
০৫ জুন, ২০২৫ ১৮:১৬
বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ও পল্লী চিকিৎসক শাহীন খানকে হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আমতলী উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
শাহীন খানের বাবা বিএনপি নেতা সাবেক ইউপি সদস্য ফরিদ খান মজনুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. তুহিন মৃধা, যুগ্ম আহ্বায়ক মকবুল হোসেন খান, নাসির উদ্দিন তালুকদার, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার, সদস্য সচিব জালাল আহমেদ খান, বরগুনা জেলা জেলা শ্রমিকদল সভাপতি নাসির উদ্দিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রুহুল আমিন, আমতলী সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জালাল মৃধা, বরগুনা জেলা যুবদল নেতা, আমিনুল ইসলাম মৃধা, উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি তরিকুল ইসলাম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক কামাল বিশ্বাস, আমতলী সদর ইউনিয়ন যুবদল আহ্বায়ক ইউপি সদস্য ফিরোজ খান তাপস, শ্রমিকদল নেতা রিয়াদ খান, উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক হেলাল চৌকিদার, সদস্য সচিব ইমরান খান, নিহত শাহিন খানের ভাই তুহিন খান, শাহিন খানের স্ত্রী শিল্পী বেগম, ছেলে বায়েজিদ খান চয়ন, সাবেক কাউন্সিলর মর্জিনা বেগম প্রমুখ।
নিহত শাহীন খানের ছেলে বায়েজিদ খান চয়ন বলেন, কাজল মৃধা ও ইসাহাক মৃধা ও সাহারুল নির্যাতন করে আমার বাবাকে হত্যা করেছে। আমতলী উপজেলার খুরিয়ার খেয়াঘাট এলাকায় রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, শাহীন খানকে খুরিয়ার খেয়াঘাটের একটি স' মিলের ভাড়াটিয়া মালিক কাজল মৃধা রবিবার রাত আড়াইটার দিকে রোগী দেখার কথা বলে ডেকে নেন। পরে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের সাকিব খাঁনের বাসার পাশে নিয়ে তাকে কাজল মৃধা, ইসাহাক মৃধা, সাহারুলসহ ৮-১০ জন মারধর করেন। চিৎকারের শব্দ শুনে শাহীন খানের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সাকিব খান বাইরে বের হন। পরে সড়কের ওপর কাজল মৃধা, সাহারুল ও তার স্ত্রীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসেন। সে সময় কাজল শাহীনকে লাথি দিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে দেন এবং লাঠি দিয়ে মারতে দেখেন। এ সময় সাকিব খাঁন তাকে (কাজল) বাধা দেন। সোমবার সকালে আহত শাহীন খানকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের চিকিৎসক হুমায়ুন আহমেদ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠান। সেখানে সোমবার বিকেলে তিনি মারা যান।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হুমায়ূন আহমেদ সুমন বলেন, শাহীন খাঁনকে কিছু লোক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। আমরা অবস্থা বেগতিক দেখে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠিয়েছি।
এ বিষয় আমতলী ও তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, চিকিৎসকের দেওয়া মৃত্যু সার্টিফিকেট অনুসারে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা ও মামলা নেওয়া হয়নি।
বরগুনার আমতলী সদর ইউনিয়নের শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ও পল্লী চিকিৎসক শাহীন খানকে হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আমতলী উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
শাহীন খানের বাবা বিএনপি নেতা সাবেক ইউপি সদস্য ফরিদ খান মজনুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. তুহিন মৃধা, যুগ্ম আহ্বায়ক মকবুল হোসেন খান, নাসির উদ্দিন তালুকদার, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশার, সদস্য সচিব জালাল আহমেদ খান, বরগুনা জেলা জেলা শ্রমিকদল সভাপতি নাসির উদ্দিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রুহুল আমিন, আমতলী সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জালাল মৃধা, বরগুনা জেলা যুবদল নেতা, আমিনুল ইসলাম মৃধা, উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি তরিকুল ইসলাম সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক কামাল বিশ্বাস, আমতলী সদর ইউনিয়ন যুবদল আহ্বায়ক ইউপি সদস্য ফিরোজ খান তাপস, শ্রমিকদল নেতা রিয়াদ খান, উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক হেলাল চৌকিদার, সদস্য সচিব ইমরান খান, নিহত শাহিন খানের ভাই তুহিন খান, শাহিন খানের স্ত্রী শিল্পী বেগম, ছেলে বায়েজিদ খান চয়ন, সাবেক কাউন্সিলর মর্জিনা বেগম প্রমুখ।
