
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৪
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার প্রক্রিয়া কেমন হবে—জানতে চাইলে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এ বিষয়ে খুব শিগগির জানিয়ে দেওয়া হবে। যারা অনলাইনে আবেদন করেছেন তো করেছেন, তবে যারা অনলাইনে আবেদন করেননি তাদের আর তা করা লাগবে না। সাংবাদিকেরা সশরীরে নির্বাচন ভবনে এসে কার্ড ইস্যু করতে পারবেন।
এর আগে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার নিতে অনলাইনে আবেদনের আহ্বান জানায় ইসি। তবে এই ‘প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না’ জানিয়ে দ্রুত এর সমাধানের আশ্বাস দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।
ম্যানুয়ালি কার্ড ইস্যু করার প্রক্রিয়া কেমন হবে—জানতে চাইলে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এ বিষয়ে খুব শিগগির জানিয়ে দেওয়া হবে। যারা অনলাইনে আবেদন করেছেন তো করেছেন, তবে যারা অনলাইনে আবেদন করেননি তাদের আর তা করা লাগবে না। সাংবাদিকেরা সশরীরে নির্বাচন ভবনে এসে কার্ড ইস্যু করতে পারবেন।
এর আগে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার নিতে অনলাইনে আবেদনের আহ্বান জানায় ইসি। তবে এই ‘প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না’ জানিয়ে দ্রুত এর সমাধানের আশ্বাস দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮
ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কোনো জামিননামা ছাড়াই হত্যা মামলার তিন আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন ঘটনায় কারাগারের ভেতর ও বাইরে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও স্বচ্ছতা নিয়েও।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহের কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটে। তবে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জাগো নিউজ ঘটনাটির সত্যতা পেয়েছে।
ঘটনাটি জানতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সত্য। কারাগারের কর্মকর্তা ভুল করে কারাগার থেকে আসামিদের মুক্তি দিয়েছে। এটি ‘ভুলমুক্তি’ (ভুল করে মুক্তি)। তবে ঘটনাটি এখন জানানো হবে না। পরে সবকিছু জানানো হবে।
কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. আনিস মিয়া, রাশেদুল ইসলাম ও জাকিরুল ইসলাম। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার তারাটি গ্রামে। তারা একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে বন্দি ছিলেন। বর্তমানে তারা সবাই বাহিরে আছেন।
বিষয়টি নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের জাগো নিউজকে বলেন, ওই তিনজন হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।
প্রডাকশন ওয়ারেন্টকে ভুল করে জামিননামা ভেবে তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ডেপুটি জেলার জাকারিয়া ইমতিয়াজকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাকারিয়া ইমতিয়াজ আমাদের জানিয়েছে, ভুল করে অসতর্ক অবস্থায় আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করবে তদন্ত কমিটি। যে বা যে-সব কর্মকর্তা এটির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলবে, তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কোনো জামিননামা ছাড়াই হত্যা মামলার তিন আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন ঘটনায় কারাগারের ভেতর ও বাইরে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও স্বচ্ছতা নিয়েও।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহের কেন্দ্রীয় কারাগারে এ ঘটনা ঘটে। তবে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জাগো নিউজ ঘটনাটির সত্যতা পেয়েছে।
ঘটনাটি জানতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের সিনিয়র জেল সুপার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সত্য। কারাগারের কর্মকর্তা ভুল করে কারাগার থেকে আসামিদের মুক্তি দিয়েছে। এটি ‘ভুলমুক্তি’ (ভুল করে মুক্তি)। তবে ঘটনাটি এখন জানানো হবে না। পরে সবকিছু জানানো হবে।
কারাগার থেকে ছাড়া পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. আনিস মিয়া, রাশেদুল ইসলাম ও জাকিরুল ইসলাম। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার তারাটি গ্রামে। তারা একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে বন্দি ছিলেন। বর্তমানে তারা সবাই বাহিরে আছেন।
বিষয়টি নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের জাগো নিউজকে বলেন, ওই তিনজন হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।
প্রডাকশন ওয়ারেন্টকে ভুল করে জামিননামা ভেবে তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ডেপুটি জেলার জাকারিয়া ইমতিয়াজকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাকারিয়া ইমতিয়াজ আমাদের জানিয়েছে, ভুল করে অসতর্ক অবস্থায় আসামিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঠিক কারণ উদ্ঘাটন করবে তদন্ত কমিটি। যে বা যে-সব কর্মকর্তা এটির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলবে, তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৮
বেপর্দা নারীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির সেলফি তোলেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতীবান্ধার আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।
তিনি আরও বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে যখন এ দেশে অরাজকতা ছিল তখন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জানমাল হেফাজতের জন্য পাহারাদারের দায়িত্ব পালন করেছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জানের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া মানুষের দুঃসময়ে খাদেম হয়ে দাঁড়িয়েছি। এসময় হাতপাখা মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করেন তিনি।
মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ তাহের আমেরিকা দূতাবাসে বসে বাংলাদেশে জঙ্গি আছে এটা প্রমাণ করার জন্য ইসলামী আন্দোলনকে জঙ্গি হিসাবে উপস্থাপন করেছে। জামায়াতের নায়েবে আমির আমেরিকার কাছে বলে আসে ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী। আমারা ধিক্কার জানাই। ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠা হওয়ার প্রায় ৩৮বছর হলো আপনারা কেউ দেখেছেন ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী।
