
১৬ জুন, ২০২৫ ১৬:১৪
নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তাসহ একাধিক নদ-নদী বালুখেকোদের আগ্রাসনে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। প্রতিদিন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশ ভেঙে যাচ্ছে, কমছে নাব্য, ধসছে তীর। সরকার অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকলেও স্থানীয় প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শুষ্ক মৌসুমে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা, বুড়ি তিস্তা, কুমলাই, নাউতারাসহ একাধিক নদ-নদীর পানি শুকিয়ে চর জেগে উঠলে একশ্রেণির প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটতে শুরু করে। অভিযোগ উঠেছে, এলাকাভিত্তিক আধিপত্য বিস্তার করে লাখ লাখ টাকার বালু বাণিজ্য চলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ বালু তোলার পেছনে একটি শক্তিশালী চক্র জড়িত, যার মধ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা রয়েছেন। তারা অবৈধ বালু তোলার মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হলেও সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব এবং নদী হারাচ্ছে তার নাব্য।
ইজারাদারদের তথ্যমতে, উপজেলার তিস্তা, বুড়ি তিস্তা ও নাউতারা নদীর বিভিন্ন ঘাট থেকে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক্টর দিয়ে কয়েক লক্ষাধিক টাকার বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করছে এই চক্রটি। নদী তীরের মানুষের অভিযোগ, প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেই চলছে এই রমরমা বালু বাণিজ্যের ব্যবসা। তাদের ভাষ্য, স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন নদীর পাড়ে এসে টাকা নিয়ে যায়, আর রাজনৈতিক দলের কিছু স্থানীয় নেতা পাহারা দেন।
ডিমলার নাউতারা ইউনিয়নের পূর্ব সাতজান, শালহাটি বাজার, পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের কলোনি বাজার, খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পাগলপাড়া, টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের তেলির বাজার, তিস্তা বাজার, ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ছোটখাতা গ্রোয়িং (তিস্তা নদীর বাঁধ), ডিমলা সদর ইউনিয়নের নটাবাড়ী (বুড়ি তিস্তা নদী) ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের কুমলাই নদী ঘুরে দেখা গেছে, গ্রামীণ জনপদের ভেতর দিয়ে একের পর এক ট্রাক্টর নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে এভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করে এলাকার প্রভাবশালীসহ এই চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এলাকার প্রভাবশালীর নির্দেশে নদীর পাড় থেকে বালু ও মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে অসাধু চক্রটি। ভয়ে কেউ কথা বলতে পারছে না। প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। বালু উত্তোলনের ফলে প্রতিনিয়ত ভাঙছে নদীর তীর, পরিবর্তন হচ্ছে গতিপথ, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য এবং ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভয়ে কেউ বাধা দিতে সাহস পায় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন। এই বালু দিয়ে বাড়ি, রাস্তাসহ বিভিন্ন ভরাটের ব্যবসা করছে এই চক্রটি। নাউতারা নদীর সাতজান এলাকায় গভীর করে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে এর খেসারত দিতে হয় নদীর ধারের জমির মালিকদের। ক্ষতি হয় ফসলি জমির, অনেক গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
ওসমান গনি নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, গুটিকয়েক লোকের স্বার্থ হাসিলের জন্য অথবা ব্যক্তিগত লাভবান হওয়ার জন্য এভাবে সর্বনাশ মেনে নেওয়া যায় না। এ ক্ষতি রোধ করতে হবে। অবিলম্বে এই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কেউ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থেকে সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছে কি না, সেটা তদন্ত করে বের করতে হবে।
গোলজার হোসেন নামে এক ঠিকাদার জানান, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ থেকে ইজারা নিয়ে তিনি বিপাকে পড়েছেন। কারণ অবৈধভাবে যারা বালু তুলছে, তারা কম দামে বিক্রি করছে। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে বৈধ ইজারাদারদের। