
২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:১০
দেশীয় প্রায় সাড়ে ৩শ কোটি টাকা ব্যায়ে বিএডিসি বরিশালের ২৮ উপজেলার সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে ৬৬ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বাস্তাবায়নাধীন প্রকল্পটির ভৌত অবকাঠামোর প্রায় ৭০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ২০২৩ এর সেপ্টেম্বর থেকে চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও এর মেয়াদ আরো অন্তত একবছর বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। প্রকল্পটির জন্য গত অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ের পরে চলতি অর্থ বছরে আরো ১১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যারমধ্যে গত অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যায় হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রকল্পটির জন্য ব্যায়ের পরিমান প্রায় ২৫৫ কোটিতে দাঁড়াচ্ছে। ভৌত অগ্রগতির হার প্রায় ৬৫ ভাগ বলে বিএডিসির প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যাবহার হ্রাস করে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বর্তমানের ১ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর থেকে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার হেক্টরে উন্নীত হবে। পাশাপাশি সৌরচালিত লো-লিফট পাম্পের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তির মাধ্যমে পুন:খননকৃত খাল ও পুকুর সহ ফসল রক্ষা বাঁধে বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করনে সহায়তা করবে। ফলে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন হ্রাসের ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাবার প্রবনতা কিছুটা হলেও রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল।
প্রায় ১২ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির অর্ধেক এখনো সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। রবি মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে ২ লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে সেচাবাদ হলেও তারমধ্যে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন-বিএডিসি’র অবদান ২০ হাজার হেক্টরেরও কম। উপরন্তু গত রবি মৌসুমে এ অঞ্চলের মাঠে ব্যবহৃত বিভিন্ন মাপের ১৯,৪৩৮টি সেচ পাম্পের মধ্যে বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের সংখ্যা ছিল মাত্র ১,৪৬২টি বা ৭.৫১%। ডিজেল চালিত পাম্প ১৭,৯৫৮ বা ৯২.৩০%। আর সোলার চালিত পাম্প ছিল ৩৭টি বা ০.১৯ভাগ।
এমনকি সরকার ২০০২-০৩ সাল থেকে কৃষিসেচ কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতে ২০% ভর্তুকি প্রদান করলেও অধিক ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত পাম্পে কোন ভর্তুকি নেই। অথচ বরিশাল অঞ্চলে সেচকাজে ব্যবহৃত ৯৩ ভাগ সেচ যন্ত্রই ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত। ফলে এ অঞ্চলে অত্যাধিক সেচ ব্যায়ের কারণে ধানের উৎপাদন ব্যায়ও দেশের যেকোন স্থানের তুলনায় বেশী।
ফলে একদিকে রবি মৌসুমে সেচাবাদে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে না, অপরদিকে অধিক ব্যায়বহুল সেচ ব্যায়ের কারণে তাদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হচ্ছে না। অথচ সেচযন্ত্রের অর্ধেকও বিদ্যুতায়িত করতে পারলে এ অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন বর্তমানের প্রায় ৫০ লাখ টনের স্থলে অন্তত ৬০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবীদরা। এমনকি কৃষিসেচ ব্যবস্থা বিদ্যুতায়িত করতে পারলে লাগাতার লোকাসানে থাকা এ অঞ্চলের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোও আর্থিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারতো বলে মনে করছেন জ¦ালানী বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় আহুত ‘ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার আউটলুক ২০২৫’ শির্ষক এক কর্মশালায়, ‘বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির পরিমান ৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৪ হেক্টর বলে জানিয়ে এরমধ্যে মাত্র ২ লাখ ২৫ হাজার ৪৩ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অঞ্চলে সেচের আওতায় আনা জমির পরিমান এখনো মাত্র ৩৫.৭৫ ভাগ বলে ঐ কর্মশালায় উপস্থাপন করে বোরো মৌসুমেই আবাদযোগ্য অনাবাদি জমির পরিমান ৯৮ হাজার ৩৭৫ হেক্টর বলে জানান হয়েছে।
এসব বিবেচনায় বিএডিসি ২০২৩-২৪ অর্থ বছর থেকে ‘বরিশাল অঞ্চলে সেচ উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎচালিত ২৫০টি, ১ ও ২ কিউসেক সেচযন্ত্র, ২০টি ১কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার লো-লিফট পাম্প, ৩২৫ কিলোমিটার ছোট সেচ খাল ও ৫০ কিলোমিটার বড় সেচখাল পুন:খনন এবং প্রতি কিলোমিটারে ৪টি করে বিভিন্ন খালের পাড়ে প্রায় দেড় হাজার পানি নির্গমন স্থাপনা নির্মান করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ২শটি পাম্প হাউজ ও ৩শটি ওয়াটার পাস নির্মান করা হচ্ছে। একই সাথে প্রায় ৪ হাজার ঘনমিটার করে ৩০টি পুকুর পুন:খননও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সেসব পুকুর থেকে বিভিন্ন জমিতে সেচ প্রদানও সম্ভব হবে। একইসাথে প্রকল্পটির আওতায় ২৭০টি ১ ও ২ কিউেসেক ক্ষমতার ভূ-গর্ভস্থ সেচনালাও খনন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ৪০ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধও নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্প এলাকায় ফলের বাগানের জন্য ৭৫টি ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম ও ৪০টি ভূ-গর্ভস্থ নিষ্কাশন নালা নির্মিত হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার খালগুরোতে পানি ধরে রাখতে ২০৩ ভিন্টের ৩০টি রেগুলেটর’ও নির্মান করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১৬,৫০৪ হেক্টর জমিতে বাড়তি সেচ সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে ৬৬ হাজার ১৪ টন খাদ্যশস্য উৎপন্ন হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল। একইসাথে ফলের বাগানেও সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফলের আবাদ ও উৎপাদন বাড়বে বলেও আশাবাদী কৃষিবীদ সহ বিএডিসি। এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ ওয়াহিদ মুরাদ জানান, আমরা প্রতিটি বিষয়ে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে প্রকল্পটি বাস্তাবায়নের চেষ্টা করছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি প্রধান বরিশাল অঞ্চলে এ ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
দেশীয় প্রায় সাড়ে ৩শ কোটি টাকা ব্যায়ে বিএডিসি বরিশালের ২৮ উপজেলার সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে ৬৬ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বাস্তাবায়নাধীন প্রকল্পটির ভৌত অবকাঠামোর প্রায় ৭০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ২০২৩ এর সেপ্টেম্বর থেকে চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও এর মেয়াদ আরো অন্তত একবছর বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। প্রকল্পটির জন্য গত অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ের পরে চলতি অর্থ বছরে আরো ১১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যারমধ্যে গত অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যায় হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রকল্পটির জন্য ব্যায়ের পরিমান প্রায় ২৫৫ কোটিতে দাঁড়াচ্ছে। ভৌত অগ্রগতির হার প্রায় ৬৫ ভাগ বলে বিএডিসির প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যাবহার হ্রাস করে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বর্তমানের ১ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর থেকে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার হেক্টরে উন্নীত হবে। পাশাপাশি সৌরচালিত লো-লিফট পাম্পের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তির মাধ্যমে পুন:খননকৃত খাল ও পুকুর সহ ফসল রক্ষা বাঁধে বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করনে সহায়তা করবে। ফলে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন হ্রাসের ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাবার প্রবনতা কিছুটা হলেও রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল।
প্রায় ১২ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির অর্ধেক এখনো সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। রবি মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে ২ লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে সেচাবাদ হলেও তারমধ্যে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন-বিএডিসি’র অবদান ২০ হাজার হেক্টরেরও কম। উপরন্তু গত রবি মৌসুমে এ অঞ্চলের মাঠে ব্যবহৃত বিভিন্ন মাপের ১৯,৪৩৮টি সেচ পাম্পের মধ্যে বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের সংখ্যা ছিল মাত্র ১,৪৬২টি বা ৭.৫১%। ডিজেল চালিত পাম্প ১৭,৯৫৮ বা ৯২.৩০%। আর সোলার চালিত পাম্প ছিল ৩৭টি বা ০.১৯ভাগ।
এমনকি সরকার ২০০২-০৩ সাল থেকে কৃষিসেচ কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতে ২০% ভর্তুকি প্রদান করলেও অধিক ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত পাম্পে কোন ভর্তুকি নেই। অথচ বরিশাল অঞ্চলে সেচকাজে ব্যবহৃত ৯৩ ভাগ সেচ যন্ত্রই ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত। ফলে এ অঞ্চলে অত্যাধিক সেচ ব্যায়ের কারণে ধানের উৎপাদন ব্যায়ও দেশের যেকোন স্থানের তুলনায় বেশী।
ফলে একদিকে রবি মৌসুমে সেচাবাদে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে না, অপরদিকে অধিক ব্যায়বহুল সেচ ব্যায়ের কারণে তাদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হচ্ছে না। অথচ সেচযন্ত্রের অর্ধেকও বিদ্যুতায়িত করতে পারলে এ অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন বর্তমানের প্রায় ৫০ লাখ টনের স্থলে অন্তত ৬০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবীদরা। এমনকি কৃষিসেচ ব্যবস্থা বিদ্যুতায়িত করতে পারলে লাগাতার লোকাসানে থাকা এ অঞ্চলের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোও আর্থিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারতো বলে মনে করছেন জ¦ালানী বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় আহুত ‘ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার আউটলুক ২০২৫’ শির্ষক এক কর্মশালায়, ‘বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির পরিমান ৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৪ হেক্টর বলে জানিয়ে এরমধ্যে মাত্র ২ লাখ ২৫ হাজার ৪৩ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অঞ্চলে সেচের আওতায় আনা জমির পরিমান এখনো মাত্র ৩৫.৭৫ ভাগ বলে ঐ কর্মশালায় উপস্থাপন করে বোরো মৌসুমেই আবাদযোগ্য অনাবাদি জমির পরিমান ৯৮ হাজার ৩৭৫ হেক্টর বলে জানান হয়েছে।
এসব বিবেচনায় বিএডিসি ২০২৩-২৪ অর্থ বছর থেকে ‘বরিশাল অঞ্চলে সেচ উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎচালিত ২৫০টি, ১ ও ২ কিউসেক সেচযন্ত্র, ২০টি ১কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার লো-লিফট পাম্প, ৩২৫ কিলোমিটার ছোট সেচ খাল ও ৫০ কিলোমিটার বড় সেচখাল পুন:খনন এবং প্রতি কিলোমিটারে ৪টি করে বিভিন্ন খালের পাড়ে প্রায় দেড় হাজার পানি নির্গমন স্থাপনা নির্মান করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ২শটি পাম্প হাউজ ও ৩শটি ওয়াটার পাস নির্মান করা হচ্ছে। একই সাথে প্রায় ৪ হাজার ঘনমিটার করে ৩০টি পুকুর পুন:খননও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সেসব পুকুর থেকে বিভিন্ন জমিতে সেচ প্রদানও সম্ভব হবে। একইসাথে প্রকল্পটির আওতায় ২৭০টি ১ ও ২ কিউেসেক ক্ষমতার ভূ-গর্ভস্থ সেচনালাও খনন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ৪০ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধও নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্প এলাকায় ফলের বাগানের জন্য ৭৫টি ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম ও ৪০টি ভূ-গর্ভস্থ নিষ্কাশন নালা নির্মিত হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার খালগুরোতে পানি ধরে রাখতে ২০৩ ভিন্টের ৩০টি রেগুলেটর’ও নির্মান করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১৬,৫০৪ হেক্টর জমিতে বাড়তি সেচ সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে ৬৬ হাজার ১৪ টন খাদ্যশস্য উৎপন্ন হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল। একইসাথে ফলের বাগানেও সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফলের আবাদ ও উৎপাদন বাড়বে বলেও আশাবাদী কৃষিবীদ সহ বিএডিসি। এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ ওয়াহিদ মুরাদ জানান, আমরা প্রতিটি বিষয়ে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে প্রকল্পটি বাস্তাবায়নের চেষ্টা করছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি প্রধান বরিশাল অঞ্চলে এ ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.