
০২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৭
প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের খামখেয়ালী আচরণ, শিক্ষক লাঞ্ছনা ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর দুমকিতে ঐতিহ্যবাহী গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া ও নূরানী মাদ্রাসা ছেড়ে শিক্ষকমণ্ডলী ও অভিভাবকদের উদ্যোগে নতুন একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছে ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া মাদ্রাসা’।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন ও শিক্ষক হাফেজ মাসুদুর রহমানকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় সহকর্মী শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সবুর, মাওলানা আবু জাফর ও মাওলানা আতাউল্লাহ প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার দাতা সদস্য মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার এ ঘটনার মূল উদ্যোক্তা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে কার্যকর কোনো পরিচালনা কমিটি নেই বলেও জানা গেছে।
প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন বলেন,
“সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্য এনে আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে ইস্তফায় স্বাক্ষর করানো হয়। আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল আমরা যেন অপরাধী! কোনো প্রমাণ ছাড়াই আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপবাদ রটানো হয়েছে।”
এই ঘটনার পর শিক্ষক ও শতাধিক অভিভাবকের উদ্যোগে মাদ্রাসার পাশেই ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
সম্প্রতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি’র সহকারী রেজিস্ট্রার জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মেহেদী হাসান পলাশ, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীন, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাফর আকন, দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামের দুমকি বন্দর সেক্রেটারি মিরাজ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সহ-ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল-আমিন বক্স প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অভিভাবক মনিয়ারা আক্তার, রুনিয়া আক্তার, হামদিয়া আক্তার, নুসরাত জাহান, আব্দুল জলিল ও সৈয়দ নাজিমুদ্দিন বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন,
“প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের অন্যায় আচরণ ও শিক্ষক লাঞ্ছনা আমরা মেনে নিতে পারি না। সন্তানদের সম্মান ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় বিকল্প প্রতিষ্ঠান গড়তে বাধ্য হয়েছি।”
অভিভাবকরা আরও জানান, এর আগেও প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের এমন আচরণের প্রতিবাদে আন্দোলনের চেষ্টা হয়েছিল, তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিবাদে তা ব্যর্থ হয়। এবার পরিস্থিতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে বিকল্প মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পাঠদান চালিয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন হাওলাদারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের খামখেয়ালী আচরণ, শিক্ষক লাঞ্ছনা ও প্রশাসনিক অনিয়মের প্রতিবাদে পটুয়াখালীর দুমকিতে ঐতিহ্যবাহী গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া ও নূরানী মাদ্রাসা ছেড়ে শিক্ষকমণ্ডলী ও অভিভাবকদের উদ্যোগে নতুন একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নবগঠিত প্রতিষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছে ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া মাদ্রাসা’।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ অক্টোবর কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই গোলাম সরোয়ার হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন ও শিক্ষক হাফেজ মাসুদুর রহমানকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় সহকর্মী শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সবুর, মাওলানা আবু জাফর ও মাওলানা আতাউল্লাহ প্রতিবাদ জানালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগ রয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ও মাদ্রাসার দাতা সদস্য মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার এ ঘটনার মূল উদ্যোক্তা। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে কার্যকর কোনো পরিচালনা কমিটি নেই বলেও জানা গেছে।
প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আল মামুন বলেন,
“সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্য এনে আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জোর করে ইস্তফায় স্বাক্ষর করানো হয়। আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল আমরা যেন অপরাধী! কোনো প্রমাণ ছাড়াই আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপবাদ রটানো হয়েছে।”
এই ঘটনার পর শিক্ষক ও শতাধিক অভিভাবকের উদ্যোগে মাদ্রাসার পাশেই ‘কোরআন গার্ডেন রুহানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
সম্প্রতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পবিপ্রবি’র সহকারী রেজিস্ট্রার জসিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মেহেদী হাসান পলাশ, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীন, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাফর আকন, দুমকি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামের দুমকি বন্দর সেক্রেটারি মিরাজ হোসেন ও উপজেলা বিএনপির সহ-ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আল-আমিন বক্স প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অভিভাবক মনিয়ারা আক্তার, রুনিয়া আক্তার, হামদিয়া আক্তার, নুসরাত জাহান, আব্দুল জলিল ও সৈয়দ নাজিমুদ্দিন বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন,
“প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের অন্যায় আচরণ ও শিক্ষক লাঞ্ছনা আমরা মেনে নিতে পারি না। সন্তানদের সম্মান ও শিক্ষার পরিবেশ রক্ষায় বিকল্প প্রতিষ্ঠান গড়তে বাধ্য হয়েছি।”
অভিভাবকরা আরও জানান, এর আগেও প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের এমন আচরণের প্রতিবাদে আন্দোলনের চেষ্টা হয়েছিল, তবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতিবাদে তা ব্যর্থ হয়। এবার পরিস্থিতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে বিকল্প মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়, যাতে শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পাঠদান চালিয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন হাওলাদারকে একাধিকবার ফোন করা হলেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

০৩ মে, ২০২৬ ১৪:১৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বড়পাড়া গ্রামে হঠাৎ করে মাটির নিচ থেকে ভেসে আসা বিকট শব্দকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ।
স্থানীয় বাসিন্দা আশোক আলী মৃধা শনিবার (২ মে) নিজ জমিতে গরু চরাতে গিয়ে প্রথম এই অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কয়েক দশক ধরে পরিচিত সেই জমিতে এমন অদ্ভুত শব্দে তিনি বিস্মিত হয়ে পড়েন।
বিষয়টি নিশ্চিত হতে আশপাশের লোকজনকে ডেকে আনেন তিনি। পরে কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে পরীক্ষা করতে গেলে শব্দের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।
একই সঙ্গে জমির বিভিন্ন স্থান থেকে বুদবুদের আকারে গ্যাসের মতো কিছু বের হতে দেখা যায় এবং নিরবচ্ছিন্ন শব্দ শোনা যেতে থাকে।
ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে কেউ মাটি খুঁড়ছেন, কেউ আবার গর্ত থেকে বের হওয়া পানি ও মাটির গন্ধ পরীক্ষা করছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ ধারণা করছেন, এটি কোনো খনিজ সম্পদের ইঙ্গিত; আবার কেউ মনে করছেন, মাটির নিচে প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকতে পারে।
অন্যদিকে, অজানা এই ঘটনার কারণে আতঙ্কিত হয়ে গ্রামবাসীরা পুলিশের জরুরি সেবা নম্বরে কল করে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে এখনো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অবহিত করা হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তারা যদি সার্ভে পরিচালনা করেন, তাহলে এর প্রকৃতি সম্পর্কে জানা যাবে।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৭
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালীর দুমকিতে আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল দুমকি উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আবু জাফর আকন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল মৃধা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু।
এসময় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ এবং শ্রমিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দুমকি উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ ফারুক মৃধা।

০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদকসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা পকেট কমিটি মানি না, মানবো না স্লোগান দেন এবং বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন করে গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠনের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি শহিদ সিকদার, পৌর যুবদল নেতা হারুন মুসুল্লি, আবুবকরসহ আরও অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন, ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে গঠিত এই কমিটি দলীয় আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালার পরিপন্থী।
তাদের আরও অভিযোগ, নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বহিষ্কৃত কয়েকজন নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংগঠনের জন্য বিব্রতকর ও প্রশ্নবিদ্ধ। ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি শহিদ শিকদার দাবি করেন, ছাত্রলীগের পদে থাকা শাকিব নামের একজনসহ বহিষ্কৃত তিনজনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা জানান, শাকিব পূর্বে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ খানকে সাংগঠনিক পদ দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন। সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি ও মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া আহমেদ বলেন, সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক সংগঠনে দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে দল চাইলে যেকোনো একটি পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে পারে।
বিক্ষোভকারীরা দ্রুত কমিটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সতর্ক করে বলেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর বলেন, ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করেই ৭১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। যারা পদ পাননি, তাদের অনেকেই ওয়ার্ড পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন। এছাড়া অভিযোগকারীদের মধ্যে কেউ কেউ বহিষ্কৃতও রয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.