Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ জুন, ২০২৫ ১৩:৪৫
বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথে যাত্রীবাহী কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের রুট পারমিট স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার রাতে লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত আদেশ জারি করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এর আগে শুক্রবার রাতে লঞ্চের মালিক মনজুরুল ইসলাম ফেরদৌসসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা মামলা করে কোস্টগার্ড।
বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মুহম্মদ মোবরাক হোসেনের স্বাক্ষরিত রুট পারমিট স্থগিত আদেশে বলা হয়েছে, এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা করে। সদরঘাট টার্মিনাল ত্যাগ করার পর পোস্তগোলা ব্রীজ অতিক্রম করার আগে লঞ্চের একটি প্রপেলার ভেঙে যায়। বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানার পর বিআইডব্লিউটিএ’র পরিবহন পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম দায়িত্বরত মাস্টার শুক্কুর এবং ড্রাইভার মিজানুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। তারা প্রপেলার ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চের মাস্টারকে যাত্রা বাতিল করে সদরঘাট টার্মিনালে ফেরত আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ যুগ্ম-পরিচালক (নৌনিট্রা) লঞ্চের মাস্টারের সঙ্গে ফোনে কথা বলে অনুরূপ নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি নির্দেশ অমান্য করে লঞ্চটি এক ইঞ্জিনে চালিয়ে শুক্রবার সকালে বরিশালে পৌঁছায়। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং ঈদ-উল-আযহায় ঘরমুখো যাত্রীদের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। ফলে কর্তৃপক্ষের তথা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারতো। লঞ্চটির চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
এর আগে শুক্রবার সকালে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চ বরিশাল নৌবন্দরে পৌঁছার পর যাত্রীদের সঙ্গে লঞ্চ কর্মচারীদের তুমুল বাকবিতন্ডা হয়। যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে তখন কোস্টগার্ড ঘটনাস্থলে গেলে লঞ্চের মালিক ফেরদৌস দলবলসহ কোস্টগার্ড ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসাদচরণ করেন।
সেই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার রাতে মামলা করেন কোস্টগার্ডের কমান্ডার শাহ-জালাল। এরপরে গ্রেপ্তার হয়েছেন কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ম্যানেজার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন এবং মাস্টার শুকুর আলী। মামলা এবং গ্রেপ্তারের একদিন পরে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত করল বিআইডব্লিউটিএ।’
বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথে যাত্রীবাহী কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের রুট পারমিট স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার রাতে লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত আদেশ জারি করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এর আগে শুক্রবার রাতে লঞ্চের মালিক মনজুরুল ইসলাম ফেরদৌসসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা মামলা করে কোস্টগার্ড।
বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মুহম্মদ মোবরাক হোসেনের স্বাক্ষরিত রুট পারমিট স্থগিত আদেশে বলা হয়েছে, এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যাত্রী নিয়ে ঢাকা সদরঘাট থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা করে। সদরঘাট টার্মিনাল ত্যাগ করার পর পোস্তগোলা ব্রীজ অতিক্রম করার আগে লঞ্চের একটি প্রপেলার ভেঙে যায়। বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানার পর বিআইডব্লিউটিএ’র পরিবহন পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম দায়িত্বরত মাস্টার শুক্কুর এবং ড্রাইভার মিজানুর রহমানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। তারা প্রপেলার ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চের মাস্টারকে যাত্রা বাতিল করে সদরঘাট টার্মিনালে ফেরত আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ যুগ্ম-পরিচালক (নৌনিট্রা) লঞ্চের মাস্টারের সঙ্গে ফোনে কথা বলে অনুরূপ নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি নির্দেশ অমান্য করে লঞ্চটি এক ইঞ্জিনে চালিয়ে শুক্রবার সকালে বরিশালে পৌঁছায়। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এবং ঈদ-উল-আযহায় ঘরমুখো যাত্রীদের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। ফলে কর্তৃপক্ষের তথা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারতো। লঞ্চটির চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে।
এর আগে শুক্রবার সকালে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চ বরিশাল নৌবন্দরে পৌঁছার পর যাত্রীদের সঙ্গে লঞ্চ কর্মচারীদের তুমুল বাকবিতন্ডা হয়। যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে তখন কোস্টগার্ড ঘটনাস্থলে গেলে লঞ্চের মালিক ফেরদৌস দলবলসহ কোস্টগার্ড ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসাদচরণ করেন।
সেই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার রাতে মামলা করেন কোস্টগার্ডের কমান্ডার শাহ-জালাল। এরপরে গ্রেপ্তার হয়েছেন কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের ম্যানেজার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন এবং মাস্টার শুকুর আলী। মামলা এবং গ্রেপ্তারের একদিন পরে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চটির রুট পারমিট স্থগিত করল বিআইডব্লিউটিএ।’

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:৫৬

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:৪৯
বরিশালে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর কলসগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জাহিদা বেগম (২০) কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. তাহেরের মেয়ে। বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ওই বাস থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ জাহিদা বেগমকে আটক করা হয়।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র আইচ বলেন, আটককৃতের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:০০