নিহত শাহীন খানের ছেলে বায়েজিদ খান চয়ন বলেন, কাজল মৃধা ও ইসাহাক মৃধা ও সাহারুল নির্যাতন করে আমার বাবাকে হত্যা করেছে। আমতলী উপজেলার খুরিয়ার খেয়াঘাট এলাকায় রবিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, শাহীন খানকে খুরিয়ার খেয়াঘাটের একটি স' মিলের ভাড়াটিয়া মালিক কাজল মৃধা রবিবার রাত আড়াইটার দিকে রোগী দেখার কথা বলে ডেকে নেন। পরে আমতলী-কুয়াকাটা মহাসড়কের সাকিব খাঁনের বাসার পাশে নিয়ে তাকে কাজল মৃধা, ইসাহাক মৃধা, সাহারুলসহ ৮-১০ জন মারধর করেন। চিৎকারের শব্দ শুনে শাহীন খানের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সাকিব খান বাইরে বের হন। পরে সড়কের ওপর কাজল মৃধা, সাহারুল ও তার স্ত্রীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে এগিয়ে আসেন। সে সময় কাজল শাহীনকে লাথি দিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে দেন এবং লাঠি দিয়ে মারতে দেখেন। এ সময় সাকিব খাঁন তাকে (কাজল) বাধা দেন। সোমবার সকালে আহত শাহীন খানকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের চিকিৎসক হুমায়ুন আহমেদ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠান। সেখানে সোমবার বিকেলে তিনি মারা যান।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হুমায়ূন আহমেদ সুমন বলেন, শাহীন খাঁনকে কিছু লোক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। আমরা অবস্থা বেগতিক দেখে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠিয়েছি।
এ বিষয় আমতলী ও তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, চিকিৎসকের দেওয়া মৃত্যু সার্টিফিকেট অনুসারে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা ও মামলা নেওয়া হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৬
বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।
জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন নজরুল ইসলাম মোল্লা। বরগুনার রাজনীতিতে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, ‘জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো ত্বরান্বিত করতে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।’
এদিকে, তার নিয়োগের খবরে বরগুনা জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দলটির নেতারা এ জন্য চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, বরগুনা জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করবেন তিনি।
বরগুনাবাসীর আস্থা ও সহযোগিতাকে তিনি নিজের সবচেয়ে বড় প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, সামাজিক উন্নয়ন ও পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে কাজ করব।’
বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।
জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন নজরুল ইসলাম মোল্লা। বরগুনার রাজনীতিতে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, ‘জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো ত্বরান্বিত করতে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।’
এদিকে, তার নিয়োগের খবরে বরগুনা জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দলটির নেতারা এ জন্য চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, বরগুনা জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করবেন তিনি।
বরগুনাবাসীর আস্থা ও সহযোগিতাকে তিনি নিজের সবচেয়ে বড় প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, সামাজিক উন্নয়ন ও পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে কাজ করব।’

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১৭
মাত্র এক’শ টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বরগুনার আমতলীতে নৃশংস হামলায় আহত পোশাক শ্রমিক সজিব আকন (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নালী আকন প্রতিবেশী সোনা মিয়া প্যাদার কাছ থেকে ৭০০ টাকায় দুই মণ কুড়া (ধানের খশি) ক্রয় করেন। পরে সোনা মিয়া আরও এক’শ টাকা দাবি করলে এ নিয়ে গত ৫ মার্চ উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আয়নালী আকনকে মারধর করা হয়।
এর জের ধরে গত ২১ মার্চ, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টার দিকে আয়নালী আকনের ছেলেরা বিষয়টি নিয়ে সোনা মিয়া প্যাদার কাছে জানতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর সোনা মিয়া প্যাদার নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আয়নালী আকনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়নালী আকন, তার ছেলে সজিব আকন, আল আমিন আকন, রোকেয়া বেগমসহ মোট ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহতদের প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর সোমবার দুপুরে সজিব আকন মারা যান। অন্য আহতরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ২২ মার্চ নিহতের বড় ভাই রুহুল আমিন আকন বাদী হয়ে সোনা মিয়া প্যাদাকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে ২৪ মার্চ মামলার ৮ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
