
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
ছবি : সংগৃহীত
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
সিঙ্গাপুরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তায় এই জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাকার্তায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক হকিতে নিজেদের অভিষেক আসরে একের পর এক ইতিহাস তৈরি করে যাচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত খেলেছেন তারা।
আইরিন আক্তার রিয়া বাংলাদেশের অন্যতম একজন খেলোয়াড়। আজ এই ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। খেলা শুরুর আট মিনিটে রিয়ার গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ১২ মিনিটে সমতায় ফেরে সিঙ্গাপুর।
১-১ গোলে সমতা চলতে থাকে ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন রিয়া। পরের মিনিটে আরেকটি গোল করেন তিনি। তার হ্যাটট্রিক পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায়।
সিঙ্গাপুরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তায় এই জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাকার্তায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক হকিতে নিজেদের অভিষেক আসরে একের পর এক ইতিহাস তৈরি করে যাচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত খেলেছেন তারা।
আইরিন আক্তার রিয়া বাংলাদেশের অন্যতম একজন খেলোয়াড়। আজ এই ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। খেলা শুরুর আট মিনিটে রিয়ার গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ১২ মিনিটে সমতায় ফেরে সিঙ্গাপুর।
১-১ গোলে সমতা চলতে থাকে ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন রিয়া। পরের মিনিটে আরেকটি গোল করেন তিনি। তার হ্যাটট্রিক পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায়।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪৬
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর এবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
সিলেটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ২৫ রানে হারে বাংলাদেশ।
সিলেটে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভার ৩ বলেই ৩৯ রান করে ফেলেছিলেন জুয়াইরা ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার। তবে এরপরই শুরু হয় ইউকেট পতন। ৪৪ রানের মধ্যে এই দুই ওপেনারের পাশাপাশি বিদায় নেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও অধিনায়ক জ্যোতিও।
১৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন দিলারা। জুয়াইরার ব্যাট থেকে আসে ১৬ (১২ বলে) রান। তবে তিন ও চারে নামা শারমিন আর জ্যোতি যথাক্রমে ১ ও ০ রানে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা আক্তার। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিং জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২৬ বলে ১৬ রান করে আউট হন সোবহানা। শেষদিকে চালিয়ে খেলা স্বর্ণা ৪৫ বলে ৬০ রান করে রান আউট হন। তবে শেষ দিকে রাবেয়া খান (৭ বলে ৬) ও সুলতানা খাতুনরা (১০ বলে ৫) বলের সমান রানও করতে পারেননি।
এর আগে ইমেশা দুলানি ও হারশিতা সামারাবিক্রামার ফিফটিতে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লঙ্কানরা। দুলানি ৪০ বলে ৫৫ ও হারশিতা ৩৫ বলে ৬১ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুইটি উইকেট নেন সুলতানা।
বরিশাল টাইমস
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর এবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
সিলেটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ২৫ রানে হারে বাংলাদেশ।
সিলেটে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভার ৩ বলেই ৩৯ রান করে ফেলেছিলেন জুয়াইরা ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার। তবে এরপরই শুরু হয় ইউকেট পতন। ৪৪ রানের মধ্যে এই দুই ওপেনারের পাশাপাশি বিদায় নেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও অধিনায়ক জ্যোতিও।
১৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন দিলারা। জুয়াইরার ব্যাট থেকে আসে ১৬ (১২ বলে) রান। তবে তিন ও চারে নামা শারমিন আর জ্যোতি যথাক্রমে ১ ও ০ রানে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা আক্তার। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিং জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২৬ বলে ১৬ রান করে আউট হন সোবহানা। শেষদিকে চালিয়ে খেলা স্বর্ণা ৪৫ বলে ৬০ রান করে রান আউট হন। তবে শেষ দিকে রাবেয়া খান (৭ বলে ৬) ও সুলতানা খাতুনরা (১০ বলে ৫) বলের সমান রানও করতে পারেননি।
এর আগে ইমেশা দুলানি ও হারশিতা সামারাবিক্রামার ফিফটিতে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লঙ্কানরা। দুলানি ৪০ বলে ৫৫ ও হারশিতা ৩৫ বলে ৬১ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুইটি উইকেট নেন সুলতানা।
বরিশাল টাইমস

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
