
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৭
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০১
পিরোজপুরে ইন্দুরকানীতে পৃথক জায়গায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক বৃদ্ধ ও এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১টার দিকে আবু হানিফ মৃধা (৭২) ভবানীপুর এলাকার সড়ক পার হওয়ার সময় একটি বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আবু হানিফ মৃধা পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চরহোগলা বুনিয়া গ্রামের মৃত এসাহাক আলী মৃধার ছেলে।
এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে একই উপজেলার ইন্দুরকানী গ্রামের ইসমাইল গাজীর স্ত্রী (৫০) পিরোজপুরের ধুপপাশা এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পরপর দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বুধবার জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহত আবু হানিফের ভাইপো সাব্বির হোসেন বাবু বলেন, ‘আমার চাচা সকাল ১১টার দিকে বাড়ির সামনের সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। বেপরোয়া অটোরিকশাচালকদের আইনের আওতায় আনা দরকার।’
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. মাহমুদ হাসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৮
পাবনার আটঘরিয়ায় নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম লোকমান হোসেন (৫৫)। তিনি মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। ঘটনার দিন নেশার টাকা চেয়ে বাবা লোকমান হোসেনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিজ ঘরের ভেতর ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা লোকমান হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৩
যশোরে মাসুদ রানা (২০) নামে এক যুবকের পেটের ভেতর থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে শহরের মণিহার বাসস্ট্যান্ড থেকে র্যাব সদস্যরা তাকে আটক করেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পঙ্গু হাসপাতালে তার এক্স-রে করার পর পেটে ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাসুদ রানা শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া কলোনিপাড়ার হোসেন আলীর ছেলে।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ. টি. এম. ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন এক যুবক ইয়াবাসহ যশোর হয়ে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয় এবং মাসুদ রানাকে আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ রানা স্বীকার করেন, তার পেটের ভেতরে আনুমানিক ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। এসব ইয়াবা তিনি কক্সবাজার থেকে যশোরে নিয়ে আসছিলেন। চিকিৎসকের সহায়তায় তার পেট থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো বের করা হয়েছে। র্যাব সদস্যদের পাহারায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে মাসুদ রানার চিকিৎসা চলছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পিরোজপুরে ইন্দুরকানীতে পৃথক জায়গায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় এক বৃদ্ধ ও এক নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১টার দিকে আবু হানিফ মৃধা (৭২) ভবানীপুর এলাকার সড়ক পার হওয়ার সময় একটি বেপরোয়া ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আবু হানিফ মৃধা পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার চরহোগলা বুনিয়া গ্রামের মৃত এসাহাক আলী মৃধার ছেলে।
এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে একই উপজেলার ইন্দুরকানী গ্রামের ইসমাইল গাজীর স্ত্রী (৫০) পিরোজপুরের ধুপপাশা এলাকায় অটোরিকশা থেকে নামার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পরপর দুটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বুধবার জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
নিহত আবু হানিফের ভাইপো সাব্বির হোসেন বাবু বলেন, ‘আমার চাচা সকাল ১১টার দিকে বাড়ির সামনের সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন। বেপরোয়া অটোরিকশাচালকদের আইনের আওতায় আনা দরকার।’
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে পিরোজপুর সদর থানার ওসি মো. মাহমুদ হাসানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
পাবনার আটঘরিয়ায় নেশার টাকা না পেয়ে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। এ ঘটনায় ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম লোকমান হোসেন (৫৫)। তিনি মাজপাড়া ইউনিয়নের হারুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। ঘটনার দিন নেশার টাকা চেয়ে বাবা লোকমান হোসেনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নিজ ঘরের ভেতর ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবা লোকমান হোসেনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
আটঘরিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘাতক ছেলে কামরুল ইসলামকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
যশোরে মাসুদ রানা (২০) নামে এক যুবকের পেটের ভেতর থেকে ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে শহরের মণিহার বাসস্ট্যান্ড থেকে র্যাব সদস্যরা তাকে আটক করেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পঙ্গু হাসপাতালে তার এক্স-রে করার পর পেটে ইয়াবা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাসুদ রানা শার্শা উপজেলার গোড়পাড়া কলোনিপাড়ার হোসেন আলীর ছেলে।
র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর এ. টি. এম. ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন এক যুবক ইয়াবাসহ যশোর হয়ে বেনাপোলের দিকে যাচ্ছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয় এবং মাসুদ রানাকে আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ রানা স্বীকার করেন, তার পেটের ভেতরে আনুমানিক ২ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। এসব ইয়াবা তিনি কক্সবাজার থেকে যশোরে নিয়ে আসছিলেন। চিকিৎসকের সহায়তায় তার পেট থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো বের করা হয়েছে। র্যাব সদস্যদের পাহারায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে মাসুদ রানার চিকিৎসা চলছে।