Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:৫৫
বরিশাল থেকে রাজধানী ঢাকাগামী ৫টি বিলাসবহুল লঞ্চের যাত্রা আকস্মিক বাতিল করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে বরিশাল নৌবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকাগামী চারটি এবং একটি ভায়া লঞ্চকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। ঘন কুয়াশার কারণে দুটি ধরে মাঝ নদীতে লঞ্চে লঞ্চে সংঘাত এবং যাত্রীর প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিল সংস্থাটি। লঞ্চগুলো বরিশাল নদীবন্দর ত্যাগ করার ঘণ্টাখানেক আগে যাত্রা বাতিল হওয়ায় আগন্তক যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হন।
দুইদিন ধরে প্রচন্ড শীত পড়ছে এবং উত্তরের শীতল হাওয়া বয়ে যাওয়ায় বরিশাল জনপদের বাসিন্দারা জবুথবু হয়ে পড়েছেন। এবং ঘন কুয়াশার কারণে মাঝ নদীতে একাধিক দুর্ঘটনা ও প্রাণবিয়োগের ঘটনা ঘটে। রোববার সারা দিন ঘন কুয়াশার কারণে বরিশালের আকাশে সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি।
বরিশাল আবহাওয়া অফিস বলছে, রোববার বরিশাল জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিন ধরেই জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে, যার সাথে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। মূলত এই ঘন কুয়াশার কারণেই মাঝনদীতে দুর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রাণহানি হয়, যার প্রেক্ষিতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখার মতো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় বিআইডব্লিউটিএ।
তবে ঘাটত্যাগ করার মাত্র এক ঘণ্টা আগে লঞ্চ যাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত যাত্রীদের সংক্ষুব্ধ করে তোলে এবং এনিয়ে তাদের ক্ষোভ ঝারতেও দেখা যায়। ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল নদীবন্দরে আসা বাকেরগঞ্জের হারুন হাওলাদার জানান, প্রচণ্ড শীতের মধ্যে পরিবার নিয়ে দুই ঘণ্টা বসে থাকার পর জানানো হয় আজ আর লঞ্চ ছাড়বে না। এখন রাতের বেলা বস্তাবোডিং নিয়ে বাসায় ফিরতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশালের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জুলফিকার আলী জানান, কেন্দ্রীয় অফিসের নির্দেশনার আলোকে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পারাবত-১১ ও ১২, এম খান-৭, সুরভী-৭ এবং ভায়া পরিবহনরত সুন্দরবন-১২ লঞ্চের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘোষণার আগপর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।’
বরিশাল থেকে রাজধানী ঢাকাগামী ৫টি বিলাসবহুল লঞ্চের যাত্রা আকস্মিক বাতিল করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে বরিশাল নৌবন্দর থেকে সরাসরি ঢাকাগামী চারটি এবং একটি ভায়া লঞ্চকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। ঘন কুয়াশার কারণে দুটি ধরে মাঝ নদীতে লঞ্চে লঞ্চে সংঘাত এবং যাত্রীর প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিল সংস্থাটি। লঞ্চগুলো বরিশাল নদীবন্দর ত্যাগ করার ঘণ্টাখানেক আগে যাত্রা বাতিল হওয়ায় আগন্তক যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হন।
দুইদিন ধরে প্রচন্ড শীত পড়ছে এবং উত্তরের শীতল হাওয়া বয়ে যাওয়ায় বরিশাল জনপদের বাসিন্দারা জবুথবু হয়ে পড়েছেন। এবং ঘন কুয়াশার কারণে মাঝ নদীতে একাধিক দুর্ঘটনা ও প্রাণবিয়োগের ঘটনা ঘটে। রোববার সারা দিন ঘন কুয়াশার কারণে বরিশালের আকাশে সূর্যের আলোর দেখা মেলেনি।
বরিশাল আবহাওয়া অফিস বলছে, রোববার বরিশাল জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিন ধরেই জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে, যার সাথে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। মূলত এই ঘন কুয়াশার কারণেই মাঝনদীতে দুর্ঘটনা ঘটছে এবং প্রাণহানি হয়, যার প্রেক্ষিতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখার মতো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় বিআইডব্লিউটিএ।