জয় দিয়েই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ নারী দলের। সিরিজের শুরুটা ছিল ৩ উইকেটের জয় দিয়ে। কিন্তু সমতা ফেরে দ্বিতীয় ম্যাচে। এবার শ্রীলঙ্কার নারী দল ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়। তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২১৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। অথচ লঙ্কানদের কাছে টিকতেই পারলেন না স্বাগতিক শিবির। শ্রীলঙ্কার কাছে আজ ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে নিগার সুলতানার দল। এর ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় শ্রীলঙ্কার নারী দল।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে পরিণত হয় অলিখিত ফাইনালে। যেখানে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি লাল সবুজ পরিহিতরা। সোবানা মোস্তারি ছাড়া ব্যাট হাতে খুব একটা দ্যুতি ছড়াতে পারেননি আর কেউই। পাঁচ নম্বরে নেমে এ ব্যাটার ৮০ বলে ৮ চারের মারে ৭৪ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দেন।
অন্যদিকে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৪০ রানের ইনিংস খেললেও সেটি খুব একটা কার্যকর ছিল না। তার ইনিংসটি ছিল বেশ মন্থর। ৯০ বল খেলে মাত্র ১টি চার হাঁকান তিনি। এছাড়া শারমিন আক্তার ৩৬ বলে ২৫ আর রিতু মনি ১৬ বলে ২০ রান করেন। তাতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তুলতে সক্ষম হয় টিম টাইগ্রেস। লঙ্কানদের পক্ষে ৪৮ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কাভিশা দিলহারি। ৪০ রান খরচায় ২ উইকেট নেন নিমাশা মিপাগে। বাংলাদেশের বিপক্ষে তুলনামুলক সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রাখে লঙ্কানরা। ১৫ বলে ১০ রান করে ওপেনার চামারি আথাপাত্থু আউট হলেও দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের ভিত গড়ে দেন হাসিনি পেরেরা ও ইমেশা দুলহানি। দুজনের ১০৮ রানের জুটিতে ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে পড়ে লাল সবুজরা।
৭৯ বলে ৭ চারের মারে ৫৬ রান করে দুলহানি আউট হলেও ক্রিজ আঁকড়ে রাখেন হাসিনি। দল যখন জয় থেকে মাত্র ৯ রান দূরে তখন তিনি সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে মোস্তারির শিকার হন। আউট হওয়ার আগে ১৩১ বলে ১৩ চারের মারে ৯৫ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন হাসিনি। তার আরেক সঙ্গী হার্শিতা সামাবিক্রমা ৫১ বলে ৮ চারের মারে ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের হয়ে ৪৯ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন মারুফা। ২ ওভার বল করে ১২ রান খরচায় ১ উইকেট নেন মোস্তারি।
জয় দিয়েই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ নারী দলের। সিরিজের শুরুটা ছিল ৩ উইকেটের জয় দিয়ে। কিন্তু সমতা ফেরে দ্বিতীয় ম্যাচে। এবার শ্রীলঙ্কার নারী দল ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়। তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২১৪ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। অথচ লঙ্কানদের কাছে টিকতেই পারলেন না স্বাগতিক শিবির। শ্রীলঙ্কার কাছে আজ ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরে গেছে নিগার সুলতানার দল। এর ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় শ্রীলঙ্কার নারী দল।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে পরিণত হয় অলিখিত ফাইনালে। যেখানে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি লাল সবুজ পরিহিতরা। সোবানা মোস্তারি ছাড়া ব্যাট হাতে খুব একটা দ্যুতি ছড়াতে পারেননি আর কেউই। পাঁচ নম্বরে নেমে এ ব্যাটার ৮০ বলে ৮ চারের মারে ৭৪ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দেন।
অন্যদিকে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ৪০ রানের ইনিংস খেললেও সেটি খুব একটা কার্যকর ছিল না। তার ইনিংসটি ছিল বেশ মন্থর। ৯০ বল খেলে মাত্র ১টি চার হাঁকান তিনি। এছাড়া শারমিন আক্তার ৩৬ বলে ২৫ আর রিতু মনি ১৬ বলে ২০ রান করেন। তাতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তুলতে সক্ষম হয় টিম টাইগ্রেস। লঙ্কানদের পক্ষে ৪৮ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন কাভিশা দিলহারি। ৪০ রান খরচায় ২ উইকেট নেন নিমাশা মিপাগে। বাংলাদেশের বিপক্ষে তুলনামুলক সহজ লক্ষ্য পেয়ে শুরু থেকেই ছন্দ ধরে রাখে লঙ্কানরা। ১৫ বলে ১০ রান করে ওপেনার চামারি আথাপাত্থু আউট হলেও দ্বিতীয় উইকেটে জয়ের ভিত গড়ে দেন হাসিনি পেরেরা ও ইমেশা দুলহানি। দুজনের ১০৮ রানের জুটিতে ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে পড়ে লাল সবুজরা।
৭৯ বলে ৭ চারের মারে ৫৬ রান করে দুলহানি আউট হলেও ক্রিজ আঁকড়ে রাখেন হাসিনি। দল যখন জয় থেকে মাত্র ৯ রান দূরে তখন তিনি সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে মোস্তারির শিকার হন। আউট হওয়ার আগে ১৩১ বলে ১৩ চারের মারে ৯৫ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন হাসিনি। তার আরেক সঙ্গী হার্শিতা সামাবিক্রমা ৫১ বলে ৮ চারের মারে ৪৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। বাংলাদেশের হয়ে ৪৯ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন মারুফা। ২ ওভার বল করে ১২ রান খরচায় ১ উইকেট নেন মোস্তারি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৭
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