
১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে তিনটার পর রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। এবার দেশ গড়ার পালা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, জনগণ বিএনপিকে বিপুল সমর্থন দিয়ে দায়িত্ব দিয়েছে। সেই আস্থার প্রতিদান দিতে দল ও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিজয় উদযাপনে শান্ত ও সংযত থাকার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, দেশ গড়তে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভিন্নমত থাকতেই পারে, তবে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য অটুট রাখতে হবে।
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নতুন সরকার ইতিবাচক ও গঠনমূলক পদক্ষেপ নেবে।
এদিকে ঘোষিত ফলাফলের ভিত্তিতে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া দলটির শরিকরা আরও ৩টি আসন অর্জন করেছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারেক রহমান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে তিনটার পর রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা। এবার দেশ গড়ার পালা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, জনগণ বিএনপিকে বিপুল সমর্থন দিয়ে দায়িত্ব দিয়েছে। সেই আস্থার প্রতিদান দিতে দল ও নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিজয় উদযাপনে শান্ত ও সংযত থাকার জন্য তিনি নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, দেশ গড়তে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভিন্নমত থাকতেই পারে, তবে জাতীয় স্বার্থে ঐক্য অটুট রাখতে হবে।
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নতুন সরকার ইতিবাচক ও গঠনমূলক পদক্ষেপ নেবে।
এদিকে ঘোষিত ফলাফলের ভিত্তিতে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে। ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া দলটির শরিকরা আরও ৩টি আসন অর্জন করেছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারেক রহমান।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৬ হাজার ভোটের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের ও অসংগতির অভিযোগ তুলে আইনি ভিত্তি পাওয়া গেলে ভোট পুনর্গণনার আবেদনের চিন্তার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী (বেসরকারিভাবে) মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটিক সিস্টেম এবং পার্লামেন্টারি সিস্টেম অব ডেমোক্র্যাসিতে নির্বাচনই হচ্ছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বৈধ পথ। এজন্য আমরা সবসময় নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। এবারের নির্বাচনকেও আমরা সেভাবেই গ্রহণ করেছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বচ্ছ, অবাধ নির্বাচনের জন্য সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যদিও চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি, তবুও বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল বিভিন্ন পর্যায়ের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, দুই উপজেলার ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ভোট গণনার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের কাছে থাকা শিটের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের অফিসের ফলাফলের মধ্যে কিছু অসংগতি লক্ষ করেছেন নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানের কারণে আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। আইনি ভিত্তি পেলে পুনর্গণনার আবেদন করার চিন্তা করছি।
জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, প্রায় ৬ হাজারের বেশি ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব ভোট যৌক্তিক কারণে ও বিধি অনুযায়ী বাতিল হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যালটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করার আবেদন করার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি।
তিনি আরও বলেন, কোথাও ওভাররাইটিং, ভোটের অঙ্ক লেখায় ভুল বা গণনার ত্রুটি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পুনর্গণনার মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় দেড় লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। অল্প ব্যবধানে ফলাফল হওয়ায় বিষয়টি অনেকের কাছেই প্রশ্ন তৈরি করছে। সামান্য এক হাজারের মতো ভোটের ব্যবধান, এটা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। হয় ৬ হাজার বাতিল ভোট পরীক্ষা করা দরকার, অথবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনা হওয়া দরকার।
ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মনোবল হারানোর কিছু নেই। জয়-পরাজয় রাজনীতির অংশ হলেও তিনি নিজেকে নৈতিকভাবে পরাজিত মনে করেন না। আমি কোনো অন্যায় করিনি, অসৎ পথ অবলম্বন করিনি, মানুষের ওপর জুলুম করিনি, কালো টাকা বা শক্তি প্রয়োগ করে মানুষের রায় নেওয়ার চেষ্টা করিনি, সেই দিক থেকে আমি বিজয়ী।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৬ হাজার ভোটের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের ও অসংগতির অভিযোগ তুলে আইনি ভিত্তি পাওয়া গেলে ভোট পুনর্গণনার আবেদনের চিন্তার কথা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পরাজিত প্রার্থী (বেসরকারিভাবে) মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটিক সিস্টেম এবং পার্লামেন্টারি সিস্টেম অব ডেমোক্র্যাসিতে নির্বাচনই হচ্ছে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বৈধ পথ। এজন্য আমরা সবসময় নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল। এবারের নির্বাচনকেও আমরা সেভাবেই গ্রহণ করেছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বচ্ছ, অবাধ নির্বাচনের জন্য সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, যদিও চূড়ান্ত সরকারি ফলাফল এখনো ঘোষণা হয়নি, তবুও বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল বিভিন্ন পর্যায়ের নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। রিটার্নিং অফিসারের স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, দুই উপজেলার ইউএনও এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংরক্ষিত ভোট গণনার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রায় ১৫০টি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে তাদের কাছে থাকা শিটের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের অফিসের ফলাফলের মধ্যে কিছু অসংগতি লক্ষ করেছেন নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই সামান্য ভোটের ব্যবধানের কারণে আমরা বিষয়টি যাচাই করছি। আইনি ভিত্তি পেলে পুনর্গণনার আবেদন করার চিন্তা করছি।
জামায়াতের এই সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, প্রায় ৬ হাজারের বেশি ভোট বাতিল করা হয়েছে। এসব ভোট যৌক্তিক কারণে ও বিধি অনুযায়ী বাতিল হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনের বিধান অনুযায়ী ব্যালটগুলো পুনরায় পরীক্ষা করার আবেদন করার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি।