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে কেউ ইজারা নেবে না এবং সরকারের ঘরে রাজস্বও বন্ধ হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি কার্যকর হওয়া বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ২০১০ সালের মূল আইনের এই সংশোধিত সংস্করণটি পরিবেশগত ক্ষতি প্রতিরোধ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সরকারের কঠোর অবস্থানেরই ইঙ্গিত বহন করে। এছাড়া ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক যুগান্তকারী রায়ে ঘোষণা করে যে, বাংলাদেশের সব নদী একটি ‘আইনি সত্তা’ (legal entity) হিসেবে গণ্য হবে। এর ফলে নদীগুলো ব্যক্তির মতো আইনি অধিকার লাভ করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান জানান, যারা অবৈধভাবে বালু বা মাটি উত্তোলন করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তাসহ একাধিক নদ-নদী বালুখেকোদের আগ্রাসনে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। প্রতিদিন অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের ফলে নদীর তলদেশ ভেঙে যাচ্ছে, কমছে নাব্য, ধসছে তীর। সরকার অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকলেও স্থানীয় প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শুষ্ক মৌসুমে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা, বুড়ি তিস্তা, কুমলাই, নাউতারাসহ একাধিক নদ-নদীর পানি শুকিয়ে চর জেগে উঠলে একশ্রেণির প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটতে শুরু করে। অভিযোগ উঠেছে, এলাকাভিত্তিক আধিপত্য বিস্তার করে লাখ লাখ টাকার বালু বাণিজ্য চলে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ বালু তোলার পেছনে একটি শক্তিশালী চক্র জড়িত, যার মধ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা রয়েছেন। তারা অবৈধ বালু তোলার মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হলেও সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব এবং নদী হারাচ্ছে তার নাব্য।
ইজারাদারদের তথ্যমতে, উপজেলার তিস্তা, বুড়ি তিস্তা ও নাউতারা নদীর বিভিন্ন ঘাট থেকে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাক্টর দিয়ে কয়েক লক্ষাধিক টাকার বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করছে এই চক্রটি। নদী তীরের মানুষের অভিযোগ, প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করেই চলছে এই রমরমা বালু বাণিজ্যের ব্যবসা। তাদের ভাষ্য, স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন নদীর পাড়ে এসে টাকা নিয়ে যায়, আর রাজনৈতিক দলের কিছু স্থানীয় নেতা পাহারা দেন।
ডিমলার নাউতারা ইউনিয়নের পূর্ব সাতজান, শালহাটি বাজার, পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের কলোনি বাজার, খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পাগলপাড়া, টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের তেলির বাজার, তিস্তা বাজার, ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের ছোটখাতা গ্রোয়িং (তিস্তা নদীর বাঁধ), ডিমলা সদর ইউনিয়নের নটাবাড়ী (বুড়ি তিস্তা নদী) ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের কুমলাই নদী ঘুরে দেখা গেছে, গ্রামীণ জনপদের ভেতর দিয়ে একের পর এক ট্রাক্টর নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে এভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করে এলাকার প্রভাবশালীসহ এই চক্রটি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এলাকার প্রভাবশালীর নির্দেশে নদীর পাড় থেকে বালু ও মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে অসাধু চক্রটি। ভয়ে কেউ কথা বলতে পারছে না। প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। বালু উত্তোলনের ফলে প্রতিনিয়ত ভাঙছে নদীর তীর, পরিবর্তন হচ্ছে গতিপথ, নষ্ট হচ্ছে জীববৈচিত্র্য এবং ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ। স্থানীয়রা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভয়ে কেউ বাধা দিতে সাহস পায় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করে বলেন, কোনোভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন। এই বালু দিয়ে বাড়ি, রাস্তাসহ বিভিন্ন ভরাটের ব্যবসা করছে এই চক্রটি। নাউতারা নদীর সাতজান এলাকায় গভীর করে মাটি কাটা ও বালু উত্তোলনের ফলে প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে এর খেসারত দিতে হয় নদীর ধারের জমির মালিকদের। ক্ষতি হয় ফসলি জমির, অনেক গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
ওসমান গনি নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, গুটিকয়েক লোকের স্বার্থ হাসিলের জন্য অথবা ব্যক্তিগত লাভবান হওয়ার জন্য এভাবে সর্বনাশ মেনে নেওয়া যায় না। এ ক্ষতি রোধ করতে হবে। অবিলম্বে এই অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দোষী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কেউ এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থেকে সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছে কি না, সেটা তদন্ত করে বের করতে হবে।
