
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৭
বরগুনার পাথরঘাটায় বেওয়ারিশ কুকুরের হামলায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর আহত তিনজনকে দ্রুত স্থানান্তর করা হয়েছে, আর বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাখাল বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে সদর ইউনিয়ন থেকে একাধিক রোগী কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে আসে, যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের পদ্মা, রুহিতা ও হাড়িটানা এলাকায় একটি সাদা-কালো বেওয়ারিশ কুকুর ঘুরে ঘুরে মানুষের ওপর আক্রমণ করে।
পদ্মা এলাকার বাসিন্দা হিরু জমাদ্দার জানান, তাঁদের পরিবারের তিনজনকে কামড় দিয়ে কুকুরটি হাড়িটানার দিকে চলে যায়। অন্যদিকে, হাড়িটানা এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাহিন বলেন, তাঁর চাচা আবুল কালামের ওপরও একই কুকুরটি হামলা চালায় এবং তাঁর গালের মাংস ছিঁড়ে নেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন না থাকায় ভুক্তভোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে ভ্যাকসিন কিনছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
পাথরঘাটা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. অরবিন্দ দাস জানান, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কুকুর নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কুকুর নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন প্রয়োগসহ মানবিক পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি।
এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পাল জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্যাকসিনের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বরগুনার পাথরঘাটায় বেওয়ারিশ কুকুরের হামলায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর আহত তিনজনকে দ্রুত স্থানান্তর করা হয়েছে, আর বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রাখাল বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে সদর ইউনিয়ন থেকে একাধিক রোগী কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে আসে, যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের পদ্মা, রুহিতা ও হাড়িটানা এলাকায় একটি সাদা-কালো বেওয়ারিশ কুকুর ঘুরে ঘুরে মানুষের ওপর আক্রমণ করে।
পদ্মা এলাকার বাসিন্দা হিরু জমাদ্দার জানান, তাঁদের পরিবারের তিনজনকে কামড় দিয়ে কুকুরটি হাড়িটানার দিকে চলে যায়। অন্যদিকে, হাড়িটানা এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাহিন বলেন, তাঁর চাচা আবুল কালামের ওপরও একই কুকুরটি হামলা চালায় এবং তাঁর গালের মাংস ছিঁড়ে নেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন না থাকায় ভুক্তভোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে ভ্যাকসিন কিনছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
পাথরঘাটা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. অরবিন্দ দাস জানান, বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী কুকুর নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কুকুর নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন প্রয়োগসহ মানবিক পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি।
এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপস পাল জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্যাকসিনের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৫
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বরগুনা-বাকেরগঞ্জ-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কটি এখন ঝুঁকি ও দীর্ঘস্থায়ী ভোগান্তির প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে অন্তত ৫১টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক থাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত হলেও ১৮ ফুট প্রশস্ত সরু রাস্তার কারণে পরিবহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে।
কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জ পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া এই সড়কটি বরগুনা, মির্জাগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জের মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন অন্তত ৩০০ যাত্রীবাহী বাসসহ অসংখ্য পণ্যবাহী যান এখানে চলাচল করে।
পায়রা সেতুতে ওজন সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় ৩০ টনের বেশি ভারী ট্রাকগুলো বিকল্প হিসেবে এই সরু সড়কটি ব্যবহার করছে। এতে সড়কের ব্রিজ ও কালভার্টগুলো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশে ২৮টি স্থানে ওজন মাপার স্কেল থাকলেও বরগুনায় কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে অতিরিক্ত বোঝাই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। চালক সাইফুল ইসলাম জানান, বরগুনা থেকে বরিশাল যেতে ৫১টি বিপজ্জনক বাঁক পার হতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সাংবাদিক মনির হোসেন কামাল দ্রুত ওজন স্কেল স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণেই বরগুনা উন্নয়নে পিছিয়ে। একটি প্রশস্ত ও নিরাপদ সড়ক এখন সময়ের দাবি। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়ক প্রশস্তকরণ ও বাঁক সরলীকরণের প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে সমীক্ষা চলছে।
দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি ও পর্যটনে গতি আনতে এই মহাসড়কের আধুনিকায়ন এখন গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বরগুনা-বাকেরগঞ্জ-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কটি এখন ঝুঁকি ও দীর্ঘস্থায়ী ভোগান্তির প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কে অন্তত ৫১টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক থাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কে উন্নীত হলেও ১৮ ফুট প্রশস্ত সরু রাস্তার কারণে পরিবহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে।
কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জ পয়েন্ট থেকে শুরু হওয়া এই সড়কটি বরগুনা, মির্জাগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জের মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন অন্তত ৩০০ যাত্রীবাহী বাসসহ অসংখ্য পণ্যবাহী যান এখানে চলাচল করে।
পায়রা সেতুতে ওজন সীমা নির্ধারণ করে দেওয়ায় ৩০ টনের বেশি ভারী ট্রাকগুলো বিকল্প হিসেবে এই সরু সড়কটি ব্যবহার করছে। এতে সড়কের ব্রিজ ও কালভার্টগুলো মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশে ২৮টি স্থানে ওজন মাপার স্কেল থাকলেও বরগুনায় কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে অতিরিক্ত বোঝাই যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। চালক সাইফুল ইসলাম জানান, বরগুনা থেকে বরিশাল যেতে ৫১টি বিপজ্জনক বাঁক পার হতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। জেলা নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সাংবাদিক মনির হোসেন কামাল দ্রুত ওজন স্কেল স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
বরগুনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণেই বরগুনা উন্নয়নে পিছিয়ে। একটি প্রশস্ত ও নিরাপদ সড়ক এখন সময়ের দাবি। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সড়ক প্রশস্তকরণ ও বাঁক সরলীকরণের প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে সমীক্ষা চলছে।
দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি ও পর্যটনে গতি আনতে এই মহাসড়কের আধুনিকায়ন এখন গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৬
বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।
জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন নজরুল ইসলাম মোল্লা। বরগুনার রাজনীতিতে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, ‘জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো ত্বরান্বিত করতে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।’
এদিকে, তার নিয়োগের খবরে বরগুনা জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দলটির নেতারা এ জন্য চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, বরগুনা জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করবেন তিনি।
বরগুনাবাসীর আস্থা ও সহযোগিতাকে তিনি নিজের সবচেয়ে বড় প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, সামাজিক উন্নয়ন ও পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে কাজ করব।’
বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে বরগুনা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়।
জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন নজরুল ইসলাম মোল্লা। বরগুনার রাজনীতিতে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, ‘জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরো ত্বরান্বিত করতে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মো. নজরুল ইসলাম মোল্লাকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।’
এদিকে, তার নিয়োগের খবরে বরগুনা জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দলটির নেতারা এ জন্য চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, বরগুনা জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও নাগরিক কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করবেন তিনি।
বরগুনাবাসীর আস্থা ও সহযোগিতাকে তিনি নিজের সবচেয়ে বড় প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, ‘দায়িত্ব পালনকালে জেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, সামাজিক উন্নয়ন ও পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে কাজ করব।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.