
২১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:০৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদে গ্রেপ্তার বিপ্লব ফকির নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়াতে তৎপর হয়েছেন বিএনপির সাবেক হুইপ ও সংসদ সদস্য মো. শহিদুল হক জামালের এপিএস শাহ মোহাম্মাদ নাসির উদ্দীন ফকির। তার দাবি- গ্রেপ্তার ব্যক্তি আওয়ামী লীগের নয়, বিএনপির সক্রিয় কর্মী।
উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়ন পাটিকেলবাড়ী এলাকা থেকে সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকালে বিপ্লব ফকিরকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাক পরিহিত একদল ব্যক্তি।
বিপ্লব ফকির গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিপ্লব ফকিরকে পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে ছাড়িয়ে আনতে চেষ্টা শুরু করেন বিএনপির নেতা মো. শাহ নাসির উদ্দীন ফকির।
স্থানীয় মো. সোহেল, আরিফ ফকিরসহ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিপ্লব ফকির এলাকায় প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি কিছুটা বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সোমবার বিকালে গ্রেপ্তারের আগ মুহুর্তেও বাজারে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আখ দিয়ে মারধর করেন। তিনি আওয়ামী লীগ করেও স্থানীয় বিএনপি নেতা নাসির ফকিরের দাপটে চলতেন।
গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. লাভলু গাজী বলেন, ‘বিপ্লব মূলত বিএনপি ঘেঁষা মানুষ। শুনেছি, পূর্বে আওয়ামী লীগ করত। সোমবার বিকালে ডিবি পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে গেছে।’
গুয়ারেখা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব ফকিরকে তার নিজের সম্মতিতে ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পদে রাখা হয়েছিল। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে শাহ নাসির উদ্দীন বলেন, ‘বিপ্লব আমাদের দলের (বিএনপি) একজন সক্রিয় কর্মী। কে বা কারা তার নাম আওয়ামী লীগের কমিটিতে দিয়েছে, তা জানি না। এটি রাজনৈতিক একটি চক্রান্ত। আমরা আশা করছি তাকে এই চক্রান্তের হাত থেকে মুক্ত করতে পারব।’
এ বিষয়ে জানতে পিরোজপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অফিসে ফোন করা হলেও কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে গ্রেপ্তার বিপ্লব ফকির নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়াতে তৎপর হয়েছেন বিএনপির সাবেক হুইপ ও সংসদ সদস্য মো. শহিদুল হক জামালের এপিএস শাহ মোহাম্মাদ নাসির উদ্দীন ফকির। তার দাবি- গ্রেপ্তার ব্যক্তি আওয়ামী লীগের নয়, বিএনপির সক্রিয় কর্মী।
উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়ন পাটিকেলবাড়ী এলাকা থেকে সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকালে বিপ্লব ফকিরকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাক পরিহিত একদল ব্যক্তি।
বিপ্লব ফকির গুয়ারেখা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিপ্লব ফকিরকে পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে ছাড়িয়ে আনতে চেষ্টা শুরু করেন বিএনপির নেতা মো. শাহ নাসির উদ্দীন ফকির।
স্থানীয় মো. সোহেল, আরিফ ফকিরসহ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, বিপ্লব ফকির এলাকায় প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি কিছুটা বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সোমবার বিকালে গ্রেপ্তারের আগ মুহুর্তেও বাজারে তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তিকে আখ দিয়ে মারধর করেন। তিনি আওয়ামী লীগ করেও স্থানীয় বিএনপি নেতা নাসির ফকিরের দাপটে চলতেন।
গুয়ারেখা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. লাভলু গাজী বলেন, ‘বিপ্লব মূলত বিএনপি ঘেঁষা মানুষ। শুনেছি, পূর্বে আওয়ামী লীগ করত। সোমবার বিকালে ডিবি পুলিশ এসে তাকে ধরে নিয়ে গেছে।’
গুয়ারেখা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব ফকিরকে তার নিজের সম্মতিতে ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির পদে রাখা হয়েছিল। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি বিএনপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে শাহ নাসির উদ্দীন বলেন, ‘বিপ্লব আমাদের দলের (বিএনপি) একজন সক্রিয় কর্মী। কে বা কারা তার নাম আওয়ামী লীগের কমিটিতে দিয়েছে, তা জানি না। এটি রাজনৈতিক একটি চক্রান্ত। আমরা আশা করছি তাকে এই চক্রান্তের হাত থেকে মুক্ত করতে পারব।’
এ বিষয়ে জানতে পিরোজপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অফিসে ফোন করা হলেও কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:১৮
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:১২
পিরোজপুর সদর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের শুঁটকি পল্লী, নদী ও সাগরের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এক ব্যস্ত কর্মচাঞ্চল্যের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। কচা নদীর তীর ঘেঁষে সারি সারি বাঁশের মাচা, বাতাসে ভেসে আসা শুকনো মাছের গন্ধ আর শ্রমিকদের কর্মব্যস্ত হাতের শব্দে দিনভর মুখর থাকে এই এলাকা। শীত এলেই যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায় শুঁটকি পল্লীটি।
নদী ও বঙ্গোপসাগর কাছাকাছি হওয়ায় সদর উপজেলার পাড়েরহাটে একটি মৎস্য বন্দর গড়ে ওঠে।
এই বন্দরের পাশেই চিথলিয়া গ্রামে শুঁটকি পল্লীর সূচনা। বন্দরে আসা সামুদ্রিক মাছ থেকেই তৈরি হয় শুঁটকি। সাধারণত অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত চলে শুঁটকি উৎপাদন ও বাণিজ্য।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরের দক্ষিণে কচা নদীর তীরে পাঁচটি বাসা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই শুঁটকি পল্লী। এখানে ৫ থেকে ৭ জন ব্যবসায়ী শুঁটকি উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত। মৌসুমভেদে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন শ্রমিক এখানে কাজ করেন। কেউ বন্দর থেকে মাছ এনে পরিষ্কার করছেন, কেউ বড় মাছ কাটছেন, আবার কেউ লবণ পানি মিশিয়ে বাঁশের মাচায় মাছ শুকানোর কাজে ব্যস্ত। শুকিয়ে যাওয়া শুঁটকি বস্তায় ভরে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বাজারজাত করার জন্য।
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে পাড়েরহাটে একটি বাসা দিয়ে শুঁটকির ব্যবসা শুরু হয়। পরে তা বাড়তে বাড়তে ৮ থেকে ১০টি বাসায় পৌঁছালেও বর্তমানে স্থায়ীভাবে পাঁচটি বাসা রয়েছে। এখানে কোরাল, লইট্টা, ছুরি, চিতল, হাইতা, মর্মা, ঢেলা, মধু ফ্যাপসা, চাপিলাসহ ৩০ থেকে ৩৫ প্রজাতির মাছ দিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়। শীতকালে এসব মাছ বেশি ধরা পড়ে এবং ঠান্ডা আবহাওয়ায় শুঁটকির মানও ভালো থাকে। গরমে শুঁটকির গুণগত মান নষ্ট হওয়ায় শীত মৌসুমেই সবচেয়ে বেশি জমজমাট থাকে পল্লীটি। মাছের মান অনুযায়ী প্রতি কেজি শুঁটকি ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়।
শুঁটকি ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, তারা কোনো ধরনের ওষুধ বা কেমিক্যাল ব্যবহার না করেই শুঁটকি তৈরি করেন। নিরাপদ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তৈরি হওয়ায় বাজারে তাদের শুঁটকির চাহিদা বেশি।
চিথলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আলী সরদার জানান, মৌসুমের শুরুতে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। জেলেরা সরাসরি মাছ এনে বিক্রি করেন, সেখান থেকেই শুঁটকির জন্য মাছ সংগ্রহ করা হয়। ইলিশ ছাড়া প্রায় সব ধরনের মাছ দিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়, যা ভোক্তাদের কাছে জনপ্রিয়।
চার বছর ধরে এখানে কাজ করা শ্রমিক মো. ইব্রাহিম মুন্সি বলেন, এখানে কোনো কীটনাশক বা ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয় না। রোদে শুকিয়ে পরিষ্কারভাবে শুঁটকি তৈরি করা হয় বলেই এর চাহিদা বেশি।
আরেক ব্যবসায়ী শাজাহান হাওলাদার বলেন, বর্তমানে এখানে পাঁচটি বাসায় প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। তবে টিউবওয়েল, একটি সেতু ও পর্যাপ্ত বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকলে ব্যবসা আরো ভালোভাবে পরিচালনা করা যেত।