নিহত সজিব আকন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০ মার্চ তিনি বাড়িতে আসেন।নিহতের ভগ্নিপতি আশরাফুল ইসলাম জুয়েল জানান, “এক’শ টাকার জন্যই আমার শ্বশুরকে মারধর করা হয় এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আমার শ্যালকসহ পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “৮ জন আসামি আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
মাত্র এক’শ টাকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বরগুনার আমতলীতে নৃশংস হামলায় আহত পোশাক শ্রমিক সজিব আকন (২০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার কলাগাছিয়া গ্রামের আয়নালী আকন প্রতিবেশী সোনা মিয়া প্যাদার কাছ থেকে ৭০০ টাকায় দুই মণ কুড়া (ধানের খশি) ক্রয় করেন। পরে সোনা মিয়া আরও এক’শ টাকা দাবি করলে এ নিয়ে গত ৫ মার্চ উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে আয়নালী আকনকে মারধর করা হয়।
এর জের ধরে গত ২১ মার্চ, ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ১০টার দিকে আয়নালী আকনের ছেলেরা বিষয়টি নিয়ে সোনা মিয়া প্যাদার কাছে জানতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা পর সোনা মিয়া প্যাদার নেতৃত্বে ১৫-২০ জন সন্ত্রাসী আয়নালী আকনের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আয়নালী আকন, তার ছেলে সজিব আকন, আল আমিন আকন, রোকেয়া বেগমসহ মোট ছয়জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
আহতদের প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর সোমবার দুপুরে সজিব আকন মারা যান। অন্য আহতরা এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ২২ মার্চ নিহতের বড় ভাই রুহুল আমিন আকন বাদী হয়ে সোনা মিয়া প্যাদাকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে ২৪ মার্চ মামলার ৮ আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন।
নিহত সজিব আকন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২০ মার্চ তিনি বাড়িতে আসেন।নিহতের ভগ্নিপতি আশরাফুল ইসলাম জুয়েল জানান, “এক’শ টাকার জন্যই আমার শ্বশুরকে মারধর করা হয় এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আমার শ্যালকসহ পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “৮ জন আসামি আদালত থেকে জামিনে রয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪২
বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বন্দরে ১ কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মণ দরে। যার খুচরা মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের মুন্নি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে খোলা ডাকে অংশ নেন একাধিক পাইকার। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পাইকার ও মার্চেন্ট ফিস ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ইমরান হোসেন জানান, বর্তমানে বাজারে ইলিশের সরবরাহ অত্যন্ত কম। সাগরে মাছ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। আজ সকালে বলেশ্বর নদীতে ধরা পড়ে এই ইলিশ। তাই এটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। যার কারণে দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। একইসঙ্গে ছোট আকারের জাটকা ইলিশও প্রতি মণ প্রায় ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বড় ইলিশের চাহিদা থাকায় আমি খোলা ডাকে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে মাছটি কিনেছি। ইতোমধ্যে এটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সেখানে ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে এ ধরনের উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে।
বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বন্দরে ১ কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মণ দরে। যার খুচরা মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের মুন্নি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে খোলা ডাকে অংশ নেন একাধিক পাইকার। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পাইকার ও মার্চেন্ট ফিস ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ইমরান হোসেন জানান, বর্তমানে বাজারে ইলিশের সরবরাহ অত্যন্ত কম। সাগরে মাছ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। আজ সকালে বলেশ্বর নদীতে ধরা পড়ে এই ইলিশ। তাই এটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। যার কারণে দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। একইসঙ্গে ছোট আকারের জাটকা ইলিশও প্রতি মণ প্রায় ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বড় ইলিশের চাহিদা থাকায় আমি খোলা ডাকে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে মাছটি কিনেছি। ইতোমধ্যে এটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সেখানে ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে এ ধরনের উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