
২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৫
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক রুপালী বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নাছরুল্লাহ আল-কাফী এবং নাগরিক প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি আরিফ বিল্লাহর ওপর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আহত করার সাতদিন পার হলেও আসামিদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় উল্টো শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বালিপাড়া ইউনিয়নের স্থানীয় যুবদল নেতা খসরুল আলম আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীর মোবাইল ফোনে কল করে আসামিদের নামে নিউজ করা হলো কেন এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছিলেন, তখন পাসে থাকা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বালিপাড়া ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ওরফে (কালাম সিকদার) ওই সাংবাদিকের 'পায়ের নলি' ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে ওই বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের পক্ষে একটি নম্বর থেকে কল করে নিউজ না করার জন্য মোটা অংকের টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা কালাম সিকদার বলেন, আমি ওকে কল দেইনি, হুমকি দেব কিভাবে।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ইন্দুরকানী এফ করিম আলিম মাদ্রাসা মাঠে একটি জানাজা নামাজ শেষে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের সঙ্গে পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাসির উদ্দীনের সাথে দেখা হলে, নাসির উদ্দীন কালাম সিকদারকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রকাশ্যে ওই সাংবাদিককে আবারও হুমকি দেয়। নাসির উদ্দীন বলেন, আমি জানাজা শেষে রাস্তায় বের হলে কালাম সিকদারকে দেখতে পেয়ে আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীকে কেন পা ভাঙার হুমকি দিয়েছে, এটা প্রশ্ন করলে কালাম সিকদার বলেন, ওকে হুমকি না দিয়ে ওর পা ভেঙে দেওয়া দরকার ছিল। ওকে পেলে পা ভেঙে দেব।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. আহসান কবির বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে পিরোজপুর শহরের টাউন ক্লাব সড়কে জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা একটি মানববন্ধন করেন। এছাড়া পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, ইন্দুরকানী প্রেসক্লাব, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ জেলা শাখা ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন, এছাড়াও একই দাবি করেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এর আগে, গত রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকালে ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর বাজারে সুপারি কেনাবেচা ও পরিবহন নিয়ে খবর সংগ্রহ করছিলেন ওই দুই সাংবাদিক। একই সময়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি সমাবেশ চলছিল। এসময় সাংবাদিকরা সুপারি ট্রাকে তোলা এবং বাজারসংক্রান্ত ভিডিও ধারণ করছিলেন। সমাবেশে উপস্থিতি কম থাকায় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী মনে করে সাংবাদিকরা তাদের ফাঁকা চেয়ারের ছবি তুলছে এমন সন্দেহে তারা অতর্কিতভাবে ওই দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের কাছে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, মাইক্রোফোন, ক্যামেরা স্ট্যান্ড, পেনড্রাইভ, প্রেসকার্ড, মানিব্যাগ ও তাদের সাথে থাকা কিছু টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয়রা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে দুজনকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে আহত আরিফ বিল্লাহ এর ভাই শরিফ বিল্লাহ বাদী হয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাসহ আটজনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। ওই দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত হওয়ায় বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার আসামিরা হলেন, চন্ডিপুর (খোলপটুয়া) গ্রামের হাবিবুর রহমান শেখের ছেলে যুবদল নেতা অহিদুল ইসলাম শেখ (৩৫), দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে ছাত্রদল নেতা ফাইজুল ইসলাম তাওহিদ মৃধা (২১), পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের আব্দুল আউয়াল বেপারী এর ছেলে তানভীর আহমেদ রাকিব (২২), উত্তর কলারন গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল হাওলাদার (৪০), পশ্চিম কলারন গ্রামের আলি আকবার তালুকদারের ছেলে বিএনপিকর্মী শাহাদাৎ হোসেন হিরু তালুকদার (৪৮), পশ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামের মেনহাজ এর ছেলে যুবদল নেতা ফারুক হোসেন (২৮), পচ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামর মৃত আলী আহমেদের ছেলে জমি দখল ও লুটপাটসহ একাধিক মামলার সাবেক আসামী বিএনপি নেতা আবু ছালেহ বেপারি (৫০) ও আল আমিন শেখ (৪২)সহ আরও অজ্ঞাত ২০/২৫ জন।
পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনকালে দৈনিক রুপালী বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নাছরুল্লাহ আল-কাফী এবং নাগরিক প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি আরিফ বিল্লাহর ওপর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আহত করার সাতদিন পার হলেও আসামিদের কাউকেই গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ। এ ঘটনায় উল্টো শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বালিপাড়া ইউনিয়নের স্থানীয় যুবদল নেতা খসরুল আলম আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীর মোবাইল ফোনে কল করে আসামিদের নামে নিউজ করা হলো কেন এ বিষয়ে জানতে চাচ্ছিলেন, তখন পাসে থাকা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বালিপাড়া ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ওরফে (কালাম সিকদার) ওই সাংবাদিকের 'পায়ের নলি' ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরে ওই বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের পক্ষে একটি নম্বর থেকে কল করে নিউজ না করার জন্য মোটা অংকের টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা কালাম সিকদার বলেন, আমি ওকে কল দেইনি, হুমকি দেব কিভাবে।
এ বিষয়ে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ইন্দুরকানী এফ করিম আলিম মাদ্রাসা মাঠে একটি জানাজা নামাজ শেষে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা কালাম সিকদারের সঙ্গে পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নাসির উদ্দীনের সাথে দেখা হলে, নাসির উদ্দীন কালাম সিকদারকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে প্রকাশ্যে ওই সাংবাদিককে আবারও হুমকি দেয়। নাসির উদ্দীন বলেন, আমি জানাজা শেষে রাস্তায় বের হলে কালাম সিকদারকে দেখতে পেয়ে আহত সাংবাদিক নাছরুল্লাহ আল কাফীকে কেন পা ভাঙার হুমকি দিয়েছে, এটা প্রশ্ন করলে কালাম সিকদার বলেন, ওকে হুমকি না দিয়ে ওর পা ভেঙে দেওয়া দরকার ছিল। ওকে পেলে পা ভেঙে দেব।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. আহসান কবির বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকালে পিরোজপুর শহরের টাউন ক্লাব সড়কে জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা একটি মানববন্ধন করেন। এছাড়া পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, ইন্দুরকানী প্রেসক্লাব, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ জেলা শাখা ও ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন, এছাড়াও একই দাবি করেন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এর আগে, গত রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকালে ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর বাজারে সুপারি কেনাবেচা ও পরিবহন নিয়ে খবর সংগ্রহ করছিলেন ওই দুই সাংবাদিক। একই সময়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির একটি সমাবেশ চলছিল। এসময় সাংবাদিকরা সুপারি ট্রাকে তোলা এবং বাজারসংক্রান্ত ভিডিও ধারণ করছিলেন। সমাবেশে উপস্থিতি কম থাকায় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী মনে করে সাংবাদিকরা তাদের ফাঁকা চেয়ারের ছবি তুলছে এমন সন্দেহে তারা অতর্কিতভাবে ওই দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা চালায় এবং তাদের কাছে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, মাইক্রোফোন, ক্যামেরা স্ট্যান্ড, পেনড্রাইভ, প্রেসকার্ড, মানিব্যাগ ও তাদের সাথে থাকা কিছু টাকা ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয়রা আহত সাংবাদিকদের উদ্ধার করে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে দুজনকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় সোমবার (১৭ নভেম্বর) রাতে আহত আরিফ বিল্লাহ এর ভাই শরিফ বিল্লাহ বাদী হয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাসহ আটজনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন। ওই দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত হওয়ায় বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার আসামিরা হলেন, চন্ডিপুর (খোলপটুয়া) গ্রামের হাবিবুর রহমান শেখের ছেলে যুবদল নেতা অহিদুল ইসলাম শেখ (৩৫), দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে ছাত্রদল নেতা ফাইজুল ইসলাম তাওহিদ মৃধা (২১), পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের আব্দুল আউয়াল বেপারী এর ছেলে তানভীর আহমেদ রাকিব (২২), উত্তর কলারন গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল হাওলাদার (৪০), পশ্চিম কলারন গ্রামের আলি আকবার তালুকদারের ছেলে বিএনপিকর্মী শাহাদাৎ হোসেন হিরু তালুকদার (৪৮), পশ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামের মেনহাজ এর ছেলে যুবদল নেতা ফারুক হোসেন (২৮), পচ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামর মৃত আলী আহমেদের ছেলে জমি দখল ও লুটপাটসহ একাধিক মামলার সাবেক আসামী বিএনপি নেতা আবু ছালেহ বেপারি (৫০) ও আল আমিন শেখ (৪২)সহ আরও অজ্ঞাত ২০/২৫ জন।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৫
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৩