
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৭
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার, রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন আলী শরীফ বীর প্রতীকের রাজসিক কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা রাকুদিয়া গ্রামে বীর প্রতীকের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে ওই কুলখানি ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
এসময় সেখানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পক্ষে বরিশাল এয়ার (রাডার) বেইজ স্টেশনের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মেহরাব আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং বীর প্রতীকের পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম শহীদ। এসময় অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল মহানগর জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় সেখানে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাক্তার তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মিলন খান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না প্রমুখ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিমানবাহিনী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। কুলখানিতে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূরুদ্দীন খান ও মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
উল্লেখ্য, বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে চলে আসেন এবং মুক্তিবাহিনী গঠন করেন। তিনি এপ্রিল মাসে প্রথম বাবুগঞ্জ থানা থেকে দুইটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল সংগ্রহ করে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের অধীনে বাবুগঞ্জ-উজিরপুর অঞ্চলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন সফল অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন দুঃসাহসিক যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জন করেন। দেশ স্বাধীনের পরে সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের কাছে ৪৭৩টি অস্ত্র জমা দেন। তাঁর এসব বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে, যা দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা।
বীর প্রতীক রত্তন শরীফ ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশ স্বাধীন করার পরে বিমানবাহিনীর ফ্লাইট সার্জেন্ট পদ থেকে অবসরগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হওয়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৭ ডিসেম্বর বমি এবং পেটের পীড়াজনিত অসুস্থতায় তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ভিআইপি ৫০০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি হন। সেখানে বমি এবং পাতলা পায়খানার সাথে তাঁর প্রেসার ও ডায়াবেটিস বেড়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লেও হাসপাতাল থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এমনকি বারবার ডাকার পরেও সারাদিনে কাছে আসেনি কোনো ডাক্তার। ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিনা চিকিৎসায় শেবাচিম হাসপাতালের কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বাধীনতার সূর্যসন্তান বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর বাদ জোহর উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের সরকারি আবুল কালাম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়। #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার, রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা রতন আলী শরীফ বীর প্রতীকের রাজসিক কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা উপজেলা রাকুদিয়া গ্রামে বীর প্রতীকের বাড়ি সংলগ্ন মাঠে ওই কুলখানি ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে।
এসময় সেখানে মিলাদ ও দোয়া-মোনাজাত আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পক্ষে বরিশাল এয়ার (রাডার) বেইজ স্টেশনের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মেহরাব আলম, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং বীর প্রতীকের পরিবারের পক্ষে তাঁর ছেলে ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম শহীদ। এসময় অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল মহানগর জামায়াত ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় সেখানে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাক্তার তানভীর আহমেদ, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মিলন খান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না প্রমুখ ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিমানবাহিনী কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। কুলখানিতে দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা নূরুদ্দীন খান ও মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
উল্লেখ্য, বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ মুক্তিযুদ্ধের ৯ নং সেক্টরের কোম্পানি কমান্ডার ও যুদ্ধকালীন বেইজ কমান্ডার ছিলেন। যুদ্ধে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে চলে আসেন এবং মুক্তিবাহিনী গঠন করেন। তিনি এপ্রিল মাসে প্রথম বাবুগঞ্জ থানা থেকে দুইটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল সংগ্রহ করে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হন। তিনি ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের অধীনে বাবুগঞ্জ-উজিরপুর অঞ্চলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন সফল অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি বিভিন্ন দুঃসাহসিক যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জন করেন। দেশ স্বাধীনের পরে সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিলের কাছে ৪৭৩টি অস্ত্র জমা দেন। তাঁর এসব বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীর প্রতীক' খেতাবে ভূষিত করে, যা দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা।
বীর প্রতীক রত্তন শরীফ ১৯৪৮ সালের ২ জানুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে মেট্রিকুলেশন এবং ১৯৭২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। দেশ স্বাধীন করার পরে বিমানবাহিনীর ফ্লাইট সার্জেন্ট পদ থেকে অবসরগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং জীবনবাজি রেখে বিভিন্ন সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন সংগঠক হওয়ার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে এলাকায় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। গত ২৭ ডিসেম্বর বমি এবং পেটের পীড়াজনিত অসুস্থতায় তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ভিআইপি ৫০০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি হন। সেখানে বমি এবং পাতলা পায়খানার সাথে তাঁর প্রেসার ও ডায়াবেটিস বেড়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়লেও হাসপাতাল থেকে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এমনকি বারবার ডাকার পরেও সারাদিনে কাছে আসেনি কোনো ডাক্তার। ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে বিনা চিকিৎসায় শেবাচিম হাসপাতালের কেবিনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন স্বাধীনতার সূর্যসন্তান বীর প্রতীক রতন আলী শরীফ। পরদিন ২৯ ডিসেম্বর বাদ জোহর উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের সরকারি আবুল কালাম কলেজ মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থান দাফন করা হয়। #

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.