
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:৪০
জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ শফিকুল (৩৫) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত শফিকুল আব্দুল সামেদ ও রোকেয়া বেগম দম্পতির ছেলে। বর্তমানে পরিবারটি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী পূর্ব এলাকায় বসবাস করছিল। তিনি গাজীপুরের গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা। তিনি হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় গ্রামের বাসিন্দা।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট দুপুরে উত্তরা আজমপুরে ডান পায়ের উরুতে গুলিবিদ্ধ হন শফিকুল। তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে সরকার তাকে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে সকল কাগজপত্র ব্যবস্থা করলে তিনি দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি তার জ্বর ও সেই সাথে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল সোমবার গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম মারা যান।
এদিকে, তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, সহযোদ্ধা ও এলাকাবাসী তাকে একজন সাহসী জুলাই যোদ্ধা হিসেবে স্মরণ করছেন।
হালুয়াঘাট জুলাই শহীদ ও আহত সেলের প্রতিনিধি রিদওয়ান সিদ্দিকী জানান, শহীদ শফিকের জানাজা বুধবার সকাল ১০টায় হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় মামা পাগলা মাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে হালুয়াঘাটে নিজ এলাকায় দাফন করা হবে।
এদিকে, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ হলুয়াঘাটের এক আহত জুলাই যোদ্ধা, শফিকুল ইন্তেকাল করেছেন। তিনি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রায় দেড় বছর ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন।’
নিহত শফিকুলের ছোট বোন জামাই শফিকুল ইসলাম ভুইয়া বলেন, ‘হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মরদেহ হালুয়াঘাটে নেওয়ার জন্য একটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমরা গাজীপুরে শফিকের জানাজা শেষে হালুয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হই। এখন আমরা ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলা অতিক্রম করছি। আগামীকাল জানাজা শেষে তার দাফন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার তাকে বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলেছিল। তবে, জুলাই যোদ্ধা শফিক বিদেশ যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি গুলির স্থানে ইনফেকশন হয়, যে কারণে জ্বর আসে। পরে সোমবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিক মারা যায়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, শফিক নিউমোনিয়া ও গুলির স্থানে ইনফেকশনের কারণে মারা গেছে।’
হালুয়াঘাট থানার ওসি মো. ফেরদৌস আলম বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধা শফিক গাজীপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করব।’
হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলিনুর রহমান বলেন, মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহ হালুয়াঘাটে আনার জন্য ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থেকে যথাযথ মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে। একই সাথে নিহতের পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ শফিকুল (৩৫) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত শফিকুল আব্দুল সামেদ ও রোকেয়া বেগম দম্পতির ছেলে। বর্তমানে পরিবারটি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী পূর্ব এলাকায় বসবাস করছিল। তিনি গাজীপুরের গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা। তিনি হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় গ্রামের বাসিন্দা।
পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান চলাকালে গত বছরের ৫ আগস্ট দুপুরে উত্তরা আজমপুরে ডান পায়ের উরুতে গুলিবিদ্ধ হন শফিকুল। তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরে সরকার তাকে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে সকল কাগজপত্র ব্যবস্থা করলে তিনি দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি তার জ্বর ও সেই সাথে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল সোমবার গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম মারা যান।
এদিকে, তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজন, সহযোদ্ধা ও এলাকাবাসী তাকে একজন সাহসী জুলাই যোদ্ধা হিসেবে স্মরণ করছেন।
হালুয়াঘাট জুলাই শহীদ ও আহত সেলের প্রতিনিধি রিদওয়ান সিদ্দিকী জানান, শহীদ শফিকের জানাজা বুধবার সকাল ১০টায় হালুয়াঘাট উপজেলার দর্শারপাড় মামা পাগলা মাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে হালুয়াঘাটে নিজ এলাকায় দাফন করা হবে।
এদিকে, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ হলুয়াঘাটের এক আহত জুলাই যোদ্ধা, শফিকুল ইন্তেকাল করেছেন। তিনি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রায় দেড় বছর ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করুন।’
নিহত শফিকুলের ছোট বোন জামাই শফিকুল ইসলাম ভুইয়া বলেন, ‘হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মরদেহ হালুয়াঘাটে নেওয়ার জন্য একটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমরা গাজীপুরে শফিকের জানাজা শেষে হালুয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা হই। এখন আমরা ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলা অতিক্রম করছি। আগামীকাল জানাজা শেষে তার দাফন করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার তাকে বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলেছিল। তবে, জুলাই যোদ্ধা শফিক বিদেশ যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি গুলির স্থানে ইনফেকশন হয়, যে কারণে জ্বর আসে। পরে সোমবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিক মারা যায়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, শফিক নিউমোনিয়া ও গুলির স্থানে ইনফেকশনের কারণে মারা গেছে।’
হালুয়াঘাট থানার ওসি মো. ফেরদৌস আলম বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধা শফিক গাজীপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করব।’
হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলিনুর রহমান বলেন, মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহ হালুয়াঘাটে আনার জন্য ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে উপস্থিত থেকে যথাযথ মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে। একই সাথে নিহতের পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। ঢাকার উত্তরা, ধানমণ্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে তার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা।
স্ত্রীর শেয়ার, বন্ড, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা ও পেশা শিক্ষকতা থেকে বছরে পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের কাছে বর্তমানে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা, বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার ও ফিক্সড ডিপোজিট প্রায় ৩০ লাখ টাকার।
হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা।
একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে, ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে। মো. আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমণ্ডিতে দুইটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি, যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ ৭৬৫ টাকা।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা ও সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা।
ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। ঢাকার উত্তরা, ধানমণ্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে তার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা।
স্ত্রীর শেয়ার, বন্ড, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা ও পেশা শিক্ষকতা থেকে বছরে পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের কাছে বর্তমানে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা, বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার ও ফিক্সড ডিপোজিট প্রায় ৩০ লাখ টাকার।
হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা।
একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে, ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে। মো. আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমণ্ডিতে দুইটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি, যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ ৭৬৫ টাকা।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা ও সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা।

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৪
সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সারা দেশে বাদ জুমা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত করেন মসজিদটির খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক। এতে অংশ নেন সাধারণ মুসল্লিরা। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মোনাজাতে অশ্রু ঝরান সাধারণ মানুষ।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় শাখার পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের স্বাক্ষর করা এক সরকারি চিঠিতে জানানো হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হবে।
গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনে আজও দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন।
সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সারা দেশে বাদ জুমা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত করেন মসজিদটির খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক। এতে অংশ নেন সাধারণ মুসল্লিরা। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মোনাজাতে অশ্রু ঝরান সাধারণ মানুষ।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় শাখার পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের স্বাক্ষর করা এক সরকারি চিঠিতে জানানো হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হবে।
গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনে আজও দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন।

০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:১৪
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মনোনয়ন দ্বন্দ্বে নাশকতা ঘটনায় রেলওয়ের ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে রেললাইন উপড়ে ফেলায় অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানায় একটি এজাহার দেন। তবে এজাহার দাখিলের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি রেলওয়ে পুলিশ।
এজাহারের তথ্যমতে, গত ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে গফরগাঁও স্টেশন এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দল ও মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে বহিরাগত কিছু লোক রেলওয়ে সীমানায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে। তারা রেলওয়ের স্তূপ করা নতুন ও পুরাতন কাঠের এবং স্টিল স্লিপারে অগ্নিসংযোগ করে। বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতকারীরা ফিশপ্লেট, ফিশবোল্ট ও ইআরসি খুলে নিয়ে যায়।
লুটপাটের রেশ ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও ও ধলা সেকশনের মাঝামাঝি এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা প্রায় ২০ ফুট রেললাইন কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রাখে। এর ফলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেন ওই স্থানে পৌঁছালে ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে প্রায় ১২০ ফুট রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, এই নাশকতায় রেলের ভৌত সম্পদের ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আয় ব্যাহত হয়েছে। হয়রানির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা।
সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে নাশকতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, ‘এজাহারটি হাতে পেয়েছি খোঁজখবর নিয়ে মামলা রেকর্ড করা হবে।’
বরিশাল টাইমস
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মনোনয়ন দ্বন্দ্বে নাশকতা ঘটনায় রেলওয়ের ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে রেললাইন উপড়ে ফেলায় অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানায় একটি এজাহার দেন। তবে এজাহার দাখিলের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি রেলওয়ে পুলিশ।
এজাহারের তথ্যমতে, গত ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে গফরগাঁও স্টেশন এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দল ও মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে বহিরাগত কিছু লোক রেলওয়ে সীমানায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে। তারা রেলওয়ের স্তূপ করা নতুন ও পুরাতন কাঠের এবং স্টিল স্লিপারে অগ্নিসংযোগ করে। বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতকারীরা ফিশপ্লেট, ফিশবোল্ট ও ইআরসি খুলে নিয়ে যায়।
লুটপাটের রেশ ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও ও ধলা সেকশনের মাঝামাঝি এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা প্রায় ২০ ফুট রেললাইন কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রাখে। এর ফলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেন ওই স্থানে পৌঁছালে ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে প্রায় ১২০ ফুট রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, এই নাশকতায় রেলের ভৌত সম্পদের ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আয় ব্যাহত হয়েছে। হয়রানির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা।
সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে নাশকতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, ‘এজাহারটি হাতে পেয়েছি খোঁজখবর নিয়ে মামলা রেকর্ড করা হবে।’
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.