গোলজার হোসেন নামে এক ঠিকাদার জানান, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ থেকে ইজারা নিয়ে তিনি বিপাকে পড়েছেন। কারণ অবৈধভাবে যারা বালু তুলছে, তারা কম দামে বিক্রি করছে। ফলে লোকসান গুনতে হচ্ছে বৈধ ইজারাদারদের। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে কেউ ইজারা নেবে না এবং সরকারের ঘরে রাজস্বও বন্ধ হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সম্প্রতি কার্যকর হওয়া বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ২০১০ সালের মূল আইনের এই সংশোধিত সংস্করণটি পরিবেশগত ক্ষতি প্রতিরোধ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সরকারের কঠোর অবস্থানেরই ইঙ্গিত বহন করে। এছাড়া ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এক যুগান্তকারী রায়ে ঘোষণা করে যে, বাংলাদেশের সব নদী একটি ‘আইনি সত্তা’ (legal entity) হিসেবে গণ্য হবে। এর ফলে নদীগুলো ব্যক্তির মতো আইনি অধিকার লাভ করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান জানান, যারা অবৈধভাবে বালু বা মাটি উত্তোলন করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

১১ মার্চ, ২০২৬ ২১:১০
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে রাজধানীর গুলিস্তান স্টেডিয়াম এলাকার সামনে একটি পদযাত্রা থেকে পুলিশ তাকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের এডিসি মো. রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে মারধরের শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক।
পুলিশ জানিয়েছিল, ফেসবুকে ‘গণকান্নার’ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে মারধর করে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
বরিশাল টাইমস
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধ্যাপক জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে রাজধানীর গুলিস্তান স্টেডিয়াম এলাকার সামনে একটি পদযাত্রা থেকে পুলিশ তাকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের এডিসি মো. রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।
এর আগে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে মারধরের শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক।
পুলিশ জানিয়েছিল, ফেসবুকে ‘গণকান্নার’ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে মারধর করে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
বাগেরহাটের মোংলায় দায়িত্ব পালনকালে নিজের অস্ত্রের গুলিতে সালেহ আহমেদ (৪২) নামের এক কোস্ট গার্ড সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের গার্ড রুমে দায়িত্ব পালনকালে সালেহ আহমেদ নিজের কাছে থাকা অস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে গুলি করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
গুলির শব্দ শুনে আশপাশে থাকা কোস্ট গার্ড সদস্য ও কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনার উপশম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর তার মরদেহ মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার প্রস্তুতি চলছে। এখান থেকে ডাক্তারি মৃত্যু সনদ সংগ্রহের পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, ‘শুনেছি কোস্ট গার্ড সদস্য সালেহ আহমেদ নিজ হাতে থাকা অস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে।’
বাগেরহাটের মোংলায় দায়িত্ব পালনকালে নিজের অস্ত্রের গুলিতে সালেহ আহমেদ (৪২) নামের এক কোস্ট গার্ড সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের গার্ড রুমে দায়িত্ব পালনকালে সালেহ আহমেদ নিজের কাছে থাকা অস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে গুলি করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
গুলির শব্দ শুনে আশপাশে থাকা কোস্ট গার্ড সদস্য ও কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনার উপশম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর তার মরদেহ মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার প্রস্তুতি চলছে। এখান থেকে ডাক্তারি মৃত্যু সনদ সংগ্রহের পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, ‘শুনেছি কোস্ট গার্ড সদস্য সালেহ আহমেদ নিজ হাতে থাকা অস্ত্র বুকে ঠেকিয়ে গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে।’

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:১৩
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ‘শিক্ষা দিতে’ এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে নাঈম হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নাঈম ওই গ্রামেরই বাসিন্দা।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাঈম হোসেনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক অশান্তি চলছিল। স্ত্রীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে নাঈম পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বাড়ি থেকে কাপড়-চোপড় গুছিয়ে ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নাঈম হোসেন গণমাধ্যমের কাছে অকপটে নিজের কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, মূলত আমার স্ত্রীকে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই আমি আরেকজনের বউকে নিয়ে পালিয়েছি।
আমার স্ত্রী আমার কথামতো চলে না, সারাক্ষণ অশান্তি করে। এজন্য আমি এই বিয়ে করেছি। তবে কিছুদিন গেলে আবার আগের স্ত্রীর কাছেই ফিরে যাব।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.