তিনি আরও বলেন, কোথাও ওভাররাইটিং, ভোটের অঙ্ক লেখায় ভুল বা গণনার ত্রুটি থাকলে সেগুলো আইনানুগভাবে পুনর্গণনার মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, প্রায় দেড় লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। অল্প ব্যবধানে ফলাফল হওয়ায় বিষয়টি অনেকের কাছেই প্রশ্ন তৈরি করছে। সামান্য এক হাজারের মতো ভোটের ব্যবধান, এটা অনেকের কাছেই বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। হয় ৬ হাজার বাতিল ভোট পরীক্ষা করা দরকার, অথবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনা হওয়া দরকার।
ডুমুরিয়া-ফুলতলাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মনোবল হারানোর কিছু নেই। জয়-পরাজয় রাজনীতির অংশ হলেও তিনি নিজেকে নৈতিকভাবে পরাজিত মনে করেন না। আমি কোনো অন্যায় করিনি, অসৎ পথ অবলম্বন করিনি, মানুষের ওপর জুলুম করিনি, কালো টাকা বা শক্তি প্রয়োগ করে মানুষের রায় নেওয়ার চেষ্টা করিনি, সেই দিক থেকে আমি বিজয়ী।
বরিশাল টাইমস

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসনে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এবার বিএনপির এই হেভিওয়েট নেতা পরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন, এমন গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, খুব শিগগিরই পরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন সালাহউদ্দিন আহমদ, এমন ঘোষণা আসবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে ৯৫ হাজার ৮৩০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট।
কক্সবাজার-১ চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত। এ আসনে এবারের ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৬৮ জন। তার মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৯০ হাজার ২৭৫ জন ও মহিলা ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ জন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেসরকারি ফলাফলে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি কোনো বিজয় উল্লাস করবে না। আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। আমরা কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি করতে চাই না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই এখন আমাদের প্রধান কর্তব্য।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থন ও উচ্ছ্বাস থেকেই দলটি জনগণের প্রত্যাশা সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা পেয়েছে। বিএনপি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দল।
উল্লেখ্য, চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এর আগে তিনি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসনে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এবার বিএনপির এই হেভিওয়েট নেতা পরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন, এমন গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, খুব শিগগিরই পরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন সালাহউদ্দিন আহমদ, এমন ঘোষণা আসবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে ৯৫ হাজার ৮৩০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট।
কক্সবাজার-১ চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত। এ আসনে এবারের ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৬৮ জন। তার মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৯০ হাজার ২৭৫ জন ও মহিলা ভোটার ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯২ জন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বেসরকারি ফলাফলে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি কোনো বিজয় উল্লাস করবে না। আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। আমরা কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি করতে চাই না। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই এখন আমাদের প্রধান কর্তব্য।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থন ও উচ্ছ্বাস থেকেই দলটি জনগণের প্রত্যাশা সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা পেয়েছে। বিএনপি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দল।
উল্লেখ্য, চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। এর আগে তিনি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
বরিশাল টাইমস

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর নেত্রকোনা-৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এবার এই নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। এমন গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, খুব শিগগিরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লুৎফুজ্জামান বাবর পাবেন, এমন ঘোষণা আসবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৪২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৯ ভোট।
এদিকে, আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘অতীতেও আমি কোনো কিছু চাইনি, এখনো আমি কিছু চাইব না। দল চাইলে মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব দিতে পারে।’
দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর কারাবন্দী থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমি বিনা অপরাধে সাড়ে ১৭ বছর জেল খেটেছি। ভাবিনি আবারও নির্বাচন করতে পারব। নির্বাচন করতে পেরে আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। এলাকার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন, এখন আমার একটাই কাজ—এলাকার উন্নয়ন করা।’
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের বিষয়ে বাবর বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমার নেতা জনগণের কাছে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ তৌফিক দান করলে ইনশাআল্লাহ আমি সে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।’
বরিশাল টাইমস
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর নেত্রকোনা-৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এবার এই নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। এমন গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, খুব শিগগিরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব লুৎফুজ্জামান বাবর পাবেন, এমন ঘোষণা আসবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রভিত্তিক প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৪২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩০৯ ভোট।
এদিকে, আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘অতীতেও আমি কোনো কিছু চাইনি, এখনো আমি কিছু চাইব না। দল চাইলে মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব দিতে পারে।’
দীর্ঘ সাড়ে ১৭ বছর কারাবন্দী থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, আমি বিনা অপরাধে সাড়ে ১৭ বছর জেল খেটেছি। ভাবিনি আবারও নির্বাচন করতে পারব। নির্বাচন করতে পেরে আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। এলাকার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন, এখন আমার একটাই কাজ—এলাকার উন্নয়ন করা।’
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের বিষয়ে বাবর বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমার নেতা জনগণের কাছে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ তৌফিক দান করলে ইনশাআল্লাহ আমি সে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করব।’
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.