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্মসম্পাদক সহ একাধিক পদে ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পদায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
১২৭ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক পদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমপক্ষে ১৫-২০ জন ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মীকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ছবি ও তথ্য এসেছে প্রতিবেদকের নিকট।
এনিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বয়ং ছাত্রদলের মধ্যেই। ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সরব ছাত্রসংগঠনের নেতারাও ফেসবুক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আমরা জানিও না এতসংখ্যক ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ হবে।
ছাত্রদলের ত্যাগী এসব নেতা হাতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন । অনেকে একে ছাত্রলীগের পুনর্বাসন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগকারীদের তথ্যানুযায়ী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ও বিগতদিনের ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ৪নম্বর সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল, ৩নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন, ২২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুল ইসলাম, ১১নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন, ১২নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. ইমরান, ২০নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ নুর কাফি, ৫ নম্বর সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ তাকভীর সিয়াম, ৯নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিতম দাস, ১০নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ণ বরন সরকার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রবিন আহমেদ তানভীর।
ছাত্রলীগ সংশ্লিদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, ছাত্রলীগের সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।
এছাড়াও এই কমিটি প্রকাশে ববির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই নেতা।
এবিষয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যাদের অবদান ছিলো তারা অন্যরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলেও যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদেরকে রাখা হয়েছে।
কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করা ও সিনিয়র জুনিয়রদের মেইনটেইন না করার বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে কমিটি দেয়া হয়েছে, এখানে নতুন করে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্মসম্পাদক সহ একাধিক পদে ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পদায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
১২৭ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক পদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমপক্ষে ১৫-২০ জন ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মীকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ছবি ও তথ্য এসেছে প্রতিবেদকের নিকট।
এনিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বয়ং ছাত্রদলের মধ্যেই। ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সরব ছাত্রসংগঠনের নেতারাও ফেসবুক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আমরা জানিও না এতসংখ্যক ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ হবে।
ছাত্রদলের ত্যাগী এসব নেতা হাতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন । অনেকে একে ছাত্রলীগের পুনর্বাসন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগকারীদের তথ্যানুযায়ী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ও বিগতদিনের ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ৪নম্বর সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল, ৩নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন, ২২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুল ইসলাম, ১১নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন, ১২নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. ইমরান, ২০নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ নুর কাফি, ৫ নম্বর সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ তাকভীর সিয়াম, ৯নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিতম দাস, ১০নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ণ বরন সরকার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রবিন আহমেদ তানভীর।
ছাত্রলীগ সংশ্লিদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, ছাত্রলীগের সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।
এছাড়াও এই কমিটি প্রকাশে ববির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই নেতা।
এবিষয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যাদের অবদান ছিলো তারা অন্যরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলেও যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদেরকে রাখা হয়েছে।
কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করা ও সিনিয়র জুনিয়রদের মেইনটেইন না করার বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে কমিটি দেয়া হয়েছে, এখানে নতুন করে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
বরিশালে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর কলসগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জাহিদা বেগম (২০) কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. তাহেরের মেয়ে। বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ওই বাস থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ জাহিদা বেগমকে আটক করা হয়।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র আইচ বলেন, আটককৃতের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।