই আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী তাকে অপহরণ করে কৃষ্ণনগর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে তারা খুলনায় মিলন শেখের কাছে পৌঁছে দিলে মিলন বিয়ের নাটক সাজিয়ে মুসলিম বানিয়ে গোপালগঞ্জে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ভিকটিমকে জোরপূর্বক ২০ থেকে ২২ দিন আটকে রেখে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে কিশোরী সুযোগ পেয়ে পাশের বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিয়ে তার বাড়িতে বাবাকে ফোন করলে পুলিশ নিয়ে তার বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে। পরে তার বাবা বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলার বাদী বলেন, মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে ২ আসামি অলি গাজী ও মারুফ গাজী নিয়ে প্রধান আসামী মিলন শেখ এর হাতে তুলে দেয়। মিলন শেখ জোরপূর্বক বিয়ের নাটক সাজিয়ে নিয়ে আটকে রাখে। দীর্ঘ ২২ দিন পরে আমরা মেয়েকে উদ্ধার করি। মিলন শেখসহ বাকি ২ আসনের উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে বলে মনে করছি উচ্চ আদালতেও যেন এ রায় বহাল থাকে।
দীর্ঘ শুনানির পর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পিরোজপুর এর বিচারক এস এম মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।
পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) অ্যাডভোকেট শাজাহান সরদার জানান, ১৩ বছর বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায় পেয়ে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করছি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.