
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৬
লিখিত, মৌখিক কিংবা ব্যবহারিক—কোনো পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও পেয়েছেন নিয়োগপত্র। সেই নিয়োগপত্র হাতে কর্মস্থলে যোগ দিতে এসে আটক হয়েছেন এক চাকরিপ্রার্থী। এ ঘটনায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অভ্যন্তরীণ জালিয়াতি বা দালালচক্র জড়িত কি না তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সুজা মিয়া (৩২)। তিনি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কুকড়াপাড় গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, দুটি প্লাম্বার পদসহ মোট ১৯টি শূন্য পদে ৩১ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছে যোগদানের চিঠি পাঠানো হয়। সুজা মিয়া গত ৩ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপত্র পান বলে জানা গেছে।
রোববার বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগ দিতে গেলে তাকে গাজীপুর সদর দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরে সোমবার সকালে তিনি প্লাম্বার পদে যোগ দিতে ব্রি’র সদর দপ্তরে উপস্থিত হন। সদর দপ্তরে কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। দেখা যায়, তার অ্যাডমিট কার্ডে অন্য ব্যক্তির ছবি সংযুক্ত ছিল। যার ছবি ছিল, তার নাম মিলন মিয়া। অর্থাৎ সব পরীক্ষায় তার হয়ে অন্য কেউ অংশ নিয়েছেন।
জিজ্ঞাসাবাদে সুজা মিয়া দাবি করেন, তিনি ‘মিলন মিয়া’কে চেনেন না। তবে শ্রীবরদী এলাকার মাহবুব নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেন। পরে ব্রি কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
গাজীপুর সদর থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে ব্রি কর্তৃপক্ষ এক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অনিয়মের পেছনে কোনো দালালচক্র বা অভ্যন্তরীণ যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হলে জালিয়াতি চক্রের প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।
লিখিত, মৌখিক কিংবা ব্যবহারিক—কোনো পরীক্ষায় অংশ না নিয়েও পেয়েছেন নিয়োগপত্র। সেই নিয়োগপত্র হাতে কর্মস্থলে যোগ দিতে এসে আটক হয়েছেন এক চাকরিপ্রার্থী। এ ঘটনায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অভ্যন্তরীণ জালিয়াতি বা দালালচক্র জড়িত কি না তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সুজা মিয়া (৩২)। তিনি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার কুকড়াপাড় গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা যায়, দুটি প্লাম্বার পদসহ মোট ১৯টি শূন্য পদে ৩১ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কাছে যোগদানের চিঠি পাঠানো হয়। সুজা মিয়া গত ৩ ফেব্রুয়ারি নিয়োগপত্র পান বলে জানা গেছে।
রোববার বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগ দিতে গেলে তাকে গাজীপুর সদর দপ্তরে যোগাযোগ করতে বলা হয়। পরে সোমবার সকালে তিনি প্লাম্বার পদে যোগ দিতে ব্রি’র সদর দপ্তরে উপস্থিত হন। সদর দপ্তরে কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। দেখা যায়, তার অ্যাডমিট কার্ডে অন্য ব্যক্তির ছবি সংযুক্ত ছিল। যার ছবি ছিল, তার নাম মিলন মিয়া। অর্থাৎ সব পরীক্ষায় তার হয়ে অন্য কেউ অংশ নিয়েছেন।
জিজ্ঞাসাবাদে সুজা মিয়া দাবি করেন, তিনি ‘মিলন মিয়া’কে চেনেন না। তবে শ্রীবরদী এলাকার মাহবুব নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে সাত লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেন। পরে ব্রি কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
গাজীপুর সদর থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে ব্রি কর্তৃপক্ষ এক ব্যক্তিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অনিয়মের পেছনে কোনো দালালচক্র বা অভ্যন্তরীণ যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হলে জালিয়াতি চক্রের প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৮
যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম।
আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়।
আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে আসামিও মাথা দিয়ে আঘাত করে। পরে হামলাকারীরা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যশোরের কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম।
আহতরা হলেন- কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। তাদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুই পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, তিনটি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) কে গ্রেপ্তারে ওই রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালায় কেশবপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আসামিকে নিয়ে ফেরার পথে হঠাৎ মসজিদের মাইকে ‘পুলিশ আসামিকে মেরে ফেলেছে’ এমন মিথ্যা ঘোষণা দেওয়া হয়।
এ ঘোষণার পরপরই ৫০ থেকে ৬০ জন লোক জড়ো হয়ে মব সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা পুলিশের কাছ থেকে আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে ছিনিয়ে নেয়।
আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, ‘আসামিকে আটকের পর হঠাৎ লোকজন হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে আসামিও মাথা দিয়ে আঘাত করে। পরে হামলাকারীরা তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এতে তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে পলাতক আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ইমামের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে মমিনপুর কবরস্থানের কাছে তিনি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
নিহত রমজান আলী (৭০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মোরাদ আলীর ছেলে। তিনি বেতবাড়িয়া মসজিদের ইমাম ছিলেন।
চুয়াডাঙ্গা জিআরপি ফাঁড়ির কর্মকর্তা জগদীশ চন্দ্র বসু জানান, বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আপ সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনটি চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে আসছিল। এ সময় রমজান আলী রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান।
তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১০
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।
নওগাঁর পত্নীতলায় বোরকা পরে নারী সেজে ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে এক যুবক ধরা পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার নজিপুর বাজার এলাকার মামুন ফিলিং স্টেশন এ ঘটনা ঘটে। তবে ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মেসার্স মামুন ফিলিং স্টেশন মালিকের ছেলে অভি বলেন, গতকাল রাতে পাম্পে গ্রাহকদের প্রচুর ভিড় ছিল।
এ সময় সময় লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে যানবাহন চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে তেল বিক্রি এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। হঠাৎ করে বোরখা পরে এক যুবক তেল নিতে আসে পাম্পে। বিষয়টি প্রথমেই ধরে ফেলেন সাধারণ মানুষ। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে গেলে যুবককে দ্রুত সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
অভি আরও বলেন, তেল সংকটের ফলে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করে তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। নারী সেজে আগে তেল পাওয়ার আশায় হয়তো তিনি এই কাজ করেছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.