এদিন বিকালে লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশন মোড় চত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম আজ পরাজিত। ইসলামী আদর্শকে তারা (জামায়াতে ইসলাম) রাষ্ট্রীয় পর্যায় ক্ষমতায় নিতে চায় না এবং তারা ইসলাম অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে চায় না। আগের নিয়মে দেশ পরিচালনা করবে তাদের সঙ্গে থাকার কোন অর্থ থাকতে পারে না। এজই আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য এবং দেশকে সুন্দর করার জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমাদের চিন্তা নাই কারণ আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।
জনসভায় লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসেনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখার প্রার্থী ফজলুল করিম শাহরিয়ারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বেপর্দা নারীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর আমির সেলফি তোলেন বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে লালমনিরহাটের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতীবান্ধার আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।
তিনি আরও বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে যখন এ দেশে অরাজকতা ছিল তখন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সংখ্যালঘুদের জানমাল হেফাজতের জন্য পাহারাদারের দায়িত্ব পালন করেছে। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ জানের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া মানুষের দুঃসময়ে খাদেম হয়ে দাঁড়িয়েছি। এসময় হাতপাখা মার্কায় ভোট প্রত্যাশা করেন তিনি।
মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, জামায়াতের নায়েবে আমির মোহাম্মদ তাহের আমেরিকা দূতাবাসে বসে বাংলাদেশে জঙ্গি আছে এটা প্রমাণ করার জন্য ইসলামী আন্দোলনকে জঙ্গি হিসাবে উপস্থাপন করেছে। জামায়াতের নায়েবে আমির আমেরিকার কাছে বলে আসে ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী। আমারা ধিক্কার জানাই। ইসলামী আন্দোলন প্রতিষ্ঠা হওয়ার প্রায় ৩৮বছর হলো আপনারা কেউ দেখেছেন ইসলামী আন্দোলন জঙ্গি বাদী।
এদিন বিকালে লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশন মোড় চত্বরে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম আজ পরাজিত। ইসলামী আদর্শকে তারা (জামায়াতে ইসলাম) রাষ্ট্রীয় পর্যায় ক্ষমতায় নিতে চায় না এবং তারা ইসলাম অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে চায় না। আগের নিয়মে দেশ পরিচালনা করবে তাদের সঙ্গে থাকার কোন অর্থ থাকতে পারে না। এজই আমরা ইসলামকে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য এবং দেশকে সুন্দর করার জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। আমাদের চিন্তা নাই কারণ আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।
জনসভায় লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসেনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাতপাখার প্রার্থী ফজলুল করিম শাহরিয়ারসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
বড় বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ভোটারদের কাছে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিচিত্র প্রতিশ্রুতি দেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।
নির্বাচনী মাঠে তরুণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের মধ্যে আশা মণি বলেন, ‘অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন, আপা আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা—আমাকে একটা করে ভোট দিন, আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।’ শুধু তরুণরাই নন, দাদা-দাদি থেকে শুরু করে নানা-নানি ও চাচা-চাচি—সবার কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।
আশা মণির এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের জোয়ার বইছে। জয়দেব দেবনাথ নামের এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!’
উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আশা মণি, তবে সেবার তিনি মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি ভোট পান। ভোটের সমীকরণ যাই হোক, স্থানীয় সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আশা মণি একজন সাহসী পথযাত্রী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আশা মণিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরো জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনে নারী প্রার্থী মাত্র দুজন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জাতীয় পার্টির নূরুন্নাহার বেগম এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে লড়ছেন আলোচিত এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
বড় বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ভোটারদের কাছে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিচিত্র প্রতিশ্রুতি দেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।
নির্বাচনী মাঠে তরুণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের মধ্যে আশা মণি বলেন, ‘অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন, আপা আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা—আমাকে একটা করে ভোট দিন, আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।’ শুধু তরুণরাই নন, দাদা-দাদি থেকে শুরু করে নানা-নানি ও চাচা-চাচি—সবার কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।
আশা মণির এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের জোয়ার বইছে। জয়দেব দেবনাথ নামের এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!’
উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আশা মণি, তবে সেবার তিনি মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি ভোট পান। ভোটের সমীকরণ যাই হোক, স্থানীয় সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আশা মণি একজন সাহসী পথযাত্রী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আশা মণিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরো জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনে নারী প্রার্থী মাত্র দুজন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জাতীয় পার্টির নূরুন্নাহার বেগম এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে লড়ছেন আলোচিত এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০১