
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৮
বিনোদন জগতে খ্যাতির ক্ষণস্থায়িত্ব নতুন কিছু নয়। আর এই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে হলিউড। এক সময়ের জনপ্রিয় শিশু অভিনেতা টাইলার চেজকে গৃহহীন অবস্থায় দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার রাস্তায়। নিকেলোডিয়নের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ নেড’স ডিক্লাসিফায়েড স্কুল সারভাইভাল গাইড-এ অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতার বর্তমান জীবন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী টাইলার চেজকে চিনে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। ওই নারী জানতে চাইলে চেজ নিশ্চিত করেন, তিনিই একসময় নিকেলোডিয়নের সেই জনপ্রিয় শিশু চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ভিডিওটি ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন মারিও নাউফেল নামের এক ব্যবহারকারী। তিনি লেখেন, ‘এই ভিডিও মনে করিয়ে দেয়, খ্যাতি কত দ্রুত ম্লান হয়ে যেতে পারে।’
তার মতে, ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলে অনেক শিশু তারকাই এমন সব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন, যা দীর্ঘদিন ধরে তাদের তাড়া করে বেড়ায়। এর মধ্যে আর্থিক সংকট অন্যতম।
নাউফেল আরো বলেন, ‘শৈশবে শিশু অভিনেতারা ব্যাপক পরিচিতি পায়। কিন্তু বড় হওয়ার পর বাস্তবতা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে ওঠে। টাইলারের ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, খুব অল্প বয়সে পাওয়া খ্যাতির পর হলিউডের সহায়তা সবার জন্য সমানভাবে থাকে না।’
টাইলার চেজের ঘটনা আবারও বিনোদন শিল্পে শিশু শিল্পীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও কিছু শিশু অভিনেতা পরবর্তী সময়ে সফলভাবে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন, তবে অনেকেই নিয়মিত কাজ না পেয়ে আর্থিক ও সামাজিকভাবে সংকটে পড়েন। ফলে সমাজের মূল স্রোত থেকে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঘটনাও বিরল নয়।
এই ঘটনার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—শিশু শিল্পীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা এবং ক্যারিয়ার-পরবর্তী জীবনের প্রস্তুতিতে বিনোদন শিল্প কতটা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভক্তই টাইলার চেজের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন এবং একই পরিস্থিতিতে পড়া অন্য শিশু শিল্পীদের সহায়তার দাবিও তুলছেন।
এর মধ্যেই তার সাবেক সহ-অভিনেতা ড্যানিয়েল কার্টিস লি এগিয়ে এসেছেন তাকে সহায়তা করতে। তার নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন এই অভিনেতা। এসময় চেজ জানান বন্ধুকে দেখে খুব খুশি হয়েছেন তিনি।
এদিকে চেজের পরিবার জানিয়েছে, বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভোগা এই তারকার আর্থিক অনুদানের কোন প্রয়োজন নেই। তার দরকার চিকিৎসা ও নিয়মিত সহায়তা।
বিনোদন জগতে খ্যাতির ক্ষণস্থায়িত্ব নতুন কিছু নয়। আর এই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে হলিউড। এক সময়ের জনপ্রিয় শিশু অভিনেতা টাইলার চেজকে গৃহহীন অবস্থায় দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার রাস্তায়। নিকেলোডিয়নের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ নেড’স ডিক্লাসিফায়েড স্কুল সারভাইভাল গাইড-এ অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতার বর্তমান জীবন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী টাইলার চেজকে চিনে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। ওই নারী জানতে চাইলে চেজ নিশ্চিত করেন, তিনিই একসময় নিকেলোডিয়নের সেই জনপ্রিয় শিশু চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ভিডিওটি ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন মারিও নাউফেল নামের এক ব্যবহারকারী। তিনি লেখেন, ‘এই ভিডিও মনে করিয়ে দেয়, খ্যাতি কত দ্রুত ম্লান হয়ে যেতে পারে।’
তার মতে, ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলে অনেক শিশু তারকাই এমন সব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন, যা দীর্ঘদিন ধরে তাদের তাড়া করে বেড়ায়। এর মধ্যে আর্থিক সংকট অন্যতম।