তবে ঘাটত্যাগ করার মাত্র এক ঘণ্টা আগে লঞ্চ যাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত যাত্রীদের সংক্ষুব্ধ করে তোলে এবং এনিয়ে তাদের ক্ষোভ ঝারতেও দেখা যায়। ঢাকার উদ্দেশে বরিশাল নদীবন্দরে আসা বাকেরগঞ্জের হারুন হাওলাদার জানান, প্রচণ্ড শীতের মধ্যে পরিবার নিয়ে দুই ঘণ্টা বসে থাকার পর জানানো হয় আজ আর লঞ্চ ছাড়বে না। এখন রাতের বেলা বস্তাবোডিং নিয়ে বাসায় ফিরতে হচ্ছে, যা চরম দুর্ভোগের।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশালের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর জুলফিকার আলী জানান, কেন্দ্রীয় অফিসের নির্দেশনার আলোকে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পারাবত-১১ ও ১২, এম খান-৭, সুরভী-৭ এবং ভায়া পরিবহনরত সুন্দরবন-১২ লঞ্চের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘোষণার আগপর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫১

১৫ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৫
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। হঠাৎ এ ঘটনায় ক্লিনিকজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সাগরদী এলাকায় অবস্থিত বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকে রোববার দুপুরে একটি এসি খুলে অন্যত্র স্থানান্তরের কাজ করছিলেন কর্মীরা। কাজের একপর্যায়ে এসির ভেতরে সাপ দেখতে পেয়ে তারা চমকে ওঠেন।
এ ঘটনায় ক্লিনিকের কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি দ্রুত উদ্ধারকারীদের জানানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
দীর্ঘ সময় সতর্কতার সঙ্গে অনুসন্ধান চালিয়ে এসির ভেতর থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে এসির বিভিন্ন অংশ খুলে পরীক্ষা করা হয়। সাপটি নিরাপদে বের করার পর ক্লিনিক এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।
বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকের মালিক ডা. এসএম আবুল হাসান বলেন, এসি খুলতে গিয়ে সাপ দেখতে পাওয়ার পর সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে দ্রুত উদ্ধারকারী দলের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। এটি প্রাপ্তবয়স্ক হলেও মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নয় বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ক্লিনিকের পেছনের ঝোপঝাড় থেকে এসির পাইপ বা দেয়ালের ফাঁকা অংশ দিয়ে সাপটি ভেতরে ঢুকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও কয়েকজন কর্মচারী দুটি সাপ দেখার দাবি করলেও অভিযানে একটি সাপই পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া সাপটি পরে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের মাদক মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’
বরিশাল শহরের আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ওরফে রফিক প্যাদাকে অল্পের জন্য ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার রাতে কোতয়ালি পুলিশের একটি টিম কলোনী বাসাটিতে হানা দেওয়ার আগাম খবর পেয়ে শীর্ষস্থানীয় এই মাদকবিক্রেতা পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী আনু বেগম (৩৮) এবং ছেলে সন্তান রাতুল ইসলামসহ (২৪) অন্তত ৫জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। এসময় বাসাটি থেকে গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ জানায়, নির্ভরযোগ্য সূত্রে নিশ্চিত হয়ে রোববার রাতে ১৩ নং ওয়ার্ডের রিফিউজি কলোনীতে রফিকের মালিকানাধীন স্নেহা ভবনে এসআই গোলাম মো. নাসিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সেখানে হানা দেয়। কিন্তু অভিযানের খবর কোনো মাধ্যম আগেই অবহিত হয়ে রফিক বাসাটি থেকে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে ৬২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পুরিয়া গাঁজা, দুটি মোটরসাইকেলসহ মাদক বিক্রির ১৭ হাজার ৬৯০ টাকা উদ্ধার করে। সেই সাথে রফিকের স্ত্রী আনু বেগম, ছেলে রাতুল ইসলাম এবং একই ওয়ার্ডের কামাল হাওলাদারের ছেলে উজ্জল হাওলাদার (২৪), পার্শ্ববর্তী ১২ নং ওয়ার্ডের আমির আলীর ছেলে বাপ্পি (২৫) এবং বাকেরগঞ্জের খোকন হাওলাদারের ছেলে ইমন হাওলাদারকে (১৯) আটক করা হয়।
রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক বাসাটিতে নিয়মিত মাদকের হাট বসতে এবং সেখানে শহরের বিভিন্ন এলাকার খুচরা-পাইকারী বিক্রেতাদের আনাগোনা ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বরিশালে মাদকবিরোধী চিরুনি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, সেই ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে গাঁজা রফিকের বাসাটিতে হানা দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো মাধ্যম খবর পেয়ে রফিক আগেই স্থান ত্যাগ করেছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল শহরের চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে অন্তত ডজনখানেক মাদকের মামলা বিচারাধীন আছে। তাকে বিভিন্ন সময় মাদকসহ গ্রেপ্তার করা হলেও কদিন বাদে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের একই বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, তৎকালীন মাদকবিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ধরতে গিয়ে কোতয়ালি পুলিশ হামলার শিকার হয়। অবশ্য সেই ঘটনার পর বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তিনি গ্রেপ্তারও হন। কিন্তু তাকে বেশিদিন কারাগারে আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, কিছুদিন পরে জামিনে মুক্ত হয়ে ফের মাদক বাণিজ্যে যুক্ত হন।
মাদক বিক্রির ক্ষেত্রে রফিক বেশকিছু সতর্ক পদক্ষেপ বা পন্থা অবলম্বন করে থাকেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে এসআই পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা জানান, কয়েক বছর ধরে রফিক নিজের মাদক মাদক বিক্রি করছেন না, কৌশল হিসেবে স্ত্রী-সন্তানকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে মাদক বিক্রির সময় তিনি বাসাটির আশেপাশে থাকেন এবং বাইরের সামগ্রিক বিষয়াদী তদারকি করে। কখনও পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেলে তিনি সটকে পড়েন এবং স্ত্রী-সন্ত্রানদের ফোন করে সতর্ক থাকার দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
তবে গাঁজা রফিকের এই কৌশল এসআই নাসিমের দূরদর্শিতার কাছে ধোপে টেকেনি। তিনি কোনো মতে গ্রেপ্তার এড়াতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী-সন্তানকে ঠিকই আইনের আওতায় নিয়ে আসলেন মাঠপুলিশ কর্মকর্তা।
অভিযান পরিচালনাকারী কোতয়ালি মডেল থানার এসআই গোলাম মো. নাসিম জানান, এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে রফিক ওরফে গাঁজা রফিক, তার স্ত্রী-সন্তানসহ মোট ৬জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পুলিশ পলাতক রফিককে গ্রেপ্তারে তৎপর রয়েছে।
উল্লেখ মাদকের ব্যবসায় করে গত ১০/১৫ বছরে রফিকুল ইসলাম শহরের একাধিক স্থানে জমিসহ বাড়ি ক্রয় করা এবং অর্থবিত্তে ধনকুবের বনে গেছেন। রোববার রাতে পুলিশ রিফিউজি কলোনীর স্নেহা ভবন নামক যে বাসটিতে অভিযান চালিয়েছে, সেটিও রফিকের মালিকানাধীন। এছাড়া শহরের ১২/১৩ নং ওয়ার্ডে তিনি একাধিক জমির মালিক ও সিঅ্যান্ডবি কাজীপাড়া রোডেও একটি বিলাসবহুল ভবন কিনেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বরিশাল শহরের চিহ্নিত এই মাদক বিক্রিতার উত্থ্যান এবং অবৈধ অর্থে কোথায় কোথায় সম্পদ গড়েছেন এই ধরনের প্রতিবেদন পেতে বরিশালটাইমসের সাথে থাকুন।’
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। হঠাৎ এ ঘটনায় ক্লিনিকজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সাগরদী এলাকায় অবস্থিত বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকে রোববার দুপুরে একটি এসি খুলে অন্যত্র স্থানান্তরের কাজ করছিলেন কর্মীরা। কাজের একপর্যায়ে এসির ভেতরে সাপ দেখতে পেয়ে তারা চমকে ওঠেন।
এ ঘটনায় ক্লিনিকের কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি দ্রুত উদ্ধারকারীদের জানানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
দীর্ঘ সময় সতর্কতার সঙ্গে অনুসন্ধান চালিয়ে এসির ভেতর থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে এসির বিভিন্ন অংশ খুলে পরীক্ষা করা হয়। সাপটি নিরাপদে বের করার পর ক্লিনিক এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।
বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকের মালিক ডা. এসএম আবুল হাসান বলেন, এসি খুলতে গিয়ে সাপ দেখতে পাওয়ার পর সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে দ্রুত উদ্ধারকারী দলের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। এটি প্রাপ্তবয়স্ক হলেও মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নয় বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ক্লিনিকের পেছনের ঝোপঝাড় থেকে এসির পাইপ বা দেয়ালের ফাঁকা অংশ দিয়ে সাপটি ভেতরে ঢুকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও কয়েকজন কর্মচারী দুটি সাপ দেখার দাবি করলেও অভিযানে একটি সাপই পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া সাপটি পরে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:২৭
১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬
১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫১