
১১ মে, ২০২৬ ১৭:৪৮
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালা-দুলাভাইয়ের মধ্যে চলমান বিরোধ নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, জোয়ারগরবদি মৌজার এসএ ৬৮/৬৯ এবং বর্তমান বিএস ৩৫৫ খতিয়ানের রেকর্ডভুক্ত মালিক রুস্তম আলীর ওয়ারিশদের কাছ থেকে পৃথক কবলা দলিলের মাধ্যমে প্রায় ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন চরগরবদি গ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম রাব্বানী। পরে তিনি ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।
পরবর্তীতে একই খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে বোনের জামাতা ফারুক হোসেনের নামে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে দেন গোলাম রাব্বানী। তবে জমির সীমানা ও ভাগবণ্টন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
এ ঘটনায় গোলাম রাব্বানী ২০২২ সালে পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা নং-৩৫৯/২০২২ দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বিরোধপূর্ণ জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে রবিবার (১০ মে) ফারুক হোসেন বিরোধীয় জমিতে বিদ্যমান ঘরের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রায় ১০ ফুট অংশ বৃদ্ধি করে নির্মাণকাজ শুরু করেন।
গোলাম রাব্বানী অভিযোগ করে বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে ফারুক ঘর নির্মাণের কাজ করেছে। বিষয়টি জানার পর আমার বাবা থানায় গেলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়নি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, “আমি আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতেই কাজ করছি। নতুন কোনো ঘর নির্মাণ করা হয়নি, শুধু আগের ঘরের ভেতরের কিছু কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে আমার বসতঘর রয়েছে। ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আমাকে হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালা-দুলাভাইয়ের মধ্যে চলমান বিরোধ নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, জোয়ারগরবদি মৌজার এসএ ৬৮/৬৯ এবং বর্তমান বিএস ৩৫৫ খতিয়ানের রেকর্ডভুক্ত মালিক রুস্তম আলীর ওয়ারিশদের কাছ থেকে পৃথক কবলা দলিলের মাধ্যমে প্রায় ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন চরগরবদি গ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম রাব্বানী। পরে তিনি ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।
পরবর্তীতে একই খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে বোনের জামাতা ফারুক হোসেনের নামে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে দেন গোলাম রাব্বানী। তবে জমির সীমানা ও ভাগবণ্টন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।
এ ঘটনায় গোলাম রাব্বানী ২০২২ সালে পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা নং-৩৫৯/২০২২ দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বিরোধপূর্ণ জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে রবিবার (১০ মে) ফারুক হোসেন বিরোধীয় জমিতে বিদ্যমান ঘরের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রায় ১০ ফুট অংশ বৃদ্ধি করে নির্মাণকাজ শুরু করেন।
গোলাম রাব্বানী অভিযোগ করে বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে ফারুক ঘর নির্মাণের কাজ করেছে। বিষয়টি জানার পর আমার বাবা থানায় গেলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়নি।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, “আমি আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতেই কাজ করছি। নতুন কোনো ঘর নির্মাণ করা হয়নি, শুধু আগের ঘরের ভেতরের কিছু কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে আমার বসতঘর রয়েছে। ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আমাকে হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
১১ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
১১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৮
১১ মে, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ মে, ২০২৬ ১৭:৪৮

১১ মে, ২০২৬ ১৮:১৪
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে সাত বছরের এক শিশুকে টাকার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. বারেক বিশ্বাস (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রবিবার (১০ মে) সকালে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা আসমা বেগম বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করলে রাতে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে আটক করা হয়।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন সকালে শিশুটির বাবা কাজের প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান এবং মা গবাদি পশু নিয়ে মাঠে যান।
এই সুযোগে প্রতিবেশী বারেক বিশ্বাস শিশুটিকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কৌশলে তার বসত ঘরের পেছনের বারান্দায় নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।
কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বাড়িতে ফিরে বড় মেয়েকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ছোট মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন বারেক বিশ্বাস তাকে ডেকে নিয়ে গেছে।
তাৎক্ষণিক ওই ব্যক্তির বাড়ির সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলে শিশুটি ঘর থেকে কান্নাজড়িত অবস্থায় বের হয়ে আসে। পরে বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।"
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে সাত বছরের এক শিশুকে টাকার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মো. বারেক বিশ্বাস (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল রবিবার (১০ মে) সকালে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর মা আসমা বেগম বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করলে রাতে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে আটক করা হয়।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন সকালে শিশুটির বাবা কাজের প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান এবং মা গবাদি পশু নিয়ে মাঠে যান।
এই সুযোগে প্রতিবেশী বারেক বিশ্বাস শিশুটিকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কৌশলে তার বসত ঘরের পেছনের বারান্দায় নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়।
কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বাড়িতে ফিরে বড় মেয়েকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ছোট মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারেন বারেক বিশ্বাস তাকে ডেকে নিয়ে গেছে।
তাৎক্ষণিক ওই ব্যক্তির বাড়ির সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করলে শিশুটি ঘর থেকে কান্নাজড়িত অবস্থায় বের হয়ে আসে। পরে বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বারেক বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।"

১১ মে, ২০২৬ ১৪:৪৩
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলা অবস্থান কর্মসূচিতে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতার নেতৃত্বে বহিরাগতের হামলা, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আটজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. আবদুল মালেক, ড. মো. আতিকুর রহমান, ড. নিজাম উদ্দীন, ড. মো. শহিদুল ইসলাম, ড. ননী গোপাল, ড. রিপন চন্দ্র পাল, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. জসিম উদ্দিন এবং কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষক, কর্মকর্তা- প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ভিসির অপসারণ দাবি এবং প্রো-ভিসি অধ্যাপক হেমায়েত জাহানের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় ভিসির সমর্থনে দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব রিপন শরিফের নেতৃত্বে শতাধিক বহিরাগত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কর্মসূচিতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের দাবি, বহিষ্কৃত উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিপন শরীফের নেতৃত্বে আসা বহিরাগতরা, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পরও ঘটনাস্থলে পুলিশ না পৌঁছানোর অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, হামলার বিষয়ে কিছুই জানি না।
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে যোগ দিতে আজ সকাল ৮টায় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। বহিরাগতদের হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক বলেন, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ ও হামলার ঘটনায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন তারা।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলা অবস্থান কর্মসূচিতে যুবদলের বহিষ্কৃত নেতার নেতৃত্বে বহিরাগতের হামলা, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আটজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. আবদুল মালেক, ড. মো. আতিকুর রহমান, ড. নিজাম উদ্দীন, ড. মো. শহিদুল ইসলাম, ড. ননী গোপাল, ড. রিপন চন্দ্র পাল, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. জসিম উদ্দিন এবং কর্মকর্তা নাসরিন আক্তার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষক, কর্মকর্তা- প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ভিসির অপসারণ দাবি এবং প্রো-ভিসি অধ্যাপক হেমায়েত জাহানের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় ভিসির সমর্থনে দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব রিপন শরিফের নেতৃত্বে শতাধিক বহিরাগত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কর্মসূচিতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের দাবি, বহিষ্কৃত উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিপন শরীফের নেতৃত্বে আসা বহিরাগতরা, শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রায় এক ঘণ্টা পরও ঘটনাস্থলে পুলিশ না পৌঁছানোর অভিযোগ করেন আন্দোলনকারীরা।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, হামলার বিষয়ে কিছুই জানি না।
আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। ওই বৈঠকে যোগ দিতে আজ সকাল ৮টায় ক্যাম্পাস থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। বহিরাগতদের হামলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক বলেন, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ ও হামলার ঘটনায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন তারা।

০৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫৪
নিরাপদ খাবার পানি পৌঁছে দিতেপটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে প্রায় সাড়ে ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প’।
কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের ৭বছর পেরিয়ে গেলেও একদিনের জন্যও সুপেয় পানি পাননি এলাকাবাসী। বিশুদ্ধ পানির বদলে গভীর নলকূপ থেকে উঠেছে লবণাক্ত পানি। ফলে প্রকল্প এখন অচল অবস্থায় পড়ে আছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরু থেকেই নি¤œমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, তদারকির অভাব এবং পরিকল্পনার ভুলের কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের নিরাপদ পানির সংকট দূর করতে প্রায় ৭ বছর আগে কালাইয়া আদর্শ গ্রামে গভীর নলকূপ, সাবমারসিবল পাম্প, চারটি ওভারহেড ট্যাংক, পাইপলাইন ও টয়লেট স্থাপন করা হয়।
তবে পরীক্ষামূলকভাবে পানি উত্তোলনের সময়ই দেখা যায়, বিশুদ্ধ পানির পরিবর্তে লবণাক্ত পানি উঠছে। এরপর প্রকল্পটি আর চালু হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, কাজ শেষ করেই ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরে যান।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পসংক্রান্ত কোনো ফাইল বর্তমানে অফিসে নেই। ফলে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
প্রকল্পটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয়দের নিয়ে একটি পানি ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয় আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেনকে।
তার নামেই বিদ্যুতের মিটার স্থাপন করা হয়। পরে পরীক্ষামূলকভাবে পাম্প চালাতে গিয়ে প্রায় ২৮ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে। বিল পরিশোধ না হওয়ায় কবির হোসেনের নামে মামলা করে বিদ্যুৎ বিভাগ। পরে এলাকাবাসীর চাপের মুখে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ওই বিল পরিশোধ করেন এবং মামলা প্রত্যাহার করা হয়।
কবির হোসেন বলেন, “এই প্রকল্প আমাদের কোনো কাজে আসেনি। বিশুদ্ধ পানির বদলে লবণ পানি উঠেছে। আমরা কেউ সেই পানি ব্যবহার করিনি। অথচ আমাকে না জানিয়ে কমিটির প্রধান করে আমার নামেই বিদ্যুতের মিটার দেওয়া হয়। পরে বিদ্যুৎ বিলের মামলায় আমাকে হয়রানিও হতে হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই গ্রামের প্রায় ৫০টিরও বেশি পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির অভাবে আছেন। একটি মাত্র গভীর নলকুপ ছিল তাও নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা এত গুলো পরিবার অনেক দুর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিপাদ পানির ব্যবস্থার জন্য দাবী করেন তিনি।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, “আমি এখানে যোগদানের আগেই প্রকল্পটির কাজ হয়েছে। তাই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তারপরও খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিরাপদ খাবার পানি পৌঁছে দিতেপটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে প্রায় সাড়ে ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প’।
কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নের ৭বছর পেরিয়ে গেলেও একদিনের জন্যও সুপেয় পানি পাননি এলাকাবাসী। বিশুদ্ধ পানির বদলে গভীর নলকূপ থেকে উঠেছে লবণাক্ত পানি। ফলে প্রকল্প এখন অচল অবস্থায় পড়ে আছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুরু থেকেই নি¤œমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, তদারকির অভাব এবং পরিকল্পনার ভুলের কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের নিরাপদ পানির সংকট দূর করতে প্রায় ৭ বছর আগে কালাইয়া আদর্শ গ্রামে গভীর নলকূপ, সাবমারসিবল পাম্প, চারটি ওভারহেড ট্যাংক, পাইপলাইন ও টয়লেট স্থাপন করা হয়।
তবে পরীক্ষামূলকভাবে পানি উত্তোলনের সময়ই দেখা যায়, বিশুদ্ধ পানির পরিবর্তে লবণাক্ত পানি উঠছে। এরপর প্রকল্পটি আর চালু হয়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, কাজ শেষ করেই ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরে যান।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পসংক্রান্ত কোনো ফাইল বর্তমানে অফিসে নেই। ফলে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
প্রকল্পটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য স্থানীয়দের নিয়ে একটি পানি ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান করা হয় আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা মো. কবির হোসেনকে।
তার নামেই বিদ্যুতের মিটার স্থাপন করা হয়। পরে পরীক্ষামূলকভাবে পাম্প চালাতে গিয়ে প্রায় ২৮ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে। বিল পরিশোধ না হওয়ায় কবির হোসেনের নামে মামলা করে বিদ্যুৎ বিভাগ। পরে এলাকাবাসীর চাপের মুখে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ওই বিল পরিশোধ করেন এবং মামলা প্রত্যাহার করা হয়।
কবির হোসেন বলেন, “এই প্রকল্প আমাদের কোনো কাজে আসেনি। বিশুদ্ধ পানির বদলে লবণ পানি উঠেছে। আমরা কেউ সেই পানি ব্যবহার করিনি। অথচ আমাকে না জানিয়ে কমিটির প্রধান করে আমার নামেই বিদ্যুতের মিটার দেওয়া হয়। পরে বিদ্যুৎ বিলের মামলায় আমাকে হয়রানিও হতে হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই গ্রামের প্রায় ৫০টিরও বেশি পরিবারের জন্য বিশুদ্ধ পানির অভাবে আছেন। একটি মাত্র গভীর নলকুপ ছিল তাও নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা এত গুলো পরিবার অনেক দুর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিপাদ পানির ব্যবস্থার জন্য দাবী করেন তিনি।
উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, “আমি এখানে যোগদানের আগেই প্রকল্পটির কাজ হয়েছে। তাই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তারপরও খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.