প্রতি বছর এই শুঁটকি পল্লী থেকে ১০০ টনের বেশি শুঁটকি উৎপাদন হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সংশ্লিষ্টরা সহজ শর্তে ঋণসহ সরকারি সহযোগিতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সন্নামত বলেন, শীত মৌসুমে প্রায় চার মাস এখানে শুঁটকি কার্যক্রম চলে এবং উৎপাদন পদ্ধতি নিরাপদ। মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শুঁটকি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে তদারকি বাড়বে এবং এখানকার শুঁটকি দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের শুঁটকি পল্লী, নদী ও সাগরের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এক ব্যস্ত কর্মচাঞ্চল্যের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। কচা নদীর তীর ঘেঁষে সারি সারি বাঁশের মাচা, বাতাসে ভেসে আসা শুকনো মাছের গন্ধ আর শ্রমিকদের কর্মব্যস্ত হাতের শব্দে দিনভর মুখর থাকে এই এলাকা। শীত এলেই যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায় শুঁটকি পল্লীটি।
নদী ও বঙ্গোপসাগর কাছাকাছি হওয়ায় সদর উপজেলার পাড়েরহাটে একটি মৎস্য বন্দর গড়ে ওঠে।
এই বন্দরের পাশেই চিথলিয়া গ্রামে শুঁটকি পল্লীর সূচনা। বন্দরে আসা সামুদ্রিক মাছ থেকেই তৈরি হয় শুঁটকি। সাধারণত অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত চলে শুঁটকি উৎপাদন ও বাণিজ্য।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরের দক্ষিণে কচা নদীর তীরে পাঁচটি বাসা নিয়ে গড়ে উঠেছে এই শুঁটকি পল্লী। এখানে ৫ থেকে ৭ জন ব্যবসায়ী শুঁটকি উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত। মৌসুমভেদে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন শ্রমিক এখানে কাজ করেন। কেউ বন্দর থেকে মাছ এনে পরিষ্কার করছেন, কেউ বড় মাছ কাটছেন, আবার কেউ লবণ পানি মিশিয়ে বাঁশের মাচায় মাছ শুকানোর কাজে ব্যস্ত। শুকিয়ে যাওয়া শুঁটকি বস্তায় ভরে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বাজারজাত করার জন্য।
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে পাড়েরহাটে একটি বাসা দিয়ে শুঁটকির ব্যবসা শুরু হয়। পরে তা বাড়তে বাড়তে ৮ থেকে ১০টি বাসায় পৌঁছালেও বর্তমানে স্থায়ীভাবে পাঁচটি বাসা রয়েছে। এখানে কোরাল, লইট্টা, ছুরি, চিতল, হাইতা, মর্মা, ঢেলা, মধু ফ্যাপসা, চাপিলাসহ ৩০ থেকে ৩৫ প্রজাতির মাছ দিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়। শীতকালে এসব মাছ বেশি ধরা পড়ে এবং ঠান্ডা আবহাওয়ায় শুঁটকির মানও ভালো থাকে। গরমে শুঁটকির গুণগত মান নষ্ট হওয়ায় শীত মৌসুমেই সবচেয়ে বেশি জমজমাট থাকে পল্লীটি। মাছের মান অনুযায়ী প্রতি কেজি শুঁটকি ৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়।
শুঁটকি ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন তালুকদার জানান, তারা কোনো ধরনের ওষুধ বা কেমিক্যাল ব্যবহার না করেই শুঁটকি তৈরি করেন। নিরাপদ ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তৈরি হওয়ায় বাজারে তাদের শুঁটকির চাহিদা বেশি।
চিথলিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী আলী সরদার জানান, মৌসুমের শুরুতে পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। জেলেরা সরাসরি মাছ এনে বিক্রি করেন, সেখান থেকেই শুঁটকির জন্য মাছ সংগ্রহ করা হয়। ইলিশ ছাড়া প্রায় সব ধরনের মাছ দিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়, যা ভোক্তাদের কাছে জনপ্রিয়।
চার বছর ধরে এখানে কাজ করা শ্রমিক মো. ইব্রাহিম মুন্সি বলেন, এখানে কোনো কীটনাশক বা ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহার করা হয় না। রোদে শুকিয়ে পরিষ্কারভাবে শুঁটকি তৈরি করা হয় বলেই এর চাহিদা বেশি।
আরেক ব্যবসায়ী শাজাহান হাওলাদার বলেন, বর্তমানে এখানে পাঁচটি বাসায় প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। তবে টিউবওয়েল, একটি সেতু ও পর্যাপ্ত বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকলে ব্যবসা আরো ভালোভাবে পরিচালনা করা যেত।