নাউফেল আরো বলেন, ‘শৈশবে শিশু অভিনেতারা ব্যাপক পরিচিতি পায়। কিন্তু বড় হওয়ার পর বাস্তবতা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে ওঠে। টাইলারের ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, খুব অল্প বয়সে পাওয়া খ্যাতির পর হলিউডের সহায়তা সবার জন্য সমানভাবে থাকে না।’
টাইলার চেজের ঘটনা আবারও বিনোদন শিল্পে শিশু শিল্পীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও কিছু শিশু অভিনেতা পরবর্তী সময়ে সফলভাবে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন, তবে অনেকেই নিয়মিত কাজ না পেয়ে আর্থিক ও সামাজিকভাবে সংকটে পড়েন। ফলে সমাজের মূল স্রোত থেকে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঘটনাও বিরল নয়।
এই ঘটনার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—শিশু শিল্পীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা এবং ক্যারিয়ার-পরবর্তী জীবনের প্রস্তুতিতে বিনোদন শিল্প কতটা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভক্তই টাইলার চেজের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন এবং একই পরিস্থিতিতে পড়া অন্য শিশু শিল্পীদের সহায়তার দাবিও তুলছেন।
এর মধ্যেই তার সাবেক সহ-অভিনেতা ড্যানিয়েল কার্টিস লি এগিয়ে এসেছেন তাকে সহায়তা করতে। তার নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন এই অভিনেতা। এসময় চেজ জানান বন্ধুকে দেখে খুব খুশি হয়েছেন তিনি।
এদিকে চেজের পরিবার জানিয়েছে, বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভোগা এই তারকার আর্থিক অনুদানের কোন প্রয়োজন নেই। তার দরকার চিকিৎসা ও নিয়মিত সহায়তা।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
দিল্লির জাতীয় মহিলা কমিশনে হাজিরা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। সোমবার (২৭ এপ্রিল) আসন্ন ‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার একটি গানে অশালীন ও কুরুচিকর শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে কমিশন তাকে তলব করেছিল। সেই সিনেমার আইটেম গান ঘিরে জোর বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে।
‘সরকে চুনরী তৈরি সরকে গানে নাচতে দেখা যায় মডেল-অভিনেত্রী নোরা ফাতেহিকে। গানটি প্রকাশ্যে আসার পরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। অনেকেই গানের দৃশ্যকে অশালীন ও কুরুচিকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে মডেল নোরার নাচের ভঙ্গিমা নিয়ে ওঠে প্রশ্ন।
বিতর্ক বাড়তে থাকায় শেষমেশ গানটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি নোরাও এ ঘটনায় প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করেন। সেই গানেই নোরার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নাচতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্তকে। আর গানের বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি ওঠায় জাতীয় মহিলা কমিশন অভিনেতাকে তলব করা হয়। সোমবার কমিশনের দপ্তরে হাজির হন সঞ্জয় দত্ত।
এ গানটি প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, যে ভাষায় গানটি রেকর্ড করা হয়েছিল, তার প্রকৃত অর্থ তিনি জানতেন না। শিল্পী হিসেবে তিনি কেবল তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন।
সঞ্জয়ের আইনজীবী হেমন্ত শাহ সংবাদমাধ্যমকে জানান, সঞ্জয় নাকি গানের কথার প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে জানতেন না। কারণ গানটি এমন একটি ভাষায় রেকর্ড করা হয়েছিল, যা তিনি বোঝেন না। তবে এ ধরনের একটি কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। এর পাশাপাশি ৫০ জন আদিবাসী শিশুর শিক্ষার দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছেন অভিনেতা। এদিন কমিশনে গিয়ে সঞ্জয়কে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। শুনানি শেষ হতেই দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গত শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করি।’
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। তিনি বলেন, ‘আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।’ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
গত শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করি।’
মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। তিনি বলেন, ‘আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।’ ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তার মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৯
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২