বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার, রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন আলী শরীফ বীর প্রতীকের রাজসিক কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা রাকুদিয়া গ্রামে বীর প্রতীকের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে ওই কুলখানি ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
এসময় সেখানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পক্ষে বরিশাল এয়ার (রাডার) বেইজ স্টেশনের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মেহরাব আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং বীর প্রতীকের পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম শহীদ। এসময় অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল মহানগর জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় সেখানে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাক্তার তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মিলন খান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না প্রমুখ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিমানবাহিনী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। কুলখানিতে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূরুদ্দীন খান ও মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
উল্লেখ্য, বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে চলে আসেন এবং মুক্তিবাহিনী গঠন করেন। তিনি এপ্রিল মাসে প্রথম বাবুগঞ্জ থানা থেকে দুইটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল সংগ্রহ করে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের অধীনে বাবুগঞ্জ-উজিরপুর অঞ্চলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন সফল অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন দুঃসাহসিক যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জন করেন। দেশ স্বাধীনের পরে সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের কাছে ৪৭৩টি অস্ত্র জমা দেন। তাঁর এসব বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে, যা দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা।
বীর প্রতীক রত্তন শরীফ ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশ স্বাধীন করার পরে বিমানবাহিনীর ফ্লাইট সার্জেন্ট পদ থেকে অবসরগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হওয়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৭ ডিসেম্বর বমি এবং পেটের পীড়াজনিত অসুস্থতায় তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ভিআইপি ৫০০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি হন। সেখানে বমি এবং পাতলা পায়খানার সাথে তাঁর প্রেসার ও ডায়াবেটিস বেড়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লেও হাসপাতাল থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এমনকি বারবার ডাকার পরেও সারাদিনে কাছে আসেনি কোনো ডাক্তার। ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিনা চিকিৎসায় শেবাচিম হাসপাতালের কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বাধীনতার সূর্যসন্তান বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর বাদ জোহর উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের সরকারি আবুল কালাম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়। #

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৭
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার, রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন আলী শরীফ বীর প্রতীকের রাজসিক কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা রাকুদিয়া গ্রামে বীর প্রতীকের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে ওই কুলখানি ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
এসময় সেখানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পক্ষে বরিশাল এয়ার (রাডার) বেইজ স্টেশনের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মেহরাব আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং বীর প্রতীকের পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম শহীদ। এসময় অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল মহানগর জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় সেখানে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাক্তার তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মিলন খান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না প্রমুখ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিমানবাহিনী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। কুলখানিতে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূরুদ্দীন খান ও মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
উল্লেখ্য, বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে চলে আসেন এবং মুক্তিবাহিনী গঠন করেন। তিনি এপ্রিল মাসে প্রথম বাবুগঞ্জ থানা থেকে দুইটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল সংগ্রহ করে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের অধীনে বাবুগঞ্জ-উজিরপুর অঞ্চলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন সফল অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন দুঃসাহসিক যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জন করেন। দেশ স্বাধীনের পরে সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের কাছে ৪৭৩টি অস্ত্র জমা দেন। তাঁর এসব বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে, যা দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা।
বীর প্রতীক রত্তন শরীফ ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশ স্বাধীন করার পরে বিমানবাহিনীর ফ্লাইট সার্জেন্ট পদ থেকে অবসরগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হওয়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৭ ডিসেম্বর বমি এবং পেটের পীড়াজনিত অসুস্থতায় তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ভিআইপি ৫০০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি হন। সেখানে বমি এবং পাতলা পায়খানার সাথে তাঁর প্রেসার ও ডায়াবেটিস বেড়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লেও হাসপাতাল থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এমনকি বারবার ডাকার পরেও সারাদিনে কাছে আসেনি কোনো ডাক্তার। ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিনা চিকিৎসায় শেবাচিম হাসপাতালের কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বাধীনতার সূর্যসন্তান বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর বাদ জোহর উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের সরকারি আবুল কালাম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়। #