Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ জুলাই, ২০২৫ ১৮:৫১
বরিশালের উজিরপুরে মাদকাসক্ত স্বামী যৌতুকের টাকা না পেয়ে আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের নবজাতক সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করেছেন তারই স্ত্রী রোজিনা বেগম (৩০)।
শুধু তাই নয়, রোজিনা বেগম প্রতিবাদ করলে তাকে বেদম মারধর করে বাহিরে ফেলে রাখেন স্বামী মনজুর আলম সরদার (৪৪)। পরে স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, রোজিনা বেগমের সঙ্গে মনজুর আলম সরদারের সামাজিকভাবে বিবাহ হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই মনজুর আলম মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে দফায় দফায় যৌতুকের টাকা আদায় করেন।
এদিকে গত তিন মাস পূর্বে গৌরনদীর কোনো এক ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয় স্ত্রী রজিনা বেগমের। যৌতুক লোভী এই পাষণ্ড স্বামী ছেলেটিকে আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী ওই নারী।
সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা জন্মানোর পরে তার স্বামী তাকে জানান তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছেন এবং খুবই অসুস্থ। তাই তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং সেখানে সে মারা গেছে।
মনজুর আলম উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের জয়শ্রী গ্রামের হাতেম আলী সরদারের ছেলে। আর রোজিনা বেগম একই ইউনিয়নের হস্তিশুন্ড গ্রামের হাকিম মৃধার মেয়ে।
লাশ দেখতে চাইলে তিনি (মনজুর আলম) বলেন- ‘সে লাশ আর আনা হয়নি, ওখানে রেখে এসেছি।’ বিক্রির বিষয়টি পরে জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে ৩০ জুন সোমবার সন্ধ্যায় তার স্বামী বাবার বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা আনার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।
এতে অপরগতা প্রকাশ করলে তাকে বেদম মারধর করে অজ্ঞান করে ফেলে এবং স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোনসহ বাচ্চাদের নিজের কাছে আটকে রেখে স্ত্রীকে ঘড়ের বাইরে ফেলে রাখে।
মারধরের বিষয়ে প্রতিবেশীরা রোজিনার আত্মীয়-স্বজনদেরকে খবর দেন। পরে তারা এসে উদ্ধার করে হসপাতালে ভর্তি করান।
যৌতুকের দাবিতে মারধরে বিষয়ে মনজুর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মারধর করিনি, উল্টো আমাকে মারধর করেছে।’
বাচ্চা বিক্রির বিষয় প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘স্ত্রীকে হসপাতালে ভর্তির কাগজে কোনো স্বাক্ষর করিনি, তাই এ বিষয়ে আমি দায়ী নই।
উজিরপুরের মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আব্দুস সালাম বরিশালটাইমসকে জানান, ‘এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশালের উজিরপুরে মাদকাসক্ত স্বামী যৌতুকের টাকা না পেয়ে আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের নবজাতক সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করেছেন তারই স্ত্রী রোজিনা বেগম (৩০)।
শুধু তাই নয়, রোজিনা বেগম প্রতিবাদ করলে তাকে বেদম মারধর করে বাহিরে ফেলে রাখেন স্বামী মনজুর আলম সরদার (৪৪)। পরে স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, রোজিনা বেগমের সঙ্গে মনজুর আলম সরদারের সামাজিকভাবে বিবাহ হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই মনজুর আলম মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং শ্বশুরবাড়ি থেকে দফায় দফায় যৌতুকের টাকা আদায় করেন।
এদিকে গত তিন মাস পূর্বে গৌরনদীর কোনো এক ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয় স্ত্রী রজিনা বেগমের। যৌতুক লোভী এই পাষণ্ড স্বামী ছেলেটিকে আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী ওই নারী।
সিজারের মাধ্যমে বাচ্চা জন্মানোর পরে তার স্বামী তাকে জানান তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছেন এবং খুবই অসুস্থ। তাই তাকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং সেখানে সে মারা গেছে।
মনজুর আলম উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের জয়শ্রী গ্রামের হাতেম আলী সরদারের ছেলে। আর রোজিনা বেগম একই ইউনিয়নের হস্তিশুন্ড গ্রামের হাকিম মৃধার মেয়ে।
লাশ দেখতে চাইলে তিনি (মনজুর আলম) বলেন- ‘সে লাশ আর আনা হয়নি, ওখানে রেখে এসেছি।’ বিক্রির বিষয়টি পরে জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে ৩০ জুন সোমবার সন্ধ্যায় তার স্বামী বাবার বাড়ির সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা আনার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।
এতে অপরগতা প্রকাশ করলে তাকে বেদম মারধর করে অজ্ঞান করে ফেলে এবং স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোনসহ বাচ্চাদের নিজের কাছে আটকে রেখে স্ত্রীকে ঘড়ের বাইরে ফেলে রাখে।
মারধরের বিষয়ে প্রতিবেশীরা রোজিনার আত্মীয়-স্বজনদেরকে খবর দেন। পরে তারা এসে উদ্ধার করে হসপাতালে ভর্তি করান।
যৌতুকের দাবিতে মারধরে বিষয়ে মনজুর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মারধর করিনি, উল্টো আমাকে মারধর করেছে।’
বাচ্চা বিক্রির বিষয় প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘স্ত্রীকে হসপাতালে ভর্তির কাগজে কোনো স্বাক্ষর করিনি, তাই এ বিষয়ে আমি দায়ী নই।
উজিরপুরের মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আব্দুস সালাম বরিশালটাইমসকে জানান, ‘এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

২৫ মে, ২০২৬ ১৮:১৬
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালের সাগরদী এলাকায় ডিম বিক্রির আড়ালে ফেনসিডিল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত চার মাদক কারবারি গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। গতকাল রোববার রাতে নগরীর সাগরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিদ্দিকুর রহমান জুয়েল, বিশ্বজিৎ কুমার দাস, জাহিদুল ইসলাম ও লাল্টু মিয়া। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির চৌকির নিচ থেকে ৩১২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা আলামতসহ তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।