বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, উপযুক্ত সময়েই দলের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ও সর্বোপরি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য জনপ্রিয় প্রার্থীকেই বেছে নিয়ে তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সাংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
রিজভী বলেন, আমরা লক্ষ করছি সম্প্রতি কিছু পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপির মনোনয়নের কথিত তালিকা, নাম প্রকাশ করে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি, অসন্তোষ এবং বিশৃঙ্খলা উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।
বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির জন্য কিছু মিডিয়া মিথ্যা অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার যখন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন গভীর ষড়যন্ত্রের বীজ বুনতে শুরু করেছে কুচক্রীমহল।
ইতোমধ্যে তারা নানা বয়ান তৈরি করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য একের পর এক বহুমুখী অশুভ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। যারা মিথ্যাচার করে বিএনপিকে নানা তকমা লাগানোর অপচেষ্টা করছে তারাই কিছু গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিএনপির নামে অসত্য সংবাদ পরিবেশন করছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলীয় নানা কার্যক্রমে যার পারফরম্যান্স ভালো তাকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হবে। বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয় তার নিজস্ব গঠনতান্ত্রিক উপায়ে।
কোনো সবুজ সংকেতের মাধ্যমে নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিংবা যে কোনো নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব পার্লামেন্টারি বোর্ড পালন করে এবং এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।
সুতরাং তপশিল ঘোষণার পরেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তথা বিএনপির কেন্দ্র থেকে ঘোষণা ব্যতীত এখন পত্রিকায় প্রকাশিত কোনো মনগড়া সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সারা দেশের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
রিজভী বলেন, সবুজ সংকেত নয়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিটি এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ নির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি তাগিদ দিচ্ছেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আমাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য ধরে রাখতে হবে, আমাদের প্রত্যেক গণসম্পৃক্ত কাজে সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে। জনগণ বিরক্ত হয় এমন কোনো কাজে দলের নেতাকর্মীরা কখনোই লিপ্ত থাকবে না। তাহলে অবশ্যই জনগণের রায় ধানের শীষের পক্ষেই আসবে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নেতাকর্মীদের সারা দেশে ডোর টু ডোর গিয়ে আগামী দিনে জনগণের মুক্তির সনদ ৩১ দফা তুলে ধরার পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঐক্য সুদৃঢ় করার এবং আরও জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন- তারেক রহমান বারবার একটি কথা বলেন, যা আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সেটি হলো, জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে কোনো প্রোপাগান্ডাই বিএনপি থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান- ‘জনগণের ভালোবাসায় থাকুন, জনগণকে ভালোবাসায় রাখুন’।

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৮

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৪
নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংগঠনের আমীর শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এদিকে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানোর পর আইনি প্রক্রিয়ায় তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদ বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

২১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৪:২০
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, উপযুক্ত সময়েই দলের নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই যাচাই-বাছাই করে যোগ্য ও সর্বোপরি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য জনপ্রিয় প্রার্থীকেই বেছে নিয়ে তাদের নাম প্রকাশ করা হবে। কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সাংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
রিজভী বলেন, আমরা লক্ষ করছি সম্প্রতি কিছু পত্র-পত্রিকা, গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপির মনোনয়নের কথিত তালিকা, নাম প্রকাশ করে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি, অসন্তোষ এবং বিশৃঙ্খলা উসকে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে।
বিএনপিতে বিভেদ সৃষ্টির জন্য কিছু মিডিয়া মিথ্যা অপপ্রচার ও প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার যখন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন গভীর ষড়যন্ত্রের বীজ বুনতে শুরু করেছে কুচক্রীমহল।
ইতোমধ্যে তারা নানা বয়ান তৈরি করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য একের পর এক বহুমুখী অশুভ তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। যারা মিথ্যাচার করে বিএনপিকে নানা তকমা লাগানোর অপচেষ্টা করছে তারাই কিছু গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বিএনপির নামে অসত্য সংবাদ পরিবেশন করছে।
তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীকে গ্রিন সিগন্যাল বা সবুজ সংকেত দেওয়া হয়নি। মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে দলীয় নানা কার্যক্রমে যার পারফরম্যান্স ভালো তাকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হবে। বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয় তার নিজস্ব গঠনতান্ত্রিক উপায়ে।
কোনো সবুজ সংকেতের মাধ্যমে নয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কিংবা যে কোনো নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব পার্লামেন্টারি বোর্ড পালন করে এবং এ ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।
সুতরাং তপশিল ঘোষণার পরেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তথা বিএনপির কেন্দ্র থেকে ঘোষণা ব্যতীত এখন পত্রিকায় প্রকাশিত কোনো মনগড়া সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সারা দেশের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
রিজভী বলেন, সবুজ সংকেত নয়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিটি এলাকায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ নির্দেশনা দিচ্ছেন। তিনি তাগিদ দিচ্ছেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের নিজেদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
আমাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য ধরে রাখতে হবে, আমাদের প্রত্যেক গণসম্পৃক্ত কাজে সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে। জনগণ বিরক্ত হয় এমন কোনো কাজে দলের নেতাকর্মীরা কখনোই লিপ্ত থাকবে না। তাহলে অবশ্যই জনগণের রায় ধানের শীষের পক্ষেই আসবে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নেতাকর্মীদের সারা দেশে ডোর টু ডোর গিয়ে আগামী দিনে জনগণের মুক্তির সনদ ৩১ দফা তুলে ধরার পরামর্শ দিচ্ছেন। তিনি মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঐক্য সুদৃঢ় করার এবং আরও জনবান্ধব হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন- তারেক রহমান বারবার একটি কথা বলেন, যা আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি সেটি হলো, জনগণই বিএনপির সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে কোনো প্রোপাগান্ডাই বিএনপি থেকে জনগণকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। সারা দেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভার্থী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি তারেক রহমানের আহ্বান- ‘জনগণের ভালোবাসায় থাকুন, জনগণকে ভালোবাসায় রাখুন’।
জুলাই গণঅভ্যুথানের মুখে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেই তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাব্য ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি দেশে ফিরলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি তার বিষয়। বাংলাদেশের আইনগত এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলেই প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, সেটা তার বিষয়। কিন্তু আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলে আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, সেই ক্ষমতাই প্রয়োগ করা হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার >> আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী >> রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।'
জুলাই গণঅভ্যুথানের মুখে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করলেই তাকে আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পলাতক প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাব্য ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, তিনি দেশে ফিরলে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। তবে শেখ হাসিনা কীভাবে দেশে ফিরবেন, সেটি তার বিষয়। বাংলাদেশের আইনগত এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলেই প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, তিনি কীভাবে আসবেন, সেটা তার বিষয়। কিন্তু আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে প্রবেশ করলে আইন আমাকে যে ক্ষমতা দিয়েছে, সেই ক্ষমতাই প্রয়োগ করা হবে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার >> আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী >> রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন খতিয়ে দেখবে সরকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংস্থাটি যেসব পর্যবেক্ষণ বা অভিযোগ উত্থাপন করেছে, সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, অভিযোগ বা পর্যবেক্ষণ থাকলে তা আমলে নিয়ে যাচাই-বাছাই করা সরকারের দায়িত্ব। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, সরকার জনগণের কল্যাণে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে চায়।
বাগেরহাটের মিরাজ শেখকে গুমের অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং তার পরিবারকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনও সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনও সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই আপাতত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন দেখছে না সরকার। তবে প্রয়োজন হলে বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে।
এর আগে মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির (সেলপ) মধ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।'
নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকাল ৪টায় রাজধানীর মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সংগঠনের আমীর শফিকুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্যকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের পর জামায়াতের পক্ষ থেকে একটি সাংগঠনিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অবহিত করা হবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এদিকে জামায়াত নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানোর পর আইনি প্রক্রিয়ায় তার সংসদ সদস্য (এমপি) পদ বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা। পরে একই কক্ষের আরও ভিডিও সামনে আসলে ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীকে এমপির স্ত্রী দাবি করেছেন জামায়াতের স্থানীয় নেতারা।
জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।’
সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়। ফুটেজের বিভিন্ন অংশে তাকে কখনো মোবাইল ফোনে কথা বলতে, আবার কখনো ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে কয়েকটি পোস্ট দিয়ে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভুয়া ভিডিও।
তবে তথ্য যাচাইকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বলছে, ভিডিওটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। এআই ভিডিওর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, এই ভিডিওগুলোতে সেসব নেই। এটি একটি বাস্তব ভিডিও বলে প্রাথমিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে থাকা টাইমস্ট্যাম্প অনুযায়ী ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়েছিল। তবে ঘটনাস্থল সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটি নিয়ে বক্তব্য জানতে গাজী নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে কালবেলার সঙ্গে কথা বলেছেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে। তবে ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’
দ্বিতীয় বিয়ে কবে হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ আমার জানা নেই। তবে বেশ কিছুদিন আগে বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে বলে আমরা জেনেছি।
ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীর বয়স বেশ কম মনে হয়েছে। কালবেলার হাতে তরুণীর একটি বায়োডাটা এসেছে। সেখানে দেওয়া তার জন্মতারিখ অনুযায়ী এখন বয়স হওয়ার কথা ১৮ বছর ২ মাস। মেয়েটির প্রাইভেসি রক্ষায় এই প্রতিবেদনে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট এমপির ‘জোর সুপারিশ’ করা ওই বায়োডাটায় মেয়েটি নিজেকে অবিবাহিত বলে উল্লেখ করেছেন।
২০২৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তার ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকায় কালবেলার পক্ষ থেকে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ছবি দেখে বোঝা গেছে, তার পরিবারও জামায়াত ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছবিতে জামায়াতের ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে থাকা পরিবারের এক সদস্যের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।’
সংবাদসূত্র: দৈনিক কালবেলা।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা। পরে একই কক্ষের আরও ভিডিও সামনে আসলে ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীকে এমপির স্ত্রী দাবি করেছেন জামায়াতের স্থানীয় নেতারা।
জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বলেন, ‘ভিডিওটি আমাদের নজরে এসেছে। এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে।’
সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে এক তরুণীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামকে একটি কক্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়। ফুটেজের বিভিন্ন অংশে তাকে কখনো মোবাইল ফোনে কথা বলতে, আবার কখনো ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা যায়।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’র পক্ষ থেকে কয়েকটি পোস্ট দিয়ে দাবি করা হয়, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভুয়া ভিডিও।
তবে তথ্য যাচাইকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বলছে, ভিডিওটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার বা ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনের কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি। এআই ভিডিওর কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, এই ভিডিওগুলোতে সেসব নেই। এটি একটি বাস্তব ভিডিও বলে প্রাথমিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে থাকা টাইমস্ট্যাম্প অনুযায়ী ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়েছিল। তবে ঘটনাস্থল সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটি নিয়ে বক্তব্য জানতে গাজী নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে কালবেলার সঙ্গে কথা বলেছেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘এমপি সাহেব আমাদের জানিয়েছেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমেই এ বিয়ে হয়েছে। তবে ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, সে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’
দ্বিতীয় বিয়ে কবে হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ আমার জানা নেই। তবে বেশ কিছুদিন আগে বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে বলে আমরা জেনেছি।
ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীর বয়স বেশ কম মনে হয়েছে। কালবেলার হাতে তরুণীর একটি বায়োডাটা এসেছে। সেখানে দেওয়া তার জন্মতারিখ অনুযায়ী এখন বয়স হওয়ার কথা ১৮ বছর ২ মাস। মেয়েটির প্রাইভেসি রক্ষায় এই প্রতিবেদনে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট এমপির ‘জোর সুপারিশ’ করা ওই বায়োডাটায় মেয়েটি নিজেকে অবিবাহিত বলে উল্লেখ করেছেন।
২০২৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনি এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। তার ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকায় কালবেলার পক্ষ থেকে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ছবি দেখে বোঝা গেছে, তার পরিবারও জামায়াত ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছবিতে জামায়াতের ব্যানার হাতে দাঁড়িয়ে থাকা পরিবারের এক সদস্যের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।’
সংবাদসূত্র: দৈনিক কালবেলা।