প্রতি বছর এই শুঁটকি পল্লী থেকে ১০০ টনের বেশি শুঁটকি উৎপাদন হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সংশ্লিষ্টরা সহজ শর্তে ঋণসহ সরকারি সহযোগিতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সঞ্জীব সন্নামত বলেন, শীত মৌসুমে প্রায় চার মাস এখানে শুঁটকি কার্যক্রম চলে এবং উৎপাদন পদ্ধতি নিরাপদ। মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শুঁটকি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাবনা রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে তদারকি বাড়বে এবং এখানকার শুঁটকি দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে।

১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৬:০০
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাচন অফিসে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর রাত ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসের দোতালায় জানালার কাচ ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। পাশের একটি ভবন থেকে লাঠির সঙ্গে গামছায় পেট্রোল লাগিয়ে ভেতরে আগুন দেয়। গামছা পুড়ে ছাই মেঝেতে পড়ে থাকে। এ সময় অফিসের লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
বিজ্ঞাপন
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের নৈশপ্রহরী মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি রাত ২টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি। আগুনের বিষয়টি শুরুতে টের পাইনি। টের পেলে ৯৯৯ এ কল দিতাম। পরে বিষয়টি নজরে আসলে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার বাসুদেব সরকার বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে আমাদের কোনো ছুটি নেই আমি গতকাল রাত ১১টার সময় অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় যাই। সকালে অফিসে এলে এমন পরিস্থিতি দেখি। তবে অফিস এবং অফিসের কোনো নথিপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হয়ত সেই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একটি মহল এ রকম ঘটনা ঘটাতে পারে। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নির্বাহী অফিসার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য।
মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বরিশালটাইমসকে বলেন, ভবনের পেছনের থাই গ্লাসের জানালা কৌশলে খুলে তারপর আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিষয়টি টের পাওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। নির্বাচন অফিস থেকে অভিযোগ দিলে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় উপজেলা নির্বাচন অফিসে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর রাত ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসের দোতালায় জানালার কাচ ভেঙে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা। পাশের একটি ভবন থেকে লাঠির সঙ্গে গামছায় পেট্রোল লাগিয়ে ভেতরে আগুন দেয়। গামছা পুড়ে ছাই মেঝেতে পড়ে থাকে। এ সময় অফিসের লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
বিজ্ঞাপন
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসের নৈশপ্রহরী মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি রাত ২টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি। আগুনের বিষয়টি শুরুতে টের পাইনি। টের পেলে ৯৯৯ এ কল দিতাম। পরে বিষয়টি নজরে আসলে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার বাসুদেব সরকার বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে আমাদের কোনো ছুটি নেই আমি গতকাল রাত ১১টার সময় অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় যাই। সকালে অফিসে এলে এমন পরিস্থিতি দেখি। তবে অফিস এবং অফিসের কোনো নথিপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। গত ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হয়ত সেই নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য একটি মহল এ রকম ঘটনা ঘটাতে পারে। আমি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নির্বাহী অফিসার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য।
মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বরিশালটাইমসকে বলেন, ভবনের পেছনের থাই গ্লাসের জানালা কৌশলে খুলে তারপর আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিষয়টি টের পাওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। নির্বাচন অফিস থেকে অভিযোগ দিলে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১০:৪৫
নেছারাবাদে সহকারী শিক্ষক ও এক অভিভাবকের মধ্যে দুই দফায় ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি ঘিরে স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সারাদেশে চলমান কর্মবিরতির অংশ হিসেবে নেছারাবাদ উপজেলার সহকারী শিক্ষকরা পরীক্ষা গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ২ ডিসেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হলেও সহকারী শিক্ষক না থাকায় পরীক্ষা পরিচালনা করেন প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় কমিটির সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ১৬৯টি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক একযোগে উপজেলা চত্বরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিলে কয়েকজন অভিভাবক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এ সময় অভিভাবক মো. রুহুল আমীন ও সহকারী শিক্ষক আদনান হোসাইনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতন্ডা এবং পরে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
শিক্ষক আদনান হোসনাইন বলেন, “আমরা কোনো বাধা দেইনি। নিরাপত্তার জন্য শান্তিপূর্ণভাবে উপজেলা পরিষদে অবস্থান করছিলাম। এমন সময় রুহুল আমীন এসে শিক্ষিকাদের গালিগালাজ করে। আমি প্রতিবাদ করতেই তিনি আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালান।”
অভিভাবক মো. রুহুল আমীন দাবি করেন,“পরীক্ষার সময় শিক্ষকরা স্কুল ফেলে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তাতে বাচ্চাদের ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টি জানতে চাইলে শিক্ষক আদনান হোসেন আমার ওপর চড়াও হয়।” উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোন্দকার জসিম আহমেদ বলেন, “ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি দু:খজনক।
নেছারাবাদে সহকারী শিক্ষক ও এক অভিভাবকের মধ্যে দুই দফায় ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি ঘিরে স্থানীয় শিক্ষক সমাজের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সারাদেশে চলমান কর্মবিরতির অংশ হিসেবে নেছারাবাদ উপজেলার সহকারী শিক্ষকরা পরীক্ষা গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। ২ ডিসেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু হলেও সহকারী শিক্ষক না থাকায় পরীক্ষা পরিচালনা করেন প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় কমিটির সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ১৬৯টি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক একযোগে উপজেলা চত্বরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিলে কয়েকজন অভিভাবক ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এ সময় অভিভাবক মো. রুহুল আমীন ও সহকারী শিক্ষক আদনান হোসাইনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতন্ডা এবং পরে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
শিক্ষক আদনান হোসনাইন বলেন, “আমরা কোনো বাধা দেইনি। নিরাপত্তার জন্য শান্তিপূর্ণভাবে উপজেলা পরিষদে অবস্থান করছিলাম। এমন সময় রুহুল আমীন এসে শিক্ষিকাদের গালিগালাজ করে। আমি প্রতিবাদ করতেই তিনি আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালান।”
অভিভাবক মো. রুহুল আমীন দাবি করেন,“পরীক্ষার সময় শিক্ষকরা স্কুল ফেলে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তাতে বাচ্চাদের ক্ষতি হচ্ছে। বিষয়টি জানতে চাইলে শিক্ষক আদনান হোসেন আমার ওপর চড়াও হয়।” উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোন্দকার জসিম আহমেদ বলেন, “ঘটনাটি শুনেছি। বিষয়টি দু:খজনক।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.