
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া। বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসেনা। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন।
এদিন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন। এসময় মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি।
তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা বলেন "এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।' এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া। বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসেনা। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন।
এদিন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন। এসময় মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি।
তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা বলেন "এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।' এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বামী যাহের আলভী এবং তার কথিত প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী তিথিকে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় পল্লবী থানায় মামলাটি রুজু হয়। ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
ইকরার আত্মহত্যার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন নতুন রহস্যের জন্ম হচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে আলভীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকায় ছুটে আসেন ইকরার পরিবারের সদস্যরা।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় শুধু আলভী এবং তিথিই নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে।
পারিবারিক কলহ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ইকরার স্বজনরা আগে থেকেই আলভীর পরিবারের বিচার দাবি করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল।
১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের এমন মর্মান্তিক পরিণতি এবং এরপর মামলা দায়েরের খবরে বিনোদন অঙ্গনসহ সারা দেশে এখন ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে মামলার তদন্ত এবং আসামিদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন আলভী-ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১০
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় এবার মামলা দায়ের করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার এই মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে স্বামী যাহের আলভী এবং তার কথিত প্রেমিকা ও সহ-অভিনেত্রী তিথিকে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টায় পল্লবী থানায় মামলাটি রুজু হয়। ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
ইকরার আত্মহত্যার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন নতুন রহস্যের জন্ম হচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে আলভীর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঢাকায় ছুটে আসেন ইকরার পরিবারের সদস্যরা।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলায় শুধু আলভী এবং তিথিই নন, তার পরিবারের আরও কয়েকজনের নামও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে।
পারিবারিক কলহ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ইকরার স্বজনরা আগে থেকেই আলভীর পরিবারের বিচার দাবি করে আসছিলেন। এবার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করল।
১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের এমন মর্মান্তিক পরিণতি এবং এরপর মামলা দায়েরের খবরে বিনোদন অঙ্গনসহ সারা দেশে এখন ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ এরই মধ্যে মামলার তদন্ত এবং আসামিদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন আলভী-ইকরা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ২০২৪ সালে তাদের বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।