
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৭
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিল্লাল হোসেন (৫০) নামে এক সিনএজি চালককে ঘুসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হত্যাকারি আবুল বাশার একই বাড়ির বাসিন্দা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকালে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী কামাল ভেন্ডা, সাদ্দাম ও রমজান আলি লিটন জানান, বিল্লাল হোসেন ও আবুল বাশারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত ঝগড়া চলে আসছিল।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর দোকানের কাছে উভয়ের মধ্যে কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই বিল্লাল পড়ে গেলে মৃত্যু বরণ করেন।
পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম মেম্বার বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তারা দুই প্রতিবেশি। তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে পূর্ব থেকেই বিবাদ ছিল। আজ কলাপাতা কাটা নিয়ে বাকবিতণ্ডার সময় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
মৃত বিল্লালের ছেলে কাউছার হোসেন বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে ঝগড়া চলছে। জুম্মার নামাজের পর আব্বার সঙ্গে দোকানের কাছে কথা কাটাকাটির সময় আবুল বাশার আব্বাকে ঘুসি মারে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মারা যান। আমি চাই, এ হত্যার বিচার হোক।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিল্লাল হোসেন (৫০) নামে এক সিনএজি চালককে ঘুসি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, হত্যাকারি আবুল বাশার একই বাড়ির বাসিন্দা। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকালে উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী কামাল ভেন্ডা, সাদ্দাম ও রমজান আলি লিটন জানান, বিল্লাল হোসেন ও আবুল বাশারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জায়গা সংক্রান্ত ঝগড়া চলে আসছিল।
শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর দোকানের কাছে উভয়ের মধ্যে কলাপাতা কাটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই বিল্লাল পড়ে গেলে মৃত্যু বরণ করেন।
পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল ইসলাম মেম্বার বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তারা দুই প্রতিবেশি। তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে পূর্ব থেকেই বিবাদ ছিল। আজ কলাপাতা কাটা নিয়ে বাকবিতণ্ডার সময় আবুল বাশার বিল্লালকে ঘুসি মারে। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
মৃত বিল্লালের ছেলে কাউছার হোসেন বলেন, আমাদের সঙ্গে তাদের মধ্যে জায়গা নিয়ে ঝগড়া চলছে। জুম্মার নামাজের পর আব্বার সঙ্গে দোকানের কাছে কথা কাটাকাটির সময় আবুল বাশার আব্বাকে ঘুসি মারে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি মারা যান। আমি চাই, এ হত্যার বিচার হোক।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৫
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় উল্টোপথে আসা একটি ট্রাকের ধাক্কায় কাওসার হোসেন সম্রাট (৩৫) নামে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ডাকপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কাওসার হোসেন সম্রাট দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক রুহুল আমিনের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি পরিবারসহ কর্ণফুলীর দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করতেন। পরিবারে তার স্ত্রী ও তিন এবং দুই বছর বয়সী দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন জানান, চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে মোটরসাইকেলে দৌলতপুরে ফিরছিলেন সম্রাট। পথে ডাকপাড়া এলাকায় পৌঁছালে উল্টোপথে আসা একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্ণফুলী থানার ওসি মো. শাহীনূর আলম বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক ও এর চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় উল্টোপথে আসা একটি ট্রাকের ধাক্কায় কাওসার হোসেন সম্রাট (৩৫) নামে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ডাকপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কাওসার হোসেন সম্রাট দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক রুহুল আমিনের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলায় হলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি পরিবারসহ কর্ণফুলীর দৌলতপুর এলাকায় বসবাস করতেন। পরিবারে তার স্ত্রী ও তিন এবং দুই বছর বয়সী দুই কন্যাসন্তান রয়েছে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন জানান, চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে মোটরসাইকেলে দৌলতপুরে ফিরছিলেন সম্রাট। পথে ডাকপাড়া এলাকায় পৌঁছালে উল্টোপথে আসা একটি ট্রাক তার মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কর্ণফুলী থানার ওসি মো. শাহীনূর আলম বলেন, দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক ও এর চালককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সরকারি হাট-বাজার নিলামের টেন্ডার বক্সে জোরপূর্বক সিডিউল ঢোকানোর অভিযোগে মো. হারুন নামে এক শ্রমিকদল নেতাকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হারুন (৪২) নোয়াখালী পৌরসভা শ্রমিকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং পৌরসভার উজ্জলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ উল্যার ছেলে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোমায়রা ইসলাম। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ৩৩টি হাট-বাজারের ইজারা নিলামের টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন ঠিকাদার ও টেন্ডার প্রত্যাশীরা নির্ধারিত চারটি স্থানে স্থাপিত টেন্ডার বক্সে তাদের সিডিউল জমা দেন।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে টেন্ডার বক্সগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে শ্রমিকদল নেতা হারুন জোরপূর্বক ২-৩টি সিডিউল টেন্ডার বক্সে ঢুকিয়ে দেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসার পর তিনি পুলিশকে অভিযুক্তকে আটক করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ তাকে কার্যালয়ের নিচতলা থেকে আটক করে।
এরপর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ নেওয়াজ তানভীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হারুনকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা দেন।
নোয়াখালী জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই বিষয়টি আমি গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ নেওয়াজ তানভীর বলেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি জোর করে টেন্ডার সিডিউল জমা দেন। বিষয়টি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় সরকারি হাট-বাজার নিলামের টেন্ডার বক্সে জোরপূর্বক সিডিউল ঢোকানোর অভিযোগে মো. হারুন নামে এক শ্রমিকদল নেতাকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. হারুন (৪২) নোয়াখালী পৌরসভা শ্রমিকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং পৌরসভার উজ্জলপুর এলাকার বাসিন্দা মো. শহীদ উল্যার ছেলে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হোমায়রা ইসলাম। এর আগে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার ৩৩টি হাট-বাজারের ইজারা নিলামের টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন ঠিকাদার ও টেন্ডার প্রত্যাশীরা নির্ধারিত চারটি স্থানে স্থাপিত টেন্ডার বক্সে তাদের সিডিউল জমা দেন।
নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ও সদর উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে টেন্ডার বক্সগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে শ্রমিকদল নেতা হারুন জোরপূর্বক ২-৩টি সিডিউল টেন্ডার বক্সে ঢুকিয়ে দেন।
বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নজরে আসার পর তিনি পুলিশকে অভিযুক্তকে আটক করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশ তাকে কার্যালয়ের নিচতলা থেকে আটক করে।
এরপর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ নেওয়াজ তানভীর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে হারুনকে দুই দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা জরিমানা দেন।
নোয়াখালী জেলা শ্রমিকদলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এই বিষয়টি আমি গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহ নেওয়াজ তানভীর বলেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও তিনি জোর করে টেন্ডার সিডিউল জমা দেন। বিষয়টি সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে তাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.