২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া। বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসেনা। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন।
এদিন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন। এসময় মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি।
তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা বলেন "এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।' এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৪
রাজধানীর মগবাজারে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছেন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কোনো বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে আসিফ আকবর অন্যতম। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন। সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: যমুনা টেলিভিশন, কালবেলা ও ঢাকা পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন।
রাজধানীর মগবাজারে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত গাড়ি লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ভোরে মগবাজারের বিশাল সেন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না আসিফ আকবর। ফলে তিনি শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছেন।
হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত কিংবা পেশাগত কোনো বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্তের অগ্রগতি ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে আসিফ আকবর অন্যতম। দীর্ঘ সংগীতজীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন। সংগীতাঙ্গনের পাশাপাশি ক্রিকেট অঙ্গনেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: যমুনা টেলিভিশন, কালবেলা ও ঢাকা পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।
খায়রুল আলম সবুজ, বাংলাদেশের একজন জীবন্ত বরেণ্য অভিনেতা। বহু নাটকেই তিনি বাবার চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। কিছুদিন আগে একটি ওটিটি প্লাটফর্মে প্রকাশিত কাজী আসাদ পরিচালিত ‘লাইফলাইন’ ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। একজন বাবার চরিত্রে নিখুঁত অভিনয়ের কারণে এই মুহূর্তে বেশ আলোচনায় রয়েছেন খায়রুল আলম সবুজ।
ওয়েব ফিল্ম সম্পর্কে খায়রুল আলম সবুজ বলেন, ‘এর আগেও আমি অনেক নাটকে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারই প্রথম বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছি। মিম চমৎকার অভিনয় করে। আমি চেষ্টা করেছি সঠিকভাবে আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে। ফিল্মটি প্রকাশ্যে আসার পর বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বাহিরে গেলে সবাই বেশ প্রশংসা করছে। ধন্যবাদ কাজী আসাদকে আমাকে এত সুন্দর একটি চরিত্রে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
বরিশালে থাকাকালীন মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন খায়রুল আলম সবুজ। তখন পাড়ায় মঞ্চদল করে নাটকে অভিনয় করতেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে ‘নাট্যচক্র’ নামক সংগঠনের মাধ্যমেই নাটকের এক বৈপ্লবিক আন্দোলন শুরু হয়। নাট্যচক্র থেকেই সেলিম আল দীন ও আল মনসুরের লেখা দুটি নাটক মঞ্চস্থ হয়। এরপর তিনি ‘থিয়েটার’-এ যোগ দেন। এই দলের হয়ে মঞ্চে ২২ বছর অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম অভিনয় করেন প্রয়াত আতিকুল হক চৌধুরী পরিচালিত ‘জলের রঙে লেখা’ নাটকে। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম ধারাবাহিক নাটক ছিল ‘ঢাকায় থাকি’।
তবে চলচ্চিত্রে এই বরেণ্য অভিনেতাকে খুব কমই দেখা গেছে। পুনে ইনস্টিটিউট থেকে নির্মিত ‘উজান’ চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর ‘ছাড়পত্র’ নামক একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেন। সাহিত্যচর্চাকে তিনি তার জীবনের কাজ বলে মনে করেন। মৌলিক কাজ যেমন করেছেন, তেমনই করেছেন অনুবাদের কাজ।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৪
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কন্যাসন্তানের মা হওয়ার খবরটি নিজেই নিশ্চিত করলেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। ঢালিউড মেগাস্টার শাকিব খান ও বুবলীর ঘর আলো করে এলো নতুন অতিথি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিব খানকে সঙ্গে নিয়ে এক যৌথ পোস্টে এই সুখবরটি শেয়ার করেছেন বুবলী। তাদের কন্যা সন্তানের নাম রেখেছেন শারলিন খান।
পোস্টে একটি কার্ড প্রকাশ করেন বুবলী, তা থেকে বোঝা যায়, গত ১১ মে তাদের এই কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। কার্ডে অত্যন্ত আনন্দিত বাবা-মা হিসেবে শাকিব খান ও বুবলীর নাম স্পষ্ট করা হয়েছে।
পোস্টে বুবলী লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে। এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।
উল্লেখ্য, বুবলী-শাকিবের ঘরে রয়েছে আরও এক সন্তান- শেহজাদ খান বীর। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে সময় কাটিয়েছিলেন নায়ক। এর মাস ছয়েক পর গুঞ্জন ওঠে, সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন বুবলী। তাদের ভক্তরাও কার্যত দিনক্ষণ গুনছেন- কবে ভূমিষ্ঠ হবে তাদের সন্তান। অবশেষে কন্যা সন্তান আসার খবরের মাঝে এলো এই সুসংবাদ।

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এ বিষয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বলেন, আমরা দুজনের পক্ষে আদালতে জবাব দাখিল করেছি। আদালতকে বলেছি মামলার ৭৯ লাইনের বক্তব্য সাজানো ও মনগড়া। বাদীর সঙ্গে মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাইয়ের কোনো দেখা হয়নি। হুমকি-ধামকির কোন প্রশ্নই আসেনা। শুনানি শেষে আদালত তাদেরকে অব্যাহতি দিয়ে মামলাটি নথিজাত করেছেন।
এদিন মেহজাবীন ও তার ভাই আলিসান আদালতে উপস্থিত হন। এসময় মেহজাবীনের মুখে কাল মাস্ক ছিল। পরে তাদের উপস্থিতি শুনানি হয়। শুনানি শেষে তারা আদালত প্রাঙ্গণে ছেড়ে যান।
এর আগে গত ১০ নভেম্বর পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। পরে ১৬ নভেম্বর মেহজাবীন ও তার ভাই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, আমিরুল ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিবো, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি।
তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।
তারা বলেন "এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না।তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।' এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৩৯
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:২৮
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩১
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩১