
০১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:১৪
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মনোনয়ন দ্বন্দ্বে নাশকতা ঘটনায় রেলওয়ের ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে রেললাইন উপড়ে ফেলায় অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানায় একটি এজাহার দেন। তবে এজাহার দাখিলের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি রেলওয়ে পুলিশ।
এজাহারের তথ্যমতে, গত ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে গফরগাঁও স্টেশন এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দল ও মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে বহিরাগত কিছু লোক রেলওয়ে সীমানায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে। তারা রেলওয়ের স্তূপ করা নতুন ও পুরাতন কাঠের এবং স্টিল স্লিপারে অগ্নিসংযোগ করে। বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতকারীরা ফিশপ্লেট, ফিশবোল্ট ও ইআরসি খুলে নিয়ে যায়।
লুটপাটের রেশ ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও ও ধলা সেকশনের মাঝামাঝি এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা প্রায় ২০ ফুট রেললাইন কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রাখে। এর ফলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেন ওই স্থানে পৌঁছালে ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে প্রায় ১২০ ফুট রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, এই নাশকতায় রেলের ভৌত সম্পদের ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আয় ব্যাহত হয়েছে। হয়রানির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা।
সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে নাশকতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, ‘এজাহারটি হাতে পেয়েছি খোঁজখবর নিয়ে মামলা রেকর্ড করা হবে।’
বরিশাল টাইমস
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মনোনয়ন দ্বন্দ্বে নাশকতা ঘটনায় রেলওয়ের ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে রেললাইন উপড়ে ফেলায় অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি কোচ লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের আনুমানিক ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানায় একটি এজাহার দেন। তবে এজাহার দাখিলের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও মামলা নেয়নি রেলওয়ে পুলিশ।
এজাহারের তথ্যমতে, গত ২৭ ডিসেম্বর বিকেলে গফরগাঁও স্টেশন এলাকায় স্থানীয় রাজনৈতিক কোন্দল ও মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে বহিরাগত কিছু লোক রেলওয়ে সীমানায় অবৈধভাবে প্রবেশ করে। তারা রেলওয়ের স্তূপ করা নতুন ও পুরাতন কাঠের এবং স্টিল স্লিপারে অগ্নিসংযোগ করে। বাধা দিতে গেলে দুষ্কৃতকারীরা ফিশপ্লেট, ফিশবোল্ট ও ইআরসি খুলে নিয়ে যায়।
লুটপাটের রেশ ধরে গত ২৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গফরগাঁও ও ধলা সেকশনের মাঝামাঝি এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা প্রায় ২০ ফুট রেললাইন কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রাখে। এর ফলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেন ওই স্থানে পৌঁছালে ইঞ্জিনসহ দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে প্রায় ১২০ ফুট রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, এই নাশকতায় রেলের ভৌত সম্পদের ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি রাজস্ব আয় ব্যাহত হয়েছে। হয়রানির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা।
সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা এবং নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে নাশকতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, ‘এজাহারটি হাতে পেয়েছি খোঁজখবর নিয়ে মামলা রেকর্ড করা হবে।’
বরিশাল টাইমস
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। ঢাকার উত্তরা, ধানমণ্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে তার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা।
স্ত্রীর শেয়ার, বন্ড, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা ও পেশা শিক্ষকতা থেকে বছরে পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের কাছে বর্তমানে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা, বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার ও ফিক্সড ডিপোজিট প্রায় ৩০ লাখ টাকার।
হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা।
একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে, ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে। মো. আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমণ্ডিতে দুইটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি, যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ ৭৬৫ টাকা।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা ও সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা।
ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সদ্য সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ঋণ নেই। ঢাকার উত্তরা, ধানমণ্ডি ও সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে তার। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী হলফনামায় এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
হলফনামায় আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, তার বার্ষিক আয় ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা। এর মধ্যে বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, বাণিজ্যিক স্থান ও স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ বছরে ১১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আয় দেখিয়েছেন। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে ৭৩ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক আমানত থেকে এক লাখ ৬৭ হাজার ২০১ টাকা ও পেশাগত আয় ৮ লাখ ৪০ হাজার ৩৮৬ টাকা।
স্ত্রীর শেয়ার, বন্ড, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র থেকে ১৭ হাজার ৮০১ টাকা ও পেশা শিক্ষকতা থেকে বছরে পাঁচ লাখ ৬ হাজার ১৫৯ টাকা আয় দেখানো হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের কাছে বর্তমানে নগদ ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮২ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার নিজ নামে গচ্ছিত রয়েছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৮৬ টাকা, বন্ড, শেয়ার কেনা আছে ৫২০০ টাকার ও ফিক্সড ডিপোজিট প্রায় ৩০ লাখ টাকার।
হলফনামায় নিজের ২০ ভরি সোনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল। এ ছাড়া ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য ৬ লাখ টাকা, আসবাবপত্রের মূল্য ৪ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ফিক্সড ডিপোজিট দেখিয়েছেন ৩৩ লাখ টাকা।
অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানের অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৪ হাজার ৫৬৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা।
