
২৬ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩০
পটুয়াখালীতে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে অংশ না নিয়েও বশির সরদার (৪০) নামের এক মৃত ব্যক্তির নাম শহীদদের তালিকায় উঠে এসেছে। কীভাবে তার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো—এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
তবে বিষয়টি আলোচনায় আসার পর ভুয়া শহীদের নাম বাতিল এবং সরকার থেকে দেওয়া সঞ্চয়পত্র স্থগিত করার সুপারিশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন।
বশির সরদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের সেকান্দার সরদারের ছেলে। তিনি গত বছর ১৫ নভেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত বশির সরদারের বড় ভাই নাসির উদ্দিন ‘তার ভাই বশির সরদার শহীদ নন’ মর্মে জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি আবেদন করেন। গত মঙ্গলবার (২২ জুলাই) নাসির উদ্দিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন পদক্ষেপ নেয়।
এ বিষয়ে ‘‘ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের তালিকা যাচাই-বাছাই কমিটির’’ সদস্য সচিব ও পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ওই সভায় উপস্থিত ছিলাম না, পরে এখানে যোগদান করেছি। তবে বিষয়টি যাচাই করে তার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।”
কমিটির অপর সদস্য, পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও ইফফাত আরা জামান উর্মি বলেন, “মূলত যখন ঘটনাটি ঘটে, তখন পরিস্থিতির কারণে তৎক্ষণাৎ যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ ছিল না। পরবর্তীতে নিহত বশির সরদারের মেডিকেল রিপোর্টে দেখা যায়, আবেদনে আন্দোলনে মৃত্যুর যে তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে, তার এক মাস আগেই তিনি পায়ের সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে নিহতের স্ত্রী ও ভাইয়ের সঙ্গে কথা বললে তাঁদের বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তখনই তার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়।”
যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য ও ছাত্র সমন্বয়ক মো. সজিবুল ইসলাম সালমান বলেন, “আমি কমিটির সদস্য হলেও বিষয়টি তদারকির দায়িত্ব ছিল কমিটির সদস্য সচিব তথা সিভিল সার্জনের। তখন আমি আন্দোলনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।”
মৃত বশির সরদারের স্ত্রী মোসা. রেবা আক্তার জানান, “ওই সময়ে আমার ভাশুর নাসির উদ্দিন সব কাগজপত্র ঠিকঠাক করে এনে আমাকে একদিন ডিসি অফিসে নিয়ে যান। সেখানে আমি ভয় পেয়ে মিথ্যা কথা বলি।
আমার স্বামী বশির সরদার গত বছরের ৩ জুলাই পটুয়াখালী চৌরাস্তা থেকে বাসায় ফেরার পথে পায়ে লোহা ঢুকে আহত হন। পরে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে পচন ধরলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ নভেম্বর তিনি মারা যান।”
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত তিনি মোট ১২ লাখ ৭ হাজার টাকা সহায়তা পেয়েছেন। এর মধ্যে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২ লাখ টাকার জমি কিনেছেন, বাকি টাকা তার কাছেই রয়েছে। উল্লেখ্য, ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই লাখ টাকা এবং ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র প্রদান করা হয়।
পটুয়াখালীতে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে অংশ না নিয়েও বশির সরদার (৪০) নামের এক মৃত ব্যক্তির নাম শহীদদের তালিকায় উঠে এসেছে। কীভাবে তার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো—এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।
তবে বিষয়টি আলোচনায় আসার পর ভুয়া শহীদের নাম বাতিল এবং সরকার থেকে দেওয়া সঞ্চয়পত্র স্থগিত করার সুপারিশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন।
বশির সরদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের সেকান্দার সরদারের ছেলে। তিনি গত বছর ১৫ নভেম্বর ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত বশির সরদারের বড় ভাই নাসির উদ্দিন ‘তার ভাই বশির সরদার শহীদ নন’ মর্মে জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি আবেদন করেন। গত মঙ্গলবার (২২ জুলাই) নাসির উদ্দিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসন পদক্ষেপ নেয়।
এ বিষয়ে ‘‘ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের তালিকা যাচাই-বাছাই কমিটির’’ সদস্য সচিব ও পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ওই সভায় উপস্থিত ছিলাম না, পরে এখানে যোগদান করেছি। তবে বিষয়টি যাচাই করে তার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।”
কমিটির অপর সদস্য, পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইউএনও ইফফাত আরা জামান উর্মি বলেন, “মূলত যখন ঘটনাটি ঘটে, তখন পরিস্থিতির কারণে তৎক্ষণাৎ যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ ছিল না। পরবর্তীতে নিহত বশির সরদারের মেডিকেল রিপোর্টে দেখা যায়, আবেদনে আন্দোলনে মৃত্যুর যে তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে, তার এক মাস আগেই তিনি পায়ের সমস্যায় হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে নিহতের স্ত্রী ও ভাইয়ের সঙ্গে কথা বললে তাঁদের বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তখনই তার সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করা হয়।”
যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য ও ছাত্র সমন্বয়ক মো. সজিবুল ইসলাম সালমান বলেন, “আমি কমিটির সদস্য হলেও বিষয়টি তদারকির দায়িত্ব ছিল কমিটির সদস্য সচিব তথা সিভিল সার্জনের। তখন আমি আন্দোলনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।”
মৃত বশির সরদারের স্ত্রী মোসা. রেবা আক্তার জানান, “ওই সময়ে আমার ভাশুর নাসির উদ্দিন সব কাগজপত্র ঠিকঠাক করে এনে আমাকে একদিন ডিসি অফিসে নিয়ে যান। সেখানে আমি ভয় পেয়ে মিথ্যা কথা বলি।
আমার স্বামী বশির সরদার গত বছরের ৩ জুলাই পটুয়াখালী চৌরাস্তা থেকে বাসায় ফেরার পথে পায়ে লোহা ঢুকে আহত হন। পরে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে পচন ধরলে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ নভেম্বর তিনি মারা যান।”
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত তিনি মোট ১২ লাখ ৭ হাজার টাকা সহায়তা পেয়েছেন। এর মধ্যে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২ লাখ টাকার জমি কিনেছেন, বাকি টাকা তার কাছেই রয়েছে। উল্লেখ্য, ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই লাখ টাকা এবং ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র প্রদান করা হয়।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন চর চাপলী এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৈকত খান (২৫) নামের এক যুবকের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো নিজ মহিষ চরাতে সাগরপাড়ে যান সৈকত।
এ সময় সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল স্থানীয় মাদক কারবারি নয়ন, সৈকত তাকে মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, এর জেরে নয়ন তার পিতা কবির (৪৫) ও সহযোগীদের নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৈকতের ওপর হামলা চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সৈকতকে উদ্ধার করে প্রথমে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কলাপাড়া সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রকাশ্যে মাদক সেবন এবং এর প্রতিবাদ করায় এমন নির্মম হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহব্বত খান জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় ফোনে যোগাযোগ করেছে। তাদের থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন চর চাপলী এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৈকত খান (২৫) নামের এক যুবকের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো নিজ মহিষ চরাতে সাগরপাড়ে যান সৈকত।
এ সময় সেখানে প্রকাশ্যে মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল স্থানীয় মাদক কারবারি নয়ন, সৈকত তাকে মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বললে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে নয়ন।
অভিযোগ রয়েছে, এর জেরে নয়ন তার পিতা কবির (৪৫) ও সহযোগীদের নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সৈকতের ওপর হামলা চালায়। হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় সৈকতকে উদ্ধার করে প্রথমে মহিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কলাপাড়া সরকারি হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানেও অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন।
বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রকাশ্যে মাদক সেবন এবং এর প্রতিবাদ করায় এমন নির্মম হামলা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহব্বত খান জানান, এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় ফোনে যোগাযোগ করেছে। তাদের থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক থাকা অস্ত্র মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মধু হাওলাদারকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার মজিদবাড়ীয়া ও কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মধু হাওলাদার উপজেলার ভয়াং গ্রামের রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিএমপির রামপুরা থানার ২০১৮ সালের একটি অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক থাকা অস্ত্র মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মধু হাওলাদারকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার মজিদবাড়ীয়া ও কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মধু হাওলাদার উপজেলার ভয়াং গ্রামের রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিএমপির রামপুরা থানার ২০১৮ সালের একটি অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১২
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই স্কুলছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। আহত শিশুদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের ওয়ার্ড সভাপতি বলে জানা গেছে।
