
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও আসমা উল হুসনা বলেছেন, 'যুবসমাজ হলো একটি দেশের মূল চালিকাশক্তি। সেই তরুণ যুবসমাজ যদি তাদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করে তবে আসামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মমুখী শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে।' মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিআরডিবি হলরুমে শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং সামাজিক সচেতনতায় যুবকদের ভূমিকা শীর্ষক ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাহাবুদ্দীন সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিচালক প্রিন্স বাহাউদ্দীন তালুকদার, বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোঃ এহতেশামুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম।
উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত। এসময় উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নূর হোসেন চৌধুরী, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা কবির উদ্দিন, যুবদল নেতা সজীব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের যুব প্রতিনিধি নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোট সম্পর্কে আলোচনা ছাড়াও মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে যুবকদের কার্যকরী ভূমিকা পালনের আহবান জানানো হয়। #
বাবুগঞ্জে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন ইউএনও আসমা উল হুসনা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও আসমা উল হুসনা বলেছেন, 'যুবসমাজ হলো একটি দেশের মূল চালিকাশক্তি। সেই তরুণ যুবসমাজ যদি তাদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা দিয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করে তবে আসামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের দায়িত্ব নিতে হবে। মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মমুখী শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে।' মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিআরডিবি হলরুমে শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং সামাজিক সচেতনতায় যুবকদের ভূমিকা শীর্ষক ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাহাবুদ্দীন সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিচালক প্রিন্স বাহাউদ্দীন তালুকদার, বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোঃ এহতেশামুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম।
উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবদুর রহমান সন্ন্যামত। এসময় উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নূর হোসেন চৌধুরী, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা কবির উদ্দিন, যুবদল নেতা সজীব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের যুব প্রতিনিধি নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোট সম্পর্কে আলোচনা ছাড়াও মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে যুবকদের কার্যকরী ভূমিকা পালনের আহবান জানানো হয়। #

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:৫৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্মসম্পাদক সহ একাধিক পদে ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পদায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
১২৭ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক পদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমপক্ষে ১৫-২০ জন ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মীকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ছবি ও তথ্য এসেছে প্রতিবেদকের নিকট।
এনিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বয়ং ছাত্রদলের মধ্যেই। ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সরব ছাত্রসংগঠনের নেতারাও ফেসবুক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আমরা জানিও না এতসংখ্যক ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ হবে।
ছাত্রদলের ত্যাগী এসব নেতা হাতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন । অনেকে একে ছাত্রলীগের পুনর্বাসন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগকারীদের তথ্যানুযায়ী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ও বিগতদিনের ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ৪নম্বর সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল, ৩নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন, ২২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুল ইসলাম, ১১নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন, ১২নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. ইমরান, ২০নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ নুর কাফি, ৫ নম্বর সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ তাকভীর সিয়াম, ৯নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিতম দাস, ১০নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ণ বরন সরকার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রবিন আহমেদ তানভীর।
ছাত্রলীগ সংশ্লিদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, ছাত্রলীগের সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।
এছাড়াও এই কমিটি প্রকাশে ববির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই নেতা।
এবিষয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যাদের অবদান ছিলো তারা অন্যরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলেও যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদেরকে রাখা হয়েছে।
কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করা ও সিনিয়র জুনিয়রদের মেইনটেইন না করার বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে কমিটি দেয়া হয়েছে, এখানে নতুন করে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্মসম্পাদক সহ একাধিক পদে ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পদায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
১২৭ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক পদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমপক্ষে ১৫-২০ জন ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মীকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ছবি ও তথ্য এসেছে প্রতিবেদকের নিকট।
এনিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বয়ং ছাত্রদলের মধ্যেই। ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সরব ছাত্রসংগঠনের নেতারাও ফেসবুক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আমরা জানিও না এতসংখ্যক ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ হবে।
ছাত্রদলের ত্যাগী এসব নেতা হাতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন । অনেকে একে ছাত্রলীগের পুনর্বাসন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগকারীদের তথ্যানুযায়ী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ও বিগতদিনের ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ৪নম্বর সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল, ৩নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন, ২২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুল ইসলাম, ১১নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন, ১২নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. ইমরান, ২০নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ নুর কাফি, ৫ নম্বর সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ তাকভীর সিয়াম, ৯নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিতম দাস, ১০নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ণ বরন সরকার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রবিন আহমেদ তানভীর।
ছাত্রলীগ সংশ্লিদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, ছাত্রলীগের সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।
এছাড়াও এই কমিটি প্রকাশে ববির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই নেতা।
এবিষয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যাদের অবদান ছিলো তারা অন্যরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলেও যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদেরকে রাখা হয়েছে।
কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করা ও সিনিয়র জুনিয়রদের মেইনটেইন না করার বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে কমিটি দেয়া হয়েছে, এখানে নতুন করে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:৪৯
বরিশালে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর কলসগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জাহিদা বেগম (২০) কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. তাহেরের মেয়ে। বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ওই বাস থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ জাহিদা বেগমকে আটক করা হয়।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র আইচ বলেন, আটককৃতের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশালে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর কলসগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জাহিদা বেগম (২০) কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. তাহেরের মেয়ে। বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ওই বাস থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ জাহিদা বেগমকে আটক করা হয়।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র আইচ বলেন, আটককৃতের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:০০
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.