একইভাবে স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে, ৫১ লাখ ১৫ হাজার ৯৪১ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য একই দেখানো হয়েছে। মো. আসাদুজ্জামানের ঢাকার সাভারের বড় বরদেশী মৌজায় ৪৬২ শতাংশ জমি রয়েছে। যার মূল্য এক কোটি ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ টাকা। ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সম্পত্তি এখনো দখল বা সীমানা বুঝে পাননি বলে তিনি জানিয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় ৬ কাঠা জমিতে পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবন, একই এলাকায় ৫ কাঠা প্লটের ছয় তলাবিশিষ্ট ভবনের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের। যার মূল্য আট কোটি ১৫ লাখ ১১ হাজার ৬৪৮ টাকা। ধানমণ্ডিতে দুইটি ফ্ল্যাটের এক তৃতীয়াংশের মালিকানা রয়েছে তার। যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭ টাকা।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের মাটিকাটা এলাকায় তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১.৮০ শতাংশ জমি, যা তার স্ত্রী পৈতৃক সূত্রে পেয়েছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এসব স্থাবর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন আনুমানিক মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৫ টাকা। বর্তমান মূল্য ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৫৪ ৭৬৫ টাকা।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে আয়কর রিটার্নে আয় দেখিয়েছেন ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৫৮৭ টাকা ও সম্পদের মূল্য দেখানো হয়েছে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৩৩ টাকা। তিনি আয়কর দিয়েছেন ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৯ টাকা।

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:২৪
সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সারা দেশে বাদ জুমা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত করেন মসজিদটির খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক। এতে অংশ নেন সাধারণ মুসল্লিরা। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মোনাজাতে অশ্রু ঝরান সাধারণ মানুষ।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় শাখার পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের স্বাক্ষর করা এক সরকারি চিঠিতে জানানো হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হবে।
গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনে আজও দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন।
সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সারা দেশে বাদ জুমা বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে দোয়া ও মোনাজাত করেন মসজিদটির খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক। এতে অংশ নেন সাধারণ মুসল্লিরা। বেগম খালেদা জিয়ার জন্য মোনাজাতে অশ্রু ঝরান সাধারণ মানুষ।
গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সমন্বয় শাখার পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিনের স্বাক্ষর করা এক সরকারি চিঠিতে জানানো হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আজ জুমার নামাজের পর দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া করা হবে।
গত মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ৩১ ডিসেম্বর বুধবার থেকে ২ জানুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। শোকের শেষ দিনে আজও দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিএনপি চেয়ারপারসন।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৪:১২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামার তথ্যমতে ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা করা হয়। তার মধ্যে ২২টি মামলায় খালাস ও ১৩টি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছিলেন তিনি।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর মধ্যে ২০০৭ সালে ২টি, ২০১০ সালে ১টি, ২০১৩ সালে ১টি, ২০১৪ সালে ২টি, ২০১৫ সালে ১৬টি, ২০১৬ সালে ১০টি, ২০১৭ সালে ২টি, ২০২৪ সালে ১টি মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে সবকয়টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও কুমিল্লা, খুলনা, নড়াইল ও পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাকর্মীরা বাদী হয়ে এসব মামলা করেন। পরে সব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তার আইনজীবীরা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলোতে দুর্নীতি, মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহ, হত্যা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ‘মিথ্যা’ জন্মদিন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব মামলার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি মামলাগুলোর বিচার চলমান ছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার রায় ঘোষণার পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঠানো হয় কারাগারে। সাজা ভোগ করেন দুই বছর এক মাস ১৬ দিন।
এরপর করোনাকালে আওয়ামী লীগ সরকার তার সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করে। শর্তসাপেক্ষে কারামুক্তি দিয়ে বাসায় থাকার সুযোগ দেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। তবে বয়সজনিত কারণে শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত হলেও বার বার আবেদনের পরও তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব রাজনৈতিক মামলা থেকে একে একে খালাস পেতে শুরু করেন তিনি।
এ ব্যাপারে ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা করেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে হামলার মামলা দিয়েছেন। মিথ্যা মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ওই সময় নানা শারীরিক অসুস্থতা ভুগলেও তাকে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামার তথ্যমতে ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা করা হয়। তার মধ্যে ২২টি মামলায় খালাস ও ১৩টি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছিলেন তিনি।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর মধ্যে ২০০৭ সালে ২টি, ২০১০ সালে ১টি, ২০১৩ সালে ১টি, ২০১৪ সালে ২টি, ২০১৫ সালে ১৬টি, ২০১৬ সালে ১০টি, ২০১৭ সালে ২টি, ২০২৪ সালে ১টি মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে সবকয়টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও কুমিল্লা, খুলনা, নড়াইল ও পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাকর্মীরা বাদী হয়ে এসব মামলা করেন। পরে সব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তার আইনজীবীরা।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলোতে দুর্নীতি, মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহ, হত্যা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ‘মিথ্যা’ জন্মদিন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব মামলার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি মামলাগুলোর বিচার চলমান ছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার রায় ঘোষণার পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঠানো হয় কারাগারে। সাজা ভোগ করেন দুই বছর এক মাস ১৬ দিন।
এরপর করোনাকালে আওয়ামী লীগ সরকার তার সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করে। শর্তসাপেক্ষে কারামুক্তি দিয়ে বাসায় থাকার সুযোগ দেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। তবে বয়সজনিত কারণে শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত হলেও বার বার আবেদনের পরও তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব রাজনৈতিক মামলা থেকে একে একে খালাস পেতে শুরু করেন তিনি।
এ ব্যাপারে ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার বলেন, শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে ঘায়েল করার চেষ্টা করেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে হামলার মামলা দিয়েছেন। মিথ্যা মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ওই সময় নানা শারীরিক অসুস্থতা ভুগলেও তাকে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.