আহতরা হলো- দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আশিক মোল্লা (১০) এবং দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জুবায়ের মোল্লা (৮)। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সেদিনও শিশুরা খেলতে বের হয়েছিল। এক পর্যায়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে ইমাম মোল্লার আমগাছের নিচে গিয়ে পড়ে থাকা আম কুড়াতে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইমাম মোল্লা এসে শিশুদের ডেকে হঠাৎ করেই আশিক ও জুবায়েরকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে আশিককে এলোপাতাড়ি লাথি-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। পরে জুবায়েরকেও একইভাবে মারধর করা হয়। শিশুদের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন তাদের বড় বোন ও দাদি কিন্তু তারাও রেহাই পাননি। তাদেরও ধাক্কা ও মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একটি দোকানে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আশিকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
আহত আশিক জানায়, আমি আম পাড়তে যাইনি, গাছের নিচে পড়ে থাকা আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই ইমাম কাকা আমাকে মারতে শুরু করেন। আমার বুকে লাথি মারলে আমি সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ি।
জুবায়েরও একই অভিযোগ করে বলে, আমরা চুরি করিনি, শুধু পড়ে থাকা আম কুড়িয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে।
আশিকের বাবা মনির হোসেন বলেন, একটা সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে, এটা ভাবতেই পারছি না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
জুবায়েরের বাবা জুলহাস মোল্লাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার সন্তানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার না হলে আমরা নিরাপদ নই।
এদিকে অভিযুক্তের ভাতিজা আল-আমিন মোল্লা বলেন, আমার চাচা যা করেছেন তা সম্পূর্ণ অন্যায়। শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয় দশমিনা উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব মো. মিলন মাতুব্বর জালাল, গতকাল রাতে এ বিষয়ে শুনেছি, সরজমিনে আমরা লোক পাঠিয়ে যদি এমন ঘটনার সত্যতা থাকে, তাহলে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।
পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাহ আলম বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে দুঃখজনক। খোঁজ খবর নিচ্ছি, সত্যতা পেলে বহিষ্কার করা হবে।
দশমিনা থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম মেহেদী জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই স্কুলছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। আহত শিশুদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের ওয়ার্ড সভাপতি বলে জানা গেছে।
আহতরা হলো- দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আশিক মোল্লা (১০) এবং দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জুবায়ের মোল্লা (৮)। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সেদিনও শিশুরা খেলতে বের হয়েছিল। এক পর্যায়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে ইমাম মোল্লার আমগাছের নিচে গিয়ে পড়ে থাকা আম কুড়াতে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইমাম মোল্লা এসে শিশুদের ডেকে হঠাৎ করেই আশিক ও জুবায়েরকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে আশিককে এলোপাতাড়ি লাথি-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। পরে জুবায়েরকেও একইভাবে মারধর করা হয়। শিশুদের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন তাদের বড় বোন ও দাদি কিন্তু তারাও রেহাই পাননি। তাদেরও ধাক্কা ও মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একটি দোকানে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আশিকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
আহত আশিক জানায়, আমি আম পাড়তে যাইনি, গাছের নিচে পড়ে থাকা আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই ইমাম কাকা আমাকে মারতে শুরু করেন। আমার বুকে লাথি মারলে আমি সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ি।
জুবায়েরও একই অভিযোগ করে বলে, আমরা চুরি করিনি, শুধু পড়ে থাকা আম কুড়িয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে।
আশিকের বাবা মনির হোসেন বলেন, একটা সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে, এটা ভাবতেই পারছি না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
জুবায়েরের বাবা জুলহাস মোল্লাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার সন্তানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার না হলে আমরা নিরাপদ নই।
এদিকে অভিযুক্তের ভাতিজা আল-আমিন মোল্লা বলেন, আমার চাচা যা করেছেন তা সম্পূর্ণ অন্যায়। শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয় দশমিনা উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব মো. মিলন মাতুব্বর জালাল, গতকাল রাতে এ বিষয়ে শুনেছি, সরজমিনে আমরা লোক পাঠিয়ে যদি এমন ঘটনার সত্যতা থাকে, তাহলে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।
পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাহ আলম বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে দুঃখজনক। খোঁজ খবর নিচ্ছি, সত্যতা পেলে বহিষ্কার করা হবে।
দশমিনা থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম মেহেদী জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.