বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথে যাত্রীবাহী কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের রুট পারমিট স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার রাতে লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত আদেশ জারি করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এর আগে শুক্রবার রাতে লঞ্চের মালিক মনজুরুল ইসলাম ফেরদৌসসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা মামলা করে কোস্টগার্ড।
বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মুহম্মদ মোবরাক হোসেনের স্বাক্ষরিত রুট পারমিট স্থগিত আদেশে বলা হয়েছে, এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা করে। সদরঘাট টার্মিনাল ত্যাগ করার পর পোস্তগোলা ব্রীজ অতিক্রম করার আগে লঞ্চের একটি প্রপেলার ভেঙে যায়। বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানার পর বিআইডব্লিউটিএ’র পরিবহন পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম দায়িত্বরত মাস্টার শুক্কুর এবং ড্রাইভার মিজানুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। তারা প্রপেলার ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চের মাস্টারকে যাত্রা বাতিল করে সদরঘাট টার্মিনালে ফেরত আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ যুগ্ম-পরিচালক (নৌনিট্রা) লঞ্চের মাস্টারের সঙ্গে ফোনে কথা বলে অনুরূপ নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি নির্দেশ অমান্য করে লঞ্চটি এক ইঞ্জিনে চালিয়ে শুক্রবার সকালে বরিশালে পৌঁছায়। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং ঈদ-উল-আযহায় ঘরমুখো যাত্রীদের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। ফলে কর্তৃপক্ষের তথা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারতো। লঞ্চটির চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
এর আগে শুক্রবার সকালে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চ বরিশাল নৌবন্দরে পৌঁছার পর যাত্রীদের সঙ্গে লঞ্চ কর্মচারীদের তুমুল বাকবিতন্ডা হয়। যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে তখন কোস্টগার্ড ঘটনাস্থলে গেলে লঞ্চের মালিক ফেরদৌস দলবলসহ কোস্টগার্ড ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসাদচরণ করেন।
সেই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার রাতে মামলা করেন কোস্টগার্ডের কমান্ডার শাহ-জালাল। এরপরে গ্রেপ্তার হয়েছেন কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ম্যানেজার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন এবং মাস্টার শুকুর আলী। মামলা এবং গ্রেপ্তারের একদিন পরে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত করল বিআইডব্লিউটিএ।’

২১ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:১১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকর্মী মো. তাইজুল ইসলাম তাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বরিশাল নগরী থেকে তাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবারের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের ছোট ব্রিজসংলগ্ন নলছিটি হাউজিং এলাকায় তিন বহিরাগতকে গাঁজা সেবন করতে দেখেন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান মাহমুদুল ও তাঁর সহকর্মীরা। তাঁদের মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বলার পাশাপাশি চড়-থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এরপর তাজের নেতৃত্বে বহিরাগত ছাত্রলীগকর্মী মো. সাব্বির খান, মো. ইরফান হিমেল ও তামজিদ বাঁধনসহ ১০ থেকে ১৫ জন সংগঠিত হয়ে ইমরানসহ তিন ছাত্রদল নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে ইমরান মাহমুদুল, জনি ও আশিক আহত হন।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা করেন। এতে তাজ, সাব্বির, হিমেল ও বাঁধনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
হামলার প্রতিবাদে ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে প্রায় ১০ মিনিট পর তাঁরা অবরোধ তুলে নেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সোমবারই বন্দর থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেছিলেন তিনি। আহতদের আইনি সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট ব্যতীত সব রাজনৈতিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীর পাশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় আছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ইয়াবাসংক্রান্ত একটি মামলায় তাজকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকর্মী মো. তাইজুল ইসলাম তাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বরিশাল নগরী থেকে তাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সোমবারের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের ছোট ব্রিজসংলগ্ন নলছিটি হাউজিং এলাকায় তিন বহিরাগতকে গাঁজা সেবন করতে দেখেন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান মাহমুদুল ও তাঁর সহকর্মীরা। তাঁদের মাদক সেবন থেকে বিরত থাকতে বলার পাশাপাশি চড়-থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এরপর তাজের নেতৃত্বে বহিরাগত ছাত্রলীগকর্মী মো. সাব্বির খান, মো. ইরফান হিমেল ও তামজিদ বাঁধনসহ ১০ থেকে ১৫ জন সংগঠিত হয়ে ইমরানসহ তিন ছাত্রদল নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে ইমরান মাহমুদুল, জনি ও আশিক আহত হন।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা করেন। এতে তাজ, সাব্বির, হিমেল ও বাঁধনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
হামলার প্রতিবাদে ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে প্রায় ১০ মিনিট পর তাঁরা অবরোধ তুলে নেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মেহেদী হাসান সোহাগ সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সোমবারই বন্দর থানার ওসির সঙ্গে কথা বলেছিলেন তিনি। আহতদের আইনি সহায়তার বিষয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট ব্যতীত সব রাজনৈতিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীর পাশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব সময় আছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ইয়াবাসংক্রান্ত একটি মামলায় তাজকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:২১
বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে নতুন করে ১৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার।
মৃত দুই নারীই ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা। তাদের একজন রাশিদা বেগম (৬২)। তিনি নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা গ্রামের বাসিন্দা। অপর নারী রেক্সনা (৪৫) রাজাপুর উপজেলার বাসিন্দা।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫ হাজার ৭১৩ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৯৮৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০০ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার জানান, বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়ার চেয়ে আগেভাগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। রোগীর চাপ সক্ষমতার বাইরে চলে গেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে নতুন করে ১৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার।
মৃত দুই নারীই ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা। তাদের একজন রাশিদা বেগম (৬২)। তিনি নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা গ্রামের বাসিন্দা। অপর নারী রেক্সনা (৪৫) রাজাপুর উপজেলার বাসিন্দা।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫ হাজার ৭১৩ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৯৮৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০০ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার জানান, বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়ার চেয়ে আগেভাগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। রোগীর চাপ সক্ষমতার বাইরে চলে গেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৫২
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও পাঁচজন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার ও পুলিশের কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। বাসটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিল। অন্যদিকে ট্রাকটি কুড়িগ্রাম থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসচালক সোহেল রানা (৪০), রাজশাহীর বাগমারার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আট বছর বয়সী তাসফিয়া খাতুন এবং শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকার কয়েকজন বাসযাত্রী। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নাটোর জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।’
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও পাঁচজন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার ও পুলিশের কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। বাসটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিল। অন্যদিকে ট্রাকটি কুড়িগ্রাম থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসচালক সোহেল রানা (৪০), রাজশাহীর বাগমারার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আট বছর বয়সী তাসফিয়া খাতুন এবং শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকার কয়েকজন বাসযাত্রী। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নাটোর জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।’

০৮ জুন, ২০২৫ ১৩:৪৫
বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথে যাত্রীবাহী কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের রুট পারমিট স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার রাতে লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত আদেশ জারি করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এর আগে শুক্রবার রাতে লঞ্চের মালিক মনজুরুল ইসলাম ফেরদৌসসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা মামলা করে কোস্টগার্ড।
বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মুহম্মদ মোবরাক হোসেনের স্বাক্ষরিত রুট পারমিট স্থগিত আদেশে বলা হয়েছে, এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা করে। সদরঘাট টার্মিনাল ত্যাগ করার পর পোস্তগোলা ব্রীজ অতিক্রম করার আগে লঞ্চের একটি প্রপেলার ভেঙে যায়। বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানার পর বিআইডব্লিউটিএ’র পরিবহন পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম দায়িত্বরত মাস্টার শুক্কুর এবং ড্রাইভার মিজানুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। তারা প্রপেলার ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চের মাস্টারকে যাত্রা বাতিল করে সদরঘাট টার্মিনালে ফেরত আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ যুগ্ম-পরিচালক (নৌনিট্রা) লঞ্চের মাস্টারের সঙ্গে ফোনে কথা বলে অনুরূপ নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি নির্দেশ অমান্য করে লঞ্চটি এক ইঞ্জিনে চালিয়ে শুক্রবার সকালে বরিশালে পৌঁছায়। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং ঈদ-উল-আযহায় ঘরমুখো যাত্রীদের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। ফলে কর্তৃপক্ষের তথা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারতো। লঞ্চটির চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
এর আগে শুক্রবার সকালে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চ বরিশাল নৌবন্দরে পৌঁছার পর যাত্রীদের সঙ্গে লঞ্চ কর্মচারীদের তুমুল বাকবিতন্ডা হয়। যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে তখন কোস্টগার্ড ঘটনাস্থলে গেলে লঞ্চের মালিক ফেরদৌস দলবলসহ কোস্টগার্ড ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসাদচরণ করেন।
সেই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার রাতে মামলা করেন কোস্টগার্ডের কমান্ডার শাহ-জালাল। এরপরে গ্রেপ্তার হয়েছেন কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ম্যানেজার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন এবং মাস্টার শুকুর আলী। মামলা এবং গ্রেপ্তারের একদিন পরে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত করল বিআইডব্লিউটিএ।’
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